Technical Technology EEE

Technical Technology EEE Three phase,Controlling,Automation,House wiring,VFD,PLC & ETC.

ইলেকট্রিয়ান লাইসেন্সের আবেদন শুরু
13/01/2023

ইলেকট্রিয়ান লাইসেন্সের আবেদন শুরু

05/01/2023

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

ডিমলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ডিমলা, নীলফামারী

★পদের নামঃ ইন্সট্রাক্টরঃ
০১। ইন্সট্রাক্টর ইলেকট্রিক্যাল পদের সংখ্যাঃ ০১ জন।

০২। ইন্সট্রাক্টর মেকানিক্যাল পদের সংখ্যাঃ ০১ জন।

০৩। ইন্সট্রাক্টর কম্পিউটার পদের সংখ্যাঃ ০১ জন।

০৪। ইন্সট্রাক্টর টেক্সটাইল পদের সংখ্যাঃ ০১ জন।

০৫। ইন্সট্রাক্টর গার্মেন্টস ডিজাইন পদের সংখ্যাঃ ০১ জন।

★ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাঃ
স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি ইঞ্জিঃ / সমমান। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমমান পদে ০১ বছরের অভিজ্ঞতা । অথবা প্রথম বিভাগে ডিপ্লোমা - ইন ইঞ্জিনিয়ারিং / সমমান পদে ০৩ (তিন) বছরের অভিজ্ঞতা।

★পদের নামঃ জুনিয়ার ইন্সট্রাক্টর নন টেকঃ

০১। জুনিয়ার ইন্সট্রাক্টর নন টেক ইংরেজি পদের সংখ্যাঃ ০২ জন।

০২। জুনিয়ার ইন্সট্রাক্টর নন টেক বাংলা পদের সংখ্যাঃ ০২ জন।

★ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাঃ
স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর / সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ০১ বছরের অভিজ্ঞতা । অথবা প্রথম বিভাগে ডিপ্লোমা - ইন - ইঞ্জিনিয়ারিং / সমমান পদে ০৩ ( তিন ) বছরের অভিজ্ঞতা ।

★ পদের নামঃ জুনিয়ার ইন্সট্রাক্টরঃ

০১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর ইলেকট্রিক্যাল পদের ০৩ জন।

০২। জুনিয়ার ইন্সট্রাক্টর মেকানিক্যাল পদেন সংখ্যাঃ ০২ জন।

০৩। জুনিয়ার ইন্সট্রাক্টর ইলেকট্রনিক্স পদের সংখ্যাঃ ০২ জন।

০৪। জুনিয়ার ইন্স"ট্রাক্টর টেক্সটাইল পদের সংখ্যাঃ ০৩ জন।

০৫। জুনিয়ার ইন্সট্রাক্টর গার্মেন্টস ডিজাইন পদের সংখ্যাঃ ০৩ জন ।

★ শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রথম বিভাগে ডিপ্লোমা -ইন -ইঞ্জিনিয়ারিং ।

★ কর্মস্থালঃ ডিমলা নীলফামারী

★ সিভি পাঠানোর ঠিকানাঃ
[email protected]

★ বেতনঃ আলোচনা সাপেক্ষে

★ রেফারেন্সঃ
AK Aktarul Khan
Founder & CEO
All Department Free Training Help Zone
And
Technical Education Help Zone
Contacts Number
01764817073

★শর্তাবলীঃ
০১. আগ্রহী প্রার্থীগনকে সদ্য তোলা ০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি , মোবাইল নম্বরসহ পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত , সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ , অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি সহ স্ব - হস্তে লিখিত আবেদন পত্র আগামী ১৯/০১/২০২৩ ইং তারিখ ই- মেইল / অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে অধ্যক্ষ / পরিচালক বরাবর পৌঁছাতে হবে।

০২.নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মূল সনদ সঙ্গে আনতে হবে।

০৩.নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার জন্য কোন প্রকার টিএ / ডিএ প্রদান করা হবে না ।

★ যোগাযোগ করুণঃ
অধ্যক্ষ / পরিচালক ডিমলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ডিমলা , নীলফামারী ।
মোবাইল নাম্বারঃ
০১৭১০৬১০৬০১

26/12/2022

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

গাইবান্ধা ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (জিয়েট) গাইবান্ধা

★ পদের নামঃ ইন্সট্রাক্টর / জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল)

★পদের সংখ্যাঃ ০২ জন

★শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ (সিভিল)

★কর্মস্থলঃ এস.পি অফিসের সামনে (পলাশবাড়ী রোড), গাইবান্ধা।

★ বেতন আলোচনা সাপেক্ষে

★ সিভি পাঠানোর ঠিকানাঃ Email:[email protected]

★রেফারেন্সঃ
AK Aktarul Khan
Founder & CEO
All Department Free Training Help Zone
And
Technical Education Help Zone
Contacts Number
01764817073

★ আগ্রহী প্রার্থীদেরকে ই-মেইল পাঠাতে হবে এবং সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা,অভিজ্ঞতা সনদ পত্র, জাতীয় পরিচয় পত্র ফটোকপি ও দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে।

