Darad Varieties Machineries Company

Call Directions Contact the business

Darad  Varieties  Machineries Company আমরা চাই একটি সুখী সুন্দর দেশ।যেখানে অন্তত তিন বেলা খেয়ে মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে। www.machinelagbe.com

কেয়ামতের যুদ্ধের জন‍্যও প্রস্তুত ইরান!!!এবার হামলা হলে পাল্টা হামলা ভয়ংকর হবে বলে হুশিয়ারি ইরানের!!!ইরান বিশ্বের মধ‍্যে ...
13/10/2026

কেয়ামতের যুদ্ধের জন‍্যও প্রস্তুত ইরান!!!
এবার হামলা হলে পাল্টা হামলা ভয়ংকর হবে বলে হুশিয়ারি ইরানের!!!
ইরান বিশ্বের মধ‍্যে অন‍্যতম সুপিরিয়র মিসাইল সুপার পাওয়ার কান্ট্রি!!!
ইতিমধ্যে প্রমানিত যে যুদ্ধটা হচ্ছে সমানে সমানে
একজন এয়ার র সুপিরিয়র সুপার পাওয়ার কান্ট্রি আরেকজন মিসাইল সুপিরিয়র সুপার পাওয়ার কান্ট্রি!!!
দুনিয়া ধংসের যুদ্ধেও প্রস্তুত ইরান!!!
যতই দিন যাচ্ছে ইরানের যুদ্ধ প্রস্থুতি ততই শানীত হচ্ছে!!!
বোমায় কারখানা ধ্বংস হয় না, ইরানের প্রতিরোধও না!

মাসের পর মাস আমেরিকা ও ইসরায়েল বোমা ফেলেছে। লক্ষ্য ছিল একটাই — ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শক্তিকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হলো উল্টো। তেহরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কারখানা শুধু টিকিয়েই রাখেনি, উৎপাদন আরও বাড়িয়েছে।

পশ্চিমা গোয়েন্দারাও এখন স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে, ইরান এখনো ব্যালিস্টিক ও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পূর্ণ ক্ষমতা ধরে রেখেছে। কারণ ইরানের শক্তি মাটির উপরে নয়, মাটির নিচে।

পাহাড়ের ভেতরের শহরকে বোমা দিয়ে হারানো যায় না:

ইরানের কারখানা কোনো খোলা মাঠে নয়। পাহাড়ের ভেতরে, শত শত মিটার গভীর সুড়ঙ্গে তৈরি তার মিসাইল সিটি। আমেরিকা সেতু ভেঙেছে, রাস্তা ভেঙেছে, সুড়ঙ্গের মুখ ধসিয়ে দিয়েছে — ইরান কয়েক দিনের মধ্যে আবার খুলে ফেলেছে। স্যাটেলাইট ছবিতেই প্রমাণ, ভেতরের অস্ত্র, মেশিন, ল্যাব সব অক্ষত আছে। এটাই ইরানের কৌশলগত গভীরতা, যা কোনো বিমান হামলা দিয়ে শেষ করা যায় না।

দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো বিশ্বকে চমকে দিয়েছে:

২০২৬ সালের বসন্তের যুদ্ধের পর ইরান যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাতে ইসরায়েলি কর্মকর্তারাই হতবাক। তারা ভেবেছিল ইরান মাসের পর মাস উঠতে পারবে না। অথচ আজ ইরান আবার প্রতি মাসে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। ইসরায়েলি ক্ষতি সত্ত্বেও ভূগর্ভস্থ কারখানাগুলোতে উৎপাদন থামেনি, বরং তিন গুণ বেড়েছে।

ইরান একা নয়, রাশিয়া পাশে আছে:

একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা নিজেই বলেছে, রাশিয়া ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে। কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ড্রোনের যন্ত্রাংশ, বিস্ফোরক আসছে, গোপনে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করছে মস্কো। অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞা, বোমা — কোনো কিছুই ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। তেহরান নিজে তৈরি করছে, বাইরে থেকেও পাচ্ছে।

হরমুজ প্রণালী আজও ইরানের নিয়ন্ত্রণে:

