Md. Humayun Ahmed Himu

Md. Humayun Ahmed Himu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md. Humayun Ahmed Himu, Chemical company, পদ্মা সেতু, মাওয়া ঘাট।, Mawa.

নন্দিনী তোমাকে বিহীন কষ্ট--৩০--------------------------------------------হিমু।নন্দিনী তোমাকে বিহীন কষ্ট !ভিষণ কষ্ট,না বু...
18/11/2024

নন্দিনী তোমাকে বিহীন কষ্ট--৩০

--------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী তোমাকে বিহীন কষ্ট !
ভিষণ কষ্ট,
না বুকের খাঁচায়,
না মনের পাতায়,
না শরীরের শাখা-প্রশাখায়।
নন্দিনী বুঝতে পারছি না এ কেমন নির্ণয়হীন ব্যথা বুকের পাঁজরে।

নন্দিনী মনে হচ্ছে আমার জীবন থেকে লেপ্টে থাকা কেউ একজন আজ হৃদয়ের হৃৎপিণ্ড থেকে বেরিয়ে গেছে।
না পারি কাউকে বলতে,
না পারি কাউকে ধরে রাখতে,
নন্দিনী আমার এই অযাচিত জীবনের মনিকোঠায়।

নন্দিনী তোমাকে বিহীন কষ্ট !
খুবই কষ্ট,
নন্দিনী তুমি দিয়েছিলে যে সুখ এ হ্নদয়ের গহীনে।
নিলে আজ তার চেয়ে দ্বিগুণ সুখানুভূতি।
নন্দিনী তবুও বলি সুখে থেকো শতশত মাইল দূর দূরান্তে।
নন্দিনী তোমাকে ছেড়ে না হয় আমার কষ্ট আমার হয়ে থাকুক একাকীত্বের রোধনে!

নন্দিনী তুমি আজ আমার দৃষ্টি সীমানার অন্তরালে।
না হয় আমি মনের অজান্তে বুঝলাম না তোমাকে সম্মান দিতে।
নন্দিনী তবুও তুমি ছিনিয়ে নিলে স্বার্থের দৃষ্টিকোণ হতে যা কিছু আমাকে নিঃস্বার্থভাবে দিয়েছিলে।
নন্দিনী তবুও বলছি করুনাময়ের কাছে বিপদাপদে ভালো যেন থেকো তুমি সকল সুকর্মে।

নন্দিনী তোমাকে বিহীন কষ্ট !
ভিষণ কষ্ট,
আমি যেন অনাথ অনাচার তুচ্ছতাচ্ছিল্য হয়েও মানব সমাজে ছড়াই তোমার প্রসংশার স্নিগ্ধ বাতাসের বুকে।
নন্দিনী আমি না হয় দূর দূরন্ত থেকে নিঃস্বার্থতার গুণাবলি দেহবৃক্ষে ধারণ করে।
নন্দিনী আগামীর স্বপ্ন দেখবো না হয় তোমার অবহেলিত বিষাক্ত ঘৃণার ছোবলে।

নন্দিনী তোমাকে ঘিরে আমার বন্ধনা--২৯------------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী বেশ কিছুদিন হলো তু...
09/11/2024

নন্দিনী তোমাকে ঘিরে আমার বন্ধনা--২৯

------------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী বেশ কিছুদিন হলো তুমি আমার মনের মন্দির থেকে হারিয়ে গেছো।
আমি অনেক বার খুঁজেছি মনের অজান্তে দূর দূরান্তে পথের প্রান্তে।
অনেক বার বৃষ্টিতে ভিজে,
অনেক বার বিপ্লবী মিছিলে,
অনেক বার শাহবাগের আন্দোলনে,
এমন কি খুঁজেছি তোমার বৃষ্টি ভেজা কদম তলার উজান গায়েও গো নন্দিনী !

নন্দিনী আমার শখের
ময়না,
টিয়া,
পাখি উড়ে গেছে যেখান থেকে ঐ দূর অজানাই।
সেখানেও খুঁজেছি তোমাকে বারংবার।
তোমাকে সেদিন থেকে না পেয়ে আমি আজ
বাকরুদ্ধ,
স্তব্ধ,
স্তম্ভিত,
অশান্ত,
হয়ে পড়েছি এই ধরনীর বুকে গো নন্দিনী !