★বি: দ্র:শুধুমাত্র গাইবান্ধা জেলার লোক জন আবেদন করতে পারবে।

12/12/2022
12/12/2022

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
ড্যাফোডিল এডুকেশন নেটওয়ার্ক ও ড্যাফোডিল ফ্যামিলি কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট চাঁদপুর
০১। পদের নামঃ জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (অটোমোবাইল)
★ পদের সংখ্যাঃ ০১ জন
০২। পদের নামঃ জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মেকানিক্যাল)
★ পদের সংখ্যাঃ ০১ জন
০৩। পদের নামঃ জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার)
★ পদের সংখ্যাঃ ০১ জন
★শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
যে কোন স্বীকৃত পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা | ডিগ্রী অথবা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং।
★অভিজ্ঞতাঃ
শিক্ষকতা পেশায় অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
★কর্মস্থালঃ বাবুরহাট, ওয়ার্ড নংঃ ১৪, কুমিল্লা রোড, চাঁদপুর।
★ বেতনঃ আলোচনা সাপেক্ষে
★ রেফারেন্সঃ
AK Aktarul Khan
Founder & CEO
All Department Free Training Help Zone
And
Technical Education Help Zone
Contacts Number
01764817073
★ আবেদন করার জন্য লিংকঃ
জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (অটোমোবাইল)
https://bsdicp.df.daffodil.family/.../junior-instructor...
জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মেকানিক্যাল)
https://bsdicp.df.daffodil.family/.../junior-instructor...
জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার) https://bsdicp.df.daffodil.family/.../junior-instructor...
★ আগ্রহী প্রার্থীদেরকে আগামী ২৫/১২/২০১২ইং তারিখ বিকাল ০৫ ঘটিকার মধ্যে ইমেল করে জীবন বৃত্তান্ত প্রদান করার জন্য আহ্বান করা যাচ্ছে।

09/12/2022

নিয়োগঃ
পদের নামঃ ডিপু ম্যানেজার
কর্মস্থলঃ তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ HSC পাশ
বেতনঃ ১৫,০০০+ থাকা+ রান্নার গ্যাস ফ্রি (খাওয়া নিজের) আরো সুযোগ সুবিধা পাবে সন্তুষজনক কাজ দেখাতে পারলে।

★★★★ কয়লা, পাথর, আসবে ইন্ডিয়া থেকে সেগুলো আনলোড, লোড করবে; সেগুলো দেখাশোনা করতে হবে হবে, হিসাব রাখতে হবে (এক কথায় বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করতে হবে)

★★★ সব বুঝে পরিবারের সাথে কথা বলে কাজ করার মানসিকতা থাকলে নিচের মেইলে পদের নাম উল্লেখ করে আমাকে (Md. Towhiddjjaman) রেফারেন্স করে সিভি পাঠাবেন।

ইমেইলঃ [email protected]

★★★ ইনবক্সে না আসার অনুরোধ।

06/12/2022
কত মানের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা উচিৎরেজিস্টিভ লোডের ক্ষেত্রে – লোডের মোট গৃহীত এম্পিয়ারের ৩ গুণ ব্যবহার করা শ্রেয়। ...
06/12/2022

কত মানের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা উচিৎ
রেজিস্টিভ লোডের ক্ষেত্রে – লোডের মোট গৃহীত এম্পিয়ারের ৩ গুণ ব্যবহার করা শ্রেয়। উল্লেখ্য রেজিস্টিভ লোড হচ্ছে – টাংস্টেন বা ফিলামেন্ট লাইট, হিটার, আয়রন প্রভৃতি।
ইন্ডাক্টিভ লোডের ক্ষেত্রে – লোডের মোট গৃহীত এম্পিয়ারের ৬ গুণ ব্যবহার করা উচিৎ। কারণ ইন্ডাক্টিভ লোড সমূহ, সুইচ অন করবার সময় ৩-৬ গুণ পরিমাণ কারেন্ট টানে এবং আস্তে আস্তে তার কারেন্ট টানার পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে আসে। ইন্ডাক্টিভ লোড হচ্ছে সে সকল লোড যাদের মধ্যে ইন্ডাক্টর/কয়েল আছে। উদাহরণ – সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান, ইলেকট্রিক মোটর, ছোট ট্রান্সফরমার চালিত যন্ত্রপাতি, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি।
ক্যাপাসিটিভ লোডের ক্ষেত্রে – ক্যাপাসিটিভ লোড গুলোও প্রাথমিক ভাবে বেশি কারেন্ট টানে কিন্তু তা ক্ষণিক সময়ের জন্য এবং ইন্ডাক্টিভ লোডের মত দীর্ঘ সময় ব্যাপীও না। একে ইনরাশ কারেন্ট বলে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লোডের মোট কারেন্টের ৬ গুণ পরিমাণ ব্যবহার করাই শ্রেয়। এরফলে ইনরাশ কারেন্টে সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করবার সম্ভাবনা কমে।