আমেরিকা বলেছিল হরমুজ নিরাপদ করবে। বাস্তবে হরমুজ আজ আরও বেশি ইরানের হাতে। এক সপ্তাহে ১২টি ট্যাঙ্কারে হামলা — যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ। মিনাবের জেলেরা যে হেলিকপ্টারের ভিডিও তুলেছে, সেটা প্রমাণ করে এই সমুদ্রে কার আইন চলে।

যুদ্ধ ছড়িয়েছে, কিন্তু ইরানের বিরুদ্ধে নয়, আমেরিকার বন্ধুদের বিরুদ্ধে:

সৌদি আরব, যে আমেরিকার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র, সে আজ ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। ১৩ জুলাই থেকে হুথিরা সৌদির নৌ-অবরোধ দিয়েছে, রিয়াদে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে। আমেরিকা ইরানকে ঘিরতে গিয়ে নিজের মিত্রদেরই যুদ্ধের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।

৮ কোটি ডলারের ট্যাঙ্কার — আমেরিকা নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে:

আমেরিকার উপসাগর থেকে চীনে তেল নিতে এখন একটি ট্যাঙ্কার ভাড়া ৮ কোটি ডলার, আগে ছিল ৮৬ লাখ। এই ভাড়া একটি স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেট উৎক্ষেপণের চেয়েও বেশি — ৭ কোটি ৪০ লাখের রকেটের চেয়ে ৮ কোটির ট্যাঙ্কার দামি।

এর ফলে এশিয়া আমেরিকান তেল কেনা বন্ধ করে দিচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ বেশি দাম দিচ্ছে। বোমা ফেলেছে ইরানের ওপর, কিন্তু খরচ দিচ্ছে পুরো বিশ্ব।

পেন্টাগন এখন আবার তিন দিনের নতুন বোমা হামলার পরিকল্পনা করছে। কারণ আগের মাসের পর মাস বোমা হামলা ব্যর্থ হয়েছে।

এই অভিযান ইরানের শক্তি শেষ করতে পারেনি, বরং প্রমাণ করেছে — ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি ধ্বংস করার মতো নয়। ইরান পিছিয়ে যায়নি, বরং আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে, আর সেই ব্যর্থতার ৮ কোটি ডলারের বিল গুনছে আমেরিকাই।
ইরান এই যুদ্ধে ঘুরে দাড়িয়েছে!আক্রমনের জবাব পাল্টা আক্রমন দিয়ে দিয়েছে!!!
যতই দিন যাচ্ছে ইরানের অস্র মজুত ততই বাড়ছে!!
সমরাস্রে নতুন চমকও আনতে যাচ্ছে!!!
শেষ পর্যন্ত জিতবে ইরানই ইনশাআল্লাহ!!!
অলরেডি তারা
স্থল অভিযানে যেতে পারছে না!!
হরমুজ খুলতে পারছে না!!!
রেজিমতো চেন্জ করা কোনভাবেই সম্ভব নয়!!!
তাহলে উপায়!হ‍্যা এই উপায় নিয়েই চুলচেড়া বিশ্লেষণ করেও কিছুই পাচ্ছে না তারা!!!

তর্জনে গর্জনে ইরানই সেরা!!!ইরানের সেনাবাহিনী সমরাস্রে বিশ্বের অন‍্যতম শক্তিশালী সেটা হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দিয়েছে!!!শাহেদ সির...
12/10/2026

তর্জনে গর্জনে ইরানই সেরা!!!
ইরানের সেনাবাহিনী সমরাস্রে বিশ্বের অন‍্যতম শক্তিশালী সেটা হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দিয়েছে!!!
শাহেদ সিরিজের নতুন ড্রোনের পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে!!!
শুধু আকাশ থেকে বোমা মেরে কোন দেশ জয় করা যায় না আর ইরানে স্থল অভিযান মানে সাক্ষাত মৃত‍্যুর দুয়ারে মার্কিন সেনাদের পাঠিয়ে দিয়ে কফিন রেডি করা!!!
কত সৈন‍্য ডেপলয় করবেন!!!
পৃথিবীর ইতিহাসে ইরানি একমাত্র দেশ যার সেনাবাহিনী দুইটি একটি আইআরজিসি আরেকটি আরতেশ!!!
👉আমেরিকা ও ইজরাইল মিলে ইরানে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

