ATS Lineage Company Ltd

ATS Lineage Company Ltd The objects for which the company is established are all or any of the following all objects will be

গুরুত্বপূর্ণ পোস্টশুধু ফরিদপুর নয় সারা বাংলাদেশেই বর্তমানে উদ্যোক্তার সংখ্যা অনেক বেশি। কিন্তু কি কাজ করলে বা কি ধরনের ক...
31/08/2020

গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
শুধু ফরিদপুর নয় সারা বাংলাদেশেই বর্তমানে উদ্যোক্তার সংখ্যা অনেক বেশি। কিন্তু কি কাজ করলে বা কি ধরনের কাজ করলে নিজেদের উদ্যোক্তা বলা যায় তা বর্তমান বেশির ভাগ উদ্যোক্তা দাবিদাররা জানিনা। তাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ার চেষ্টা করবো। আশা করি সকলে উপকৃত হবেন।
বেশিরভাগ উদ্যোক্তারাই অন্য জায়গা থেকে পণ্য ক্রয় করে বিক্রি করেন এবং নিজেদের অনেক বড় উদ্যোক্তা বলে দাবি করেন কিন্তু প্রকৃত পক্ষে একজন উদ্যোক্তা হবে একজন ম্যানুফ্যাকচারার। যেখানে কাচামাল কিনে নতুন কিছু সম্ভাবনাময় পণ্য তৈরি করবেন এবং কয়েকজনের কর্মসংস্থানও করবেন।
ম্যানুফ্যাকচারার প্রত্যেকটা উদ্যোগই এক একটা শিল্প। এটা হয়তো আমরা বেশির ভাগ মানুষই জানিনা। আমাদের দেশের বেশির ভাগ উদ্যোক্তারা ৪টি শিল্পের আওতাধীন। (১) কুটির শিল্প (২) মাইক্রো শিল্প (৩)ক্ষুদ্র শিল্প (৪) মাঝারি শিল্প। এছাড়াও রয়েছে বিনিয়োগ শিল্প । ম্যানুফ্যাকচারার সকল ধরনের ব্যবসাই শ্বিল্পের আওতাধীন । এই ব্যবসা গুলার কিছু সরকারি নিয়ম কানুন আছে যা আমরা অধিকাংশ উদ্যোগক্তারা জানিনা বা মানিনা। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আপনার ব্যবসার ট্রেড-লাইসেন্স। এছাড়াও আপনার ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের নিবন্ধন নাম্বার। যে নাম্বার আপনার পন্যের মান কয়েকগুন বাড়িরে দিবে এবং আপনি হয়ে উঠবেন বিশ্বস্ত।

সুবিধা সমূর্হ......
১। ট্রেড-লাইসেন্স থাকলে আপনি ব্যবসার নিয়ম-নিতি মেনে ব্যবসা করছেন। এতে প্রশাসনিক কোন ঝামেলা হওয়ার সম্ভাবনা নাই।
২। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের নিবন্ধন নাম্বার থাকলে আপনি আপনার পন্যের উপর সরকার কর্তিক নিবন্ধীত নাম্বার সহ স্টিকার ব্যবহার করতে পারবেন।
৩। নিবন্ধন স্টিকার থাকলে আপনার পণ্যের মান হয়ে যাবে কয়েকগুন বেশি।
৪। আপনি হয়ে উঠবেন বিশ্বস্ত উদ্যোক্তা।
৫।আপনার পণ্যের চাহিদা কয়েকগুন বেড়ে যাবে।
৬। ঝামেনামুক্ত ব্যবসায় আপনি অনেক বেশি লাভবান হবে।
এছাড়াও আপনি অনেক ধরনের সুবিধাসমূর্হ পেয়ে থাকবেন। তা অন্য একটি পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং কোন কাজ কোন শিল্পের আওতাধীন তার বিস্তারিত আলোচন করবো। আপনি আপনার অবস্থান বুঝতে পারবেন।
এই পোস্টে যে সকল কথা গুলা বলা হয়েছে তার কোনটা আপনি মেনে চলেন এবং আপনি কোন ধরনের উদ্যোগক্তা তা কমেন্ট করে জানাবেন এবং পোস্ট দেয়ার করে সকলকে জানতে সাহায্য করবেন।

স্বল্প পুঁজিতে গড়ে উঠতে পারে লাভজনক মুরগির খামারঃকম সময়, কম পরিশ্রম আর স্বল্প পুঁজিতে মুরগির খামার করা যায়। ২০ থেকে ২৫ হ...
18/08/2020

স্বল্প পুঁজিতে গড়ে উঠতে পারে লাভজনক মুরগির খামারঃ

কম সময়, কম পরিশ্রম আর স্বল্প পুঁজিতে মুরগির খামার করা যায়। ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েই শুরু করা যায় এ ব্যবসা। মাত্র দেড় থেকে তিন মাসের মধ্যে উঠে আসে আয়। মুরগির মাংস ও ডিমের পাশাপাশি মুরগির বিষ্ঠা জৈব সার হিসেবে বিক্রি করা যায়। আর পরিবারের লোকজনের মাধ্যমেই পরিচালনা করা যায় মুরগির খামার।

মুরগির মাংস আমাদের আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে। মুরগির বিষ্ঠা ও হাঁড়ের গুঁড়া জমিতে সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পাখনা দিয়ে ধুলাবালি ঝাড়ার ঝাড়ন তৈরি হয়। মুরগির নাড়িভুঁড়ি মাছের অতি পছন্দনীয় খাবার। লাভজনক বলে এখন গ্রাম ও শহরের অনেকেই মুরগির খামার করছেন। উদ্যোক্তা যে কেউ মুরগির খামারের ব্যবসায় নেমে পড়তে পারেন।