সার্কিট ব্রেকার লাগানোর নিয়ম
1. যে লোডের সাথে সার্কিট ব্রেকার লাগানো হচ্ছে সেটি কত এম্পিয়ার কারেন্ট টানে তা হিসেব করে বের করতে হবে। তার জন্য, I = W÷V সূত্র প্রয়োগ করা যেতে পারে। যন্ত্রের গায়ে/পেছনে অনেক সময় ওয়াট ও এম্পিয়ার মান খোদাই/লেখা থাকে।
2. যে লোডে সার্কিট ব্রেকার লাগানো হচ্ছে সেটি কি টাইপের তা নির্ণয় করতে হবে। যদি এমন হয় যে উক্ত লাইনে বা উক্ত সার্কিট ব্রেকারে ভিন্ন ভিন্ন টাইপের লোড লাগানো হবে (বাসা বাড়িতে যেমন থাকে) সে ক্ষেত্রে নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ মান ধরে হিসাব করতে হবে।
3. ইন্ডাকটিভ লোডে ব্যবহারের জন্য লোডের এম্পিয়ার মানের চেয়ে ৩-৬ গুণ বেশি রেটিং সম্পন্ন সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করতে হবে।
4. ক্যাপাসিটিভ লোডের ক্ষেত্রে সার্কিট ব্রেকারের মান হবে লোডের এম্পিয়ার মানের ৬ গুণ।
5. রেজিস্টিভ লোডের ক্ষেত্রে সার্কিট ব্রেকার লাগানোর নিয়ম হচ্ছে লোড যত এম্পিয়ার টানবে তার চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি ধরা। অর্থাৎ লোড যদি ১ এম্পিয়ার টানে তাহলে সার্কিট ব্রেকার টি ১.২ এম্পিয়ারের হলেই চলবে। যদিও রেজিস্টিভ লোড চালু থেকে বন্ধ হবার আগে পর্যন্ত একই এম্পিয়ার টানে তবুও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সার্জ কারেন্টের ফলে যেন অযথাই সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ না করে তাই কিছুটা অতিরিক্ত মানের লাগানো ভালো।
6. হাই এম্পিয়ার প্রতিটি লোড আলাদা আলাদা সার্কিট ব্রেকারে সংযোগ দিতে হবে। হাই এম্পিয়ার লোড যেমন – হাই পাওয়ার মোটর, পানির পাম্প, এয়ার কন্ডিশনার, ইলেকট্রিক হিটার, ইস্ত্রি লাগানোর প্লাগ পয়েন্ট ইত্যাদি।
7. এখানে উল্লেখ্য যে- যদি হিসাবকৃত মান বাজারে না পাওয়া যায় তাহলে কাছাকাছি বেশি মানের ব্যবহার করা যেতে পারে। (যেমন – লোডের কারেন্ট ১১ এম্পিয়ার পাওয়া গেল কিন্তু বাজারে এই মানের সার্কিট ব্রেকার পাওয়া যায় না। কিন্তু ১৬ এম্পিয়ারের ব্রেকার সহজ লভ্য। কাজেই ১৬ এম্পের ব্রেকার ব্যবহার করা যেতে পারে)

পাদটিকা

ট্রিপ (Tripp)
সার্কিট ব্রেকারের প্রেক্ষাপটে “ট্রিপ” অর্থ বন্ধ হওয়া।
ট্রিপিং কারেন্ট (Tripping current)
যে পরিমাণ কারেন্ট প্রবাহিত হলে একটি সার্কিট ব্রেকার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় তাকে ট্রিপিং কারেন্ট বলে।
ইনরাশ কারেন্ট
সুইচ অন করার সাথে সাথে কোন লোড যে কারেন্ট গ্রহণ করে তাকে ইনরাশ কারেন্ট বলে। স্বাভাবিক ভাবে ইন্ডাকটিভ ও ক্যাপাসিটিভ লোডে এই ইনরাশ কারেন্ট তার স্বাভাবিক গৃহীত কারেন্টের তুলনায় অনেক বেশি হয়।
সার্জ ভোল্টেজ
অল্টারনেটিং কারেন্ট বর্তনিতে অর্ধ সাইকেল বা তার কম সময়ের জন্য মাত্রাতিরিক্ত ভোল্টেজের উপস্থিতি কে সার্জ ভোল্টেজ বলে।

06/12/2022

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
একটি বেসরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার গাজিপুর
০১। পদের নামঃ (ট্রেইনার) কম্পিউটার অপারেশন
০২। পদের নামঃ (ট্রেইনার) মোবাইল ফোন সার্ভিসিং
০৩। পদের নামঃ (ট্রেইনার) আইটি সাপোর্ট টেকনিশিয়ান
০৪। পদের নামঃ (ট্রেইনার) গ্রাফিক্স ডিজাইন
★ শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ
★ NTVQF Level -2 & 3 থাকতে হবে।
★ বেতনঃ ৯০০০ থেকে ১৩৫০০ /-(আলোচনা সাপেক্ষে)
মোবাইল বিল, ঈদ বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা প্রতিষ্ঠানের নিয়োম অনুনয়ী।
★কর্মস্থলঃ পল্লিবিদ্যুৎ, চ্ন্দ্রা, কালিয়াকৈর, গাজিপুর।
★ সিভি পাঠানোর ঠিকানাঃ [email protected]
★রেফারেন্সঃ
AK Aktarul Khan
Founder & CEO
All Department Free Training Help Zone
And
Technical Education Help Zone
Contacts Number
01764817073
★ আগ্রহী প্রার্থীদেরকে ২০/১২/২০২২ তারিখের মধ্যে ই-মেইল পাঠাতে হবে। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা,অভিজ্ঞতা সনদ পত্র, জাতীয় পরিচয় পত্র ফটোকপি ও দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে।

04/12/2022

স্ব - অর্থায়নে
BTEB এর অধিনে NTVQF এর মাধ্যমে RPL Level
০১। ইলেকট্রিক্যাল ইন্সটেলেশন অ্যান্ড মেইনটেইন্স লেভেল - ১,২
০২। সুইং মেশিন অপারেশন - লেভেল ২
০৩। মোবাইল ফোন সার্ভিসিং লেভেল -১,২
অ্যাসেসমেন্ট তারিখ
১০/১২/২০২২
রি-অ্যাসেসমেন্ট দেয়ার সুযোগ আছে।
এসেসমেন্ট ফি-৩০০০/-টাকা।
(দুই দিন ওরিন্টেশন + এক দিন ফাইনাল এসেসমেন্ট। মোট ০৩ দিন
লোকেশনঃ রংপুর
যারা করতে চান তারা নিচের নাম্বারে WhatsApp করুন
নামঃ
ঠিকানাঃ
মোবাইলঃ
অকুপেশনের নামঃ
01764817073 এই নাম্বারে WhatsApp করুন

