Institute of Water & Wastewater Research Technology- IWWRT

Institute of Water & Wastewater Research Technology- IWWRT Sharing science-based data knowledge about water and wastewater treatment as a vision to goal for Water wisdom, at your fingertips"

 =
04/11/2025

=

কোন বয়সে দিনে কতটুকু পানির প্রয়োজন।১. দিনে কতটুকু পানি প্রয়োজন, তা বয়স, আবহাওয়া, শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা, মাতৃত্ব, ওজন—...
03/10/2025

কোন বয়সে দিনে কতটুকু পানির প্রয়োজন।
১. দিনে কতটুকু পানি প্রয়োজন, তা বয়স, আবহাওয়া, শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা, মাতৃত্ব, ওজন—এ রকম নানা কিছুর ওপর নির্ভর করে।
দিনে কতটুকু পানি প্রয়োজন, তা বয়স, আবহাওয়া, শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা, মাতৃত্ব, ওজন—এ রকম নানা কিছুর ওপর নির্ভর করে।
২.শূন্য থেকে ৬ মাস বয়সী শিশুদের দশমিক ৭ লিটার (প্রায় ৩ গ্লাস) পানির প্রয়োজন। তারা সেটি মায়ের বুকের দুধ থেকেই পায়। তাই আলাদা করে পানির প্রয়োজন হয় না। এ কারণেই ল্যাকটেটিং মায়েদের (স্তন্যদানকারী মায়েরা) নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অন্তত ২ গ্লাস (আধা লিটার) বেশি পানি খাওয়া দরকার।
৩. ১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের অন্তত ১ লিটার (৪ গ্লাস) পানি খাওয়া প্রয়োজন।
৪. ৪ থেকে ৮ বছর বয়সী শিশুদের ১ দশমিক ২ লিটার (৫ গ্লাস) পানির প্রয়োজন।
৫. ৯ থেকে ১৩ বছর বয়সী মেয়েশিশুদের ১ দশমিক ৪ লিটার ও ছেলেশিশুদের ১ দশমিক ৬ লিটার পানি খাওয়া দরকার।
৬. ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোরীদের ১ দশমিক ৬ লিটার ও কিশোরদের ১ দশমিক ৯ লিটার পানি খেতে হবে।
৭. দিনে একজন পূর্ণবয়স্ক নারীর গড়ে ৮ থেকে ৯ গ্লাস এবং পুরুষের ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি খাওয়া প্রয়োজন।
৮. আপনার ওজন যত পাউন্ড, তা ২ দিয়ে ভাগ করলে যা হবে, আপনার তত আউন্স পানি খাওয়া প্রয়োজন। ধরুন, আপনার ওজন ৭০ কেজি বা ১৫৪ পাউন্ড। তাহলে আপনাকে ৭৭ আউন্স বা ২ দশমিক ৩ লিটার (প্রায় ১০ গ্লাস) পানি খেতে হবে।
৯. আপনার শরীরে যখনই পানির প্রয়োজন বা ঘাটতি হবে, তখনই পিপাসা পাবে। আবার যতটুকু পানির প্রয়োজন, ততটুকু পানি খেলেই পিপাসা মিটে যাবে। তাই হিসাব না করে শরীরের চাহিদা বা পিপাসা অনুসারে পানি খাওয়াই ভালো।
১০. প্রতিবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে ও ৩০ মিনিট পরে ১ গ্লাস করে পানি খাওয়া ভালো।
#কোন বয়সে #কতুটুকু #পানি # প্রয়োজন #
#সূত্র:বেটার হেলথ চ্যানেল

