EEE Project

EEE Project Engineering, Technical & Customization Services....

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০টির বেশি রিসার্চ সেন্টার আছে। এর মধ্যে একটি রিসার্চ সেন্টার আছে যার নাম Semiconductor Technology R...
04/05/2025

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০টির বেশি রিসার্চ সেন্টার আছে। এর মধ্যে একটি রিসার্চ সেন্টার আছে যার নাম Semiconductor Technology Research Centre! হতে পারতো এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না শুধু দেশের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ সেন্টার। যদিও এর বয়স ৩০-৩৫ কিংবা তারও বেশি হবে তথাপি এটি এখনো এক বা দুই রুম বিশিষ্ট একটি সেন্টার। এর ইমপ্যাক্ট কি? এত বছরে এর গবেষণা আউটপুট কি?

এত বছরেও এর কোন নিজস্ব ফ্যাকাল্টি, পোস্ট-ডক ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬টি রিসার্চ সেন্টারের মধ্যে এটিও নামকাওয়াস্তে জাস্ট একটা রিসার্চ সেন্টার। কোন ইম্পাক্টফুল রিসার্চ বলতে নাই। অথচ বর্তমান বিশ্বে এই সেমিকন্ডাক্টর রিসার্চ-এ যারা যত বেশি উন্নত সে তত উন্নত। তাইওয়ান এত উন্নত হয়েছে এর পেছনে রয়েছে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি।

আধুনিক প্রযুক্তির মেরুদণ্ড হিসেবে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প আজকের বিশ্বে এক অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, গাড়ি, চিকিৎসা যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়ও সেমিকন্ডাক্টরের উপস্থিতি অপ্রতিরোধ্য। সেমিকন্ডাক্টর হলো এমন এক ধরনের পদার্থ, যা নির্দিষ্ট শর্তে বিদ্যুৎ পরিবাহিত করে, এবং এগুলিই মাইক্রোচিপ ও ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের মূল উপাদান — আধুনিক ডিজিটাল বিপ্লবের ভিত্তি।

সেমিকন্ডাক্টর শিল্প শুধুমাত্র প্রযুক্তির ভবিষ্যত নয়, বরং একটি জাতির প্রগতির প্রতীকও। যে দেশ এই শিল্পে নেতৃত্ব দেবে, তারই হবে আগামী দিনের নেতৃত্ব। ভিয়েতনাম এই খাতে তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে অথচ আমরা ব্যয় করছি ঝগড়াঝাটিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক রুম বিশিষ্ট এই সেন্টারটিরও কোন পোস্ট-ডক ফেলো নাই, নিজস্ব পিএইচডি ফেলো নাই। বাজেট নাই, কোন দিক নির্দেশনা নাই।

এরপর আছে "Bose Centre for Advanced Study and Research in Natural Sciences"! কার নামে এটি? যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কোয়ান্টাম স্ট্যাটিস্টিক্সের জন্মস্থান হওয়ার গৌরব এনে দিয়েছেন, যার নামে একটি কোয়ান্টাম পার্টিকেল আছে, যার সাথে আইনস্টাইনের জড়িয়ে একটা তত্ত্ব আছে সেই সত্যেন বোসের নামে। এত বড় একজন বিজ্ঞানীর নামে সবচেয়ে অবহেলিত এক রুম বিশিষ্ট একটি গবেষণা সেন্টার বানিয়ে আমরা আসলে সত্যেন বোসকে অসম্মান করছি না আমরা যে কত বড় অথর্ব এবং অযোগ্য বিশ্বের কাছে আমরা সেটা প্রমান করছি? এরই মধ্যে বোস সেন্টারের বয়স ৫১ বছর। এইটার আউটপুট কি? তার আগে জানি এর আছে কি?