03/12/2022

[Topic Name: - বিদ্যুৎ]
আমরা অনেকে বিদ্যুৎ কি তা জানি না।চলুন অল্প কিছু ধারণা নেয়া যাক :-
বিদ্যুৎ হচ্ছে এক প্রকার শক্তি, যা আমরা চোখে দেখতে পাই না তবে অনুভব করতে পারি। পরিবাহির মধ্যে ইলেকট্রনের প্রবাহকে বিদ্যুৎ
প্রবাহ বলে।
বিদুৎ দুই প্রকার। যথা-
(১) স্থির বিদ্যুৎ
(২) চল বিদ্যুৎ
স্থির বিদ্যুৎ : - যে বিদ্যুৎ উৎপত্তি স্থানে অবস্থান করে এবং কোন স্থান পরিবর্তন করে না তাকে স্থির বিদ্যুৎ বলে। যেমনঃ -যখন দুটি জিনিসের মধ্যে ঘর্ষণ উত্তপন্ন হয় তখন তা স্থির বিদ্যুৎ।
চল বিদ্যুৎ : -যে বিদ্যুৎ এক স্থান হতে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয় তাকে চল বিদ্যুৎ বলে। যেমনঃ- এসি ও ডিসি
চল বিদ্যুৎ আবার দুই প্রকার।
(ক) AC(এসি)
(খ) DC(ডিসি)
AC= Alternating Current
DC= Direct Current
এসি : যে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় নিদিষ্ট নিয়ম মতো দিক পরির্বতন করে এবং যার মান সবসময় পরিবর্তনশীল থাকে তাকে এসি কারেন্ট বলে।
ডিসি : যে কারেন্ট সব সময় একই দিকে প্রবাহিত হয় এবং যার মান নিদিষ্ট থাকে তাকে ডিসি কারেন্ট বলে।
উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ প্রেরণের সুবিধাগুলো ও অসুবিধাগুলো কি কি?
উত্তর ; উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ প্রেরণের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ :
(i) রেগুলেশন উন্নত হয়।
(ii) পাওয়ার ট্রান্সমিশন খরচ কম হয়।
(iii) লাইন লস কম হয়।
(iv) ট্রান্সমিশন দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
(v) লাইনের ভোল্টেজ ড্রপ কম হয়।
(vii) কম আয়তনের লাইন পরিবাহীর প্রয়োজন হয়।