23/09/2025

ভারতের সমুদ্র সৈকত নীল নয় কেন?
ভারতীয় সমুদ্র সৈকতে স্বচ্ছ নীল পানি না থাকার প্রাথমিক কারণ হল, নদীগুলি এবং সেই ভূখণ্ড যেগুলির উপর দিয়ে নদীগুলি প্রবাহিত হয়েছে৷ সেখানে আপনি দেখতে পাবেন, যে সমস্ত ফিরোজা নীল পানি দ্বীপ থেকে আসে সেই দ্বীপগুলোতে নদী নেই। নদীগুলি পলল এবং উত্তালতা নিয়ে আসে যা পলিকে ভাসিয়ে রাখে।
অনেক ভারতীয় সমুদ্র সৈকতের পানি কয়েকটি মূল কারণে বিশ্বের অন্যান্য অংশে দেখা স্পন্দনশীল নীলের চেয়ে বাদামী বা ঘোলা দেখায়।
অনেক ভারতীয় সৈকত নদীর মুখ বা মোহনার কাছে অবস্থিত যেখানে প্রচুর পরিমাণে পলি এবং এই পলি নদী দ্বারা প্রবাহিত হয় এবং উপকূলীয় পানিতে জমা হয়। এই উচ্চ পলির ভার পানিকে একটি বাদামী বা কর্দমাক্ত চেহারা দেয়।
উপকূলীয় ভূগোল: ভারী বর্ষার বৃষ্টির সাথে মিলিত হয়ে অনেক ভারতীয় সৈকতের ক্রমশ ঢালের ফলে সমুদ্রের তল থেকে এবং উপকূলরেখা থেকে আরও বেশি ঝুলে থাকা পলল উপচে পড়ে।
নৃতাত্ত্বিক কারণ: উপকূলীয় উন্নয়নের দূষণ, শিল্পের বর্জ্য এবং অপর্যাপ্ত বর্জ্য পরিশোধনও কিছু ভারতীয় সমুদ্র সৈকতে পানির বাদামী রঙে অবদান রাখতে পারে।
ঋতুগত তারতম্য: বর্ষা ঋতুতে, নদীর প্রবাহ বৃদ্ধি এবং প্রবাহ সমুদ্র সৈকতের পানকে আরও বাদামী এবং ঘোলাটে দেখাতে পারে। শুষ্ক ঋতুতে, পানি আরও পরিষ্কার দেখা যেতে পারে।
তাই সংক্ষেপে বলা যায়, প্রাকৃতিক ভৌগলিক কারণ এবং উপকূলীয় পরিবেশের উপর মানুষের প্রভাবের সংমিশ্রণ হল পৃথিবীর অন্যান্য অংশের কিছু সমুদ্র সৈকতে পাওয়া প্রাণবন্ত নীল পানির তুলনায় অনেক ভারতীয় সমুদ্র সৈকতে পানি বাদামী বা ঘোলা চেহারার প্রাথমিক কারণ।
#ভারত সমুদ্র
#নীল নয়
quora-com.

 #পানি (water) শব্দটা কোথা থেকে এল?The word water comes from Old English wæter, from Proto-Germanic *watar (source also ...
22/09/2025

#পানি (water) শব্দটা কোথা থেকে এল?
The word water comes from Old English wæter, from Proto-Germanic *watar (source also of Old Saxon watar, Old Frisian wetir, Dutch water, Old High German wazzar, German Wasser, vatn, Gothic 𐍅𐌰𐍄𐍉 (wato)), from Proto-Indo-European *wod-or, suffixed form of root *wed- ('water'; 'wet').

পানি (water) শব্দটি এসেছে ওল্ড ইংলিশ wæter থেকে, প্রোটো-জার্মানিক *ওয়াটার (ওল্ড স্যাক্সন ওয়াটার, ওল্ড ফ্রিসিয়ান ওয়েটার, ডাচ ওয়াটার, ওল্ড হাই জার্মান ওয়াজার, জার্মান ওয়াসার, ভ্যাটন, গথিক 𐍅𐌰𐍄𐍉 (wato) এর উৎস), প্রোটো- থেকে। ইন্দো-ইউরোপীয় *wod-বা, মূলের প্রত্যয় রূপ *wed- ('জল';
'ভেজা')।
Source: wikipedia.org/wiki/Water
#কেন পানিকে "পানি" বলা হয়?
"পানি" শব্দটি একটি আধুনিক ইংরেজি শব্দ যা পুরানো ইংরেজি শব্দ wæter থেকে নেওয়া হয়েছে। পানি শব্দের ব্যুৎপত্তি (ভাষার জন্ম) আমাদের এই অত্যাবশ্যক পদার্থের সাথে মানবতার সম্পর্কের ভাষাগত অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে। ভাষা ও সংস্কৃতি জুড়ে, শব্দের বৈচিত্র্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ঐতিহাসিক প্রভাব প্রতিফলিত করে, প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপীয় (*root *wed- ('water' -'wet') থেকে আধুনিক দিনের স্থানীয় ভাষা পর্যন্ত। একটি বিষয়ে সবাই একমত হতে পারে যে পানি মানে ভেজা।
Source: https://historycooperative.org/who-invented-water/