বিজ্ঞান কারখানায় ১ রুমের একটা অফিস আর সেখানে আছে দুইজন কর্মকর্তা/কর্মচারী আর এর পরিচালক। কিছু ছাত্রকে ফেলোশিপ দিয়ে মাসে মাসে তাদের টাকার চেক দেওয়া। পরিচালককে প্রতিদিন এক গাদা স্বাক্ষর করা। এখানে না আছে ইন হাউস পোস্ট-ডক ফেলো, পিএইচডি ফেলো, না আছে নিজস্ব গবেষক। যাদেরকে ফেলোশিপ দেওয়া হয় তারা নিজ নিজ বিভাগে থেকেই গবেষণা করে। এখানে টাকা দেওয়া ছাড়া বোস সেন্টারের আর কোন কাজ নেই। অথচ এই কাজ রেজিস্ট্রার ভবনের কর্মকর্তারাই করতে পারতেন। এর জন্য "Bose Centre for Advanced Study and Research in Natural Sciences" নামক এত বড় একটা নাম দিয়ে সেন্টার করার কোন মানে আছে?

এরপর আছে ইনস্টিটিউট অফ এনার্জি রিসার্চ যাকে এনার্জি পার্কও বলে। এর বয়স কমপক্ষে ৪০ বছর হবে। এই ৪০ বছরে এর গবেষণা ইমপ্যাক্ট যদি দেখেন আমি নিশ্চিত প্রায় শূন্য। কিছু পিএইচডি এবং গবেষণা পত্র হয়েছে যা গার্বেজ জার্নালে হয়ত প্রকাশিতও হয়েছে। কিন্তু আমি নিশ্চিত কোন ইম্পাক্টফুল কাজ গত ৪০ বছরে হয়নি। সোলার এনার্জির উপরে এর কাজ দিয়েই এই সেন্টারের যাত্রা শুরু কিন্তু সোলার এনার্জির উপর গবেষণায় তেমন কোন ইমপ্যাক্টফুল কাজ আজ পর্যন্ত হয়নি। হবে কিভাবে? এর কি নিজস্ব পোস্ট-ডক আছে? পিএইচডি ছাত্র আছে? নিজস্ব ফ্যাকাল্টি আছে? কোন একটি বিভাগ থেকে ১ জনকে এনে পরিচালক বানালেই কি গবেষনা হতে থাকবে?

আর সেন্টারগুলোর নাম না হয় নাই বললাম। সবগুলোই নামকাওয়াস্তে। এতগুলো সেন্টার রাখার কি যুক্তি আছে? গত ১০ বছরে এই সেন্টারগুলোর কোনটি কি রিসার্চ করেছে তার একটা ডাটা নিয়ে ৫৬টি রিসার্চ সেন্টার থেকে ৬টি রিসার্চ সেন্টার রাখা যেতে পারে। আমরা সংখ্যার পেছনে আর কত দৌড়াবো? মানের পেছনে কেন দৌড়াই না? এতগুলো সেন্টার রাখা হয়েছে এতগুলো পরিচালক বানানোর জন্য। আমাদের দেশের মানুষেরা পদ পেতে খুব ভালোবাসে। তাই সবাই পদের পেছনে দৌড়ায়। পদ পেয়ে দুর্গন্ধ ছড়ানো ছাড়া এই পদের আর কোন কাজ আছে বলে আমি মনে করিনা। ভেবেছিলাম ৫ই আগস্টের পর পরিবর্তন আসবে। আসেনি। আর আসবে বলেও মনে হয় না।

