A.H Builders & engineering

A.H Builders & engineering To know the construction and engineering.how to build house.information about construction and Design

17/09/2025

বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (BDS) শুরু হয়েছে ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টকে ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে।
➡️ এটিই হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম Plot-to-Plot ডিজিটাল জরিপ, যেখানে জমি চালেন্ডার, দাগ, খতিয়ান এবং মালিকানার তথ্য স্যাটেলাইট ও ড্রোন ব্যবহার করে একসঙ্গে নজরে রাখা হবে ।

🔴🔴এতে ভূমি মালিক হিসেবে আপনার করণীয় হচ্ছেন:

✅ ধাপ–১: নিজের জমির তথ্য যাচাই করুন

আপনার জেলা > উপজেলা > মৌজা > দাগ নম্বর অনুযায়ী Plot-to-Plot ম্যাপে যান

চেক করুন —
✔️ কার নাম বসেছে
✔️ দাগ নম্বর ঠিক আছে কিনা
✔️ জমির পরিমাণ ও সীমা সঠিক চিহ্নিত হয়েছে কিনা

✅ ধাপ–২: অভিযোগ ও আপত্তি জানান দ্রুত

ম্যাপে ভুল দেখলে অনলাইনে **তৎক্ষণাৎ আপত্তি বা অভিযোগ দাখিল করুন।**

BDS-এ প্রত্যেকের জন্য ভিডিও শুনানির সুযোগ থাকবে

মনে রাখবেন—যত দ্রুত দাখিল করবেন, তত সহজ হবে সংশোধন!

✅ ধাপ–৩: দলিল-পর্চা, খাজনা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে রাখুন

রেজিস্ট্রি দলিল, খতিয়ান কপি, মিউটেশন ও খাজনা রশিদ — এগুলো আপলোডের সময় কাজে লাগবে।

ডিজিটাল ম্যাপে ফিডব্যাকে প্রয়োজন হলে এগুলো প্রয়োজন হতে পারে

✅ ধাপ–৪: স্থানীয় ভূমি অফিস/ভ্যালুয়েশন অফিসের ফোকাল পয়েন্টের সাথে যোগাযোগ করুন

Zonal Settlement Office, Upazila Settlement Office বা DC office–তে গোলযোগ মারতে সাহায্য পাবেন।

ফোন করে নির্দিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন

✅ ধাপ–৫: সুনির্দিষ্ট নজর ও ট্র্যাকিং রাখতে ভুলবেন না

Plot-to-Plot ম্যাপে আপনার সংশোধন অনুরোধের অবস্থা নিয়মিত চেক করুন।

শুনানির তারিখ, স্ট্যাটাস মেসেজ ইত্যাদি ডট-কমে পাবেন— নিয়মিত নজর রাখুন

⚠️ কেন এখনি করণীয়:

1. ✅ একবার BDS চলে গেলে আর পুরনো দলিলের ভিত্তিতে মানে হালনাগাদ যোগাযোগ করা কঠিন হবে

2. ✅ ভুল ধরলে জমি হারানোর ঝুঁকি থাকবে

3. ✅ মোবাইল-লাইনে মুহূর্তে বাধা/জন্য তদারকি করা যাবে না

✍️ আপনার করণীয়:

Plot-to-Plot ম্যাপে নিজের দাগ চেক করুন

ভুল থাকবে, এখনই অভিযোগ করুন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন

17/09/2025

BDS জরিপ শুরু হয়েছে, জমির মালিকদের জন্য ৬টি সতর্কবার্তা

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ

বাংলাদেশে শুরু হয়েছে BDS জরিপ (Bangladesh Digital Survey)। এবার জরিপ একেবারেই আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে হচ্ছে। আগে CS, SA, RS রেকর্ডে যে ভুলগুলো ছিল, তা ঠিক করার এটি শেষ সুযোগ। তাই জমির মালিকদের অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে, নইলে ভবিষ্যতে বড় বিপদের মুখে পড়তে হতে পারে।

জমির মালিকদের জন্য ৬টি সতর্কবার্তা

1. সব কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন
দলিল, খতিয়ান, নামজারি (মিউটেশন), কর রশিদ, উত্তরাধিকার সনদ – সব কিছু একত্রে রাখতে হবে। জরিপ টিম প্রমাণ চাইবে।

2. জমির দখল নিশ্চিত করুন
শুধু কাগজ নয়, জমিতে বাস্তব দখল থাকতে হবে। জমি ফাঁকা থাকলে বা অন্যের দখলে থাকলে নাম ওঠাতে সমস্যা হবে।

3. সঠিক তথ্য দিন
জরিপ কর্মকর্তাকে ভুল তথ্য দিলে ভবিষ্যতে বিপদ হতে পারে। স্বচ্ছভাবে আসল তথ্য দিতে হবে।

4. প্রতিবেশীর সাথে সীমানা মিলিয়ে নিন
পাশের জমির মালিকদের সাথে সীমানা ঠিক না থাকলে জরিপে ভুল হবে এবং পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমা হতে পারে।

5. ভুল দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আপত্তি জানান
নাম বাদ পড়লে বা জমির পরিমাণ কম-বেশি হলে সঙ্গে সঙ্গে লিখিত আপত্তি আবেদন জমা দিতে হবে।