১০০ থেকে ১৫০টি মুরগি পালনের জন্য বাড়ির আশপাশে মাত্র ২০ ফুট লম্বা এবং ১০ ফুট চওড়া জায়গা হলেই যথেষ্ট। মুরগির খামারের জন্য স্থায়ী উপকরণ হিসেবে ঘর তৈরি, পানির ছোট পাত্র, কোদাল, লোহা বা তারের জাল, পলিথিন ইত্যাদি কিনতে প্রায় ১৮ হাজার টাকার প্রয়োজন। চলতি উপকরণ ঝুড়ি, ধানের তুষ, কাঠের গুঁড়া, বৈদ্যুতিক বাল্ব, বৈদ্যুতিক তার, রশি ইত্যাদি কিনতে লাগবে প্রায় ১ হাজার টাকা।

মুরগির খামারের জন্য ২০ ফুট লম্বা, ১০ ফুট চওড়া একটি ঘর তৈরি করতে হবে। ঘরের মেঝে বা পাটাতন মাটি থেকে দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু এবং সমান হতে হবে। বাঁশ, কাঠের তক্তা, মাটি বা ইটের দেয়াল দিয়ে ঘর তৈরি করা যায়। তবে বাঁশের চাটাই দিয়ে ঘর তৈরি করাই ভালো। কারণ এতে কম খরচ হয়। ঘরটি হতে হবে ৭ থেকে ৮ ফুট উঁচু। ঘর তৈরি শেষে দেড় থেকে তিন ফুট উঁচু মোটা তারের নেট দিয়ে ঘরটি ঘিরে দিতে হবে। ২০০ বর্গফুট জায়গায় ১৫০ থেকে ১৭০টি ব্রয়লার এবং ১২০ থেকে ১২৫টি লেয়ার মুরগি পালন করা যায়। বুকলেটে উল্লেখ করা হয়, মুরগির খামারে ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগি রাখা হয়। মাংসের জন্য ব্রয়লার এবং ডিমের জন্য লেয়ার মুরগি পালন করা হয়। ভালো জাতের মুরগি ছাড়া ব্যবসায় লাভ করা যায় না।

মাংসের জন্য ব্রয়লার মুরগির একদিন বয়সী বাচ্চা কিনতে হবে। ডিমের জন্য লেয়ার মুরগির একদিন বয়সী বাচ্চা কিনতে হবে। ভালো কোম্পানির কাছ থেকে বাচ্চা কিনতে হবে। কেনার আগে জেনে নিতে হবে বাচ্চার টিকা দেয়া আছে কিনা। একটি মুরগি প্রতিদিন গড়ে ১০০ গ্রাম খাবার খায়। খাবারের মধ্যে থাকে গম, ভুট্টা, চালের কনা, চালের কুড়া, গমের ভুসি, তিলের খৈল, শুঁটকি মাছের গুঁড়া, ঝিনুক ও শামুকের গুঁড়া।

মুরগি পালনের ক্ষেত্রে রোগবালাইয়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হয়। রানীক্ষেত, বসন্ত, রক্ত আমাশয়, কলেরা, বার্ড-ফ্লু মুরগির প্রধান রোগ। এসব রোগে আক্রান্ত হলে মুরগি মারা যায়। এজন্য খুব সতর্ক থাকতে হয়। শীতের সময় মুরগি ও বাচ্চাকে ঠান্ডা থেকে রক্ষা করতে হবে। গরমের সময় মুরগির ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। মুরগিকে পচা ও বাসি খাবার খাওয়ানো যাবে না। পানির পাত্রে সব সময় পরিষ্কার পানি দিতে হবে। রোগে আক্রান্ত মুরগিকে টিকা দেয়া যাবে না। মুরগি মারা গেলে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। মুরগির ঘরে বাইরের জুতা পরে ঢোকা যাবে না।

খামারে মুরগি পালনের পাশাপাশি এগুলো বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা বা উপজেলা শহর, ছোট-বড় বাজার, গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় মুরগির প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। এসব স্থানে মুরগি ঝুড়িতে ভরে সরবরাহ করা যায়। ১০০টি ব্রয়লার মুরগি পালন করে দুই মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব। পুঁজি লাগবে প্রায় ২২ হাজার টাকা। অন্যদিকে লেয়ার মুরগি ২০ সপ্তাহ বা পাঁচ মাস বয়স থেকে ডিম পাড়া শুরু করে। এ মুরগি টানা এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে ডিম দেয়। খরচ বাদে লেয়ার মুরগি পালনে দুই বছরে লাভ প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকা। শুরু করতে পুঁজি লাগবে ১ লাখ টাকার কিছু বেশি।

-সংগৃহীত

মৎস্য খামারঃ ২নং অংশঃমাছ চাষের ব্যবসা শুরু করার জন্য পদক্ষেপগুলিঃ১.  #আপনার_খামারের_ধরন - উভয় নিবিড় ও ব্যাপক মাছ চাষ প...
17/08/2020