আজ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ভিসি সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ন্যূনতম ৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হবে। সেই টাকা দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের বেতন ও বিশেষ সুবিধা দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের অধীনে পোস্ট-ডক ও পিএইচডি ফেলো দিয়ে বিশ্বমানের গবেষণার পরিবেশ তৈরী করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও উন্নত থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারতো। ক্যাম্পাসের পরিবেশ উন্নয়নে ব্যয় করতে পারতো। উন্নত বেতন দিয়ে রেজিষ্ট্রেরভবনের জন্য দক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে ছাত্রছাত্রীবান্ধব প্রশাসন তৈরীতে ব্যয় করতে পারতো। শিক্ষকদের ভালো বেতন দিয়ে সকল প্রকার পার্ট টাইম নিষিদ্ধ করে শিক্ষকদের কেবল নিজ ক্যাম্পাসে থেকে আপন ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া ও গবেষণায় মনোনিবেশ করাতে সময় দিতে পারতো। মনে রাখতে হবে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোন দেশ উন্নত হতে পারেনি। এইটাই যদি জানি তবে এইটা করি না কেন?

কপি: Kamrul Hasan Mamun

!! হা‌তে সময় থাক‌লে অবশ‌্যই প‌ড়ি‌য়েন !!BUET, CUET, RUET, KUET, SUST, IUT, DUET, AUST, BRAC, NSU সহ বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয়...
07/03/2025

!! হা‌তে সময় থাক‌লে অবশ‌্যই প‌ড়ি‌য়েন !!
BUET, CUET, RUET, KUET, SUST, IUT, DUET, AUST, BRAC, NSU সহ বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া ছাত্ররা যে বিমান কোনদিন বানাতে পারে নাই, মানিকগঞ্জের জুলহাস সে বিমান বানিয়ে আকাশে উড়িয়েছেন!

১০০/১৫০ বছর আগের গ্লাইডার টেকনোলজি ফলো করে বানানো বিমান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ লেভেলের ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টরা বানাতে পারেন নাই আজ পর্যন্ত!

কিন্তু জুলহাস বানিয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিং এর কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই!

তো আমাদের দেশের ইঞ্জিনিয়ারদের পড়াশোনার মান কি তাহলে এতই খারাপ যে একটা সাধারণ গ্লাইডার বিমান বানাতে পারেন না?

এরকম চিন্তা ভাবনা যদি করে থাকেন, কিংবা মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে একটু পড়ুন।

টেকনোলজিতে আমরা সবচেয়ে বেশি মাথা ঘামাই Scaling নিয়ে।

এই স্কেইলিং ব্যাপারটা হচ্ছে একটা সিস্টেম দিয়ে কিভাবে একজন থেকে ১০ জন, তারপর এক হাজার জন থেকে ১ লাখ জনকে সার্ভিস দেয়া যায় সমান এফিশিয়েন্সি এবং পারফরমেন্স ধরে রেখে।

ব্যাপারটা মনে করেন বাসায় ১০ জনের জন্যে রান্না করা আর অনুষ্টানে ৫০০ জনের জন্যে রান্না করার মতন।

আপনার আম্মা বাসায় ১০ জনের জন্যে রান্না করতে পারেন অনায়াসে কিন্তু ৫০০ জনের রান্না উনি করতে যাবেন না। ৫০০ জনের রান্নার জন্যে বাবুর্চি আনতে হবে। এই বাবুর্চি যা করবেন সেটাই স্কেইলিং।

কারণ বাবুর্চি জানেন কিভাবে স্কেইল করতে হয়। উনি উনার সাথে আরও কাজের মানুষ নিয়ে আসবেন। কেউ কুটবেন, কেউ বাঁছবেন, কেউ মাপবেন। মাইক্রো ডিপার্টমেন্ট করে কাজ ভাগ করে দেবেন।

টেকনোলজি অনেক আগে থেকেই মাইক্রো ফেইজে আছে, এখন তো ন্যানো ফেইজেই চলে গিয়েছে।

এখন আর কেউ একটা পুরো সিস্টেম বানায় না। পুরো সিস্টেম বানানোর ব্যাপারটা অনেকটা আদিম যুগের টেকনোলজি। ম্যাটেরিয়াল এবং রিসোর্সের অপচয়।