6. ডিজিটাল রেকর্ডের গুরুত্ব বুঝুন
একবার নাম সঠিকভাবে উঠলে ভবিষ্যতে এই ডিজিটাল রেকর্ড পরিবর্তন করা কঠিন হবে। এখন ভুল করলে ভবিষ্যতে সন্তানরা ঝামেলায় পড়বে।

03/09/2025

৯। একটা বিল্ডিং এ লে আউট দেওয়া আছে আপনী কি কি চেক করবেন
উত্তর: লে আউট চেক করতে গেলে প্রথমে যে লে আউট দিয়েছে তার সাথে কথা বলতে হবে সে কোন জায়গা থেকে শুরু করেছে, তারপর গ্রীড লাইন মাপ দেখে ডায়াগোনাল মাপ পরীক্ষা করতে হবে তারপর সেট ব্যাক চেক করতে হবে সব কিছু ঠিক থাকলে পাইল থাকলে পাইল পয়েন্ট চেক করতে হবে।
১। বলুন তো বর্তমানে কোন কোন ফাউন্ডডেশন বেশী ব্যবহার হয়।
উত্তর: বর্তমানে শ্যালো ফাউন্ডডেশন ও ড্রীপ ফাউন্ডডেশন বেশী ব্যবহার হয়।
2।২০" পাইলে কাটার কত থাকে
উত্তর: ১৯" মিনিমাম
3। পাইল করার সকল যন্ত্রপাতির না জানেন বলুন
উত্তর: রিং বা তেপায়া, চিজেল বা কাটার, ফানেল, হপার বা বাকেট, ড্রিলিং রড, ট্রিমী পাইপ, মিক্সার মেশিন, ওয়েল্ডিং মেশিন, উন্স মেশিন, পানির পাম্প ইত্যাদি
৪। খাচায় কি চেক করতে হয়।
উত্তর: খাচায় দেখার বিষয় ডিজাইন অনুযায়ী ডায়া,রিং,স্পেসিং,জয়েন্ট, ল্যাপিং,উচ্চতা, ওয়েল্ডিং ইত্যাদি
৫। আচ্ছা আমরা পাইল কেন করি
উত্তর: সয়েল টেস্ট অনুযায়ী মাটির ভারবহন ক্ষমতার চেয়ে ভবনের আগত লোড বেশি হলে ড্রীপ ফাউন্ডেশন করে মাটির শক্ত স্তরে লোড টান্সফেরেন্ট করার জন্য পাইল করি।
৬। সয়েল টেস্ট রিপোট কি কি থাকে
উত্তর: মাটির ধরন, পানির লেভেল এসপিডি বলা থাকে।
৭। এসপিডি কি
উত্তর: SPT=Standard penetation test.২০। পাইলে ওয়াস কেন দেওয়া হয়
উত্তর: বোরিং এর ভিতরের কাদা মাটি পরিষ্কার করার জন্য
৮। কত সময় দেওয়া হয়
উত্তর: ৩০ মিনিট বলা হয় কিন্তু পানি পরিষ্কার না আসা পর্যন্ত করলে ভাল
৯। পাইলের মসলায় স্লাম বেশী কেন দেওয়া হয়।
উত্তর: মসলা যেন কোন পানি না টানে কারন বোরিং এর পানি ময়লা থাকে।
১০। পাইল শেষে কতদিন পরে পাইল ভাঙ্গা যায়
উত্তর: ২৮ দিন
১১। কেন ভাঙ্গতে হয় বলতে পারবেন বলেন
উত্তর: ঢালায়ের সময় পাইলের নীচের কাদা নরম মাটি পাইল ঢালায় শেষে মাথায় এসে জমা হয় ফলে পাইলের মাথার কংক্রিট দুবল হয় সেই জন্য ভাঙ্গা হয় তাছাড়া পাইলের মাথার রড গুলো বাকিয়ে ফাউন্ডেশনের সাথে জয়েন্ট দেওয়ার জন্য. আমরা সাধারন্ত পাইল ক্যাপের বটম পযর্ন্ত বলি কিন্তু শক্ত ঢালায় ও রড না পাওয়া পযর্ন্ত ভাঙ্গতে হয়।
১২। পাইলের কাভারিং কত
উত্তর: ৩"
১৩। ফুটিং পাইল ক্যাপ ঢালায়ের আগে আপনার দেখার কি কি আছে
উত্তর: ফুটিং ও পাইল ক্যাপ ঢালায়ের আগে করনিয় বিষয় সাটারিং চেক করা ছিদ্র আছে কিনা, ফুটিং সাথে পাইল রড বাইন্ডিং, ফুটিং এ রড স্পেসিং, ডিজাইন অনুযায়ী রডে ডায়া, জয়েন্ট গুলো চেক করা,পাইল ক্যাপের উপর দূবল কংক্রিট সড়ানো হয়েছে কিনা ইত্যাদি.
সব থেকে গুরুত্ব পুনো হল কলামের সেন্টার আর পাইল ক্যাপের সিজি মেলানো
১৪। কলাম বীম ছাদে কাভারিং কত
উত্তর: কলাম ১.৫", বীম ১.৫", ছাদে ৩/৪"
১৫। সট ও লং রোড কোন আগে দিতে হয়
উত্তর: ফুটি এ লং রড আগে আর সট রড পরে বসবে, স্লাবে সট রড আগে লং রড পরে বসায়।
১৬। কলাম, বীম, ছাদ ঢালায়ের আগে কি করতে চেক করবেন।
উত্তর: সাটারিং, লেভেলিং সাটারিং বাশ বেসিং কভারিং,ডায়া,স্পেসিং, কোন ছিদ্র আছে কিনা।
পর্ব =১: (প্রথমে নিজে চেষ্টা করুন । তারপর উত্তর দেখুন)
১. সিমেন্টে জিপসাম কেন ব্যবহার করা হয়?
২.কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য যে কিউব ব্যবহার করা হয় তার সাইজ কত?
৩. ০.৪৫ ওয়াটার সিমেন্ট রেশিওতে প্রতি ব্যাগ সিমেন্টে কত লিটার পানি লাগে?
৪. লেইটেন্স কি?
৫.স্লাম্প টেস্ট করা হয় কিসের সাহায্যে?
৬. স্লাম্প কোণের উপরের ও নিচের ব্যাস কত?
৭. স্লাম্প কোণের উচ্চতা কত?
৮. কংক্রিটে ৫% ভয়েড থাকলে তার শক্তি কত % হ্রাস পায়?
৯. কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য ব্যবহ্রত সিলিন্ডারের উচ্চতা ব্যাসের কত গুন?
১০. কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য সিলিন্ডারের মাপ কত?
উত্তর:
১.সিমেন্টের সেটিং টাইম বিলম্বিত করার জন্য জিপসাম ব্যবহার করা হয়।
২. ১৫ সেমি. * ১৫ সেমি. * ১৫ সেমি.