মৎস্য খামারঃ ২নং অংশঃ

মাছ চাষের ব্যবসা শুরু করার জন্য পদক্ষেপগুলিঃ

১. #আপনার_খামারের_ধরন - উভয় নিবিড় ও ব্যাপক মাছ চাষ পদ্ধতিতে প্রচুর ধরনের মাছের খামার রয়েছে। আপনি যে কোন একটা ধরন নির্বাচন করে মাছ চাষ ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনি খাঁচা সিস্টেম, ট্যাংক সিস্টেম বা পুকুর সিস্টেম নির্বাচন করতে পারেন। খাঁচা পদ্ধতিতে, একটি উপযুক্ত খাঁচা তৈরি করুন এবং এটি হ্রদ বা পুকুরে রাখুন এবং বিপণনের বয়স না হওয়া পর্যন্ত মাছকে খাওয়াতে হবে। ট্যাংকগুলিতে মাছ উত্থাপন করার ক্ষেত্রে, সেখানে কয়েকটি ট্যাংক তৈরি করে মাছ সংরক্ষণ করতে হবে।

২. #পুকুর_নকশা_ও_নির্মাণ - আপনার ফার্মের এলাকা নির্বাচন করার পরে একটি উপযুক্ত পুকুর গঠন করুন। নির্মাণ করার আগে, একটি ভাল নকশা করুন এবং আপনার পছন্দসই নকশা অনুযায়ী পুকুর করুন। পুকুর তৈরির সময়, একটি লাভজনক মাছ চাষের ব্যবসা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সুবিধার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করুন। যদিও পুকুরের নকশাটি আপনি কি ধরনের মাছ প্রজাতি নির্বাচন করছেন তার উপর নির্ভর করে এবং পুকুরের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে। নির্দিষ্ট মাছ প্রজাতির জন্য কোনটা সঠিক পুকুরের নকশা হবে সে সম্পর্কে আরও জানতে আপনার নিকটতম মৎস্য ইনস্টিটিউটের সাথে পরামর্শ করতে পারেন। সর্বদা পুকুরে একটি ভাল পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করুন। ভালো পরিবেশ মাছকে ভালভাবে জীবিত ও উন্নত করতে সহায়তা করে এবং এটি সরাসরি ভাল উত্পাদন এবং সর্বাধিক লাভের সাথে জড়িত।

৩. #উপযুক্ত°মাছ_প্রজাতির_নির্বাচন - মাছ চাষের ব্যবসা হিসাবে সর্বোচ্চ লাভের জন্য উপযুক্ত মাছ প্রজাতি নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমন প্রজাতি নির্বাচন করুন, যার আপনার স্থানীয় বাজারে বিশাল চাহিদা এবং উচ্চ মূল্য রয়েছে। মাছের চাষে ব্যবহৃত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাছ প্রজাতি হল কার্প, স্যালমন, তেলাপিয়া এবং ক্যাটফিশ। এই প্রজাতির মাছ বিভিন্ন ধরনের কৃষি-আবহাওয়ার পরিবেশে চাষের জন্য উপযুক্ত। চাষের জন্য মাছের প্রজাতি নির্বাচন করুন, আপনার স্থানীয় সুবিধা, চাহিদা এবং মূল্যের উপর নির্ভর করে।

৪. #মাছের_খাদ্য - মাছের খাদ্য বাণিজ্যিক মাছ চাষ ব্যবসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সর্বদা আপনার মাছকে উচ্চ মানের এবং পুষ্টিকর খাদ্য প্রদান করার চেষ্টা করুন। উচ্চমানের খাদ্য শুধুমাত্র সর্বোচ্চ উত্পাদন নিশ্চিত করে না, মাছটিকে স্বাস্থ্যকর রাখতেও সহায়তা করে। নির্দিষ্ট মাছ প্রজাতির জন্য বাজারে বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক মাছের খাবার পাওয়া যায়। আপনি বাজার থেকে ঐ বাণিজ্যিক খাবার কিনতে পারেন বা নিজের দ্বারা এটি প্রস্তুত করতে পারেন। যদি নিজের দ্বারা এটি প্রস্তুত করতে চান, তাহলে এটার প্রস্তুতি সম্পর্কে আরও জানুন। ভিটামিন, খনিজ, লবণ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলি মাছের খাবারে যোগ করতে ভুলবেন না। মাছের প্রজাতির উপর নির্ভর করে আপনার মাছকে দিনে অনেকবার খেতে দিন।

৫. #যত্ন_ও_ব্যবস্থাপনা - সর্বদা আপনার মাছকে তাজা এবং পুষ্টিকর খাবার প্রদান করার চেষ্টা করুন। আপনি যদি মাঝে মাঝে পুকুরের জল পরিবর্তন করতে পারেন তবে আরও ভাল হয়। যদি সম্ভব না হয় তবে আপনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত আপনার মাছের স্বাস্থ্য নিরীক্ষণ করুন এবং সময়মত ফার্মের সব প্রয়োজনীয় কাজ করুন। পুকুরের পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে মাছেদের উপযুক্ত বৃদ্ধি হবে। নিয়মিতভাবে আপনার পুকুরের জল এবং মাটির মান পরীক্ষা করুন। সর্বদা আপনার ফার্মে কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুত করে রাখুন।

৬. #মাছ_চাষ - নির্দিষ্ট সময়ের পর মাছটি চাষের জন্য উপযুক্ত হয়। যদিও এই সময়টি মাছের প্রজাতির উপর নির্ভর করে। যখন মাছের একটি বড় সংখ্যা বিপণনের বয়স পৌঁছে যায় তখন মাছ চাষ শুরু করুন। আপনি চাষের জন্য বা পুকুর থেকে জল সরিয়ে নিতে পারেন অথবা জাল ব্যবহার করতে পারেন। সকাল বা বিকালে যখন তাপমাত্রা কম থাকে তখন চাষ করার চেষ্টা করুন। চাষের পরে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাজারে মাছ পাঠান।