03/12/2022

(১১১টি)
০১) ট্রান্সফরমার কি বা কাকে বলে?
ট্রান্সফরমার একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি বৈদ্যুতিক বর্তনি (সার্কিট) থেকে অপর একটি বৈদ্যুতিক বর্তনিতে ফ্রিকুয়েন্সিকে কোন প্রকার পরিবর্তন না করে স্থানান্তর করে।
০২) কার্যপ্রণালীর ওপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমার কত প্রকার ও কি কি?
কার্যপ্রনালীর উপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমার দুই প্রকার যথাঃ
a) স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার।
b) স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।
০৩) ট্রান্সফরমার কোথায় ব্যবহার করা হয়?
ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে। রেডিও, টেলিভিশন, টেপ-রেকর্ডার, ভিসিয়ার ইত্যাদি জায়গায়।
বৈদ্যুতিক কমিউনিকেশন সার্কিটে, টেলিফোন ও কন্ট্রোল সার্কিটে।
০৪) ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমার কত প্রকার ও কি কি?
ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমার প্রকারভেদ হলো
a) পাওয়ার ট্রান্সফরমার
b) ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার
c) অটো ট্রান্সফরমার
d) ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার
ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার আবার দুই প্রকার
ক) কারেন্ট ট্রান্সফরমার
খ) পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার
০৫) স্থাপন এর উপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমার কত প্রকার ও কি কি?
স্থাপন এর উপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমারকে নিচের অংশে ভাগ করা যায়
a) ইনডোর টাইপ ট্রান্সফরমার
b) আউটডোর টাইপ ট্রান্সফরমার
c) আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রান্সফরমার
d) পোল মাউন্টেড ট্রান্সফরমার
০৬) ফেজের সংখ্যা অনুসারে ট্রান্সফরমার কত প্রকার ও কি কি?
ফেজের সংখ্যা অনুসারে ট্রান্সফরমার কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
a) সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার
b) পলি ফেজ ট্রান্সফরমার
০৭) ফ্রিকোয়েন্সি অনুসারে ট্রান্সফরমার কত প্রকার ও কি কি?
ফ্রিকোয়েন্সি অনুসারে ট্রান্সফরমার দুই প্রকার।
a) রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ট্রান্সফরমার
b) অডিও ফ্রিকোয়েন্সি ট্রান্সফরমার
০৮) ট্রান্সফরমার স্টেপ আপ অথবা স্টেপ ডাউন বুঝার উপায় কি?
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইডের তুলনায় সেকেন্ডারি সাইডে যদি প্যাচ সংখ্যা বেশি থাকে তাহলে সেই ট্রান্সফরমার হলো স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার।
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইডের তুলনায় সেকেন্ডারি সাইডে যদি প্যাচ সংখ্যা কম থাকে তাহলে সেই ট্রান্সফরমার হলো স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।
ট্রান্সফরমারের ইফিসিয়েন্সি কি?
ট্রান্সফরমার কর্মদক্ষতা বলতে বুঝায়, ব্যবহৃত আউটপুট এবং ইনপুট পাওয়ার অনুপাত। পৃথিবীতে এমন কোন মেশিন আবিষ্কার হয় নি যার ইফিসিয়েন্সি ১০০ ভাগ।
কিন্তু একমাত্র ট্রান্সফরমার যার ইফিসিয়েন্সি ইনপুটের ৯০%ভাগ থেকে ৯৯% পাওয়া যায়। সুতারাং এতেই বুঝা যায় যে ট্রন্সফরমারের ইফিসিয়েন্সি খুবই ভালো এবং পাওয়ার লস খুব কম।
০৯) লিকেজ ফ্লাক্স কি?
প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলে যে ফ্লাক্স উৎপন্ন হয় তাকেই লিকেজ ফ্লাক্স বলা হয়ে থাকে। প্রাইমারি ফ্লাক্সের তুলনায় সেকেন্ডারিতে যদি ফ্লাক্স বেশি হয় সেক্ষেত্রে আউটপুটে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়।
১০) ট্রান্সফরমারের কোর কি দিয়ে তৈরি?
ট্রান্সফরমারের কোর সাধারণত সিলিকন স্টিল নামক এক ধরনের স্টিল দিয়ে তৈরি। ট্রন্সফরমারের কোরগুলো সাধারণত নরমাল স্টিনলেস স্টিল দিয়ে হয় না।
১১) ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উয়াইন্ডিং কাকে বলে?
প্রাইমারি উয়াইন্ডিংঃ
ট্রান্সফরমারের যে সাইডে সাপ্লাই বা সোর্স যুক্ত করা হয় তাকে প্রাইমারি উয়াইন্ডিং বলা হয়।
সেকেন্ডারি উয়াইন্ডিংঃ
ট্রান্সফরমারের যে সাইডে আউটপুট বা লোড সংযুক্ত করা হয় তাকে সেকেন্ডারি উয়াইন্ডিং বলা হয়।
১২) ট্রান্সফরমারে সংযোগ ছাড়া এক কয়েল থেকে অন্য কয়েলে কিভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়?