৩. ২২.৫ লিটার।
৪. কংক্রিটে পানির পরিমান বেশি হলে বাধুনীগুন সম্পন্ন পদার্থ কংক্রিটের উপরিভাগে জমিয়া এক প্রকার সাদা স্তরের সৃষ্টি করে, তাকে লেইটেন্স বলে।
৫. স্লাম্প কোণের সাহায্যে।
৬. উপরের ব্যাস ১০ সেমি. ও নিচের ব্যাস ২০ সেমি.
৭. ৩০ সেমি.
৮. ৩০%
৯. দ্বিগুন
১০. ব্যাস ১৫ সেমি. ও উচ্চতা ৩০ সেমি.
পর্ব -২
১.লিন্টেলের পুরুত্ব কত?
২. পেরাপেট ওয়ালের উচ্চতা কত?
৩. ডিপিসি এর পুরুত্ব কত?
৪. সিলিং এ প্লাস্টারের পুরুত্ব কত?
৫.এক ব্যাগ সিমেন্ট সমান কত ঘনমিটার?
৬. এক ব্যাগ সিমেন্ট কতটুকু জায়গা দখল করে?
৭.জলছাদের পুরুত্ব কত সেমি?
৮. চৌকাঠের সাইজ কত?
৯. এম.এস রডের ওজন বের করার সূত্র কি?
১০. এক ঘনমিটার এম.এস রডের ওজন কত?
উত্তর:
১. ১৫ সেমি.
২. এক মিটার।
৩. ২.৫ সেমি.
৪. ৬ মিমি.
৫. ০.০৩৩ ঘনমিটার (১.২৫ ঘনফুট)
৬. ০.৩ বর্গমিটার।
৭. ৭.৫ সেমি.
৮. ১০*৮ সেমি
৯. D2/162.2 ( D= রডের ব্যাস)
১০. ৭৮৫০ কেজি অথবা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
পর্ব -৩ =:
১.লিন্টেলের পুরুত্ব কত?
২. পেরাপেট ওয়ালের উচ্চতা কত?
৩. ডিপিসি এর পুরুত্ব কত?
৪. সিলিং এ প্লাস্টারের পুরুত্ব কত?
৫.এক ব্যাগ সিমেন্ট সমান কত ঘনমিটার?
৬. এক ব্যাগ সিমেন্ট কতটুকু জায়গা দখল করে?
৭.জলছাদের পুরুত্ব কত সেমি?
৮. চৌকাঠের সাইজ কত?
৯. এম.এস রডের ওজন বের করার সূত্র কি?
১০. এক ঘনমিটার এম.এস রডের ওজন কত?
উত্তর:
১. ১৫ সেমি.
২. এক মিটার।
৩. ২.৫ সেমি.
৪. ৬ মিমি.
৫. ০.০৩৩ ঘনমিটার (১.২৫ ঘনফুট)
৬. ০.৩ বর্গমিটার।
৭. ৭.৫ সেমি.
৮. ১০*৮ সেমি
৯. D2/162.2 ( D= রডের ব্যাস)
১০. ৭৮৫০ কেজি অথবা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
পর্ব-৪:
সড়কের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নগুলা পড়েন।
১। রাইট অব ওয়ে কাকে বলে?
২। রাইট অব ওয়ে নির্ধারনে বিবেচ্য বিষয়গুলো কি কি?
৩। রাস্তার ক্ষেত্রে পার্শ্বঢাল কত ধরা হয়?
৪।বার্ম কি?
৫। শোল্ডার কাকে বলে? এর বিস্তার কত?
৬। ফুটপথের সর্বনিম্ন প্রশস্ততা কত?
৭।গাড়ি পার্কি এর জন্য কত মিটার জায়গা রাখা হয়।
৮।মেডিয়ান স্ট্রিপ কি?
৯। বরোপিট কাকে বলে?রাস্তা থেকে বরোপিটের দুরত্ব কত হওয়া উচিত?
১০। স্পয়েল ব্যাংক কাকে বলে?
১১। সাবগ্রেড দৃঢ়াবদ্ধ করার জন্য যে রোলার ব্যবহার করা হয় তার ওজন কত?
১২। সাবগ্রেডে যে বালির স্তর প্রয়োগ করা হয় তার পুরুত্ব কত?
১৩। সাববেসের পুরুত্ব কত?
১৪। ঢালাই করার সময় ব্যবহ্রত ফর্মার পুরুত্ব কত?
১৫. ঢালাই করার কত সময় ফর্মা অপসারন করতে হবে।
১৬। ঢালাইয়ে কংক্রিট মিশ্রনের অনুপাত কত?
১৭। কংক্রিট ঢালাইয়ের পর কত ঘন্টা কিউরিং করতে হবে?
১৮। বিটুমিন রাস্তা কাকে বলে?
১৯। প্রাইমকোটে কত উচ্চতায় পাথরকুচি বিছাতে হবে এবং পাথরকুচির সাইজ কত?
২০. প্রাইমকোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?
২১। বিটুমিন পোড়ানোর তাপমাত্রা কত?
২২। ট্যাককোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?
২৩। সিলকোট কি?
২৪। সিলকোটে কত আকারের পাথরকুচি বিছানো হয়?
২৫। সিলকোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?
(ধন্যবাদ)
পর্ব -৫:
১. দালানের কয়টি অংশ ও কি কি? (২ টি অংশ। সাব স্ট্রাকচার ও সুপার স্ট্রাকচার)
২. সাব স্ট্রাকচার ও সুপার স্ট্রাকচারের অংশ সমূহ কি কি?
৩. প্লিন্থের উচ্চতা কত রাখা উচিত? (৪৫ সেমি – ৬০ সেমি.)
৪. জানালা কত উচ্চতায় হওয়া উচিত?(৭০ সেমি. -৮০ সেমি.)
৫. স্কাইলাইট, ফ্যানলাইট, সানলাইট, সানসেড ও কার্নিশ কোথায় ব্যবহ্রত হয়?
৬. ভেন্টিলেটর কি? কেন ব্যবহার করা হয়?
৭. সিল ও জ্যাম্ব কি?
৮. লিন্টেলের বিয়ারিং এবং গভীরতা কত? (বিয়ারিং ১০ সেমি. ও গভীরতা ১৫ সেমি.)
৯. সানসেড ও কার্নিশের মাপ কত? ( সানসেড ৩০ সেমি. -৪৫ সেমি., ও কার্নিশ ৪৫ সেমি. - ৬০ সেমি.)
১০. জলছাদ কি? এর পুরুত্ব কত? (পুরুত্ব ৭.৫ সেমি.)
১১. প্যারাপেট ওয়াল কি? এটি কোথায় নির্মান করা হয়? (ছাদের চারদিকে উচু করে যে ওয়াল তৈরি করা হয়)
১২. প্যারাপেট ওয়াল কত উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়? (৭৫ সেমি. – ৯০ সেমি.)