৭. #বিপণন - বিপণন, মাছ চাষ ব্যবসার সবচেয়ে সহজ পদক্ষেপ। আপনার পণ্য বিক্রি করার জন্য অনেক বাজার আছে। এবং মাছের সব ধরণের বাজারে বিপুল চাহিদা রয়েছে। চাষের পরে, আপনি সহজে আপনার নিকটতম স্থানীয় বাজারে মাছটি বিক্রি করতে পারেন। বিদেশে মাছ রপ্তানির করে এমন অনেক কোম্পানি রয়েছে। তাই পণ্য মার্কেটিং সম্পর্কে চিন্তা করবেন না।

-সংগৃহীত

মৎস্য খামারঃ ১নং অংশঃএকটি লাভজনক মাছ চাষের ব্যবসা বজায় রাখার জন্য, আপনাকে কিছু প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে অনুসরণ করতে হবে। এক...
16/08/2020

মৎস্য খামারঃ ১নং অংশঃ

একটি লাভজনক মাছ চাষের ব্যবসা বজায় রাখার জন্য, আপনাকে কিছু প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে অনুসরণ করতে হবে। একটি মাছ চাষের ব্যবসা শুরু করার জন্য পদক্ষেপগুলি হল- যথাযথ ফার্মের জমি বা এলাকা নির্বাচন, মাছের ফার্মের ধরন (খাঁচা, ট্যাংক বা পুকুর), খাঁচা বা পুকুর নির্মাণ, মাছ প্রজাতি নির্বাচন, খাওয়ানো, যত্ন ও ব্যবস্থাপনা, সংগ্রহ ও বিপণন নির্বাচন করে করতে হবে।

★একটি উপযুক্ত ফার্মের জন্য খামার জমি / এলাকা নির্বাচন করা,
বাণিজ্যিক মাছ চাষের ব্যবসা শুরু করার জন্য উপযুক্ত জমি বা এলাকা নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত এলাকা লাভজনক ব্যবসার জন্য উপযুক্ত নয়। এবং কিছু এলাকায় প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, যা মাছ চাষের ব্যবসার জন্য খুবই কার্যকর। বিশেষত উপকূলীয় এলাকা এবং বড় নদী বা প্রবাহের কাছাকাছি এলাকা মাছ চাষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠার জন্য খুবই উপযুক্ত। আপনার ব্যবসার জন্য জমি বা এলাকা নির্বাচন করার সময় এই সমস্ত পদ্ধতি অনুসরণ করুন-

১• অপেক্ষাকৃত সমান ভূমি নির্বাচন করুন এবং খাড়াই ঢালু জমি এড়িয়ে চলুন।

২•জমি নির্বাচন করার সময় আপনার ভবিষ্যৎ ব্যবসা পরিকল্পনা বিবেচনা করুন। এটা ভাল হবে, যদি আপনি একটি বড় জমি নির্বাচন করতে পারেন, যেখানে আপনি ফার্মের সব ধরনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সঞ্চালন করতে পারেন।

৩•বন্যা এবং দূষিত এলাকাগুলি এড়িয়ে চলুন, কারণ বন্যার এলাকাটি আপনার ব্যবসাকে গুরুতরভাবে ক্ষতি করতে পারে।

৪•শস্যক্ষেত্রের কাছাকাছি মাছ চাষের জমি নির্বাচন করবেন না। ভাল উৎপাদনের জন্য কৃষকরা সাধারণত তাদের মাটিতে প্রচুর সার এবং কীটনাশক ব্যবহার করে। এই রাসায়নিকগুলি জলের সাথে মিশে যায় এবং দূষিত জল আপনার মাছের খামারকে প্রভাবিত করতে পারে।

৫•এটি ভাল হবে, যদি আপনার নির্বাচিত জমিটি প্রধান জলের উৎস থেকে সামান্য নীচে হয়। এটি আপনার ফার্মের খামার জমিতে জল ভর্তির খরচ হ্রাস করতে সহায়তা করে। প্রাকৃতিক ভার মাধ্যাকর্ষণ কোন খরচ ছাড়াই জমি ভরাট করা হবে।

৬• আপনার নির্বাচিত এলাকায় ভাল পরিবহন ব্যবস্থা উপলব্ধ রয়েছে তা নিশ্চিত করতে হবে। আপনার পণ্য বিপণন এবং বাজার থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করার জন্য ভাল পরিবহন ব্যবস্থা খুব কার্যকর হবে।

-সংগৃহীত

অনেকে প্রশ্ন করেন- একটা ডেইরী ফার্ম শুরু কিভাবে করা যেতে পারে?=পকেটে টাকা থাকলে একটা ফার্ম শুরু করা কোন ব্যাপারই না।কিন্...
13/08/2020

অনেকে প্রশ্ন করেন- একটা ডেইরী ফার্ম শুরু কিভাবে করা যেতে পারে?