👉ইজরাইল ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান এনে জড়ো করা হয়েছে। এবার ইজরাইল, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে থেকে হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

👉মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রায় ২০০ টি রিফুয়েলিং বিমান আনা হয়েছে।

সৌদি আরবের তেল ও কাতারের গ্যাস রক্ষা করতে দুইটি প্যাট্টিয়ট সিস্টেম দিয়েছে আমেরিকা।

👉মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্য মার্কিন তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী "সিওডির রুজভেল্ট" ইতিমধ্যে সান দিয়েগো থেকে ছেড়েছে। রণতরীতে প্রায় ১০ হাজার সেনা রয়েছে।

👉যুদ্ধ চালিয়ে যেতে ইরানের পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে। ইতিমধ্যে ১০ লাখ মানুষকে রিক্রট করে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়েছে। যুদ্ধে অংশ নিতে বিপুল সংখ্যক নারীকে প্রশিক্ষয়ণ দিচ্ছে আইআরজিসি।

👉গত সাত মাসের যুদ্ধে আমেরিকা- ইজরাইলকে সহযোগিতা করার জন্য মিশরকে ৩২ হাজার কোটি ডলার পুরস্কার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার। বেশিরভাগ মুসলিম রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে আমেরিকা ও ইজরাইলকে সহযোগিতা করছে। আগামীতে ঐসব দালাল রাষ্ট্রের পরিণতি হবে ভয়ংকর।
আগুন লাগিয়েছে আমেরিকা নিভানোর দায়িত্ব কি পুরো পৃথিবীর????
যেখানে ভুল গোয়েন্দা তথ‍্য সেখানে কন্টিনিউ না করে আরো জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার না করে মানে মানে কেটে পড়াই কি বুদ্ধিমানের কাজ হতো না!!!!
রাত পোহালেই যেমন আধার কেটে যায় তেমনি ইরানিরাও ধৈর্য্য ধরে এগিয়ে যাচ্ছে কাঙ্ক্ষিত সকালের লক্ষ্যে ইনশাআল্লাহ

দুনিয়া ধংসের যুদ্ধেও প্রস্তুত ইরান!!!যতই দিন যাচ্ছে ইরানের যুদ্ধ প্রস্থুতি ততই শানীত হচ্ছে!!!বোমায়  কারখানা ধ্বংস হয় না...
11/10/2026

দুনিয়া ধংসের যুদ্ধেও প্রস্তুত ইরান!!!
যতই দিন যাচ্ছে ইরানের যুদ্ধ প্রস্থুতি ততই শানীত হচ্ছে!!!
বোমায় কারখানা ধ্বংস হয় না, ইরানের প্রতিরোধও না!

মাসের পর মাস আমেরিকা ও ইসরায়েল বোমা ফেলেছে। লক্ষ্য ছিল একটাই — ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শক্তিকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হলো উল্টো। তেহরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কারখানা শুধু টিকিয়েই রাখেনি, উৎপাদন আরও বাড়িয়েছে।

পশ্চিমা গোয়েন্দারাও এখন স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে, ইরান এখনো ব্যালিস্টিক ও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পূর্ণ ক্ষমতা ধরে রেখেছে। কারণ ইরানের শক্তি মাটির উপরে নয়, মাটির নিচে।

পাহাড়ের ভেতরের শহরকে বোমা দিয়ে হারানো যায় না:

ইরানের কারখানা কোনো খোলা মাঠে নয়। পাহাড়ের ভেতরে, শত শত মিটার গভীর সুড়ঙ্গে তৈরি তার মিসাইল সিটি। আমেরিকা সেতু ভেঙেছে, রাস্তা ভেঙেছে, সুড়ঙ্গের মুখ ধসিয়ে দিয়েছে — ইরান কয়েক দিনের মধ্যে আবার খুলে ফেলেছে। স্যাটেলাইট ছবিতেই প্রমাণ, ভেতরের অস্ত্র, মেশিন, ল্যাব সব অক্ষত আছে। এটাই ইরানের কৌশলগত গভীরতা, যা কোনো বিমান হামলা দিয়ে শেষ করা যায় না।

দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো বিশ্বকে চমকে দিয়েছে:

২০২৬ সালের বসন্তের যুদ্ধের পর ইরান যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাতে ইসরায়েলি কর্মকর্তারাই হতবাক। তারা ভেবেছিল ইরান মাসের পর মাস উঠতে পারবে না। অথচ আজ ইরান আবার প্রতি মাসে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। ইসরায়েলি ক্ষতি সত্ত্বেও ভূগর্ভস্থ কারখানাগুলোতে উৎপাদন থামেনি, বরং তিন গুণ বেড়েছে।

ইরান একা নয়, রাশিয়া পাশে আছে:

একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা নিজেই বলেছে, রাশিয়া ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে। কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ড্রোনের যন্ত্রাংশ, বিস্ফোরক আসছে, গোপনে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করছে মস্কো। অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞা, বোমা — কোনো কিছুই ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। তেহরান নিজে তৈরি করছে, বাইরে থেকেও পাচ্ছে।

হরমুজ প্রণালী আজও ইরানের নিয়ন্ত্রণে:

আমেরিকা বলেছিল হরমুজ নিরাপদ করবে। বাস্তবে হরমুজ আজ আরও বেশি ইরানের হাতে। এক সপ্তাহে ১২টি ট্যাঙ্কারে হামলা — যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ। মিনাবের জেলেরা যে হেলিকপ্টারের ভিডিও তুলেছে, সেটা প্রমাণ করে এই সমুদ্রে কার আইন চলে।

যুদ্ধ ছড়িয়েছে, কিন্তু ইরানের বিরুদ্ধে নয়, আমেরিকার বন্ধুদের বিরুদ্ধে:

সৌদি আরব, যে আমেরিকার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র, সে আজ ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। ১৩ জুলাই থেকে হুথিরা সৌদির নৌ-অবরোধ দিয়েছে, রিয়াদে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে। আমেরিকা ইরানকে ঘিরতে গিয়ে নিজের মিত্রদেরই যুদ্ধের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।

৮ কোটি ডলারের ট্যাঙ্কার — আমেরিকা নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে:

আমেরিকার উপসাগর থেকে চীনে তেল নিতে এখন একটি ট্যাঙ্কার ভাড়া ৮ কোটি ডলার, আগে ছিল ৮৬ লাখ। এই ভাড়া একটি স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেট উৎক্ষেপণের চেয়েও বেশি — ৭ কোটি ৪০ লাখের রকেটের চেয়ে ৮ কোটির ট্যাঙ্কার দামি।

এর ফলে এশিয়া আমেরিকান তেল কেনা বন্ধ করে দিচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ বেশি দাম দিচ্ছে। বোমা ফেলেছে ইরানের ওপর, কিন্তু খরচ দিচ্ছে পুরো বিশ্ব।

পেন্টাগন এখন আবার তিন দিনের নতুন বোমা হামলার পরিকল্পনা করছে। কারণ আগের মাসের পর মাস বোমা হামলা ব্যর্থ হয়েছে।

এই অভিযান ইরানের শক্তি শেষ করতে পারেনি, বরং প্রমাণ করেছে — ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি ধ্বংস করার মতো নয়। ইরান পিছিয়ে যায়নি, বরং আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে, আর সেই ব্যর্থতার ৮ কোটি ডলারের বিল গুনছে আমেরিকাই।
ইরান এই যুদ্ধে ঘুরে দাড়িয়েছে!আক্রমনের জবাব পাল্টা আক্রমন দিয়ে দিয়েছে!!!
যতই দিন যাচ্ছে ইরানের অস্র মজুত ততই বাড়ছে!!
সমরাস্রে নতুন চমকও আনতে যাচ্ছে!!!
শেষ পর্যন্ত জিতবে ইরানই ইনশাআল্লাহ!!!