১৩. কোপিং কি? কোথায় নির্মাণ করা হয়? (প্যারাপেট ওয়ালের উপরে
পর্ব -৬:
১. ট্রেড ও রাইজার কাকে বলে?
২. ফ্লাইট কাকে বলে? একটি ফ্লাইটে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ধাপের সংখ্যা কত?(সর্বনিম্ন ৩ টি এবং সর্বোচ্চ ১৫ টি)
৩. ট্রেড ও রাইজারের মাপ কত? ( ট্রেড ২২.৫ সেমি. – ৩০ সেমি. এবং রাইজার ১২-১৯ সেমি)
৪. নোজিং কি এবং এর মাপ কত? ( ১ ইঞ্চি থেকে ১.৫ ইঞ্চি)
৫. সফিট কাকে বলে? (সিড়ির স্লাবকে সফিট বলে)
৬. হেডরুম কাকে বলে এবং এর উচ্চতা কত? (২.১০ মিটার)
৭. সিড়ির ঢাল কত ডিগ্রির মধ্যে হওয়া উচিত?( ২৫° -৪০° এর মধ্যে)
৮. সিড়ির প্রস্থ বাসভবন ও গনভবনের জন্য কত হওয়া উচিত? ( ৯০ সেমি. ও ১.৫ মিটার)
৯. কোয়ার্টার টার্ন সিড়ি ও ডগলেগড সিড়ি কাকে বলে?
১০. ট্রেড ও রাইজারের সংখ্যা বের করার নিয়ম কি?
১১. ট্রেড ও রাইাজারের মধ্যে সম্পর্ক কি?
১২. ভিত্তি কাকে বলে? ভিত্তির কাজ কি?
১৩. অগভীর ভিত্তি ও গভীর ভিত্তি কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি?
১৪. ভিত্তির গভীরতা নির্ণয়ে র্যা ঙ্কিন এর সূত্রটি লেখ। 1.ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ
সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি
ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
3. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০
কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
4. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি
এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
5. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের
ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য
ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬%
হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং
এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার
এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র
=d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার
জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড়
সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি
কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের
সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা
দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫
মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং
২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক
ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির
অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ
৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১
মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০
সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে
১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম
এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব
বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য:
(১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং
প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা
১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের
ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায়
সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট
বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায়
সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।
পব: ০৭
ক্লিয়ার কভার মেইন (রড) বারের জন্য:
১.ফুটিং:৫০ মি মি
২.র্যা ফট ফাউন্ডেশন.(টপ):৫০ মি মি
৩.র্যা ফট ফাউন্ডেশন.(বটম/সাইড):৭৫ মি মি
৪.স্ট্রাপ বিম:৫০ মি মি
৫.গ্রেড স্লাব:২০ মি মি
৬.কলাম:৪০ মি মি
৭.শিয়ার ওয়াল:২৫ মি মি
৮.বিম:২৫ মি মি
৯.স্লাব:১৫ মি মি
১০.ফ্লাট স্লাব:২০ মি মি
১১.স্টেয়ার কেস:১৫ মি মি
১২.রিটেইনিং ওয়াল:২০/২৫ মি মি অন আর্থ
১৩.ওয়াটার রিটেইনিং স্ট্রাকচার:২০/৩০ মি মি
১৪.কাস্ট ইন সিটু পাইল :৪৫০/৫০০ ডায়া মি,৫০ মি মি,৬০০ মি মি ডায়ামিটরি