#পানি আবিষ্কার করেন কে?
পানি, একটি প্রাকৃতিকভাবে ঘটতে থাকা যৌগ, একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি দ্বারা আবিষ্কৃত হয়নি। এটি বিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে বিদ্যমান এবং গ্রহের ভূতত্ত্ব, রসায়ন এবং জীববিদ্যায় এটি একটি মৌলিক ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর আদি গঠনের সময় থেকেই পানি বিদ্যমান। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষনীয় যে, উদ্ভাবন বা আবিষ্কার সাধারণত মানুষের দ্বারা নতুন ধারণা বা শিল্পকর্মের সৃষ্টিকে বোঝায় এবং পানি মানুষের অস্তিত্বের পূর্বেই পৃথিবীতে বিদ্যমান ছিল।

তবে রসায়নবিদ হেনরি ক্যাভেন্ডিশ (1731 - 1810), যিনি পানির গঠন আবিষ্কার করেছিলেন, যখন তিনি হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন এবং এই উপাদানগুলিকে একসাথে মিশ্রিত করেছিলেন, তখন একটি বিস্ফোরণ (অক্সিহাইড্রোজেন প্রভাব) ঘটেছিল। 1811 সালে ইতালীয় Physician Amedeo Avogadro অবশেষে পানির জন্য H2O সূত্র খুঁজে পান।
যদিও পানির একটি সাধারণ আণবিক গঠন রয়েছে, তবুও এর অনন্য শারীরিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি একমাত্র উপাদান যা আমাদের গ্রহে কঠিন, তরল এবং বায়বীয় সমষ্টিগত অবস্থায় বিদ্যমান। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলিই পানিকে এত আকর্ষণীয় এবং সমস্ত প্রাণীর জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। পানির ঘনত্ব বাতাসের তুলনায় 775 গুণ বেশি।
#পানি শব্দ উৎপত্তি
#পানি কেন পানি
# পানি আবিষ্কারক
: https://historycooperative.org/who-invented-water/

Water: the lifeblood of our Blue Planet. Its composition was only discovered in 1784. It took 27 more years for its formula to come to light. Learn who invented water!

22/09/2025

একটি প্রবাদ আছে” জ্ঞান অর্জনের জন্য যদি সুদূর চীন দেশে যাওয়া লাগে তাহলে যাও” এইটা দিয়ে জ্ঞান অর্জনের বিষয়টির গুরুত্ব বুজানো হয়েছে। অর্থাৎ আপনি কোন বিষয় ভালভাবে শিখার জন্য ঐ বিষয়টি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা জরুরী। জীবনে বা কর্মক্ষেত্রে সফলতার জন্য আপনাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট বিষয় বা কাজের উপর দক্ষতা বা পারদর্শী হতে হবে।
এই গ্রুপের মূল উদ্দেশ্য হল আড্ডার মাধ্যমে “Water & Wastewater” সম্পর্কে সঠিক বিজ্ঞান ভিত্তিক তথ্য শেয়ার করা। বর্তমানে আমরা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে দৈনিক গড়ে ৪-৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় করি (ফান ভিডিও) দেখে। এই সময় টুকু যদি আমরা বিভিন্ন ধরনের ভাল বই পড়ি বা আমদের কাজের সাথে সম্পর্কিত গ্রপের সাথে যুক্ত থাকি এবং যা শিখলাম তা শেয়ার করি। তাহলে আড্ডার সাথে সাথে আমদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়বে এবং সেই সাথে আমাদের জীবনে ও কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জিত হবে। আমরা যদি প্রতিদিন “Water & Wastewater” সম্পর্কে দুইটি করে সঠিক প্রশ্ন ও উত্তর শিখি, তাহলে ১ বছরে প্রায় ৭৩০ টি সঠিক প্রশ্ন ও উত্তর শিখতে পারব। এইভাবে যদি আপনি ৩-৪ বছর শিখতে থাকেন তাহলে দেখবেন প্রায় ৩০০০টি সঠিক প্রশ্ন ও উত্তর “Water & Wastewater” সম্পর্কে শিখতে পারবেন। আমরা বিশ্বাস করি, তখন আপনি হবেন এই বিষয়ের বিশেষজ্ঞ।তাই প্রতিদিন নতুন নতুন যা শিখলেন তা শেয়ার করবেন গ্রুপের বন্ধুদের সাথে।এভাবেই আমরা গড়ে তুলবো দেশের সেরা “Water & Wastewater” লার্নিং প্লাটফর্ম।(IWWRT Water & Wastewater Academy)