=পকেটে টাকা থাকলে একটা ফার্ম শুরু করা কোন ব্যাপারই না।
কিন্তু ফার্ম শুরু করার আগে ও পরে যে ব্যাপারগুলো বিবেচনা করা দরকার যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদাহারণস্বরুপঃ ফার্ম এর জায়গাটা কোথায়, সেখানে ডাক্তার, গরুর খাবার, দুধের দাম, দুধ বিক্রি খুব সহজে করা যায় কিনা তা জানতে হবে।
এসবের পাশাপাশি অনেকে জানতে চান ফার্ম টা কি রকম হবে, কয়টা গরু দিয়ে শুরু করলে ব্যবসাটা লাভবান হতে পারে তাদের জন্য আজকের এই লেখা।

তবে আমি লিখছি তাদের জন্য যারা খুব ছোট আকারে, একেবারে কম খরচে পাইলট প্রজেক্ট আকারে শুরু করে বুঝতে চান অথবা যাদের বাজেট কম।

#পরিকল্পনা_এবং_কৌশল: বাজেট টাকা ৩৮০,০০০/- এবং কমপক্ষে ১৫ লিটার দুধের গরু (বাছুর সহ) ২ টা। গোয়াল ঘর: ৩০ ফিট বাই ১৫ ফিট, ইলেক্ট্রিক আর পানির ব্যবস্থা অবশ্যই থাকতে হবে। আসুন এখন হিসেব নিকাশ এ আসা যাক।

#এককালীন_খরচ: ২ টা দুধের গরুর দাম : ৩০০,০০০/- গোয়াল ঘর : ৬০,০০০/- ইলেক্ট্রিক/ পানি : ২০,০০০/- মাসিক আয়-ব্যায়ের হিসাব: ‪ #‎দুধ‬ বিক্রি থেকে আয়: ২০ লি: x ৫০ = ১০০০ টাকা প্রতিদিনের আয়।

তাহলে #মাসিক_আয়: ১০০০ x ৩০ = ৩০০০০ টাকা। (দুধ ২০ লিটার দেখানো হয়েছে কারন একটা ১৫ লিটার দুধের গরু ৮ মাসই ১৫ লিটার দুধ দেবেনা, ধীরে ধীরে কমতে থাকবে, তাই গড়পড়তা ১০ লিটার প্রতিদিন দেখানো হয়েছে) ‪

#‎মাসিক‬_ব্যায়: কর্মচারীর মাসিক বেতন: ৭০০০ টাকা, গরু প্রতি খাবার খরচ: ১৫০ টাকা প্রতিদিন, তাহলে মাসিক খরচ: ৯০০০ টাকা। মেডিসিন এবং অন্যন: ২০০০ টাকা। তাহলে মোট ব্যয়: ১৮,০০০ টাকা। (গরু যত বেশি হবে ১ জন করমচারীর বেতন বাবদ গড়পড়তা খরচ অনেক অনেক কম হবে)।

#মাসিক লাভ: ৩০০০০-১৮০০০= ১২,০০০ টাকা।এককালীন উপরের ৩৮০,০০০ টাকা খরচগুলো উঠে আসতে সময় লাগবে ৩১ মাস বা ২ বছর ৭ মাস। কৌশলগত ভাবে এই মাসিক আয় কে ধরে রাখতে আপনাকে ৮ মাস পরে আবার ২ টা দুধের গরু কিনতে হবে ২য় পদক্ষেপে। তাহলে আপনি একটা সার্কেল এর মধ্যে পরে যাবেন এবং কখনই আপনাকে পকেট থেকে টাকা খরচ করে খাবার খরচ আর বেতনাদি পরিশোধ করতে হবেনা। আর বড় ধরনের দূর্ঘটনা বা অসুখ-বিসুখ যা আমাদের নিয়ন্ত্রিত নয় তা এখানে দেখানো হয়নি।

২.৫ বছর পর আপনার ব্যলেন্সসিট কেমন হবে? আপনার সম্পদের পরিমাণ কত হবে (মানে কতগুলো গরু আছে এবং তার মূল্য কত), এটা বোঝা খুবই গুরুত্তপূর্ণ। যদি বের করতে পারেন, ডেইরী ব্যবসা কেমন হবে তা আপনারাই বুঝতে পারবেন, সিদ্ধান্ত আপনারাই নিতে পারবেন।

-সংগৃহীত

বাংলাদেশে অ্যাগ্রো-ফুড বিজনেসে চ্যালেঞ্জ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সম্ভাবনা। তবে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য ভালো পূর্ব...
10/08/2020

বাংলাদেশে অ্যাগ্রো-ফুড বিজনেসে চ্যালেঞ্জ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সম্ভাবনা। তবে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য ভালো পূর্বপ্রস্তুতি প্রয়োজন। এবারের লেখায় জেনে নিন কীভাবে সে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

১. #সঠিকভাবে_ব্যবসার_রেজিস্ট্রেশন_করানঃ
অ্যাগ্রো-ফুড বিজনেসের ধরণ ও আকারের ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরণের কাগজপত্র দরকার হবে আপনার। যেমনঃ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট লাইসেন্স, কীটনাশক ব্যবহারের লাইসেন্স, ইমপোর্ট/এক্সপোর্টের লাইসেন্স

প্রয়োজনীয় প্রায় সকল লাইসেন্স মিউনিসিপাল অফিস থেকে পাওয়া সম্ভব। সঠিক প্রক্রিয়ায় আবেদন সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করলে আর শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে ব্যবসার অনুমতি ও লাইসেন্স পাবেন। এ ব্যাপারে সহায়তা নিতে পারেন বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (BIDA) থেকে। এটি একটি বাংলাদেশি সরকারি সংস্থা যা বেসরকারি বিনিয়োগে যাবতীয় সাহায্য দিয়ে থাকে।

