বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র

বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র বিজ্ঞানের আলোয় দেখি জীবন ও জগৎ

বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জলবায়ু কর্মী, উদ্ভাবক ও শিক্ষাবিদ মি. সোনম ওয়াংচুককে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানা...
28/09/2025

বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জলবায়ু কর্মী, উদ্ভাবক ও শিক্ষাবিদ মি. সোনম ওয়াংচুককে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানাচ্ছে।

হিমালয়ের হিমবাহগুলো পৃথিবীর অন্যতম দ্রুত গলতে থাকা হিমবাহ। এর ফলে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার কোটি কোটি মানুষের পানির উৎস মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিষ্কারভাবে দেখাচ্ছে—তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও অনিয়ন্ত্রিত কর্পোরেট কর্মকাণ্ডের ফলে লাদাখসহ হিমালয়ের ভঙ্গুর ইকোসিস্টেম ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে।
এই বৈজ্ঞানিক বাস্তবতাকেই সামনে রেখে মি. ওয়াংচুক শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। তিনি ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ২১ দিনের জলবায়ু অনশন এবং পরে লেহ থেকে দিল্লি পর্যন্ত পদযাত্রার মাধ্যমে সরকারকে সতর্ক করেছেন যে, অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মারাত্মক জলবায়ু সংকটে পড়বে। তিনি লাদাখের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে রক্ষার জন্য সংবিধানগত সুরক্ষার জন্য শান্তিপূর্ণ লড়াই করছেন। তাঁকে গ্রেপ্তার করা কেবল একজন ব্যক্তির প্রতি অন্যায় নয়, বরং বৈজ্ঞানিক যুক্তির বিরুদ্ধে এক অযৌক্তিক পদক্ষেপ।

আমরা বিশ্বাস করি, কর্পোরেট স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ক্রমাগত প্রাণ প্রকৃতি ধ্বংস করতে থাকলে কেবল ভারত নয় সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া সহ পুরো পৃথিবীর ভবিষ্যৎ বিপন্ন হবে। তাই অবিলম্বে জলবায়ু কর্মী, উদ্ভাবক ও শিক্ষাবিদ মি. সোনম ওয়াংচুকের মুক্তি দাবী করছি

10/09/2025

হাইকোর্ট পান্থকুঞ্জ পার্ক ও হাতিরঝিল এর মধ্যে দিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ও সকলের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।

সরকারি ভাবে কোভিড বা করোনা ভাইরাস সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার।  নিম্নোক্ত লক্ষন থাকলে দ্রুতই ডাক্তারের পরামর্শ গ্র...
10/06/2025

সরকারি ভাবে কোভিড বা করোনা ভাইরাস সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। নিম্নোক্ত লক্ষন থাকলে দ্রুতই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন। মাস্ক পরিধান করুন।

ছবি: সংগৃহীত

#বিজ্ঞান_চর্চা_কেন্দ্র

সরকার দেশের কিছু অঞ্চলে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ বিবেচনায় জনসমাগমপূর্ণ স্থানে সকলকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়েছে। #বিজ্ঞান_চর...
06/06/2025

সরকার দেশের কিছু অঞ্চলে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ বিবেচনায় জনসমাগমপূর্ণ স্থানে সকলকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়েছে।

#বিজ্ঞান_চর্চা_কেন্দ্র

DHAKA, June 6, 2025 (BSS) – The government today urged all to wear mask in crowded areas in the backdrop

বলা হয়ে থাকে কল্পনার স্বর্গে বাস করে বেকুবেরা।আবার নিজের কল্পনা বা চিন্তাকে কোনো ছাচে ফেলে ধরে বেধে রাখার চেষ্টা কেউ করল...
26/05/2025