শেয়ার দিয়ে পাশে থাকুন।

29/07/2025

১. সয়েল টেস্ট রিপোর্টে কি কি থাকে?
উত্তর: মাটির ধরন, পানির লেভেল এসপিডি বলা থাকে।

২. এসপিটি কি
উত্তর: SPT=Standard penetation test.

৩. লে আউট কি?
উওর: ড্রয়িং সিটে যে ড্রইং করা আছে তা হুবহ মাঠে সেট করাকে লে আউট বলে।

৪. গ্রিড লাইন কাকে বলে?
উওর: কাজ করার সুবিধার জন্য ড্রইং এ নির্দিষ্ট দূরে দূরে উওর -দক্ষিণ ও পূর্ব পশ্চিমে যে রেখাগুলো টানা হয় তাকে গ্রিড লাইন বলে।

৫. সেন্টার লাইন কাকে বলে?
উওর: যে রেখা কলাম বা ফুটিং এর ঠিক মাঝ বরাবর টানা হয় তাকে সেন্টার লাইন বলে।

৬.একটি কলাম ফুটুং এর কোন স্থানে বসবে?
উওর: কলামের সেন্টার লাইন ও ফুটিং এর সেন্টার লাইন অবশ্যই একই বিন্দুতে থাকতে হবে। বিশেষ কোন কারণ ছাড়া এর ব্যতিক্রম হতে পারবে না।

৭. Layout করার সময় মাটাম পরীক্ষা কিভাবে করা হয়?
উওর: প্রতি কর্ণারে সুতার সাহায্যে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করতে হবে। যার দুই বাহুর পরিমাপ যথাক্রমে ৩' ও ৪' এবং এর অতিভুজের পরিমাপ ৫' এর সাহায্যে প্রত্যেক কর্ণারে ৯০ ডিগ্রি সেট করা যাবে ।

৮. আচ্ছা আমরা পাইল কেন করি?
উত্তর: সয়েল টেস্ট অনুযায়ী মাটির ভারবহন ক্ষমতার চেয়ে ভবনের আগত লোড বেশি হলে ড্রীপ ফাউন্ডেশন করে মাটির শক্ত স্তরে লোড টান্সফেরেন্ট করার জন্য পাইল করি।

৯. পাইল লে আইট কিভাবে করতে হয়?
উওর: বিল্ডিং লে আউট ফাইনাল করার পর পাইল লে আউট দিতে হবে। ড্রইং অনুসারে পাইল পয়েন্ট দিতে হবে। পাইল পয়েন্ট ঠিক রাখার জন্য প্রতি পয়েন্ট এ একটি করে ৮মিমি/১০ মিমি রড ১ ফুট পরিমাণ ফুঁতে দিতে হবে। রডটির ১ বা ১.৫" বাহির করে গোড়ায় সামান্য পরিমাণ ঢালাই করে দিতে হবে। যাতে পাইল পয়েন্ট দুরে সরে না যায়।

১০. পাইলে ওয়াস কেন দেওয়া হয় কেনো?
উত্তর: বোরিং এর ভিতরের কাদা মাটি পরিষ্কার করার জন্য।

১১. কত সময় দেওয়া হয়?
উত্তর: ৩০ মিনিট বলা হয় কিন্তু পানি পরিষ্কার না আসা পর্যন্ত করলে ভাল।

১২. পাইলের মসলায় স্লাম বেশী কেন দেওয়া হয়।
উত্তর: মসলা যেন কোন পানি না টানে কারন, বোরিং এর পানি ময়লা থাকে।

১৩. পাইল শেষে কতদিন পরে পাইল ভাঙ্গা যায়?
উত্তর: ২৮ দিন।

১৪. পাইল কেন ভাঙ্গতে হয়?
উত্তর: ঢালায়ের সময় পাইলের নীচের কাদা নরম মাটি পাইল ঢালায় শেষে মাথায় এসে জমা হয় ফলে পাইলের মাথার কংক্রিট দুবল হয় সেই জন্য ভাঙ্গা হয় তাছাড়া পাইলের মাথ