২. #উপযুক্ত_জমি_নির্বাচন_করুনঃ
আপনার ব্যবসার জন্য জমি পছন্দ করার সময় পারিপার্শ্বিক পরিবেশ যেন পশুপালনের উপযোগী হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। এছাড়া এর অবস্থান হতে হবে শহরের কাছে কোলাহল মুক্ত কোন জায়গায়। এতে করে আপনার সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে পারবেন। যেমন, সাভার এলাকায় ডেইরি ফার্ম গড়ে উঠেছে। এর সাথে রাজধানীর দুরত্ব খুব বেশি না হওয়ায় আর শক্তিশালী যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকায় এটি অ্যাগ্রো-ফুড বিজনেসের জন্য একটি উপযুক্ত স্থান।

৩. #প্রয়োজনীয়_পুঁজি_সংগ্রহ_করুনঃ
অ্যাগ্রো-ফুড বিজনেস উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দিয়ে থাকে। তাই ঠিক কী পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে, সে ব্যাপারে পরিষ্কার ধারণা ও পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন।

৪. #দক্ষ_কর্মী_নিয়োগ_দিনঃ
এ ব্যবসায় কায়িক শ্রম যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন মানসিক শ্রম। তাই কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভালোমতো যাচাই-বাছাই করুন। যেমন, শ্রমিকদের ক্ষেত্রে পণ্য বহন আর কৃষিকাজের মেশিনের ব্যবহার জানা আবশ্যক। আবার ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কৃষি বিষয়ে গ্র‍্যাজুয়েট বা ডিপ্লোমাধারীদের প্রাধান্য দেয়া উচিত। এছাড়া কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখুন।

৫. #দীর্ঘমেয়াদী_লাভের_কথা_বিবেচনা_করা_ক্লায়েন্ট_নির্ধারণ_করুনঃ
অ্যাগ্রো-ফুড বিজনেসে আর্থিক সাফল্য পেতে বেশ সময় লাগে। তাই আপনার ব্যবসার স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার কথা ভেবে উপযুক্ত ক্লায়েন্টের কাছে যান। যেমন, বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করে পণ্য সরবরাহ করে অতিরিক্ত উৎপাদিত পণ্য খোলাবাজারে বিক্রি করলে সর্বোচ্চ লাভ অর্জন সম্ভব। এতে একদিকে দীর্ঘমেয়াদী ক্লায়েন্ট যেমন পাবেন, তেমনি হুট করে লোকসানের সম্মুখীন হবেন না।

💬বিজনেস শুরু করার কিছু টিপসঃ১।  #মানুষিক_প্রস্তুতি:বিজনেস করে টাকা কামাবা, ভাব পেটাবা, আয়েশ করবা কিন্তু কষ্ট করবা না, সে...
13/07/2020

💬বিজনেস শুরু করার কিছু টিপসঃ

১। #মানুষিক_প্রস্তুতি:
বিজনেস করে টাকা কামাবা, ভাব পেটাবা, আয়েশ করবা কিন্তু কষ্ট করবা না, সেক্রিফাইস করবা না- তা হবে না। একজন সাধারণ চাকরিজীবী যে পরিশ্রম করে তার চাইতে দ্বিগুণ, তিনগুণ শ্রম, চেষ্টা সাধনা দেয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে না পারলে- বিজনেস তোমার জন্য না।
২। #ছ্যাঁচড়ামি_ওরফে_মার্কেটিং:
বিজনেস শুরু করার প্রথম মাসে- তোমাকে হাজারটা জায়গায় ঠুসা দিতে হবে। খোঁচা মারতে হবে। একবার দুইবার না করে দিবে তারপরেও আবার যাইতে হবে। অন্য মানুষের খুঁজে বের করতে হবে। আগে ইগোর জন্য যার সাথে কথা বলতে চাইতে না। এখন তাকে তেল মারতে হবে। বিজনেস করতে করতে একটা লেভেলে উঠার আগ পর্যন্ত তোমাকে এইটা চালিয়ে যেতে হবে। তারপর তুমি লোক হায়ার করবা তারা একটা প্রসেস ডেভেলপ করে বাকিটা চালিয়ে নিবে। কিন্তু শুরুটা তোমাকেই করতে হবে।
৩। #আইডিয়া:
তোমার বিজনেসের আইডিয়া ইউনিক হতে হবে এমন কোন কথা নাই। তোমার টেকনিক ভালো হতে এমন কোন কথা নাই। বরং বিজনেস করতে করতে তোমার আইডিয়া মডিফাই হবে, চেইঞ্জ হবে। আমার এক বড়ভাই বলছেন- "in the world of transaction, your idea/skill/knowledge brings as much value as much you you can sell" সো, তুমি যদি রেভিনিউ জেনারেট না করতে পারো- তোমার আইডিয়ার ভ্যালু শূন্য।
৪। #বিজনেস_প্ল্যান:
একটু চেখে দেখলাম, ট্রাই মারলাম। সেটা মনের মধ্যে থাকলে, বিজনেস করার দরকার নাই। স্ট্যাবল জব করো। সেটাই তোমার জন্য ভালো।
বিজনেস করার ইচ্ছা থাকলে একটা কথা মানে রাখবে- "Do or do not. There is no try."।
৫। #হাতের_কাছের_মুরগি_ধরো:
স্টার্ট উইথ ইউর ফ্রেন্ড। তুমি স্পেশাল ডিজাইনের ড্রেস বিক্রি করতে চাও। অনলাইনে বা দোকানে। দোকান দেয়ার আগে তোমার ফ্রেন্ডদের কাছে বিক্রি করো। কলিগদের সাথে ট্রাই করো। আশেপাশের লোকজনের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করো। তোমার ডিজাইন সেন্স অন্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য কিনা। সেটা বুঝে ফেলবে। প্রোডাক্টের কোয়ালিটি এডজাস্ট করা লাগলে এদের সাথে সহজেই করে ফেলতে পারবে। তুমি যদি ভালো প্রোডাক্ট বা ভালো সার্ভিস দাও তাহলে এদের কাছে তোমার প্রোডাক্ট দেখে অন্যরা জানতে চাইবে। এবং তুমি তোমার টার্গেট মার্কেট পেয়ে যাবে।
অথবা তোমার টার্গেট মার্কেট যদি তোমার আশেপাশের মানুষ না হয়। তাহলে সেই টার্গেট গ্রুপের লোকজনের সাথে গিয়ে মিশে তাদের ফ্রেন্ড হও। তারপর তাদের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করো।

