31/08/2020
গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
শুধু ফরিদপুর নয় সারা বাংলাদেশেই বর্তমানে উদ্যোক্তার সংখ্যা অনেক বেশি। কিন্তু কি কাজ করলে বা কি ধরনের কাজ করলে নিজেদের উদ্যোক্তা বলা যায় তা বর্তমান বেশির ভাগ উদ্যোক্তা দাবিদাররা জানিনা। তাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ার চেষ্টা করবো। আশা করি সকলে উপকৃত হবেন।
বেশিরভাগ উদ্যোক্তারাই অন্য জায়গা থেকে পণ্য ক্রয় করে বিক্রি করেন এবং নিজেদের অনেক বড় উদ্যোক্তা বলে দাবি করেন কিন্তু প্রকৃত পক্ষে একজন উদ্যোক্তা হবে একজন ম্যানুফ্যাকচারার। যেখানে কাচামাল কিনে নতুন কিছু সম্ভাবনাময় পণ্য তৈরি করবেন এবং কয়েকজনের কর্মসংস্থানও করবেন।
ম্যানুফ্যাকচারার প্রত্যেকটা উদ্যোগই এক একটা শিল্প। এটা হয়তো আমরা বেশির ভাগ মানুষই জানিনা। আমাদের দেশের বেশির ভাগ উদ্যোক্তারা ৪টি শিল্পের আওতাধীন। (১) কুটির শিল্প (২) মাইক্রো শিল্প (৩)ক্ষুদ্র শিল্প (৪) মাঝারি শিল্প। এছাড়াও রয়েছে বিনিয়োগ শিল্প । ম্যানুফ্যাকচারার সকল ধরনের ব্যবসাই শ্বিল্পের আওতাধীন । এই ব্যবসা গুলার কিছু সরকারি নিয়ম কানুন আছে যা আমরা অধিকাংশ উদ্যোগক্তারা জানিনা বা মানিনা। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আপনার ব্যবসার ট্রেড-লাইসেন্স। এছাড়াও আপনার ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের নিবন্ধন নাম্বার। যে নাম্বার আপনার পন্যের মান কয়েকগুন বাড়িরে দিবে এবং আপনি হয়ে উঠবেন বিশ্বস্ত।
সুবিধা সমূর্হ......
১। ট্রেড-লাইসেন্স থাকলে আপনি ব্যবসার নিয়ম-নিতি মেনে ব্যবসা করছেন। এতে প্রশাসনিক কোন ঝামেলা হওয়ার সম্ভাবনা নাই।
২। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের নিবন্ধন নাম্বার থাকলে আপনি আপনার পন্যের উপর সরকার কর্তিক নিবন্ধীত নাম্বার সহ স্টিকার ব্যবহার করতে পারবেন।
৩। নিবন্ধন স্টিকার থাকলে আপনার পণ্যের মান হয়ে যাবে কয়েকগুন বেশি।
৪। আপনি হয়ে উঠবেন বিশ্বস্ত উদ্যোক্তা।
৫।আপনার পণ্যের চাহিদা কয়েকগুন বেড়ে যাবে।
৬। ঝামেনামুক্ত ব্যবসায় আপনি অনেক বেশি লাভবান হবে।
এছাড়াও আপনি অনেক ধরনের সুবিধাসমূর্হ পেয়ে থাকবেন। তা অন্য একটি পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং কোন কাজ কোন শিল্পের আওতাধীন তার বিস্তারিত আলোচন করবো। আপনি আপনার অবস্থান বুঝতে পারবেন।
এই পোস্টে যে সকল কথা গুলা বলা হয়েছে তার কোনটা আপনি মেনে চলেন এবং আপনি কোন ধরনের উদ্যোগক্তা তা কমেন্ট করে জানাবেন এবং পোস্ট দেয়ার করে সকলকে জানতে সাহায্য করবেন।