21/09/2025

#সমুদ্র নীল, নদী নীল নয় কেন?
আমরা সবাই জানি, সাগরের পানি নীল। কিন্তু কখনো কি ভেবেছি, নদীর পানি গিয়ে মিশে সাগরে, তারপরও নদীর পানি দেখতে কেন নীল নয়? দূর থেকে দেখলে কিছু নদীর পানি স্বচ্ছ, নীলচে বর্ণ দেখায়। কিন্তু কাছে গেলে দেখা যায়, নদীর পানি অনেকটা ছাইরঙা, বাদামি, সবুজ—এমনকি কালচে বর্ণের। কিন্তু কেন?
এই রহস্যের সমাধানের জন্য আমাদের সাগরে কিংবা নদীতে ডুব দিতে হবে না। বিজ্ঞানের জগতে চোখ রাখলেই এই রহস্য উন্মোচন করতে পারব। আলোর প্রতিফলন ও শোষণের ধারণা আমাদের এই রহস্য উন্মোচনে সাহায্য করবে।
সূর্য থেকে আসা আলো সাত রঙের আলোর সমষ্টি। এই সাত রঙের সাতটি তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য হলো কোনো তরঙ্গের দুটি পরপর সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব। লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। এরপর রয়েছে কমলা, সবুজ প্রভৃতি রশ্মি। আর নীল রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। যখন সূর্যের আলো কোনো বস্তুর ওপর পড়ে, তখন সেই বস্তু আলোর কিছু অংশ শোষণ করে এবং কিছু অংশ প্রতিফলিত করে। আমরা যে বস্তুটি দেখতে পাই, তার রং নির্ভর করে কোন রঙের আলোটি সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত হচ্ছে তার ওপর।
সমুদ্রের পানি অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছ। এর মানে হলো, সূর্যের লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ প্রভৃতি বর্ণের আলো পানি দিয়ে শোষিত হয়ে যায়। কিন্তু নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় পানি দ্বারা সহজে শোষিত হয় না; বরং বেশির ভাগ নীল আলোই প্রতিফলিত ও বিচ্ছুরিত হয়ে আমাদের চোখে ফিরে আসে।
নদীর পানি সাধারণত সমুদ্রের পানির তুলনায় অনেক কম স্বচ্ছ। নদীর পানিতে সাধারণত পলি, কাদা, শেওলা এবং অন্যান্য জৈব পদার্থ থাকে। এই পদার্থগুলো সূর্যের আলোর সব রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্যই শোষণ করে নেয়। ফলে নদীর পানি স্পষ্ট নীল রং ধারণ করতে পারে না। বৃষ্টির পর নদীতে পলি ও কাদার পরিমাণ কম থাকে। ফলে সেই সময় নদীর পানি নীলচে দেখায়।
আরও একটি কারণও রয়েছে। সেটি হলো, সমুদ্রের তুলনায় নদীর পানি গভীরতা অনেক কম। নীল আলো প্রতিফলিত হতে হলে পানির মধ্য দিয়ে যথেষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। কিন্তু নদীর পানি কম হওয়ায় নীল আলো পানির মধ্য দিয়ে পর্যাপ্ত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে না। ফলে নীল আলো প্রতিফলিত ও বিচ্ছুরণ এত কম হয়ে আমাদের চোখে আসে না। তাই নদীর পানি স্পষ্ট নীল রং ধারণ করে না। সাদা বা সাদার কাছাকাছি ছাই রঙের, বাদামি, সবুজ—এমনকি কালচে বর্ণের দেখায়। এর সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো এক গ্লাস পানি। যখন নদী থেকে এক গ্লাস পানি নেওয়া হয়, তখন তা সাদা ও স্বচ্ছ দেখায়। কারণ, এত কম পানি থাকায় নীল রঙের বিচ্ছুরণ চোখে পড়ার মতো নয়।
#সমুদ্র নীল
#নদী নীল নয় #
#সূত্র: সায়েন্টিফিক আমেরিকান, হাউ স্টাফ ওয়ার্কস

19/09/2025

#সমুদ্রের পানি কেন লবণাক্ত?, নদীর পানি কেন মিষ্টি??