#সংগৃহীত।

পরবর্তী পোস্টে আরো কিছু টিপস দেওয়া হবে। ধন্যবাদ।

10/07/2020

আরোকিছু বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে আজকের পোস্টঃ

১। মাংস প্যাকেজিং ও সরবরাহ:
উন্নয়নশীল দেশে বসবাস করেও অনেকে খুব স্বাস্থ্যসচেতন থাকেন। স্থানীয় বাজার থেকে মাংস কিনলে অনেক সময় তা ভালো হয় না। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে না। তাই এই সুযোগে আপনি সুন্দর একটি মাংসের দোকান দিতে পারেন।
উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে মাংসের অর্ডার গ্রহণ ও বাড়িতে সরবরাহ করার মাধ্যমে চমৎকার আয় করতে পারেন। বলা যায় অনেক ব্যবসায়িক আইডিয়া আছে। শুধু গ্রহণ করলেই বাজিমাত হয়ে যাবে।

২। রিয়েল এস্টেট:
রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা করে আপনি স্বাবলম্বী হতে পারেন। আফ্রিকা ও অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশে রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা করে যুগান্তকরী পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। তাই আপনিও শুরু করুন নতুন ব্যবসা।

বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই। আয়ের উন্মাদনায় কাজে লেগে যান, সফল হবেন সন্দেহ নেই।

৩। মাল পরিবহন ও পরিবহন সেবা:
বিভিন্ন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, অন্যন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য একস্থান থেকে অন্যস্থানে নেয়ার জন্য গাড়ি, ট্রাক ব্যবহার করে। সব কোম্পানির নিজস্ব গাড়ি থাকে না।

আপনি চাইলে বেশ কয়েকটি গাড়ি সংবলিত একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলুন যার কাজ হবে অন্যদের পরিবহন সুবিধা প্রদান করা।

উন্নয়নশীল দেশে পরিবহণ সুবিধা প্রদান করে বিপুল আয় করা সম্ভব, অধিকাংশ মানুষের নিজস্ব গাড়ি নেই বলে তারা অন্য পরিবহন সুবিধা ভোগ করতে চায়।

৪। ফাস্টফুড ও সুপারমার্কেট ফ্রাঞ্চাইজ:
ম্যাকডোনাল্ড, কেএফসি, টেসকো সহ আরো অনেক কোম্পানি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সফলতার সাথে ব্যবসা করে যাচ্ছে ফ্রাঞ্চাইজের মাধ্যমে। ফাস্টফুডের দোকান দিয়ে আপনিও ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

প্রথমে মূলধন প্রয়োজন। পরবর্তীতে লাভবান হবেন নিঃসন্দেহে। খাবারের ব্যবসায়ে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না। চাইলে বিশ্ব বাজার শাসন করা বড় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ফ্রাঞ্চাইজিং এর মাধ্যমে মালিকানা কিনে নিতে পারেন অথবা ব্যবসায়িক পার্টনার হতে পারেন।

৫। পোশাকের ব্যবসা:
পোশাকের ব্যবসা দিয়ে আপনি অধিক লাভবান হতে পারবেন। বর্তমান যুগ পোশাক ও ফ্যাশনের যুগ। নতুন নতুন ডিজাইন ও গুণে মানে উন্নত জামা বানালে খুব দ্রুত আপনার সব পণ্য বিক্রি হয়ে যাবে।

এবং আপনি খুব লাভবান হবেন। তাই দেরি না করে আজই ব্যবসায়ে নেমে পড়ুন।

৬। নিয়োগ সংস্থা:
সমাজে অধিকাংশ লোক বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে বসবাস করে। তারা ভালো চাকরি পেতে চায় এবং জানতে চায় কোন প্রতিষ্ঠানে পদ খালি আছে।

আপনি নিয়োগ সংস্থা গড়ে তোলে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান ও চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে দিতে পারেন। এর মধ্য দিয়ে প্রত্যাশিত অর্থ আয় করতে পারবেন।

-সংগৃহীত

এরকম আরো ইনফরমেশনাল বিজনেস আইডিয়া পেতে আমাদের পেজের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।

09/07/2020

উন্নয়নশীল দেশ, স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশসমূহে অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে যার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অভিনব ব্যবসা দাঁড় করানো সম্ভব।