মিউচুয়াল ইন্ডাকশন এর মাধ্যমে ট্রান্সফরমার এক কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে থাকে। যখন প্রাইমারি কয়েলে সাপ্লাই দেওয়া হয় তখন এর চারপাশে একটি ম্যাগনেটিক ফিল্ড বা তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
তখন এই ফিল্ড থেকেই ফ্লাক্স সংগ্রহ করে সেকেন্ডারি কয়েল এবং এদের মধ্যে মিউচুয়াল ইন্ডাকশনের তৈরি হয় যার ফলে সেকেন্ডারিতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে থাকে। এই বিদ্যুৎ প্রবাহ মান নির্ভর করে প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাচ সংখ্যার উপর।
১৩) ট্রান্সফরমারের ট্রান্সফরমেশন রেশিও কাকে বলে?
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারির ভোল্টেজ, কারেন্ট ও প্যাচ সংখ্যার মধ্যে যে সম্পর্ক থাকে তাকে ট্রান্সফরমেশন রেশিও বলে।
Vp/Vs=Np/Ns=Is/Ip
১৪) ট্রান্সফরমারের রেটিং কেন কেবিএ (kVA) তে লেখা হয়ে থাকে?
আমরা জানি ট্রান্সফরমারের মোট লস=কোর লস+কপার লস। কোর লস নির্ভর করে ভোল্টেজের উপর । কপার লস নির্ভর করে কারেন্টের উপর। তাহলে মোট লস নির্ভর করে কারেন্ট এবং ভোল্টেজের উপর কিন্তু উহাদের মধ্যবর্তী ফেজ এঙ্গেলের উপরে নয়।
তাহলে বলা যায় যে পাওয়ার ফ্যাক্টর পরিবর্তনের সাথে মোট লসের কোন সম্পর্ক নেই। তাই ট্রান্সফরমারের রেটিং কেবিএ (kVA) তে লেখা হয়ে থাকে।
১৫) ট্রান্সফরমারের কি কি লস হয়?
a) কোর লস
b) কপার লস
c) কোর লস
d) এডি কারেন্ট লস
e) হিস্টেরেসিস লস
f) কপার লস
প্রাইমারি উয়াইন্ডিং এ কপার লস।
সেকেন্ডারি উয়াইন্ডিং এ কপার লস।
১৬) এডি কারেন্ট লস কি এবং তা কিভাবে কমানো যায়?
এডি কারেন্ট লসঃ
এডি কারেন্ট কোরের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় কোর রেজিস্ট্যান্স বাধাগ্রস্ত হয়ে যে অপচয় হয়, তাকেই এডি কারেন্ট লস বলে।
এডি কারেন্ট লস কমানোর উপায়ঃ
এডি কারেন্ট লস কমাতে হলে কোরের লেমিনেশন গুলো কে যথা সম্ভব পাতলা বা চিকন করতে হবে এবং লেমিনেশন গুলোকে ভালভাবে লেমিনেটিং বা ইনসুলেটিং করে এডি কারেন্ট লস অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
১৭) হিস্টেরেসিস লস কি এবং তা কিভাবে কমানো যায়?
হিস্টেরেসিস লসঃ
আমরা জানি অল্টারনেটিং কারেন্ট পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয় । অল্টারনেটিং কারেন্ট পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হওয়ার কারণে চুম্বক ক্ষেত্রের মেরুর দিক পরিবর্তন হয়ে থাকে।
এ পর্যায়ক্রমিক চুম্বকীকরন ও বিচুম্বকীকরেনের ফলে কোরে অনুচুম্বক গুলো স্ব-স্ব স্থানে সংঘর্ষের কারনে পাওয়ার লস হয়, এই লসকেই হিসটেরেসিস লস বলে। হিস্টেরেসিস লসের কারনে তাপ উৎপন্ন হয়ে থাকে। যত বেশি হিস্টেরেসিস লস হবে তত বেশি তাপ উৎপন্ন হবে।
হিস্টেরেসিস লস কমানোর উপায়ঃ
এই লস কমানোর জন্য জন্য উচ্চ গুণসম্পন্ন ম্যাগনেটিক শিটের কোর ব্যবহার করতে হবে। যেমনঃ সিলিকন স্টিল।
১৮) ট্রান্সফরমারের ওয়েল কি এবং তা কেন ব্যবহার করা হয়?
ট্রান্সফরমার ওয়েল
ট্রান্সফরমারের ট্যাঙ্কের ভিতর যে তৈল ব্যবহার করা হয় সেই তৈল-ই হলো ট্রান্সফরমার ওয়েল।
ওয়েল ব্যবহার
এটি সাধারণত ইন্সুলেশনের জন্য এবং উইন্ডিংকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়।
১৯) আইডিয়াল ট্রান্সফরমার কি?
আইডিয়াল বা আদর্শ ট্রান্সফরমার বলতে এমন এক ধরনের ট্রান্সফরমারকে বুঝায় যার মধ্যে কোন পাওয়ার লস নেই। অর্থাৎ ইনপুটে দেওয়া ১০০% পাওয়ার আউটপুটে পাওয়া যাবে।
কিন্তু বাস্তবে এমন কোন মেশিন বা বস্তু নেই যার পাওয়ার লস থাকবে না। সব ধরনের মেশিনে পাওয়ার লস থাকে। কিন্তু ট্রান্সফরমারের পাওয়ার লস অনেক কম হয়ে থাকে।
২০) আইডিয়াল ট্রান্সফরমারের বৈশিষ্ট্য গুলো কি কি?
উয়াইন্ডিং এর রেজিস্ট্যান্স খুবই কম থাকবে।
এতে কোন লিকেজ ফ্লাক্স থাকবে না।
কোরে কোন প্রকার লস থাকবে না।
কোরের পারমিয়েবিলিটি বা ভেদ্যতা খুবই উচ্চ মানের।
২১) অটো ট্রান্সফরমার কি অথবা কোন ধরনের ট্রান্সফরমারে শুধুমাত্র একটি কয়েল ব্যবহার করা হয়?
অটো ট্রান্সফরমার হলো এমন এক ধরনের ট্রান্সফরমার যার মধ্যে কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে অর্থাৎ এর কিছু অংশ প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উভয় কয়েলে ইলেক্ট্রিক্যালি ও ম্যাগনেটিক্যালি কমন থাকে।
২২) ট্রান্সফরমার স্টেপ আপ অথবা স্টেপ ডাউন বুঝার উপায় কি?
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইডের তুলনায় সেকেন্ডারি সাইডে যদি প্যাচ সংখ্যা বেশি থাকে তাহলে সেই ট্রান্সফরমার হলো স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার।