ছোটবেলায় সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করত, ‘তোমার সমুদ্র পছন্দ, না পাহাড়?’ আমি তখনো সমুদ্র বা পাহাড় দেখিনি। বানিয়ে একেক সময় একেক রকম উত্তর দিতাম। কখনো বলতাম, সমুদ্র পছন্দ করি। কখনো বলতাম পাহাড়। যখন সমুদ্রে প্রথম গেলাম, তখন বিশাল ঢেউয়ে খেলাম হাবুডুবু। তখন বুঝলাম, সাগরের পানি ভয়ংকর লবণাক্ত। তখন মনে প্রশ্ন জাগল, পুকুর, খাল, বিল, নদী বা বৃষ্টির পানি সবই মিষ্টি। কিন্তু সব নদ-নদীই তো আবার গিয়ে মেশে সাগরে। তবে এর রহস্যটা কী, কেন শুধু সমুদ্রের পানি লবণাক্ত?

প্রশ্নটির উত্তর আছে সাগরের পানিতেই লুকিয়ে আছে। আমরা জানি, পৃথিবীর মোট আয়তনের প্রায় ৭১ শতাংশ পানি এবং ২৯ শতাংশ স্থল। পৃথিবীর বেশির ভাগ অঞ্চলজুড়ে আছে বিস্তৃত সাগর। এই সাগরের তলদেশে রয়েছে খনিজ পদার্থসমৃদ্ধ পাথর। আবার এই পাথর ইচ্ছে হলেই যে সাগরের পানিতে এসে মেশে, বিষয়টা মোটেও তা নয়। একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে সমুদ্রের পানি লবণাক্ত হয়ে উঠেছে।

প্রথমে আমাদের বায়ুমণ্ডলের বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃষ্টির পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করে তৈরি করে কার্বনিক অ্যাসিড। এই কার্বনিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ জলীয় কণা বৃষ্টি হয়ে নেমে আসে পৃথিবীতে। বৃষ্টির পানি ভাসিয়ে দেয় পুকুর, খাল-বিল, নদী-নালা, সমুদ্র। তবে বৃষ্টির পানিতে কার্বনিক অ্যাসিডের পরিমাণ সামান্য, বেশি থাকে বিশুদ্ধ পানি। এই বৃষ্টির পানি থেকে আমরা পাই বিশুদ্ধ পানি। যার জন্য নদ-নদীর পানি মিষ্টি, লবণাক্ত নয়।

আবার সমুদ্রের পানি নোনতা হওয়ার পেছনে রয়েছে একধরনের অ্যাসিড বৃষ্টি। সাগরে প্রায়ই এ ধরনের অ্যাসিড বৃষ্টি হয়। ফলে সমুদ্রের পানি হয়ে পড়ে অ্যাসিডিক। আবার সাগরের তলদেশে রয়েছে ক্ষারীয় খনিজসমৃদ্ধ মাটি ও পাথর। এরা এই অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলে ক্ষয়ে যায়। আমরা জানি, সাগরের তলদেশে আগ্নেয়গিরি অবস্থিত, যা থেকে প্রতিনিয়ত উত্তপ্ত ম্যাগমার লাভা বের হচ্ছে। এ ছাড়া সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে বিশাল খাত, গিরিখাত ও বিশালাকারের গর্ত।
সাগরের তলদেশের পানি যখন এসব খাত ও গিরিখাত ও গর্ত ঢুকে পড়ে, তখন ম্যাগমার তাপে উত্তপ্ত হয়। এই উত্তপ্ত পানিও সাগরতলের পাথর ক্ষয় করে থাকে। ফলে ক্ষারীয় খনিজ এসে মেশে সমুদ্রের পানিতে। ঘটে অ্যাসিড-ক্ষারের বিক্রিয়া। আমরা জানি, অ্যাসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে তৈরি হয় লবণ ও পানি। এভাবে সাগরের পানি হয়ে উঠেছে লবণাক্ত।
এখানেও আরেকটা মজার ব্যাপার আছে সেটা হলো, নদীর তলদেশেও তো রয়েছে ওরকম খনিজ পাথর। নদীতেও কিন্তু অ্যাসিড বৃষ্টি হয়। ফলে এসব পাথর গলে লবণ ঠিকই মেশে নদীর পানিতে। তবু নদীর পানি মিষ্টি। এর কারণ রয়েছে নদীর বৈশিষ্ট্যের মধ্যে। নদী কিন্তু স্থির নয়। মানে সদা বহমান। সেই বিশাল পাহাড় থেকে বইতে বইতে এসে পড়ে সাগরে।

