13/10/2026
কেয়ামতের যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত ইরান!!!
এবার হামলা হলে পাল্টা হামলা ভয়ংকর হবে বলে হুশিয়ারি ইরানের!!!
ইরান বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সুপিরিয়র মিসাইল সুপার পাওয়ার কান্ট্রি!!!
ইতিমধ্যে প্রমানিত যে যুদ্ধটা হচ্ছে সমানে সমানে
একজন এয়ার র সুপিরিয়র সুপার পাওয়ার কান্ট্রি আরেকজন মিসাইল সুপিরিয়র সুপার পাওয়ার কান্ট্রি!!!
দুনিয়া ধংসের যুদ্ধেও প্রস্তুত ইরান!!!
যতই দিন যাচ্ছে ইরানের যুদ্ধ প্রস্থুতি ততই শানীত হচ্ছে!!!
বোমায় কারখানা ধ্বংস হয় না, ইরানের প্রতিরোধও না!
মাসের পর মাস আমেরিকা ও ইসরায়েল বোমা ফেলেছে। লক্ষ্য ছিল একটাই — ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শক্তিকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হলো উল্টো। তেহরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কারখানা শুধু টিকিয়েই রাখেনি, উৎপাদন আরও বাড়িয়েছে।
পশ্চিমা গোয়েন্দারাও এখন স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে, ইরান এখনো ব্যালিস্টিক ও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পূর্ণ ক্ষমতা ধরে রেখেছে। কারণ ইরানের শক্তি মাটির উপরে নয়, মাটির নিচে।
পাহাড়ের ভেতরের শহরকে বোমা দিয়ে হারানো যায় না:
ইরানের কারখানা কোনো খোলা মাঠে নয়। পাহাড়ের ভেতরে, শত শত মিটার গভীর সুড়ঙ্গে তৈরি তার মিসাইল সিটি। আমেরিকা সেতু ভেঙেছে, রাস্তা ভেঙেছে, সুড়ঙ্গের মুখ ধসিয়ে দিয়েছে — ইরান কয়েক দিনের মধ্যে আবার খুলে ফেলেছে। স্যাটেলাইট ছবিতেই প্রমাণ, ভেতরের অস্ত্র, মেশিন, ল্যাব সব অক্ষত আছে। এটাই ইরানের কৌশলগত গভীরতা, যা কোনো বিমান হামলা দিয়ে শেষ করা যায় না।
দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো বিশ্বকে চমকে দিয়েছে:
২০২৬ সালের বসন্তের যুদ্ধের পর ইরান যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাতে ইসরায়েলি কর্মকর্তারাই হতবাক। তারা ভেবেছিল ইরান মাসের পর মাস উঠতে পারবে না। অথচ আজ ইরান আবার প্রতি মাসে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। ইসরায়েলি ক্ষতি সত্ত্বেও ভূগর্ভস্থ কারখানাগুলোতে উৎপাদন থামেনি, বরং তিন গুণ বেড়েছে।
ইরান একা নয়, রাশিয়া পাশে আছে:
একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা নিজেই বলেছে, রাশিয়া ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে। কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ড্রোনের যন্ত্রাংশ, বিস্ফোরক আসছে, গোপনে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করছে মস্কো। অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞা, বোমা — কোনো কিছুই ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। তেহরান নিজে তৈরি করছে, বাইরে থেকেও পাচ্ছে।
হরমুজ প্রণালী আজও ইরানের নিয়ন্ত্রণে:
আমেরিকা বলেছিল হরমুজ নিরাপদ করবে। বাস্তবে হরমুজ আজ আরও বেশি ইরানের হাতে। এক সপ্তাহে ১২টি ট্যাঙ্কারে হামলা — যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ। মিনাবের জেলেরা যে হেলিকপ্টারের ভিডিও তুলেছে, সেটা প্রমাণ করে এই সমুদ্রে কার আইন চলে।
যুদ্ধ ছড়িয়েছে, কিন্তু ইরানের বিরুদ্ধে নয়, আমেরিকার বন্ধুদের বিরুদ্ধে:
সৌদি আরব, যে আমেরিকার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র, সে আজ ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। ১৩ জুলাই থেকে হুথিরা সৌদির নৌ-অবরোধ দিয়েছে, রিয়াদে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে। আমেরিকা ইরানকে ঘিরতে গিয়ে নিজের মিত্রদেরই যুদ্ধের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।
৮ কোটি ডলারের ট্যাঙ্কার — আমেরিকা নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে:
আমেরিকার উপসাগর থেকে চীনে তেল নিতে এখন একটি ট্যাঙ্কার ভাড়া ৮ কোটি ডলার, আগে ছিল ৮৬ লাখ। এই ভাড়া একটি স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেট উৎক্ষেপণের চেয়েও বেশি — ৭ কোটি ৪০ লাখের রকেটের চেয়ে ৮ কোটির ট্যাঙ্কার দামি।
এর ফলে এশিয়া আমেরিকান তেল কেনা বন্ধ করে দিচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ বেশি দাম দিচ্ছে। বোমা ফেলেছে ইরানের ওপর, কিন্তু খরচ দিচ্ছে পুরো বিশ্ব।
পেন্টাগন এখন আবার তিন দিনের নতুন বোমা হামলার পরিকল্পনা করছে। কারণ আগের মাসের পর মাস বোমা হামলা ব্যর্থ হয়েছে।
এই অভিযান ইরানের শক্তি শেষ করতে পারেনি, বরং প্রমাণ করেছে — ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি ধ্বংস করার মতো নয়। ইরান পিছিয়ে যায়নি, বরং আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে, আর সেই ব্যর্থতার ৮ কোটি ডলারের বিল গুনছে আমেরিকাই।
ইরান এই যুদ্ধে ঘুরে দাড়িয়েছে!আক্রমনের জবাব পাল্টা আক্রমন দিয়ে দিয়েছে!!!
যতই দিন যাচ্ছে ইরানের অস্র মজুত ততই বাড়ছে!!
সমরাস্রে নতুন চমকও আনতে যাচ্ছে!!!
শেষ পর্যন্ত জিতবে ইরানই ইনশাআল্লাহ!!!
অলরেডি তারা
স্থল অভিযানে যেতে পারছে না!!
হরমুজ খুলতে পারছে না!!!
রেজিমতো চেন্জ করা কোনভাবেই সম্ভব নয়!!!
তাহলে উপায়!হ্যা এই উপায় নিয়েই চুলচেড়া বিশ্লেষণ করেও কিছুই পাচ্ছে না তারা!!!