23/05/2025

🥰 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে 🥰
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০টি শব্দের অর্থের তালিকা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি

শেষ কথা:
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে। সেভ করে রেখে দিন — প্রয়োজনে অমূল্য হয়ে উঠবে।

29/04/2025

পর্ব নাম্বার ৩ঃ
নবীন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ইন্টারভিউ প্রস্তুতির:
প্রয়োজনের টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্টারভিউ প্রশ্নোত্তর

G. বিল্ডিং প্ল্যানিং ও বাই-ল’স(Building Planning & By-laws)

1. FAR বা FSI বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: Floor Area Ratio বা Floor Space Index – জমির ওপর সর্বোচ্চ কতটুকু নির্মাণ করা যাবে তার অনুপাত।
2. Setback কী?
উত্তর: জমির সীমানা থেকে ভবনের দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম।
3. Sanction plan কী?
উত্তর: কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ভবন নির্মাণের নকশা।
4. Carpet area বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ঘরের অভ্যন্তরের প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য এলাকা।
5. Built-up area কী?
উত্তর: কার্পেট এরিয়া + দেয়াল ও বারান্দা সহ নির্মিত মোট এলাকা।
6. Plinth level কী?
উত্তর: ফাউন্ডেশনের উপর নির্মিত মেঝে বা মাটির উপরের প্রথম লেভেল।
7. Basement নির্মাণে কী কী নিয়ম মানতে হয়?
উত্তর: পানি নিষ্কাশন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, অনুমোদন, স্ট্রাকচারাল নিরাপত্তা।
8. Residential ও Commercial ভবনের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: ব্যবহার, ডিজাইন ও অনুমোদন নিয়মে পার্থক্য।
9. Green building কী?
উত্তর: পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নির্মাণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা ভবন।
10. Building bye-laws কারা তৈরি করে?
উত্তর: স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

H. টেস্টিং ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল (Testing & QC)

1. Cube test কী?
উত্তর: কংক্রিটের compressive strength নির্ধারণের জন্য ঘনক (cube) চাপ পরীক্ষা।
2. স্লাম্প টেস্টে কী দেখা হয়?
উত্তর: কংক্রিটের কাজযোগ্যতা (workability)।
3. Sieve analysis কেন করা হয়?
উত্তর: অ্যাগ্রিগেটের সাইজ বণ্টন নির্ধারণের জন্য।
4. Compaction factor test কী?
উত্তর: কম্প্যাকশনের মাধ্যমে কংক্রিটের কাজযোগ্যতা নির্ধারণ।
5. Rebound hammer test কী?
উত্তর: কাঠামোর উপরিভাগে কংক্রিটের শক্তি (hardness) যাচাই করার NDT পদ্ধতি।
6. NDT এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: Non-Destructive Testing
7. Water absorption test কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ইট বা স্টোন কতটা পানি শোষণ করে তা জানতে।
8. Curing এর সময়সীমা কতদিন হওয়া উচিত?
উত্তর: সাধারণত ৭–১৪ দিন (পূর্ণ শক্তির জন্য ২৮ দিন পর্যন্ত)
9. Destructive test ও Non-destructive test এর পার্থক্য কী?
উত্তর: Destructive test – নমুনা নষ্ট হয়, NDT – নমুনা অক্ষত থাকে।
10. Concrete এ air void বেশি হলে কী সমস্যা হয়?
উত্তর: Strength কমে যায় এবং durability ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

I. পরিবেশ ও পানি সম্পদ বিষয়ক প্রশ্ন

1. Rainwater harvesting কী?
উত্তর: ছাদে পড়া বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি।
2. Sewage treatment plant (STP) কী কাজ করে?
উত্তর: পয়ঃনিষ্কাশনের পানি বিশুদ্ধ করে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলে।
3. Surface drainage system কী?
উত্তর: রাস্তা বা ওপেন এরিয়ার পানি দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা।
4. Groundwater recharge কীভাবে করা হয়?
উত্তর: রেইনওয়াটার হাউজিং, পরম্পরা পদ্ধতি ইত্যাদির মাধ্যমে ভূগর্ভে পানি পাঠানো।
5. Noise pollution কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়?
উত্তর: সাউন্ডপ্রুফিং, সবুজ বেষ্টনী, নির্দিষ্ট সময়ে কনস্ট্রাকশন কাজ।
6. EIA এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: Environmental Impact Assessment
7. Tube well কিসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের জন্য।
8. Water table বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: মাটির নিচে যে স্তরে পানি পাওয়া যায়।
9. Stormwater drainage system কী?
উত্তর: বৃষ্টির পানি অপসারণের জন্য বিশেষ নালা বা পাইপ।
10. Septic tank কিভাবে কাজ করে?
উত্তর: মানববর্জ্য প্রাথমিকভাবে পচিয়ে জমা করে এবং তরল অংশ পৃথক করে।

(মিশ্র ধরণের)