নন্দিনী কাঁচা তরকারির বাজারে খুঁজেছি তোমায়।
এমন কি অলিগলি মাছের বাজারেও খুঁজে ফিরেছি তোমাকে।
কাঁচা মাছের গন্ধ এখনও লেগে আছে আমার গায়ে।
কালি মন্দিরের সেই চোরা গলির অন্ধকারেও তন্ন তন্ন করে তোমাকে খুঁজেছি গো নন্দিনী।

নন্দিনী তোমাকে বিহীন মনের শূন্যতা দূর করার জন্য
নবগঙ্গা,
কালিগঙ্গা,
বুড়িগঙ্গার,
ঘোলা জলেও তোমাকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি মেলে খুঁজেছি।
নন্দিনী বিশ তলা সিঁড়ি বেয়ে অফিসের ছাদে।
শ্বাসকষ্টের রাতে,
বকুল ফুলের ঘ্রাণে,
মধুমতি সিনেমা হলে।
এমন কি ঢাকা শহরের প্রতিটি লোকাল গাড়ির রিয়ার ভিউ মিররে তোমাকে খুঁজেছি গো নন্দিনী !

নন্দিনী তোমাকে খুঁজেছি শহর ছেড়ে প্রতিটি গ্রামের এঁকো বেঁকো মেঠো পথে।
নিলান্জনাদের উঠানে,
বড় নাও পাড়া পদ্মার পাড়ে,
একবার নয়,
শতবার নয়,
অযুত নিযুত বারও নয়,
কোথাও ছিলে না তুমি।
এমন কি কোথাও খুঁজে তোমাকে পাইনি গো নন্দিনী !

নন্দিনী তুমি কতদিন আমার বুকের পাঁজর থেকে হারিয়ে গেছো।
সেদিন থেকে আমার এই বুকে তোমার শূন্যতা অনুভব করছি সমস্ত পৃথিবীর তন্ত্রে তন্ত্রে।
নন্দিনী তোমাকে নিয়ে কোনো কবি আজও পর্যন্ত সূখ দুঃখের কবিতা লিখে নাই।

নন্দিনী কারণ তুমি ছাড়া আমার স্মৃতির মন্দিরে কেউ নেই।
স্মৃতি ছাড়া কোনো কবি তার কবিতা লিখতে পারে না গো নন্দিনী !
সম্ভবত তুমি কোলাহল মুক্ত এই শহর ছেড়ে আবাসস্থল গড়েছো সুদুর কানাডাতে।
সারাক্ষণ তোমাকে ঘিরেই শুধু আমার বন্ধনা লিখা গো নন্দিনী।

স্মৃতির যবনিকায় তুমি আছো নন্দিনী--২৮------------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী কতোবার তোমাকে নিয়...
04/11/2024

স্মৃতির যবনিকায় তুমি আছো নন্দিনী--২৮

------------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী কতোবার তোমাকে নিয়ে স্মৃতির যবনিকা টানতে গিয়ে।
তোমার সিঁদুর মেঘে,
গোলাপি ঠোঁটের,
অতৃপ্ত অর্ধেক হাঁসির সুর কেঁপে উঠেছে আমার হ্নদয়ে।
নন্দিনী তোমার ঐ মায়াবী'মায়াবী মুখখানি বারংবার ভেসে উঠেছে সমুদ্রের বিশালতার মতো আমার মনের মন্দিরে।

তুমি কি জানো নন্দিনী !
আমি উন্মাদ,
আমি হতবিহ্বল,
আমি আবেগাপ্লুত,
হয়ে তরঙ্গে স্বপ্ন বিভোরে ভেসে চলি কোনো এক অজানাই।
একা'একা সাম্পানে সমুদ্রের বুকে শুধুই তোমাকে নিয়ে গো নন্দিনী।