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইডের তুলনায় সেকেন্ডারি সাইডে যদি প্যাচ সংখ্যা কম থাকে তাহলে সেই ট্রান্সফরমার হলো স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।
২৩) ট্রান্সফরমারের ইফিসিয়েন্সি কি?
ট্রান্সফরমার কর্মদক্ষতা বলতে বুঝায়, ব্যবহৃত আউটপুট এবং ইনপুট পাওয়ার অনুপাত। পৃথিবীতে এমন কোন মেশিন আবিষ্কার হয় নি যার ইফিসিয়েন্সি ১০০ ভাগ।
কিন্তু একমাত্র ট্রান্সফরমার যার ইফিসিয়েন্সি ইনপুটের ৯০%ভাগ থেকে ৯৯% পাওয়া যায়। সুতারাং এতেই বুঝা যায় যে ট্রন্সফরমারের ইফিসিয়েন্সি খুবই ভালো এবং পাওয়ার লস খুব কম।
২৪) লিকেজ ফ্লাক্স কি?
প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলে যে ফ্লাক্স উৎপন্ন হয় তাকেই লিকেজ ফ্লাক্স বলা হয়ে থাকে। প্রাইমারি ফ্লাক্সের তুলনায় সেকেন্ডারিতে যদি ফ্লাক্স বেশি হয় সেক্ষেত্রে আউটপুটে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়।
২৫) ট্রান্সফরমারের কোর কি দিয়ে তৈরি?
ট্রান্সফরমারের কোর সাধারণত সিলিকন স্টিল নামক এক ধরনের স্টিল দিয়ে তৈরি। ট্রন্সফরমারের কোরগুলো সাধারণত নরমাল স্টিনলেস স্টিল দিয়ে হয় না।
২৬) ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং কাকে বলে এবং ইহা কত প্রকার ও কি কি?
ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং
কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় ৩ ফেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার না করে ৩ টি এক ফেজ ট্রান্সফরমার এর সাহায্যে ৩ ফেজ সাপ্লাই দিয়ে থাকি। এই ব্যবস্থাকে সাধারণত ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং বলে।
কত প্রকার
ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং সাধারণত ৬ প্রকার হয়ে থাকে
a) স্টার-স্টার
b) ডেল্টা-ডেল্টা
c) স্টার-ডেল্টা
d) ডেল্টা-স্টার
e) ওপেন ডেল্টা অথবা (V-V)
f) কানেকশন।
২৭) ট্রান্সফরমারের টেস্ট কেন করা হয়?
আমরা জানি ট্রান্সফরমারের পারফরম্যান্স এর হিসাব সমতুল্য সার্কিটের উপর ভিত্তি করে করা হয়। সমতুল্য সার্কিট চারটি উপাদান নিয়ে গঠিত।
সমতুল্য রেজিস্ট্যান্স R(01) বা R(02) সমতুল্য লিকেজ রিয়্যাক্ট্যান্স X(01) বা X(02) কোর লস রেজিস্ট্যান্স R(0), ম্যাগ্নেটাইজিং রিয়্যাক্ট্যান্স X(0)। এই ধ্রুবক গুলো ব্যবহার করে ট্রান্সফরমারের পারফরম্যান্স খুব সহজে বের করা যায়।
২৮) ট্রান্সফরমারের ওপেন সার্কিট এবং শর্ট সার্কিট টেস্ট কেন করা হয়?
ওপেন সার্কিট টেস্ট
এই টেস্ট করার সময় হাই সাইড ওপেন রাখতে হয় এবং লো ভোল্টেজ সাইড ইকুইপমেন্ট সংযুক্ত করা হয়। ওপেন সার্কিট টেস্ট যে কারনে করা হয়।
নো লোড কারেন্ট নির্ণয়
কোর লস নির্ণয়
এই টেস্ট করার সময় রেটেড ভোল্টেজ সাপ্লাই দেওয়া হয়।
শর্ট সার্কিট টেস্টঃ
এই টেস্ট করার জন্য লো ভোল্টেজ সাইডকে শর্ট করতে হয়। শর্ট সার্কিট টেস্ট যে কারনে করা হয়ঃ
কপার লস নির্ণয় করার জন্য
সমতুল্য রেজিস্ট্যান্স, রিয়াক্ট্যান্স এবং ইম্পিড্যান্স নির্ণয় করার জন্য
ইফিসিয়েন্সি এবং ভোল্টেজ রেগুলেশন নির্নয় করার জন্য।
২৯) নো-লোড অবস্থায় কারেন্টের পরিমান এত কম হয় কেন?
নো-লোড অবস্থায় ট্রান্সফরমারের প্রাইমারীতে কারেন্টের পরিমান খুব কম হয়ে থাকে কারন ট্রান্সফরমার ডিজাইন এর সময় এর উয়াইন্ডিং এ প্রয়োজনীয় সংখ্যক টার্ন দেওয়া হয়।
এর ফলে উচ্চমানের ইন্ডাক্টিভ সার্কিটে পরিণত হয়। এমন অবস্থায় যখন ভোল্টেজ আরোপিত হয় তখন সেলফ ইন্ডাকশনের কারনে কাউন্টার ইএমএফ তৈরি হয় এবং কারেন্টকে সিমিত রাখে। এই কারনে নো-লোড অবস্থায় কারেন্টের পরিমান এত কম হয়।
৩০) ভোল্টেজ রেগুলেশন বলতে কি বুঝায়?
ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ বৃদ্ধি পেলে সেকেন্ডারিতে ভোল্টেজ কমে যায়। তাই নো লোড ভোল্টেজ হতে ফুল লোড ভোল্টেজ পর্যন্ত মোট ভোল্টেজ ড্রপকে ফুল লোড ভোল্টেজ দ্বারা ভাগ করলে ভোল্টেজ রেগুলেশন পাওয়া যায়। একে শতকরা হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
৩১) সার্কুলেশন কারেন্ট কি এবং এতে কি সমস্যা হয়?
সার্কুলেশন কারেন্ট
প্যারালাল অপারেশনের সময় যদি উভয় ট্রান্সফরমারে ট্রান্সফরমেশন রেশিও এক না হয় তাহলে আমরা জানি ট্রন্সফরমারের ইন্ডিউসড সেকেন্ডারি ইএমএফ এর কম-বেশি বা অসমতা বিরাজ করে।
এবং সঠিকভাবে ফেজ বিপরীত বা অপজিশন হয় না যার ফলে লোড অবস্থায় এমনকি নো-লোড অবস্থায় ট্রান্সফরমারের উভয় উয়াইন্ডিং এর কিছু কারেন্ট আবর্তাকারে বা ঘূর্ণন কারে প্রবাহিত হয়, ইহাই সার্কুলেশন কারেন্ট।
সমস্যা
a) অসম লোড বহনের প্রবনতা সৃষ্টি হয়।