এই যে বিমানের কথা বলেন। পৃথিবীতে মাত্র ৪ টা দেশ প্যাসেঞ্জার বিমানে ব্যাবহৃত জেট ইঞ্জিন বানাতে পারে। আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স এবং রাশিয়া।

মানে আপনি তাবৎ পৃথিবীর আকাশে যত হাজার হাজার বিমান দেখেন তার ইঞ্জিনগুলো মাত্র এই ৪ টা দেশের কেউ না কেউ বানিয়েছে।

এমনকি টেকনোলজি বর্তমান রাজা চায়নাও একটা জেট ইঞ্জিন বানাতে পারে নাই। তারা এখনও রাশিয়ান ইঞ্জিন রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করে একটা ইঞ্জিন বানানোর মতলবে আছে।

তবে কেন পারেন না তারা?

চায়নায় স্কুলের বাচ্চারা একজন দু'জনের বিমান থেকে শুরু করে Fighter Plane এর RC ভার্সন করে ফেলেছে!

তাহলে চায়না তাদেরকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিয়ে কেন বানাতে দেয় না বড় বিমান?

এর মূল কারণ হচ্ছে Scaling ইস্যু!

একজন থেকে দু'জন গেলেই বিমান উড়তে প্রয়োজনীয় লিফট, ড্র্যাগ, গ্র্যাভিটি এবং থ্রাস্ট এগুলোর অবিশ্বাস্য পরিবর্তন হয়।

এত কিছু আমি নিজেও জানি না। তবে এতটুক বলতে পারি চায়না যদি টেকনোলজির কোন কিছুতে ফেইল মারে, সেখানে অবশ্যই বিরাট খরচাপাতির গেঞ্জাম আছে!

যাই হোক, আবারও মাইক্রোতে ফেরত আসি।

Boeing এক একটা বিমান বানাতে ওরা ৮-৯ টা দেশের ২৫০+ সাপ্লায়ার কোম্পানির কাছ থেকে প্রায় ৬০ লাখ+ আলাদা আলাদা পার্টস বানিয়ে আনে!

এসব একেকটা কোম্পানিতে ৫০০-১০০০+ টপ ক্লাস ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করেন। কোন কোম্পানি শুধু একটা স্পার্ক প্লাগ বানায়, একটা থ্রাস্টার বানায়, কেউ বানায় সেন্সর, অথবা কেউ বানায় ক্ল্যাম্প, সবমিলিয়ে এরকম ৬০ লাখ+ পার্টস।

ঠিক এসব জায়গায় কাজে আসে গোটা দুনিয়ার ফিজিসিস্ট, ম্যাথমেটিশিয়ান এবং তারপর ইঞ্জিনিয়াররা। যাদেরকে আমরা মনে করি আপাত দৃষ্টিতে কিছুই করছেন না!

একজন ফিজিসিস্টের একটা থিওরি কোন ম্যাথমেটিশিয়ান ক্যালকুলেশন করে প্রমাণ করলে সেটা কোন ইঞ্জিনিয়ারের হাত ধরেই ম্যানুফ্যাকচার হয়।

নিউটনের গতির সূত্র, যেগুলো ক্লাস নাইনে পড়তে পড়তে চাপা ভেঙে ফেলসিলাম, নিউটন এগুলো আবিস্কার না করলে Wright Brothers বিমান বানাতে পারতেন না।

তাহলে এই যে আজকে বিমানে চড়ে দেশ বিদেশ ঘুরেন, এখানে স্যার আইজ্যাক নিউটনকে ক্রেডিট না দিয়ে যাবেন কই?

রন্টজেনের মতন পাগলাটে পদার্থবিজ্ঞানী যদি Cathode rays নিয়ে পাগলামি ন করতেন তাহলে X-rays আবিস্কার হত না।

চিন্তা করতে পারেন গোটা পৃথিবীর চিকিৎসা ব্যাবস্থ্যা X-rays ছাড়া?

আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করা ইঞ্জিনিয়াররা দুনিয়ার নানা কোম্পানিতে এসব মাইক্রো এবং ন্যানো টেকনোলজি নিয়েই কাজ করেন।

৭০-৮০% টপ কোয়ালিটির ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যায় কারণ আমাদের দেশে এরকম কিছুই করা সুযোগ নেই!

বিদেশে উনারা কেউ রিসার্চ করেন আবার কেউ ম্যানুফ্যাকচারিং এর কাজ করেন।

তাদের কোন কোম্পানির বানানো একটা সেন্সর হয়তো বিমানে যাচ্ছে, রকেটে যাচ্ছে, স্পোর্টস কারে যাচ্ছে। এগুলা খুব ছোট ছোট জিনিস এবং আপনি জানবেনও না কোনটা কোন কাজে, কোনদিকে যাচ্ছে।

আজকের মাইক্রো টেকনোলজির পৃথিবীতে আপনি একা কোন কিছু বানিয়ে নেয়ার সুযোগ খুব একটা নেই। সর্বোচ্চ কোম্পানির CEO হলে আপনি একটা ফোকাস পয়েন্টে আসতে পারেন। যেমন ধরেন Elon Musk!

এখন ইঞ্জিনিয়াররা চাইলেই এরকম বিমান বানিয়ে উড়ানোর মতন কাজ করে এটেনশন নিতে পারেন সোশাল মিডিয়াতে। কিন্তু এই বানানোর ফজিলত শুধু বাংলার মাটিতেই।

দুঃখজনকভাবে এর কোন কমার্শিয়াল ভ্যালু নাই। এইটা ১০০ বছর আগের টেকনোলজি। The world has seen enough of it, and it's about to be archived, if not already.

ড্রোনই যেখানে পুরাতন টেকনোলজি হয়ে যাচ্ছে, সেখানে বিমান কে বানাতে যাবে?

আমার জুলহাসের ব্যাপারে কোন ডিজরেসপেক্ট বা মাথাব্যথা নাই। He is a man of passion, and he has cultivated it!

তার শখের জিনিস সে বানাইসে। সে যদি আরও পড়াশোনা করতে পারতো, জানতে পারতো, তাহলে তার এই ব্যাপারটা আরও ভাল হত।

কিন্তু, এইটা শখ! সেটা মাথায় রাখতে হবে।

পৃথিবী এই গ্লাইডার টেকনোলজি গত ১০০ বছর ধরে চর্চা করে এখন জাদুঘরে রেখে দিয়েছে। ইউটিউবে সার্চ করেন, দেখবেন শত শত ভিডিও আছে বাচ্চা ছেলেপেলে এসব বানাচ্ছে।

বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টরাও শখে শখে অনেক কিছু বানিয়েছেন। কিন্তু তারা শিক্ষিত বলে তাদেরটা আলোচনা হয় না। এরকম শত শত উদাহরণ দেয়া যাবে।

আমাদের নিজেদের দেশে, লোকাল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে দিয়ে বানানো বিমান বাহিনীর দু'টো ট্রেনিং বিমান আছে BBT1 এবং BBT2।

জানতেন আপনারা?

কমেন্টে দিলাম। দেখে নিয়েন।

আরও ৩-৪ বছর আগেই এগুলো বানানো হয়েছে। আলাদা আলাদা দুজন পাইলট সেগুলো একই ককপিটে বসে চালাতেও পারে। এমনকি মিসাইলও মারতে পারে প্রয়োজনে!

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের আগেই Brac উনিভার্সিটির তিনজন স্টুডেন্ট জাপানের KYUTECH এর সহযোগিতায় নিজেরাই ন্যানো স্যাটেলাইট "অন্বেষা" বানিয়ে মহাকাশে পাঠিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের এক বছর আগে Space X এর Falcon-9 রকেটে চড়েই সে স্যাটেলাইট মহাকাশে গিয়েছে।

উনারা একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের তাই কেউ খুব একটা পাত্তা দেয় নাই। আর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে যে প্রচারণা চলছিল। No wonder why they couldn't get some attention!