নন্দিনী কতোবার তোমাকে নিয়ে স্মৃতির যবনিকা টানতে গিয়ে।
হলুদ বাতাসে,
বাসন্তি ফুলের প্রেম,
ভেসে এসেছে আমার হ্নদয়ের গভীরে।
নন্দিনী তোমার কথা ভেবে'ভেবে আমার মলিন অন্তর ছুঁয়ে গেছে অজানা আবেশে।

নন্দিনী তোমার বুকের শ্বাস'প্রশ্বাসের মাঝে আমি পাহাড়ী ঝর্ণার সুর শুনতে পেয়েছি।
তোমার কণ্ঠে আহা-কারের স্বচ্ছ উচ্চারণের নির্ভীক পুনরাবৃত্তি আমি দেখেছি।
নন্দিনী তোমার ডাগর ডাগর আঁখির দৃষ্টিতে মায়াবীর ছটা আমি দেখেছি।

নন্দিনী তোমার মধুর থেকে সুমধুর কন্ঠের সুরের মূর্ছনা আমি দেখেছি।
কপালে কালো টিপ,
ঠোঁটে লাল লিপস্টিক,
সন্ধ্যা মালতী ফুল,
খোপায় গুঁজে গোলাপি ঝর্ণার শুভ্র স্পর্শে আমাকে বারংবার খুঁজছো।
এটাও আমি জেনেছি গো নন্দিনী !

নন্দিনী কতোবার তোমাকে নিয়ে স্মৃতির যবনিকা টানতে গিয়ে।
ক্লান্ত দুপুরে হলুদ পাখির ঠোঁটে রঙধনুর সাতটি রঙ তোমার মধ্যে দেখেছি।
নন্দিনী রঙধনুর প্রতিটি স্তবে তোমার সুকোমল হ্নদয়ের মায়াবী'মায়াবী সুমধুর হাঁসিরছটা।
কখনও বিলুপ্ত হয়নি আমার স্মৃতি গহব্বর থেকে গো নন্দিনী !

নন্দিনী কঠিন বাস্তবতায় মাঝে মধ্যে অসুখ ছড়ায় আমার হ্নদয়ের মনিকোঠায় তোমাকে নিয়ে।
আমার বিবর্ণ কালো চোঁখ সবসময় খুঁজে বেড়ায় তোমাকে।
নন্দিনী তোমার সারমর্মহীন রঙচটা সমস্ত অনুভূতিগুলি আমার হ্নদয়ে স্পন্দন যোগায়।

নন্দিনী তুমি কি হও আমার প্রিয়জন--২৭----------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী নদীর স্রোতের মতো বয়ে...
29/10/2024

নন্দিনী তুমি কি হও আমার প্রিয়জন--২৭

----------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী নদীর স্রোতের মতো বয়ে চলা এ জীবনে
সহস্র কাল,
মহাকাল পেরিয়ে।
তুমি আছো আমার হ্নদয়ের মন্দিরে।
নন্দিনী তুমি কি হও আমার প্রিয়জন !

নন্দিনী শত
নারী,
পুরুষ,
মহাপুরুষের সংস্পর্শে।
সুবাসিত হয়েছিলো মোর এ পুষ্প কানন।
নন্দিনী সংগীতের আদলে আনারী কণ্ঠে বেজে উঠেছিল তোমারই স্মৃতি।
নন্দিনী তুমি কি হও আমার প্রিয়জন !

নন্দিনী
তার,
বেতারের,
পৌরুষি বাদ্য-বেহালায়।
নন্দিনী রাতের আঁধারে,
তারার জৌলুসে,
চাঁদের সজ্জায়,
পেয়েছি তোমার মূখ।
নন্দিনী তুমি কি হও আমার প্রিয়জন !

নন্দিনী
স্মৃতি হয়ে,
প্রীতি হয়ে,
এখনও তুমি রয়েছো আমার বুকের কারাগারে।
অনেকে-ই আমার মনের মরু-ভূমিতে বালুচাপায় মৃত্যুর অপেক্ষায়।
অনেকে-ই আমার দৃষ্টির ওপারে ভাসছে অশ্রু ধারায়।নন্দিনী
কৈ,
কখনও তো কারোর জন্য এ মন ব্যাকুল হয়নি তোমায় ছাড়া।
নন্দিনী তুমি কি হও আমার প্রিয়জন !