বলা হয়ে থাকে কল্পনার স্বর্গে বাস করে বেকুবেরা।আবার নিজের কল্পনা বা চিন্তাকে কোনো ছাচে ফেলে ধরে বেধে রাখার চেষ্টা কেউ করলে তাকে নিসন্দেহে বলা যায় সংকীর্ণ গণ্ডির মানুষ।তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়ায়? প্যারাডক্স? নিত্যনতুন এই প্যারাডক্সে ডুবছে ভাসছে সেপিয়েন্স।সে কখনো সাহসী ও সাবধানীর ভূমিকায়,কখনো বেকুব,কখনো ভাবুক। সে যাই হোক,কল্পনা করার ক্ষমতা সেপিয়েন্সের আদিম রোগ,সংক্রামক রোগ,পিছু ছাড়ে না কিছুতেই।কল্পনা করেই থেমে থাকে না,সেই কল্পনার একটা গতি করে দিতে চায় সে।নিত্যদিন ভেবে চলে,আবিষ্কারের নেশা তার নিউরনে,অস্থিমজ্জায়।খুটিয়ে খুটিয়ে যত আঙ্গিক থেকে দেখা যায় ততভাবে সে চেষ্টা করে তার মনে উকি দেওয়া প্রশ্নের উত্তর খোজার।যতক্ষণ উত্তর না মিলে ততক্ষণ ভাবনার তাড়না থেকে মুক্তি মিলে না।

যখন দেখি সাইন্স ফিকশনের দরজা ভেঙে বাস্তবে এসে হানা দেয় মানুষের করা অতীতের সব উদ্ভট কল্পনার সন্তানেরা,আশ্চর্য কি লাগে না? সৃষ্টি করার মহিমা অদ্ভুত আনন্দের আর গৌরবের।আবার একইসময়ে সমস্ত সৃষ্টি এক নিমিষে ধ্বংস করার দানবিক শক্তিও সেপিয়েন্সকে অস্থির করে তোলে।

ছবিটিতে যে কন্টাক্ট লেন্স দেখতে পাচ্ছেন এটা University Of Science And Technology of China এর গবেষকদের তৈরি করা ন্যানোপার্টিকেল মিশ্রিত সফট লেন্স যা Near-Infrared /Infrared রেডিয়েশনের 800-1600nm ওয়েভলেন্থ ডিটেক্ট করতে সক্ষম এবং এটাকে দৃশ্যমান আলোর ওয়েভলেন্থে (400-700nm)কনভার্ট করতে সক্ষম!হলিউডের সিনেমায় বা বাস্তবেও যে ব্যাটারি সাপোর্টেড ইনফ্রারেড গগলস ব্যাবহার করতে দেখা যায় তার মর্ডান ট্রান্সফরমেশন হচ্ছে এই নতুন আবিষ্কৃত কন্টাক্ট লেন্স।

সহজে বলি-নাইট ভিশন শব্দটির সাথে কি পরিচিত আমরা? হ্যা,অই যে ভ্যাম্পায়ার বাদুড়,নিশাচরদের রাতের চলাফেরা করার ক্ষমতা দেখে আমরা যারা আক্ষেপ করতাম তাদের ক্ষেত্রে এই লেন্স নাইট ভিশনের ক্যাপএবিলিটি দিব্যি দিতে পারবে।চোখ বন্ধ থাকা অবস্থায় ও ইনফ্রারেড রেডিয়েশন লেন্সের মাধ্যমে কনভার্ট হয়ে দৃশ্যমান আলোতে ইমেজ তৈরি করতে পারবে।কি মনে হচ্ছে? সুপার হিউম্যান?🤓আসলে এখানে ব্যাপারটা হচ্ছে আমাদের চোখের পাতা বন্ধ করলে সেটা দৃশ্যমান আলোকে বাধা দিতে পারে কিন্তু ইনফ্রারেড এর মতো লং ওয়েভ লেন্থ আটকানো সম্ভব না।যাই হোক,এই প্রযুক্তিকে আরো উন্নত করতে পরবর্তীতে গবেষণা প্রয়োজন।

ডাক্তারদের সার্জারী তে এই লেন্স বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।ভারী গগলসের পরিবর্তে এটি অধিক সহজে ব্যাবহার করা যাবে।আলাদা চার্জ করার ও প্রয়োজন নাই।আবার যারা কালার ব্লাইন্ড তাদের ক্ষেত্রে ও কালার ডিটেকশন এর জন্য সুবিধা হবে।এছাড়াও মোর্স কোডের মত সিগন্যাল ডিটেক্ট করা যাবে, ডিরেকশন বোঝা যাবে।তবে গবেষকরা বলছেন তৈরীকৃত ইমেজ এর কোয়ালিটি এখনো তততা উন্নত না অর্থাৎ এই প্রযুক্তি নিয়ে আরো কাজ করার সুযোগ আছে।তাছাড়া শক্তিশালী ইনফ্রারেড সিগন্যাল না পেলে ফাংশন করতে ঝামেলা হয়।এই লেন্স তৈরির আগে প্রাথমিকভাবে কিছু ইদুরের রেটিনায় ব্যাবহৃত বিশেষ ন্যানো পার্টিকেল ব্যাবহার করে পরীক্ষা করা হয়েছিল।অন্ধকারে খাবার সন্ধান করতে গিয়ে ইনফ্রারেড ডিটেক্ট করে ক্ষতিকর বাক্স বাদ দিয়ে নিরাপদ বাক্স নির্বাচনে সক্ষম হয়েছিল এক্সপেরিমেন্টাল ইদুরগুলো।সাধারণ ইদুরের ক্ষেত্রে বাক্স নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতিত্ব কাজ করে নাই।







বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

আপনি কি কখনও আপনার সহকর্মী বা শিক্ষকের সঙ্গে চা-বিরতিতে বসেন?___________________________________একজন নোবেলজয়ী পদার্থবিদ...
21/05/2025

আপনি কি কখনও আপনার সহকর্মী বা শিক্ষকের সঙ্গে চা-বিরতিতে বসেন?
___________________________________

একজন নোবেলজয়ী পদার্থবিদ ছিলেন জে. জে. থমসন – যিনি শুধু ইলেকট্রন আবিষ্কারের জন্যই বিখ্যাত নন, বরং বিকেলের চা উপভোগ করার জন্যও বেশ পরিচিত ছিলেন।

১৯০৬ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে কাজ করার জন্য, যার ফলেই ইলেকট্রন আবিষ্কার সম্ভব হয়।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাভেন্ডিশ ল্যাবরেটরিতে যখন তিনি গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখন প্রতিদিন বিকেলে একটি চা-বিরতির রেওয়াজ চালু করেন।

এই চা-বিরতিগুলো ছিল শুধু বিশ্রামের সময় নয় — বরং ছাত্রদের জন্য এটি হয়ে উঠেছিল এক মুক্ত পরিসর, যেখানে বিজ্ঞান, রাজনীতি এমনকি জীবনের নানা দিক নিয়েও খোলামেলা আলোচনা হতো।
থমসন নিজেও এই আড্ডায় অংশ নিতেন, শুধু গবেষণার দিকেই মনোযোগ দিতেন না — বরং তাঁর ছাত্রদের মনের খবরও রাখতেন।

তাঁর অনেক ছাত্র পরে জানিয়েছেন, এই চা-বিরতির সময়টাই নাকি তাঁদের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতি, কারণ এখানেই তারা খুঁজে পেয়েছিলেন একজন পথপ্রদর্শক, বন্ধু এবং চিন্তাশীল মানুষকে।

সূত্র: nobleprize.org

#বিজ্ঞান_চর্চা_কেন্দ্র
#বিজ্ঞানীস্মরণ

প্রয়াত প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ডঃ জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর (১৯৩৮–২০২৫)২০ মে ২০২৫, পুনেতে ৮৬ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন ভারতীয় মহাকাশবিজ...
20/05/2025

প্রয়াত প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ডঃ জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর (১৯৩৮–২০২৫)

২০ মে ২০২৫, পুনেতে ৮৬ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন ভারতীয় মহাকাশবিজ্ঞানী ও জনবিজ্ঞান আন্দোলনের অগ্রপথিক ডঃ জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর। তাঁর মৃত্যুতে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী আন্দোলনের এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো। বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র ড. নারলিকরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে।

ডঃ নারলিকর ছিলেন ‘হয়েল–নারলিকর তত্ত্ব’-এর সহপ্রবর্তক এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেড হোয়েলের অধীনে গবেষণা করেন। নারলিকর মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও গঠনের বিষয়ে প্রচলিত তত্ত্বের বাইরে এক নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি স্যার ফ্রেড হোয়েলের সঙ্গে মিলে এমন এক তত্ত্ব তৈরি করেন— যেখানে বলা হয়, কোনো কণার ভর বা জড়তা একা তার নিজের গুণ নয়, বরং মহাবিশ্বের অন্য সব কণার ভরের সঙ্গে সংযুক্ত। সহজভাবে বললে, এই তত্ত্ব বলছে, মহাবিশ্বে সবকিছু একে অপরের সঙ্গে যুক্ত, একটার ওপর আরেকটার প্রভাব আছে। এটি আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব ও ম্যাকের ধারণাকে একত্র করে তৈরি করা হয়েছিল।