কোভিডের সময় OxyJet ভ্যন্টিলেটর তৈরি করেছে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। ২০-৩০ লাখ টাকার ICU ভ্যান্টিলেটর মাত্র ২৫ হাজার টাকায় বানিয়েছে। এই ভ্যান্টিলেটর এখন গ্লোবাল দুইটা কম্পিটিশন জিতে এখন প্রোডাকশনে।

বাংলাদেশে জন্ম এবং ১৮ বছর পর্যন্ত বড় হওয়া রবিন খোদা এখন এশিয়ার সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার কোম্পানি AirTrunk এর প্রতিষ্টাতা।

যে AirTrunk উনি রিসেন্টলি বিক্রি করে দিয়েছেন মাত্র দুই লাখ পাঁচ হাজার তিনশো ত্রিশ কোটি টাকায়!

টাকার অংকটা আরও দুইবার পড়েন!

ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্র জাহিদ হাসান এখন বিশ্বের সবচেয়ে নামকরা পদার্থবিজ্ঞানীদের একজন। উনি এখন পড়াচ্ছেন MIT তে!

খুব সম্ভবত উনি কয়েক বছরের মধ্যে নোবেল পেতেও যাচ্ছেন কোয়ান্টাম ফিজিকস এবং কোয়ান্টাম টপোলজিতে উনার রিসার্চের কারণে।

এখন উনি নোবেল পেলেও কি আর না পেলেও কি।

কারণ এই দেশে এটেনশন পেতে গেলে বিমান উড়ালে কিংবা হেলিকপ্টার বানালেই হবে না। তার সাথে গরীব, অশিক্ষিত কিংবা Non Privileged হতে হবে মানুষের মন জয় করতে!

শিক্ষিত বা Privileged লোকেরা কোন এক কারণে এখনও এই দেশের মানুষের চক্ষুশূল। কেন জানি সাধারণ মানুষ মনে করে শিক্ষিত বা বড়লোক মানেই খুব খারাপ।

এরা একদম বাজে। এদের গুনাতেই ধরা যাবে না। এরা সব চোর বাটপার!

এই কারণেই এই দেশের মানুষজনের বিজ্ঞান কিংবা টেকনোলজি জ্ঞ্যান এখনো নবম দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান মেলায় করা প্রজেক্ট পর্যায়ে রয়ে গিয়েছে। বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি বলতে এই স্ট্রিট নলেজকেই বোঝে এই দেশের ৯৯% মানুষ।

১৭ বছর আগের একটা মজার ঘটনা দিয়ে শেষ করি।

স্কুলের বিজ্ঞান মেলায় আমার কয়েকটা বন্ধু (নাম বলবো না ওরা যদি কমেন্টে বলে, তাহলে ওকে) ইউরিন (প্রস্রাব) বোতলে ঢেলে এনোড এবং ক্যাথোড কানেক্ট করে একটা ব্যাটারির মতন বানিয়েছিল।

এই "মুতের ব্যাটারি" (আমরা নাম দিয়েছিলাম) দিয়ে একটা LED লাইট জ্বলতো।

আমার মনে আছে পুরো স্কুলে খুব আলোড়ন হয়েছিল এই "মুতের ব্যাটারি" নিয়ে। আমরা দেখতে গেলে ফাজলামি করে বলেছিল "মামা, বোতলটায় একটু মুইতা যা! চার্জ দরকার ব্যাটারিতে!"