নন্দিনী আগে,
কখনও তো নিজেকে নিঃসঙ্গ মনে হয়নি।
তবে,
তোমাতে কেন বার-বার পরাস্ত হচ্ছি আমি জীর্ণ কায়।নন্দিনী তোমাকে দূর দিগন্তে রেখে
আমি ক্লান্ত,
আমি শ্রান্ত,
হয়ে পড়ছি বারংবার।
নন্দিনী তুমি কি হও আমার প্রিয়জন !

নন্দিনী আজীবন কোন বাঁধনে বাঁধা তুমি আমার রক্ত কণিকায়।
তোমার সুর,
তোমার ছন্দ,
আমার হৃদয়ের স্পন্দন।
নন্দিনী তুমি আছো,
তুমি থাকবে,
অনন্তকাল এ মনের গহীনে।
নন্দিনী তুমি কি হও আমার প্রিয়জন !

আজও আগের মতো আছো কি নন্দিনী--২৬---------------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী আমি বেসিক্যালি একজন...
21/10/2024

আজও আগের মতো আছো কি নন্দিনী--২৬

---------------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী আমি বেসিক্যালি একজন ন্যায় নিষ্ঠাবান খুব মুডি একজন মানুষ !
কারোর সুন্দর মিষ্টি ব্যবহারের কাছে আমি খুব সহজে জল হয়ে যায় !
আবার কারোর দূর ব্যবহারের কাছে আমি পাথররে মতো কঠিন শক্ত হয়ে যায় !

নন্দিনী কাউকে আমার খুব
পছন্দ হলে,
ভালো লাগলে,
মায়া লাগলে,
তাকে হাত ধরে বুকে টেনে নিয়ে সারাজীবনের জন্য বুকের পাঁজরে আটকে রাখার পরিকল্পনা করি !

নন্দিনী আর কেউ যদি আমার সাথে
মিথ্যা,
ছলনা,
অহমিকায়,
পর্যবেশিত হয়েছে সেটা আমার দৃষ্টিতে ধরা পড়লে!
সত্যি সত্যি তাকে আমি হৃদ মন্দির থেকে হাত ধরে টেনে বের করে দিই গো নন্দিনী !

নন্দিনী তোমার ভালোবাসার প্রতি আমি খুব দুর্বল বলে তোমার কাছে খুব হ্যাংলামি করি !
তোমাকে বিরক্ত করি,
মোবাইলে ডিস্টার্ব করি,
মেসেজ করি,
অডিও ভিডিও কল করি,
নন্দিনী সেটা তোমার কাছে সবসময় পছন্দ হতো না ! বিশ্বাস করো এগুলি করি একমাত্র তোমাকে হারানোর ভয়ে গো নন্দিনী !

নন্দিনী আবার আমার কাউকে পছন্দ না হলে তার সাথে একটি দুটির বেশি কথা বলি না !
আবার মন উজাড় করে সমস্ত সত্তা বিলিয়ে তার সাথে ওঠা বসাও করি না !

নন্দিনী সবসময় তোমার সাথে আন্তরিক হওয়ার চেষ্টা করি।
তুমি বিহনে অন্তর থেকে সবার সাথে মিশতে পারি না বা ইচ্ছাও করি না।
কারণ তুমি আমার একমাত্র ভালোবাসার লাল গোলাপের পাঁপড়ির নির্যাস গো নন্দিনী !

নন্দিনী তবে কাউকেই অকারণে এড়িয়ে চলি না !
বা কাউকে গুরুত্বহীনও মনে করি না !
কম কথা বলা মানে কাউকে ছোট করে নিশ্চই দেখি না !
সবার সাথে যতোটুকু কথা বলি।
খুব ভালোভাবে বিনয়ী হয়ে কথা বলার চেষ্টা করি গো নন্দিনী !