তিনি পুনেতে IUCAA প্রতিষ্ঠা করেন এবং ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নেতৃত্ব দেন। তিনি শুধু গবেষণাতেই নয়, বিজ্ঞানপ্রচারেও ছিলেন অগ্রণী। রেডিও-টিভি ও বইয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞানকে সহজ করে জনমানসে পৌঁছে দেন। ১৯৯৬ সালে কলিঙ্গ পুরস্কার ও ২০০৪ সালে পদ্মবিভূষণ-সহ বহু সম্মানে ভূষিত হন।
বিজ্ঞানমনস্কতা ছড়িয়ে দিতে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়।
তাঁর জীবন ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

চাষের জমির চারপাশে বুনো ফুল রোপণ করুন বিশেষ করে যারা কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে চান। এই কৌশলের মূল ব্যাপারটি হলো: বুনো ফুল ...
19/05/2025

চাষের জমির চারপাশে বুনো ফুল রোপণ করুন বিশেষ করে যারা কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে চান। এই কৌশলের মূল ব্যাপারটি হলো: বুনো ফুল উপকারী পোকামাকড়, যেমন লেডিবাগ এবং কিছু ধরনের বোলতা আকর্ষণ করে, যারা এফিড ও অন্যান্য ক্ষতিকর পোকামাকড় শিকার করে। উপকারী পোকামাকড় যত বেশি হবে, কীটনাশকের ব্যবহার তত কমানো সম্ভব।

ইংল্যান্ডের Center for Ecology and Hydrology এই কৌশল নিয়ে একটি ট্রায়াল পরিচালনা করেছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই কৌশলের ফলে উপকারী পোকামাকড় পুরো খামার জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, তবে কিছু জটিলতাও দেখা দেয় এই পদ্ধতিতে। এখানে মূল সমস্যা হচ্ছে, চাষের জমির সীমানায় বুনো ফুল লাগানো মানে হচ্ছে উপকারী পোকামাকড়দের তাদের নিরাপদ আবাস ছেড়ে ক্ষেতে ঢুকে পড়া — এবং তাদের শিকারের সন্ধানে অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া। কিন্তু বেশিরভাগ উপকারী পোকামাকড় তেমন চলনক্ষম নয়। তাদের জন্য এটা বেশ কঠিন, এবং এর মানে হলো অনেক সময় তারা ক্ষেতের মাঝখানে পৌঁছাতে পারে না। ইংল্যান্ডের ১৫টি খামারে গত পাঁচ বছরে পরিচালিত এই ট্রায়ালে কৃষকরা তাদের ক্ষেতের মাঝখানে প্রতি ১০০ মিটার পরপর ছয় মিটার চওড়া বুনো ফুলের স্ট্রিপ লাগিয়েছেন। এই স্ট্রিপগুলো পোকামাকড়দের পুরো ক্ষেতজুড়ে চলাফেরা করা অনেক সহজ করে দিয়েছে (এবং জিপিএস-নির্দেশিত যন্ত্রপাতির সাহায্যে কৃষকরা সহজেই এই স্ট্রিপগুলো এড়িয়ে কাজ করতে পারছেন)। আরো একটি অতিরিক্ত সুবিধা হলো, এই নতুন পদ্ধতিটি দেখতে বেশ দৃষ্টিনন্দন। ভবিষ্যতে আরো গবেষণার মাধ্যমে হয়তো বোঝা যাবে, উপকারী পোকামাকড়ের বিস্তৃত উপস্থিতি কীটনাশকের সম্ভাব্য ক্ষতির চেয়ে বেশি উপকারে আসে কি না!

#বিজ্ঞান_চর্চা_কেন্দ্র

প্রত্নতত্ত্ববিদের থেকে পাওয়া ছোট ছোট গল্প(ইউরেনিয়ামের আবিষ্কার) ______________________________________প্রত্নতত্ত্ববিদরা ...
17/05/2025

প্রত্নতত্ত্ববিদের থেকে পাওয়া ছোট ছোট গল্প
(ইউরেনিয়ামের আবিষ্কার)
______________________________________

প্রত্নতত্ত্ববিদরা একবার রসায়নের ইতিহাসবিদদের সামনে এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য হাজির করেছিলেন। ১৯১২ সালে, নেপলসের কাছে প্রাচীন রোমান ধ্বংসাবশেষে খননকালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গুন্থার কিছু অপূর্ব সুন্দর কাঁচের মোজাইক আবিষ্কার করেন। আশ্চর্যের বিষয়, দুই হাজার বছর পরও এই কাঁচের রঙ যেন ফিকে হয়নি।