আসুন জেনে নেই উন্নয়নশীল দেশের কয়েকটি চমৎকার ব্যবসায়িক আইডিয়া সম্পর্কে।

১। শক্তির বিকল্প ব্যবহার:
উন্নয়নশীল দেশে সঠিকভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ ও শক্তিসমূহ সরবরাহ করা হয় না। যার ফলে শক্তির বিকল্প উৎসের উপর নির্ভর করতে হয়। শক্তির বিকল্প উৎসের ব্যবহার করে চমৎকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেন।

সৌরশক্তির ব্যবহার, বায়ুশক্তির ব্যবহার করে আপনি অভিনব ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন। জেনারেটর আমদানি রপ্তানি করেও আপনি অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

২। জ্বালানির বিকল্প উৎস:
উন্নয়নশীল দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সম্পদ হলো কেরোসিন, ডিজেল, পেট্রোল। কিন্তু এই জ্বালানি শক্তির দাম তুলনামূলক বেশি এবং প্রতিনিয়ত মানুষ এগুলোকে ব্যবহার করে।

অধিকাংশ মানুষ উচ্চদামে জ্বালানি কিনতে পারে না, আবার কিনতে চাইলেও পায় না। কারণ সরবরাহ কম।

জৈব জ্বালানি এবং ইথানলের ব্যবহার জ্বালানির বিকল্প উৎস। জৈব জ্বালানি ও ইথানলকে কাজে লাগিয়ে অভিনব ব্যবসা শুরু করলে কয়েক মাসের ব্যবধানে ভালো উপার্জন করতে পারবেন।

৩। আমদানি ও রপ্তানি মূলক ব্যবসা:
উন্নয়নশীল দেশে আমদানি ও রপ্তানি মূলক ব্যবসা করে আপনি ধনী হতে পারবেন। ব্যবসা শুরু করা যায় যদি আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা থাকে।

কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, সৌর চার্জার, পোশাক, খাবার ও প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে নিজ দেশে নির্দিষ্ট দামে বিক্রি করতে পারেন।

কৃষি যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি রপ্তানি করতে পারেন সেসব দেশে যে দেশগুলোতে এই যন্ত্রপাতিগুলোর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

৪। প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজ খাবারের ব্যবসা:
মধ্যম আয়ের দেশে বসবাস করেও নিজের বেকারত্ব দূর করে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় ব্যবসার মাধ্যমে। খাবারের ব্যবসা বড় একটি সুযোগ।

তবে মাথায় রাখতে হবে কাঁচা খাবার নয়, শুকনো ও প্যাকেজিং খাবারের ব্যবসা করতে হবে। কাঁচা ও পচনশীল খাবার বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায় না।

ময়দা, কাস্টার্ড, তেল, গম, বিভিন্ন ধরণের মশলা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসা করতে পারেন। প্যাকেজিং ও শুকনো খাবার সংরক্ষণ করা যায়। তাছাড়া বহন করা সুবিধাজনক।

৫। ব্যবহৃত পণ্য বিক্রি:
উন্নয়নশীল দেশে অর্থের অভাবে অনেকে নতুন পণ্য কিনতে পারে না। তাই এই দেশগুলোতে উন্নত দেশের ব্যবহৃত পণ্য বিক্রি করেও আপনি প্রচুর অর্থ আয় করতে পারেন।

ব্যবহৃত পণ্য যেমন মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, গাড়ি, পোশাক ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ইলেক্ট্রিক পণ্য বিক্রি করে চমৎকার আয় করতে পারেন।

#সংগ্রহীত

পরবর্তী পোস্টে আরো আইডিয়া শেয়ার করা হবে।
-ধন্যবাদ।

Drop Your Business Plan
08/07/2020

Drop Your Business Plan

07/07/2020

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়ে সারা পৃথিবীতে সুনাম অর্জন করা যায়।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়িক বাস্তবতা ও অবস্থানের দিকে তাকালে লক্ষ্য করা যায় যে, অর্থ উপার্জনের অন্যতম উপায় হলো ব্যবসা।

ব্যবসায়িক অগ্রগতির এই যুগেও অনেক মানুষ বিনিয়োগ করতে ভয় পায়। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশে বিনিয়োগ করাকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বলে মনে করেন অনেকে।

তবে আমজনতার ভিড়ে গুটিকয়েক অসাধারণ মানুষ আছেন যারা উন্নয়নশীল দেশে বিনিয়োগ করেও লাভবান হতে পারেন।

সফল মানুষেরা চিন্তা, চেতনা ও সাধনায় সাধারণ আমজনতা থেকে অনেকাংশে এগিয়ে থাকে। তাই তারা সফল হয়।

সফল হওয়ার জন্য চাই শুধু ইচ্ছাশক্তি ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা।

-সংগৃহীত

(পরের পোস্টে আপনাদেরকে বিভিন্ন ব্যাবসার আইডিয়া দেওয়া হবে)

07/07/2020

ব্যবসা করতে গেলে প্রয়োজন টাকা।
সাবেক কাল থেকেই এই ধারণা প্রচলিত। আমরা সকলেই নানা সময়ে শুনে এসেছি -বড় রকমের মূলধন জোগাড় করতে না পারলে নাকি ব্যবসায় নামাই উচিৎ না।

সত্যিই কী তাই? নাকি উদ্ভাবনী, দক্ষতা, শ্রম আর সৃজনশীলতা দিয়ে নেহাতই অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করা সম্ভব?

Address

Rahman Cottage, Wirelesspara
Faridpur
7800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ATS Lineage Company Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ATS Lineage Company Ltd:

Share