নন্দিনী কোনো মানুষের সাথে অকারণে খারাপ ব্যবহার করতে আমার খুব কষ্ট লাগে !
আমি একেবারেই কখনও
অহংকারী,
দাম্ভিক,
দুষ্কৃতকারী,
বা প্রতারক চক্রের সাথে জড়িত থাকা কোনো মানুষ নই !
কিন্তু একটা বয়স পার হওয়ার পর আমি নিজেকে ধীরে ধীরে গুটিয়ে নিতে শুরু করেছি।
আমার জীবন থেকে অমানুষ গুলিকে ছেঁটে বাদ দিয়ে দিয়েছি গো নন্দিনী !

নন্দিনী তোমাকে না পেয়ে আমিও এখন খুব কম মানুষের কাছে নিজেকে খোলামেলা প্রকাশ করি ! আমি একদিন যাদের কাছে জল হয়ে গিয়েছিলাম তারা এখন আমায় মাথায় তুলে রাখে !
আমায় আগলে রাখে !
আমার সমস্ত সিক্রেট গোপন রাখে !
তুমি বিহনে আমি এখন তাদের কাছেই জল হয়ে আছি গে নন্দিনী !

নন্দিনী আমার কাছে"তুমি"খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ ছিলে।
নন্দিনী তোমার সম্পর্কে কেউ কোনো খারাপ ব্যবহার করলে আমি তাকে ধীরে ধীরে নিজের থেকে এখনও দূরে সরিয়ে দিই !
সে যতোই আমার নিজের আপনজন হোক না কেন !
কারণ তুমি আমার একমাত্র প্রথম ও শেষ ভালোবাসা গো নন্দিনী !

নন্দিনী আমি একই সময়ে দুই রকমের আচরণ করতে পারি !
দুই রকমের ব্যবহার করতে পারি !
একমাত্র তোমাকে নিয়ে কেউ যদি খারাপ সমালোচনা করে আমার সামনে !
নন্দিনী তোমার মনে পড়ে কি !
রাস্তার ধারে ফুচকার দোকান দেখলেই তুমি লাফিয়ে উঠতে ফুচকা খাওয়ার জন্য।
নন্দিনী এখনও আমি অনুভব করে শিহরিত হয় !অনেক সময় আমার বুকে মাথা রেখে মুষলধারে বৃষ্টির দিনে আমাকে কাছে পাওয়ার আশায় কেঁদে কেঁদে হালকা হতে গো নন্দিনী !

নন্দিনী আমি মনে করি প্রখর রৌদ্র দেখে ঘরের এসিতে বসে থাকা মেয়েটি মাঝে মধ্যে রৌদ্র খোঁজে !
যে রৌদ্র মানুষকে পুড়িয়ে ছারখার করে ভিতর থেকে শুদ্ধ করতে পারে !
কারেন্ট অফ হয়ে গেলে ভয় পাওয়া মেয়েটি অন্ধকারে মুখ গুঁজে কাঁদতে চায় !
নন্দিনী তোমাকে আজও আমি প্রখর রৌদ্রময় দিনে ও অন্ধকারে খুঁজি তোমার মায়াবী মায়াবী চাঁদ মূখ !

নন্দিনী আমার সাথে গাড়িতে যেতে যেতে গ্লাসের ভিতর থেকে বাহিরের মেঘলা আকাশ দেখে তুমি কেঁদে ফেলতে !
অথচ তুমি একটু আগেই ফোনে কথা বলছিলে বন্ধুদের সাথে !
নন্দিনী রাস্তা পর হওয়ার সময় তুমি অনেক ভয় পেয়ে পার হতে !
রেললাইনের উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আমরা হাত ধরাধরি করে পার হতাম !
নন্দিনী আজও তুমি কি এরকম আছো !

নন্দিনী হঠাৎ ভীষণ বকবক করে মাঝে মাঝে আনমনা হয়ে যেতে !
মাঝে মধ্যে কথা বলতে বলতে খেই হারিয়ে ফেলতে ! একসময় দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে আইসক্রিমের বাটি নিয়ে বারান্দায় গিয়ে আনমনা হয়ে বসে বসে আইসক্রিম খেতে !
নন্দিনী আজও তুমি কি এরকম করো !

নন্দিনী আসলে আমার ধারণা কিছু মানুষ(ইন্ট্রোভার্ট) ও শান্ত স্বভাবের হয় না।
আবার কিছু মানুষ(এক্সট্রোভার্ট)ভীষণ বকবক করা টাইপেরও হয় না।
নন্দিনী আজও আমার জানা হয়নি তুমি আমার দৃষ্টিতে কোন পর্যায়ের একজন মানুষ !