তো এইটা "মুতের ব্যাটারি" খুব ব্যাতিক্রম একটা জিনিস। খুবই মজার এবং ইউনিক একটা কনসেপ্ট ক্লাশ নাইন টেনের বাচ্চাদের জন্যে। আমাদের জন্যেও ছিল।

কিন্তু যদি আপনি এইটাকে স্কেইল করতে চান। মনে করেন আমার ৬৫০ ওয়াটের কম্পিউটারটাকে যদি এক ঘন্টা চালাতে চাই এই "মুতের ব্যাটারি" দিয়ে, তাহলে ধরেন লাগবে ৪ থেকে ৬ লাখ লিটার প্রস্রাব!

এখন কি আমি এক ঘন্টা কম্পিউটার চালানোর মতন Scale করার জন্যে পুরা শহরের সব মানুষের বাথরুমের সাথে ব্যাটারির লাইন করে দেব?

লেখ‌া: জা‌হিদ হাসান পাও‌য়েল।

The customer is experiencing a budget shortage but is making numerous requests.
06/03/2025

The customer is experiencing a budget shortage but is making numerous requests.

29/11/2024
আমাদের সুপারহিরোরা উপদেষ্টা পরিষদে যে পদে যুক্ত হতে পারতো 👇
13/11/2024

আমাদের সুপারহিরোরা উপদেষ্টা পরিষদে যে পদে যুক্ত হতে পারতো 👇

03/10/2024
26/09/2024
23/08/2024

ঢাবিতে একদিনে ৮৬ লাখ টাকা গণত্রাণ সংগ্রহ

এই জাতিকে কেমনে দমাবেন???পানি ছাড়ছেন বন্যা হইসে। সম্মিলিত এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে নৌকা নিয়ে হাজির। স্পিড বোট লাগবে? কর্নফু...
23/08/2024

এই জাতিকে কেমনে দমাবেন???

পানি ছাড়ছেন বন্যা হইসে। সম্মিলিত এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে নৌকা নিয়ে হাজির।

স্পিড বোট লাগবে? কর্নফুলি শিপিং বোট সাপ্লাই দিচ্ছে

ইঞ্জিনের জন্য তেল লাগবে? ফুয়েল স্টেশন মালিক তেল ফ্রি করে দিছে।

ত্রাণ কর্মীদের যাতায়াতের জন্য একুশে এক্সপ্রেস ফ্রি করে দিসে বাস।

নৌকা নিয়ে যাওয়া সম্ভব না? প্রবাসীর হেলিকপ্টার ফ্রি হেলিকপ্টার সার্ভিস নিয়ে হাজির।

মোবাইলে নেট/মিনিট নাই? মোবাইল অপারেটর ফ্রি নেট/মিনিট সেবা চালু করে দিছে।

মোবাইলে চার্জ নাই??টাওয়ার কর্তৃপক্ষ চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিছে।

এ জাতিকে দমানো সোজা না। তোমরা আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবা না। আরো একটা ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করতে চলেছি।

ইনশা আল্লাহ এই মহাসংকট কাটিয়ে খুব শীঘ্রই আমরা আবার নতুন উদ্যোমে সামনের দিকে এগিয়ে যাবো। ✌️✌️

23/08/2024

যে-কোনো পেমেন্ট মেথড থেকে বিশ্বস্ত As sunnah Foundation এ বন্যায় কবলিত এলাকার মানুষের জন্য অনুদান পাঠাতে ক্লিক করুন: https://asf.sh/flood

(লিংকে যেয়ে ই-কমার্স সাইটের মত পেমেন্ট সিস্টেমে আপনার অনুদান টি করে দিন বিকাশ, নগদ অথবা কার্ড ব্যবহার করে)

ব্যাংক ডিটেইল:
A/c Name: As Sunnah Foundation
A/c No.07511100103013
EXIM Bank Limited
Satarkul Branch
SWIFT Code: EXBKBDDH
Routing:100264025
Dhaka

যে যা পারেন, পাঠিয়ে দিন প্লিজ। পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে ডোনেট করার প্রতি আহ্বান করুন।

Address

152/2/K, Panthapath Signal, GREEN Road
Kalabaga

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EEE Project posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to EEE Project:

Share