এর ফলে পূর্ণভাবে KVA আউটপুট পাওয়া যায় না।
b) ট্রান্সফরমার অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়।
৩২) ট্রান্সফরমার কেন প্যারালালে সংযোগ করা হয়?
অনেক সময় ট্রান্সফরমারকে অতিরিক্ত লোড বহন করার জন্য প্রয়োজন হতে পারে। এই অবস্থায় দুই বা ততদিক ট্রান্সফরমারকে প্যারালালে সংযোগ করতে হয়।
প্যারালাল সার্কিটে সংযুক্ত করতে হলে নিচের শর্তগুলো পুরন করতে হয়।
a) সবগুলো ট্রান্সফরমার এর হাই এবং লো সাইডের ভোল্টেজ রেটিং একই হতে হবে অর্থাৎ ট্রান্সফরামার রেশিও একই হতে হবে।
b) ট্রান্সফরমার সমূহকে সঠিক পোলারিটি অনুযায়ী সংযোগ দিতে হবে।
c) প্রতিটি ট্রান্সফরমারের সমতুল্য ইম্পিডেন্স অবশ্যই KVA রেটিং এর উল্টানুপাতিক হতে হবে।
d) প্রতিটি ট্রান্সফরমারের নিজস্ব সমতুল্য রেজিস্ট্যান্স এবং রিয়্যাক্ট্যান্স এর অনুপাত একই হতে হবে।
e) ফেজ সিকুয়েন্স অবশ্যই একই হতে হবে।
৩৩) একটি ট্রান্সফরমারের নেমপ্লেটে প্রদত্ত ভোল্টেজ ব্যতীত অন্য কোন ভোল্টেজে কি ট্রান্সফরমার চালানো যেতে পারে?
উত্তরঃকিছু কিছু ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমার নেমপ্লেটে প্রদত্ত ভোল্টেজ অপেক্ষা কম ভোল্টেজে চালান যেতে পারে। যদি ট্যাপ প্রদান করা না হয়ে থাকে তাহলে ট্রান্সফরমার নেমপ্লেটে প্রদত্ত ভোল্টেজ অপেক্ষা বেশি ভোল্টেজে চালান উচিত নয়। যদি নির্ধারিত ভোল্টেজ অপেক্ষা কম ভোল্টেজে ট্রান্সফরমার চালান হয়, তাহলে এর KVA রেটিংও ক্রমান্বয়ে কমে যাবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোন ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ভোল্টেজ ৪৮০ ভোল্ট ও সেকেন্ডারি ভোল্টেজ ২৪০ ভোল্ট হয়ে থাকে এবং এটি যদি ২৪০ ভোল্টে অপারেট করা হয় তাহলে সেকেন্ডারি ভোল্টেজ হ্রাস পেয়ে হবে ১২০ ভোল্ট। যদি ট্রান্সফরমারটির রেটিং ১০KVA হয়ে থাকে তাহলে সেটি হয়ে যাবে ৫ KVA অথবা প্রদত্ত ভোল্টেজের সমানুপাতিক হবে।
৩৪) ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা বেশি হয়ে থাকে কেন?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার একটি স্ট্যাটিক ডিভাইস অর্থাৎ স্থির যন্ত্র। এতে কোন ঘূর্ণায়মান অংশ নেই, ফলে ঘর্ষণজনিত কোন ক্ষয় বা লস এতে নেই। অন্যান্য ঘূর্ণায়মান যন্ত্রের তুলনায় ট্রান্সফরমারে লস অনেক কম। তাই ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা সবচাইতে বেশি। ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা ৯৫%-৯৮% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৩৫) ট্রান্সফরমারের রেটিং kW এ না লিখে kVA লেখা হয়ে থাকে কেন?
উত্তরঃ
ট্রান্সফরমারের মোট লস= কোর লস + কপার লস। কোর লস নির্ভর করে ভোল্টেজ এর উপর এবং কপার লস নির্ভর করে কারেন্টের উপর, কিন্তু ট্রান্সফরমারের মোট লস কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী ফেজ কোণের উপর নির্ভর করেনা। kW এর সাথে পাওয়ার ফ্যাক্টর বা কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী ফেজ এঙ্গেল জড়িত কিন্ত kVA এর সাথে পাওয়ার ফ্যাক্টর থাকেনা। এজন্য ট্রান্সফরমারের রেটিং kW এ না লিখে kVA লেখা হয়ে থাকে।
৩৬) ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং কাকে বলে?
উত্তরঃঅনেক সময় ৩ ফেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার না করে তিনটি ১ ফেজ ট্রান্সফরমার এর সাহায্যে ৩ ফেজ সাপ্লাই দেয়া হয়, এই ব্যবস্থাকে ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং বলে।
৩৭) ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং করার শর্ত কি কি?
উত্তরঃ
ক) প্রতিটি ট্রান্সফরমার এর kVA রেটিং একই হতে হবে।
খ) প্রতিটি ট্রান্সফরমার এর ভোল্টেজ রেটিং একই হতে হবে।
গ) সঠিক পোলারিটি অনুযায়ী সংযোগ দিতে হবে।
৩৮) কোন ট্রান্সফরমার এর এফিসিয়েন্সি কখন ম্যাক্সিমাম হয়?
উত্তরঃ যখন আয়রণ লস ও কপার লস প্রায় সমান হয় তখনই ওই ট্রান্সফরমারের ইফিসিয়েন্সি ম্যাক্সিমাম হতে পারবে।
৩৯) অটো ট্রান্সফরমার কি?
উত্তরঃঅটো ট্রান্সফরমার এমন এক ব্যাতিক্রমি ট্রান্সফরমার যার মধ্যে কেবল একটি ওয়াইন্ডিং থাকে। ইহার কিছু অংশ প্রাইমারি আর কিছু অংশ সেকেন্ডারি, উভয় কয়েল ইলেকট্রিক্যাল ও ম্যাগনেটিক্যালি সংযুক্ত থাকে। তারপরও একে ট্রান্সফরমার বলা হয়, কারণ ইহার কার্যপ্রণালী দুই ওয়াইন্ডিং ট্রান্সফরমার এর মতই।

Address

Kushtia, Sadar, Kushtia
Kushtia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Technical Technology EEE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share