1. CAD এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: Computer-Aided Design
2. AutoCAD কোথায় ব্যবহার হয়?
উত্তর: বিল্ডিং প্ল্যান, সাইট লেআউট, ডিটেইল ড্রইং তৈরিতে।
3. BOQ এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: Bill of Quantities
4. Estimate কিভাবে করা হয়?
উত্তর: পরিমাপ ও ইউনিট কস্টের ভিত্তিতে মোট খরচ নির্ধারণ।
5. Schedule of Rate কোথা থেকে পাওয়া যায়?
উত্তর: PWD, LGED, বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকাশিত বই থেকে।
6. CPM ও PERT এর পার্থক্য কী?
উত্তর: CPM – নির্ধারিত কাজের সময়, PERT – অনিশ্চিত কাজের সময় বিশ্লেষণ।
7. Critical path কী?
উত্তর: যে পথে দেরি হলে পুরো প্রকল্প দেরি হবে।
8. Construction accident হলে কী ব্যবস্থা নেবেন?
উত্তর: আহতকে প্রাথমিক চিকিৎসা, রিপোর্ট তৈরি, নিরাপত্তা মূল্যায়ন।
9. Civil Engineer-এর মধ্যে কী কী গুণ থাকা দরকার?
উত্তর: পরিশ্রম, নেতৃত্ব, বিশ্লেষণ ক্ষমতা, ফিল্ড জ্ঞান, সফটওয়্যার দক্ষতা।

01/11/2024

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ভাইভা প্রশ্ন ও উত্তর রাস্তা সম্পর্কে।
-----------------------------------------------------------------------
১। বিটুমিনাস সড়কের দুই পাশ্বে এজিং দেয়া হয় কেন?
উত্তরঃ সড়কের প্রস্হ বা এলাইনমেন্ট ঠিক রাখার জন্য,
সড়কের পাশ্ব ভাঙন প্রতিরোধ করা জন্য, সাব-বেইজ,
ওয়ারিং কোটকে যথাস্হানে ধরে রাখতে।

২। বিটুমিনাস সড়কের রাস্তায় কত ধরণের রোড মার্কিং থাকে?
উত্তরঃ ৩ ধরণের।

৩। বিটুমিনাস সড়কের দুই পাশ্বে যে ঘাসের চাপড়া লাগানো হয় তাকে কি বলে?
উত্তরঃ টারফ ।

৪। বিটুমিনাস সড়কে বামদিকে তীর চিহ্ন ও ডান দিকে তীর চিহ্ন দ্বারা কি বুঝানো হয়?
উত্তরঃ বামদিকে তীরচিহ্ন - শুধুমাএ বামদিকে চলুন এবং ডানদিকে তীর চিহ্ন - শুধুমাএ ডানদিকে চলুন।

৫। বাংলাদেশের রাস্তায় তৈরীর করে থাকেন কোন ডির্পাটমেন্ট?
উত্তরঃ Roads & Highway Department.

৬। বিটুমিন কি?
উত্তরঃ বিটুমিন কালো বা বাদামী বর্ণের বান্ধনী সম্পন্ন জৈব রাসায়নিক যৌগবিশেষ। যা রাস্তা তৈরীতে ব্যবহার করা হয়।

৭। বিটুমিনাস সড়কে মাটির ভারবহন ক্ষমতা জানার জন্য যে টেস্ট করা হয় তার নাম কি?
উত্তরঃ CBR test

৮। ক্যাম্বার কি ও কেন দেওয়া হয়?
উত্তরঃ সড়কের আড়াআড়ি ঢালকে ক্যাম্বার বলে। মূলত ক্যাম্বার দেওয়ার মূল কারণ হচ্ছে সড়ক হতে তাড়াতাড়ি পানি নিষ্কাশনের জন্য।

৯। বাংলাদেশে কোন গ্রডের বিটুমিন রাস্তায় ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ ৮০/১০০ ।

১০। বিটুমিনাস সড়কে Break line, continuous line, Double
continuous line দ্বারা কি বুঝানো হয়?
উত্তরঃ Break line- গাড়ি ওভার টেকিং করতে পারবে ।
Continuous line-গাড়ি ওভার টেকিং করতে পারবে না।
Double Continuous line- গাড়ি ওভার টেকিং করা নিষিদ
ডিজাইন ইন্টিগ্রিটি ।

১১। স্পিড-ব্রেকারেরর থেকে কম উচ্চতায় গাড়ির গতি
প্রতিরোধের জন্য ৪, ৫ টি সড়কের আড়াআড়িতে দেওয়া
হয় তার নাম কি?
উত্তরঃ রেম্বল স্ট্রিপ ।

১২। ক্রাউন ও গ্রডিয়েন্ট কি?
উত্তরঃ
ক্রাউনঃ সড়কের মাঝ বরাবরের উচুঁ জায়গাকে ক্রাউন বলে।
গ্রডিয়েন্ট ঃ সড়কের লম্বালম্বি ঢালকে গ্রডিয়েন্ট বলে।

১৩। বিটুমিনাস সড়কের সাইনবোর্ডে বৃওের মাঝে "X"
চিহ্ন দ্ধারা কি বুঝানো হয়?
উত্তরঃ গাড়ি থামানো নিষেধ।

১৪। বিটুমিনেরর কয়েকটি পরীক্ষার নাম কি কি?
উত্তরঃ Ductility, pe*******on, Bitumen content, Marshall
stability

১৫। ক্যারেজ ওয়ে বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ সড়কের দুই পাশ্বের শোল্ডারের মধ্যবতী যে
পাকা অংশের উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করে তাই
হচ্ছে ক্যারেজ ওয়ে।

১৬। বিটুমিনাস সড়ক বাংলাদেশে এত জনপ্রিয় কেন?
উত্তরঃ নিমার্ণ খরচ কম,নিমাণ ও পুনঃমেরামত সহজ,
নিমার্ণের পর খুব তাড়াতাড়ি ব্যবহার করা যায়

12/01/2024

ভূমি বিষয়ক নিম্নের তথ্যাবলী প্রত্যেকেরই জানা উচিত! “পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ইত্যাদি বিষয়ের ডেফিনেশন এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য।

১!“নামজারী” বা মিউটেশন কাকে বলে?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

২!“জমা খারিজ”কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

৩!“খতিয়ান” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে।
খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…
ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS কি?