প্রাচীন রোমানরা যে রঙ ব্যবহৃত করেছিল তা নির্ধারণ করতে গুন্থার দুটি হালকা সবুজ কাঁচের নমুনা ইংল্যান্ডে পাঠান। সেগুলো পড়ে যায় রসায়নবিদ ম্যাকলির হাতে। বিশ্লেষণে বিশেষ কিছু ধরা পড়েনি, শুধু একটি অজানা অপদ্রব্য ধরা পড়ে যার পরিমাণ ছিল প্রায় দেড় শতাংশ।

কিন্তু এই অপদ্রব্যটি কী, ম্যাকলি তা বলতে পারেননি।

এ অবস্থায় একেবারে কাকতালীয়ভাবে কারো মনে হয়েছিল এই অপদ্রব্যটি কি রেডিওঅ্যাকটিভ কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা উচিত। সৌভাগ্যক্রমে, সেটি আসলেই বিকিরণ করছিল। কিন্তু এটি কোন মৌল?

রসায়নবিদরা জানালেন, অজানা এই অপদ্রব্যটি হলো ইউরেনিয়াম অক্সাইড। এটি কি কোনো নতুন আবিষ্কার? না, তেমন কিছু নয়। ইউরেনিয়াম লবণ অনেক আগেই কাঁচ রঙ করার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। সেটিই ছিল ইউরেনিয়ামের প্রথম ব্যবহারযোগ্য প্রয়োগ। তবে রোমান কাঁচে ইউরেনিয়াম সম্ভবত কাকতালীয়ভাবে মিশে গিয়েছিল।

এতে করে সেই মুহূর্তের জন্য ঘটনাটির সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু কয়েক দশক পরে, এই ভুলে যাওয়া তথ্য মার্কিন প্রত্নতত্ত্ববিদ ও রসায়নবিদ কেলির নজরে আসে।

বিস্তৃত গবেষণা, পুনঃবিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন তথ্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণের পর, কেলি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, প্রাচীন রোমান কাঁচে ইউরেনিয়ামের উপস্থিতি ছিল নিয়ম, ব্যতিক্রম নয়। রোমানরা ইউরেনিয়াম খনিজ সম্পর্কে জানত এবং তারা সেটিকে ব্যবহার করত বাস্তব প্রয়োজনে — বিশেষ করে কাঁচ রঙ করার জন্য।

সম্ভবত এখান থেকেই শুরু হয় ইউরেনিয়ামের জীবনী?

সূত্র: Today in science history

#বিজ্ঞান_চর্চা_কেন্দ্র

প্রত্নতাত্ত্বিকদের থেকে পাওয়া ছোট ছোট গল্প!(লোহার আবিষ্কার) _________________________________মানুষ কবে প্রথম লোহা ব্যবহা...
16/05/2025

প্রত্নতাত্ত্বিকদের থেকে পাওয়া ছোট ছোট গল্প!
(লোহার আবিষ্কার)
_________________________________

মানুষ কবে প্রথম লোহা ব্যবহার করা শুরু করেছিল? উত্তরটি খুব স্বাভাবিক মনে হতে পারে: যখন সে লোহার আকরিক থেকে লোহা গলিয়ে বার করার পদ্ধতি শিখেছিল।

ইতিহাসবিদরাও এই ঘটনার প্রায় সুনির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করেছেন, পৃথিবীতে "লৌহ যুগ"-এর সূচনার তারিখ হিসেবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে লৌহ যুগ শুরু হয়েছিল তারও আগে, যখন প্রাচীন ধাতববিদরা প্রাথমিক ব্লাস্ট ফার্নেসে প্রথম কিলোগ্রাম লোহা উৎপাদন করেনি। এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন শক্তিশালী বিশ্লেষণ পদ্ধতির সাহায্যে সজ্জিত রসায়নবিদরা।