ইরানের সবকিছু শেষ করে দিতে চান বিশ্ব মোড়ল!!!জাতিসংঘে বিশ্ব প্রতিনিধিদের সামনে গর্ব করে এই কথা বললেন আবার তিনি প্রায়ই বলে...
10/10/2026

ইরানের সবকিছু শেষ করে দিতে চান বিশ্ব মোড়ল!!!
জাতিসংঘে বিশ্ব প্রতিনিধিদের সামনে গর্ব করে এই কথা বললেন আবার তিনি প্রায়ই বলেন-
ইরান শেষ!!! সব শেষ করে দিয়েছি ইরানের!!! কিছুই আর নাই!!!
বিশ্ব মোড়ল
মিথ্যা হুংকার মারতে ভালোবাসে , ইরান চালিয়ে খেলতে পছন্দ করে!!
ইরানকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবো,ইরানী সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না, ইত্যাদি ইত্যাদি।
ইরানের জবাব কথায় নয় মিসাইল ও ড্রোন এর ঝরো বৃষ্টিতে। তামা তামা হয়ে গেলো মধ্যপ্রাচ্যের আলিশান
বেস গুলো। একটু জায়গা নেই বসার। লুকিয়ে কোন হোটেলে আশ্রয় নিতে হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যদি ইরানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা না করতো তা হলে আজ হয়তো আমেরিকার বেঁচে থাকার অস্তিত্বটাই বিলুপ্ত হয়ে যেত।
তেল পানি যেমন মিশতে পারে না, তেমনি
সত্যবাদী ইমানদার কখনো মিথ্যার সঙ্গে আপোস করতে পারে না। জীবন বলিদান দেবে কিন্তু মাথা নত করতে পারবে না। ইরানীরা সেই জাতি।
39 বছর ধরে এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর‌ও আজ সুপার পাওয়ার কে নাস্তানাবুদ করে দিয়েছে। আজ হরমুজ প্রণালী বন্ধ বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা কোথায় পৌঁছাবে ভবিষ্যত বলবে।
মাথা উচু করে কি করে চোখেচোখ রেখে লড়াই করে বাচতে হয় তা ইরান শিখিয়ে দিয়েছে মুসলিম বিশ্বকে!!!
জলন্ত চারিদিকে অগ্নিকুন্ডলি পাকিয়ে কি করে অগনিগর্ভ জবাব দিতে হয় তা ইরান দেখিয়ে দিয়েছে!!!
কোন হুমকিকেই আর পরোয়া করছে না ইরান!নিজেদের সক্ষমতা ইতিমধ্যেই দেখিয়ে দিয়েছে তারা!!!
আলহামদুলিল্লাহ্

৮১ টা এয়ারক্রাফট গেছে মাত্র!!!ইরান যুদ্ধে হুশ ফেরেনি কারও!!!বলছে মধ‍্যপ্রাচ‍্যের দেশগুলোর সাথে ইরান বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে...
09/10/2026

৮১ টা এয়ারক্রাফট গেছে মাত্র!!!
ইরান যুদ্ধে হুশ ফেরেনি কারও!!!
বলছে মধ‍্যপ্রাচ‍্যের দেশগুলোর সাথে ইরান বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে!!!
ইরান বিশ্বাসঘাতক নয়—বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তারাই, যারা নিজেদের স্বার্থে পরাশক্তির দরজায় মাথা নত করেছে।
আজকাল পদলেহন কারীরা ইরানকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলতে খুব ব্যস্ত ।বিশ্বাসঘাতক বলার আগে আয়নায় সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে একবার তাকান ।
ইরানের অবস্থান নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু পররাষ্ট্রনীতিত নিজের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়াকে যদি বিশ্বাসঘাতকতা বলা হয়, তাহলে প্রশ্নটা থেকেই যায় ।
আঞ্চলিক রাজনীতিতে কারা কখন নীতি বদলেছে, কারা কার স্বার্থে অবস্থান নিয়েছে—সেই হিসাবও ইতিহাসের পাতায় রয়েছে।
আজকের প্রশ্নটা তাই আরও কঠিন: যে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেয়, সে কি বিশ্বাসঘাতক—নাকি যে নিজের স্বার্থের জন্য বারবার অবস্থান বদলায়?
দেশ মাতৃকা জন্মভুমির নিজেদের অস্তিত্বের লড়াই করছে ইরান আর অপরপক্ষ লড়ছে নিজেদের হেডম দেখাতে!!! ৮১ টি এয়ারক্রাফট আর কত সৈন‍্যের প্রান গেল সেই হিসাব কষতে শুরু করেছে হেডমওয়ালারা আর সাথে কথার জোড় তো আছেই!!!
অস্র অর্থ স্বার্থ সব ঢেলে দিয়েও ইরানে কোন কুলই পাবে না ইনশাআল্লাহ
জ্বলছে তো জ্বলছেই প্রয়োজনে আরো জ্বলবে এমনকি কেয়ামতের যুদ্ধের জন‍্যও প্রস্তুত ইরান ইনশাআল্লাহ 🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔

ইরানি আগুনে কি হচ্ছে 😯😯😯মনে হচ্ছে ঝলসে যাচ্ছে চারিদিক!!!ইরান কি সত‍্যিই লস এন্জেলস বা স‍্যান দিয়েগোর মত শহর টেক আউট করতে...
08/10/2026

ইরানি আগুনে কি হচ্ছে 😯😯😯মনে হচ্ছে ঝলসে যাচ্ছে চারিদিক!!!
ইরান কি সত‍্যিই লস এন্জেলস বা স‍্যান দিয়েগোর মত শহর টেক আউট করতে পারে তাহলে বিশ্ব মোড়ল কি বুঝাতে চেয়েছেন নাকি পুরোটাই ইলেকশনে জেতার কৌশলবানী!!!
টানা যুদ্ধ তো এর আগেও তারা করেছে কখনো কি এমন ধরনের উম্মাদটাইপ কথাবার্তা শুনেছেন তাহলে এখন কেন শুনছেন কারন আগের যুদ্ধগুলোয় তাদের এম্পায়ার খসে পড়েনি কিন্তু এবারের ইরান যুদ্ধে তাদের এম্পায়ার খসে খসে পড়ছে!!!
আজ থেকে ৮১ বছর আগে বৃটেন এম্পায়ার আটকে গিয়েছিলো সুয়েজ খালে আর এখনকার এম্পায়ার আটকে গেছে হরমুজ প্রনালীতে!!!
দিন যতই যাচ্ছে বিশ্ব ততই ইউনিপোলার থেকে মাল্টিপোলারে শিফট হচ্ছে!!!
সবই সৃষ্টিকর্তার ইশারা বুজলে ভালো না বুজলে সবই গেলো🤔🤔🤔🤔🤔

সব জায়গায় আগুন লাগিয়ে দিয়েছে ইরান!!!সম্রাজ‍্যবাদিদের শায়েস্তা করতে ইরান তার সীমানার ভিতর শত্রুদের বুকে কাপন ধরিয়ে দিয়েছে...
07/10/2026

সব জায়গায় আগুন লাগিয়ে দিয়েছে ইরান!!!
সম্রাজ‍্যবাদিদের শায়েস্তা করতে ইরান তার সীমানার ভিতর শত্রুদের বুকে কাপন ধরিয়ে দিয়েছে!!!
বাতাসে আগুন লাগে কিন্তু এবার পানিতে আগুন 🔥
লাগাবে ইরান।
ক্ষমতার অহঙ্কার!! চূর্ণ হতে সময় লাগে না ।
ওমান সাগরে অবস্থিত তিনটি রণতরী নৌবহর পিটাই খেয়ে এই মুহূর্তে ভারত মহাসাগরে ।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরো দুটি রণতরী পৌঁছাবার কথা । মোদ্দাকথা ইসরায়েলে এখন ৩,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন আছে, ৫ টা রণতরী
তে প্রায় ৯০০০ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনী, ইসরাইলের এর সেনাবাহিনী সব মিলে প্রায় ৩০০০০-৩৫০০০ সেনাবাহিনী নিয়ে ইরানের সাথে নতুন সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে!!!
ইরান তার নিজের ভান্ডার হতে আবার এক নুতুন
অস্ত্র বের করেছে। নাম Hoot’ টর্পেডো ।
ইরানি “Hoot”শব্দটি ফারসি/আরবি উৎসের এবং এর অর্থ “তিমি” (Whale)।
নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি পানির নিচে অতিদ্রুত এই অস্ত্র ,যাকে সাধারণত supercavitating torpedo হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে ইরান পারস্য উপসাগরে এর পরীক্ষা চালায় তখন এর গতি ঘণ্টায় প্রায় ২২৫–২৩৩ মাইল (প্রায় ৩৬০–৩৭৫ কিমি/ঘণ্টা)
ছিল । কাসেম বাসির এর মতো একে নুতন ভারসেনে
আপডেট করা হয়েছে। এটা কতটা ভয়ঙ্কর তার সামনে প্রকাশ করা হয় নি
সাধারণ টর্পেডো পানির ঘর্ষণের কারণে দ্রুতগতির সীমাবদ্ধতার মুখে পড়ে। Hoot-এর ক্ষেত্রে supercavitation প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা বলা হয়—অর্থাৎ অস্ত্রটির চারপাশে বাষ্প/গ্যাসের একটি গহ্বর তৈরি করে পানির সরাসরি ঘর্ষণ কমানো হয়।
ইরানের সাবমেরিন বাহিনীও দেশটির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই টর্পেডো, মাইন ও সাবমেরিন-লঞ্চড অ্যান্টি-শিপ অস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মোদ্দাকথা ইরান এ সব নামডাক করা রনতরীকে
পরোয়া করে না।
সব ধরনের মিসাইল সমরাস্র নিয়ে ইরান বসে আছে শত্রুর অপেক্ষায় যেন আসামাত্রই শত্রুর বিষদাত উপরে ফেলতে পারে ইনশাআল্লাহ!!!🤔🤔🤔🤔