৪!ভূমি বা Land কাকে বলে?
“ভূমি কাকে বলে?”- এর আইনী সংজ্ঞা রয়েছে। The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ২(১৬)- ধারা মতে, “ভূমি (land) বলতে আবাদি, অনাবাদি অথবা বছরের যেকোন সময় পানিতে ভরা থাকে এবং ভূমি হতে প্রাপ্ত সুফল, ঘরবাড়ি বা দালান কোঠা বা মাটির সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য দ্রব্য অথবা স্হায়ীভাবে সংযুক্ত দ্রব্য এর অন্তর্ভুক্ত বুঝাবে।”

৫! ভূমি জরিপ/রেকর্ড কাকে বলে? ভূমি জরিপ হচ্ছে ভূমির মালিকানা সম্বলিত ইতিহাসের সরেজমিন ইতিবৃত্ত।
আইনী সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ
এবং নকশা তৈরী করে তাই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিরবণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু এটা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপ নির্ণয় করা হয়। এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানা সম্পর্কিত তখ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে। রেকর্ড বা জরিপ
প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্ত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো হচ্ছে;
1. CS -Cadastral Survey
2. SA- State Acquisition Survey (1956)
3. RS -Revitionel Survey
4. PS – Pakistan Survey
5. BS- Bangladesh Survey (1990)

ক) সি.এস. জরিপ/রেকর্ড (Cadastral Survey)
“সিএস” হলো Cadastral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৯ সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়। এই জরিপে বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সমস্ত জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। প্রথম জরিপ হলেও এই জরিপ প্রায় নির্ভূল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।
খ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়েতের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তের খাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ ছিল।
জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।
গ) আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey)
সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুটি সংশোধনক্রমে আ. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে।
ঘ) সিটি জরিপ (City Survey)
সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যবত কালে সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপের পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়।

৬!“পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

৭!“মৌজা” কাকে বলে?
যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।
৮!“তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

৯!“দাগ” নাম্বার কাকে বলে? যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।

১০!“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাকে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

১১!“খানাপুরি” কাকে বলে? জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

১২!“আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিযুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

১৩!“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

১৪!“খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।

১৫!“দাখিলা” কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।

১৬!"DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

১৭!“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

১৮!“নাল জমি” কাকে বলে?
২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়।

১৯!“খাস জমি” কাকে বলে?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।

২০!“চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজার প্রতি বরাদ্ধদ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।

২১!“ওয়াকফ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে।

২২!“মোতওয়াল্লী” কাকে বলে?
যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।

২৩!“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?
হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।

২৪!“ফরায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফরায়েজ বলে।

২৫!“ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
২৬! “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকস্তি বলে। সিকস্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকস্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

২৭!“পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

২৮!“দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।

ভূমির পরিমাপঃ

ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতকঃ
***************************
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতাংশ =১০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা = ২১৭৮ বর্গফুট
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা = ৪৩৫৬ বর্গফুট
১০০ শতাংশ = ১ একর =৪৩৫৬০বর্গফুট

কাঠা পরিমাপঃ
****************
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট/৭২১.৪৬ বর্গফুট
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ/৮০.১৬ বর্গগজ
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০.৫ কাঠা =১ একর

একরের পরিমাপঃ
******************
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ শতক = ০.৫ গন্ডা বা ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

বিঘা পরিমাপঃ
*************
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট /১৪৫২০বর্গফুট
১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ/১৬১৩ বর্গগজ
১ বিঘা = ২০ কাঠা
৩ বিঘা ৮ ছটাক = ১.০০ একর

লিঙ্ক পরিমাপঃ
****************
১লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি /৭.৯২ ইঞ্চি
১লিঙ্ক =০.৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল
১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক
১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর

কানি একর শতকে ভূমির পরিমাপঃ
*******************************
১ কানি = ২০ গন্ডা
১ গন্ডা = ২ শতক
১ শতক =২ কড়া
১ কড়া = ৩ কন্ট ১ কন্ট = ২০ তিল

ফুট এর হিসাবঃ
*****************
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ গন্ডা = ৮৬৪ বর্গফুট
১ শতক= ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ কড়া = ২১৭.৮ বর্গফুট
১ কন্ট = ৭২ বর্গফুট
১ তিল= ৩.৬ বর্গফুট

বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ
*********************************
৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা
১৪৫২০বর্গফুট = ১ বিঘা
৪৮.৪০ বর্গগজ = ০১ শতাংশ
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
৭২১.৪৬ বর্গফুট = ১ কাঠা
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক
২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A.H Builders & engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to A.H Builders & engineering:

Share