মানব জাতির পূর্বপুরুষেরা যে প্রথম লোহা ব্যবহার করেছিল তা আক্ষরিক অর্থেই আকাশ থেকে পড়েছিল। আমরা যেগুলোকে "লোহার উল্কাপিণ্ড" (iron meteorites) বলি, সেগুলোতে সর্বদা লোহা ছাড়াও নিকেল ও কোবাল্ট থাকে। যখন রসায়নবিদরা প্রাচীনতম কিছু লোহার যন্ত্র বিশ্লেষণ করেন, তখন তারা সেখানে লোহার প্রতিবেশী উপাদান — কোবাল্ট ও নিকেল — খুঁজে পান, যা মেন্ডেলেয়েভের পর্যায় সারণিতে লোহার ঠিক পাশে অবস্থান করে। অথচ এই ধাতুগুলো পৃথিবীর লোহা আকরিকে সব সময় পাওয়া যায় না।

এই সিদ্ধান্ত কি একেবারে নির্ভুল? শতভাগ নয়, যাই হোক। প্রাচীন ইতিহাসের অধ্যয়ন অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। কিন্তু এখানে সত্যিই কিছু অপ্রত্যাশিত বিষয়ে মুখোমুখি হতে হয়।

সূত্র: Today in science history

#বিজ্ঞান_চর্চা_কেন্দ্র

15/05/2025

গত মঙ্গলবার, পরিবেশবাদী কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ এবং ডেনমার্কের পরিবেশবাদী সংগঠন ডেন গ্রন উঙ্গদোমসবেভেগেলস (দ্য গ্রিন ইয়ুথ মুভমেন্ট)-এর বিক্ষোভকারীরা কোপেনহেগেনের আমাগার ইস্ট অঞ্চলে অবস্থিত বৃহৎ পণ্য পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান Maersk Tankers -এর অফিসে অবস্থান নেয়।
তাদের উদ্দেশ্য ছিল Maersk Tankers এর প্রধান ব্যবসা — জীবাশ্ম জ্বালানী পরিবহন — এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো। ডজন খানেক পরিবেশকর্মী কোম্পানির সদর দপ্তরে অবস্থান নেন, তারা কাপড়ের ব্যানার মেলে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন। কিছু প্রতিবাদকারী স্প্রে বোতল ও কাপড় দিয়ে
অফিসের কাঁচের পার্টিশন পরিষ্কার করতে শুরু করেন , যা ছিল Maersk Tankers-এর কথিত "সবুজবান্ধব" প্রচারণাকে ব্যঙ্গ করার একটি প্রতীকী কর্মসূচি।
এছাড়াও তারা Maersk Tankers ভ্রাতৃপ্রতীম প্রতিষ্ঠান, এ.পি. মোলার-ম্যার্স্ক-এর দিকেও অভিযোগ তোলেন — ইসরায়েলে অস্ত্র পরিবহনের জন্য। গত এক বছরে বহু যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভকারীরাও একই অভিযোগ করে আসছে।

“আমরা দাবি জানাই যে, Maersk যেন ইসরায়েলে অস্ত্র পরিবহন বন্ধ করে, কারণ এই অস্ত্র সরাসরি ফিলিস্তিনিদের গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে আমরা এটাও চাই যে, তারা যেন তেল ও গ্যাস পরিবহনও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে,” এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী কর্মী ফ্রেয়া স্ক্রিভার বলেন।

#বিজ্ঞান_চর্চা_কেন্দ্র

আজকের এইদিনে এডওয়ার্ড জেনার, ১৭৯৬ সালের ১৪ ই মে একজন দুধ ওয়ালার হাতের ঘা থেকে কিছু অংশ সংগ্রহ করেন। ওই দুধ ওয়ালা গরু দো...
14/05/2025

আজকের এইদিনে এডওয়ার্ড জেনার, ১৭৯৬ সালের ১৪ ই মে একজন দুধ ওয়ালার হাতের ঘা থেকে কিছু অংশ সংগ্রহ করেন। ওই দুধ ওয়ালা গরু দোহনের সময় ‘কাউপক্স’ নামে পরিচিত এক ধরনের চর্মরোগে আক্রান্ত হয়েছিল। জেনার সেই সংগ্রহ করা অংশ জেমস ফিপস নামের একটি ছেলের হাতে কাটা জায়গায় মেখে দেন ও ছেলেটির শরীরে প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেন। এভাবেই আবিষ্কার হয় প্রথম ভ্যাক্সিন। বিস্তারিত জানতে নিচের লিংকে দেখুন।

Address

22/1 , Topkhana Road
Dhaka
1229

Telephone

+8801720684468

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র:

Share