হঠাৎ করে যুদ্ধ বিমান উধাও তাও আবার একটা দুটা নয় প্রায় ১৩ টা!!!এই যখন অবস্থা তখন এদেরকেই আমরা বিশ্ব নেতা মানি!!!ইরান শুধু...
06/10/2026

হঠাৎ করে যুদ্ধ বিমান উধাও তাও আবার একটা দুটা নয় প্রায় ১৩ টা!!!এই যখন অবস্থা তখন এদেরকেই আমরা বিশ্ব নেতা মানি!!!ইরান শুধু বলেছে একবার তারা তাদের ক্ষেপনাস্রের পাল্লা বাড়াতে চায় অমনি যুক্তরাজ্যের বিমান ঘাটি থেকে ১৩ টি যুদ্ধবিমান নিজেদের দেশে সরিয়ে নিয়েছেন বিশ্বমোড়ল!!এত ভয় নিয়ে কি যুদ্ধে জেতা যায় আর এটা ইরানও এখন বুঝে গেছে তাই এটা ওটা বলে মাঝে মধ‍্যেই ভড়কে দেয়😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅😅
আসল সত‍্যটা হলো বিড়াল যখন বাঘের পাট নেয় তখন সত‍্যিকার বাঘের সামনে পড়লে বিড়াল শুধু মিউ মিউ ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না আর এই চরম সত‍্যটা পুরো মুসলিম বিশ্ব যেদিন বুজবে সেইদিনই বিশ্বে মুসলিমদের জয়জয়কার শুরু হবে ইনশাআল্লাহ 🤔🤔🤔🤔🤔

পালাইছে রে পালাইছে!!!ইরান সীমান্ত থেকে ১০০০ কিলোমিটার দুরে পালাইছে😅😅😅😅 আমেরিকান পুরো নৌবহর!!! এর আগে খুব ভাব নিয়া তিনটা ...
05/10/2026