নদী প্রবাহিত হওয়ার সময় মাটির লবণ ও খনিজ পদার্থ ধুয়ে সাগরে নিয়ে যায়, নদীর পানিতে এসব পদার্থ জমে থাকার সুযোগ কম। সাগরের পানি বাষ্পীভূত হয়ে আকাশে ওঠে ও বৃষ্টি হয়ে নেমে আসে। এভাবে সাগরে লবণের অনুপাত বাড়তে থাকে। নদীতে সে রকম হতে পারে না। সাগরের পানি জমা হচ্ছে চার থেকে পাঁচশ কোটি বছর ধরে, কিন্তু সে তুলনায় নদীর পানি মাত্র কয়েক লাখ বছর ধরে বয়ে চলেছে।
এই প্রবাহই পানিকে রাখে বিশুদ্ধ, লবণমুক্ত। আর সমুদ্রের বিশাল এলাকাজুড়ে ঢেউ বয়ে গেলেও, বিশাল এই সামুদ্রিক খাঁচায় বন্দীই রয়ে যায় লবণাক্ত পানি। সে জন্যই সমুদ্রের পানি লবণাক্ত আর নদীর পানি সুপেয়।

তবে বাংলাদেশে খুলনার ভৈরব, রূপসা প্রভৃতি নদীর পানি কিছুটা লবণাক্ত। এর কারণ মূলত জোয়ারের সময় নদীর মোহনায় সাগরের পানি চলে আসে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সাগরের পানির উচ্চতা বাড়ছে, এ জন্য আমাদের দেশের কিছু নদীর পানি মোহনার পরও উজানে বেশ কিছু দূর পর্যন্ত লবনাক্ত হয়ে পড়ছে।
#সুমুদ্রের পানি #
#লবানক্ত #
#নদীর পানি
#কেন মিষ্টি #
# তথ্য সুত্র@কিশোর আলো #

19/09/2025

#সমুদ্রের পানি কেন পান করা যায় না?

পৃথিবীর প্রায় একাত্তর ভাগ জুড়ে রয়েছে নীল সমুদ্র। এই বিপুল জলরাশি দেখে মনে হতে পারে যে পানির অভাব কখনোই হওয়ার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পৃথিবীর পানযোগ্য পানির পরিমাণ মাত্র ৪ ভাগ। সাগরের এই অসীম পানির ভাণ্ডার থেকে একফোঁটা পানিও আমরা পান করতে পারি না। বরং যদি কেউ সমুদ্রের পানি পান করার দুঃসাহস দেখায়, তাহলে তার পরিণতি হবে খুবই ভয়াবহ। কিন্তু এরকম হওয়ার কারণ কী?
সমুদ্রের পানি পান করলে প্রথমেই এর তীব্র নোনতা স্বাদ পাওয়া যায়। সেইসঙ্গে শুরু হয় গলায় জ্বালাপোড়া। কিছুক্ষণ পরেই শুরু হবে বমি বমি ভাব ও পেট ব্যথা। কিন্তু এগুলো তো স্রেফ শুরু। কেউ যদি কয়েক গ্লাস সমুদ্রের পানি পান করে ফেলে, তাহলে তার শরীরে ভয়ানক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। তাতে মাত্র তিন দিনের মধ্যে তার মৃত্যুও হতে পারে।
এই ভয়াবহতার মূল কারণ লুকিয়ে রয়েছে সমুদ্রের পানিতে দ্রবীভূত অতিরিক্ত লবণে। প্রতিদিন আমরা যে সুপেয় পানি পান করি, তাতে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ থাকে মাত্র ৫০০ পার্টস পার মিলিয়ন বা পিপিএম। অথচ সমুদ্রের পানিতে এই লবণের পরিমাণ ৩৫ হাজার পিপিএম। সোজা কথায়, সাধারণ পানির চেয়ে প্রায় সত্তর গুণ বেশি। এই বিপুল পরিমাণ লবণের মধ্যে রয়েছে সোডিয়াম ক্লোরাইড, ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম সালফেট, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড এবং পটাসিয়াম ক্লোরাইডের মতো নানা রাসায়নিক উপাদান।

সাগরের এই অতিরিক্ত লবণযুক্ত পানি আমাদের দেহে ঢুকলেই শুরু হয় একটি জটিল বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া যাকে বলা হয় অসমোসিস। আমাদের দেহের প্রতিটি কোষ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে ঢাকা থাকে। এর মধ্য দিয়ে পানির অণু সহজেই যাতায়াত করতে পারে, কিন্তু লবণের মতো বড় অণুগুলো সহজে যেতে পারে না। সাগরের অতিরিক্ত লবণাক্ত পানি রক্তে মিশে গেলে রক্তে লবণের ঘনত্ব বেড়ে যায়। এই ভারসাম্যহীনতা ঠিক করার জন্য অসমোটিক চাপের কারণে দেহকোষের ভেতরের পানি বাইরে বেরিয়ে এসে রক্তে মিশতে থাকে।

এই প্রক্রিয়ায় কোষগুলো পানি হারিয়ে আস্তে আস্তে সংকুচিত হতে থাকে। ফলে দেহকোষ স্বাভাবিক কাজকারবার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে থাকে। এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে ঘনত্বের ভারসাম্য না আসা পর্যন্ত। এভাবে শরীরের সব কোষ থেকে পানি শুকিয়ে যায়। ফলে দেখা দেয় চরম পানিশূন্যতা।

এদিকে শরীরের কিডনি দুটি এই অতিরিক্ত লবণ ছেঁকে বের করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু এই কাজ করতে গিয়ে তাদের প্রয়োজন হয় আরো বেশি পানির। কিন্তু শরীরে তখন চলছে পানিশূন্যতা। ফলে কিডনি দুটি অতিরিক্ত চাপে পড়ে ক্রমশ তাদের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। মাত্র তিন দিনের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ দুটি সম্পূর্ণভাবে বিকল হয়ে যেতে পারে।
শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পায়। হৃদপিণ্ড অস্বাভাবিক ছন্দে স্পন্দিত হতে থাকে। এতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের কারণও হতে পারে। অতিরিক্ত লবণের কারণে মস্তিষ্কের কোষগুলোও সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি এবং এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। ক্রমে ক্রমে ব্যক্তি দুর্বল হয়ে পড়েন এবং চেতনা হারিয়ে কোমায় চলে যেতে পারেন।

ইতিহাসে এরকম অনেক ঘটনা দেখা যায়, যেখানে সমুদ্রে জাহাজডুবির পর নাবিকরা পানির অভাবে সমুদ্রের পানি পান করে মারা গেছে। তাই জরুরি অবস্থায় কেউ সমুদ্রে আটকে পড়লে, কখনোই সমুদ্রের পানি পান করা যাবে না। বরং বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে হবে। অথবা সূর্যের তাপ ব্যবহার করে সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত করে তার ঘনীভূত পানি সংগ্রহ করে, তা পান করতে হবে।

তবে মানুষ সাগরের পানি পান করতে না পারলে কিছু সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী ও পাখি এই পানি পান করতে পারে। যেমন তিমি, সিল, অ্যালবাট্রস পেঙ্গুইন। এর কারণ সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী এই প্রাণীদের বিশেষ ধরনের কিডনি থাকে। অন্যদিকে সামুদ্রিক পাখিদের নাকে একটা বিশেষ ধরনের গ্ল্যান্ড থাকে, যা তাদের রক্ত থেকে লবণ দূর করতে পারে।
আধুনিক বিজ্ঞান এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করেছে ডিস্যালিনেশন বা লবণ অপসারণ প্রযুক্তির মাধ্যমে। বিপরীত অসমোসিস, বাষ্পীভবন কিংবা ইলেক্ট্রোডায়ালিসিসের মতো পদ্ধতি ব্যবহার করে সমুদ্রের পানি থেকে লবণ সরিয়ে তাকে পানযোগ্য করে তোলা হয়। বিশ্বের অনেক দেশ, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এই প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে তাদের পানীয় জলের চাহিদা মেটানো হয়।

সূত্র: সায়েন্টিফিক আমেরিকান ও লাইভ সায়েন্স

30/03/2025

"ঈদ মোবারক! বিশুদ্ধ পানি যেমন জীবন রক্ষা করে, তেমনি ঈমানও জীবনকে পরিশুদ্ধ করে।"
শুভেচ্ছান্তে,
ইপিএল গ্রুপ

Address

House No. #31 (Level-6), Road No. # 01, Sector-09, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Institute of Water & Wastewater Research Technology- IWWRT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Institute of Water & Wastewater Research Technology- IWWRT:

Share