পালাইছে রে পালাইছে!!!ইরান সীমান্ত থেকে ১০০০ কিলোমিটার দুরে পালাইছে😅😅😅😅 আমেরিকান পুরো নৌবহর!!! এর আগে খুব ভাব নিয়া তিনটা রনতরী নিয়া ইরানের দিকে আগাইতেছিল আমরা তো সবাই ভয় পাইছিলাম যে বোধ হয় এইবার ইরান শেষ কিন্তু ইরান যে সজারু প্রতিরক্ষা ব‍্যবস্থা গড়ে তুলেছে তার হিসাব কিতাব দেখে রনতরী বহর ১০০০ কিলোমিটার দুরে পালাইছে!!!
ইরান তার দেশের প্রতিটি ইন্চিতে ইন্চিতে ক্ষেপনাস্র বসিয়ে রেখেছে-
1)হাজ কাশিম/ হাজ বশির স্বল্প পাল্লার ক্ষেপনাস্র
2)সেজ্জিল ক্ষেপনাস্র পাল্লা ২০০০ কিলো
3)খোররামশাহ-৪ পাল্লা ৪০০০ কিলো
4)ফাত্তাহ-1/ফাত্তাহ -2 হাইপারসনিক ক্ষেপনাস্র
এছাড়াও শাহেদ সিরিজের ড্রোন কামিকাজে ড্রোন পানির নিচের আজদহর ড্রোন সহ এন্টি ডেষ্ট্রয়ার মিসাইল পুরো দেশে ছেয়ে রয়েছে সজারুর কাটার মতো!!!!
তাই কাছে আসবেন তো ঘষা খাবেন আর এইটাতো যেনতেন ঘষা না মিসাইলেল ঘষা!!! এক ঘষায় জীবন পার😅😅😅😅😅

সবাইকে অবাক করে দিয়ে মহাকাশে ইরানের নতুন স‍্যাটেলাইল!!!আকাশে পানিতে মাটিতে আমেরিকাকে রীতিমতো ঘোল খাওয়াচ্ছে ইরান!!! একদম ...
05/10/2026

সবাইকে অবাক করে দিয়ে মহাকাশে ইরানের নতুন স‍্যাটেলাইল!!!
আকাশে পানিতে মাটিতে আমেরিকাকে রীতিমতো ঘোল খাওয়াচ্ছে ইরান!!! একদম পিওর দেশি দুধের তৈরি ঘোল😅😅😅😅😅

ইরান ঘুমিয়ে নেয় । ইরান নুতন খেলা খেলতে যাচ্ছে।
হাক ডাক করে ঢোল বাজিয়ে ইরান কিছু করে না ।
যেটা করে ভয়ঙ্কর তবে সুপরিকল্পিত ও সুস্থ মস্তিষ্কে ।
ইরানের সকল উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা একদম সঠিক
ও কৌশলে বয়ান দেন যেটা অন্যান্যদের কাছে ভারি
পরে যায় । তাদের বোঝার ক্ষমতায় থাকে না । কোন কর্মকর্তায় ভুয়ো খবর প্রচার করেন না ।
আপনাদের মনে থাকার কথা শহীদ সৌয়দ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনাইন সাহেব একবার বলেন
" জর্জ ওয়াশিংটন এয়ারক্রাফট খুবই শক্তিশালী কিন্তু তাকে ডোবানো জন্য আমাদের হাতে আরো ভয়ঙ্কর অস্ত্র আছে " । তার প্রমাণ পাওয়া গেল কাসেম বাসির মিসাইল।
ইরানের এক উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন আবার যদি
আমেরিকার আক্রমণ করে তবে চোখে চোখ রেখে জবাব দেওয়া হবে যদি তারা পারমাণবিক অস্ত্র‌ও ব্যবহার করে ।
ইরানের হাতে এমন নুতন অস্ত্র আছে যা অজানা।
খালিজ ফার্স (Khalij Fars) হলো ইরানের তৈরি একটি অ্যান্টি-শিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল। এটি মূলত সমুদ্রের জাহাজ ও নৌবহরের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
টার্মিনাল পর্যায়ে লক্ষ্য শনাক্ত/নির্দেশনার জন্য ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ব্যবস্থা ব্যবহারের কথা ইরান জানিয়েছে।
ইরানের কাছে যে পরিমানে মিসাইল রয়েছে আর কাস্পিয়ান ব‍্যাকডোর থেকে রাশিয়া যা দিচ্ছি আর আকাশে চীনের কাছ থেকে যে পরিমান সাপোর্ট পাচ্ছে আর সপ্তম আসমানের উপর থেকে আল্লাহর অশেষ যে রহমত বর্ষিত হচ্ছে তাতে বিশ্ব মোড়ল কেন সারা বিশ্ব এক হয়েও ইরানের কিছুই করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ!!!

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

01749853786

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Darad Varieties Machineries Company posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Darad Varieties Machineries Company:

Shortcuts

Share