নন্দিনী তোমার ভিতর আমি এক সমুদ্র ভালোবাসা ও মায়া লুকোনো দেখেছিলাম একদিন !
আমি স্রেফ এই জীবনটাকে কাটানোর জন্য তোমার মতো একটি সহজ সরল মানুষ খুঁজে বেড়ায় সারাদিন রাত !
নন্দিনী তোমার মাঝে আজও কি এরকম ভালোবাসা লুকায়িত আছে !

নন্দিনী আমার ভাষ্যমতে যে মানুষটির কাছে হাঁসতে হাঁসতে কেঁদে ফেলা যায় !
চলন্ত গাড়ির ভিতর বসে কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়া যায় !
তার সাথে নিশ্চিন্তে হারিয়ে যাওয়া যায় একটি সোনালী সকাল খোঁজার জন্য গো নন্দিনী !

নন্দিনী কেন করো এতো লুকোচুরি--২৫----------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী আমি একদিন ছিলাম তোমার ভ...
16/10/2024

নন্দিনী কেন করো এতো লুকোচুরি--২৫

----------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী আমি একদিন ছিলাম তোমার ভালোবাসার এক গুচ্ছ কবিতা হয়ে তোমার বুকের পাঁজরে !
আমার এই ভাঙ্গা চোরা হৃদয়ে এঁকেছিলাম তোমার
লাল,
নীল,
সবুজ,
রঙের ছবিগুলি।
আর তোমার অট্টহাসির মায়াবী মায়াবী চোঁখের চাহনি দেখে গো নন্দিনী !

নন্দিনী শত কারণে বাঁধা পড়েছিলো আমার এ মন তোমার ভালোবাসার মহ ও মায়াজালে !
নীলিমার নীল আবেশে যেনো নীল রঙের ছায়া হয়ে আছো তুমি এ বুকের পিঞ্জিরে !
নন্দিনী তোমাকে ভালোবেসে।
শত কষ্ট বুকে নিয়ে।
তোমার ছাঁয়া হয়ে আজও বেঁচে আছি আমি এই ধরনীর বুকে !

নন্দিনী তোমার শত অবহেলাতেও তোমায় আজও ভালোবাসি মনের গহীন থেকে !
নন্দিনী তোমাকে
আকাশ,
বাতাস,
পাহাড়,
পর্বত,
সাক্ষী রেখে একদিন আপন করেছিলাম এই সুন্দর ভূবনময় পৃথিবীরতে !

নন্দিনী এই পৃথিবীর বুকে তোমাকে পাইনি বলে তাতে কি হয়েছে !
মরণের পরে কায়মনোবাক্যে বিধাতার কাছে চাইবো তোমাকে পরকালে !
সেদিন তোমাকে বুকের মধ্য থেকে কোথাও যেতে দিবো না আমি কোনো কারণ অকারণে !

নন্দিনী কুড়ে ঘরেই তোমাকে নিয়ে আমি সূখের স্বর্গ রচনা করতে চাই !
তাজমহল,
অট্টালিকা,
রাজপ্রাসাদ,
কিছুই চাই না তুমি বিহনে !
নন্দিনী দু'জন মিলেই সেই ঘরেতেই খুঁজে নিবো শান্তির সুখের নীড়ে প্রদীপের আলো !

নন্দিনী এই ধরনীর বুকে
দুঃখ,
কষ্ট,
যতোই আসুক না জীবনে ছাড়বো না তোমার হাত ! আল্লাহর দেওয়া তুমি যে আমার শ্রেষ্ঠ নেয়ামত।
জানি,জানি গো প্রিয় !
মনে হয় তুমি গোপনে,আজও অনেক ভালোবাসো আমাকে সখা !
নন্দিনী অনেক খোঁজা খুঁজির পর আজও পেলাম না তোমার দেখা !

নন্দিনী আমার ধারণা তুমি রয়েছো এখনও গোপনে আমার মনের মন্দিরে !
আমার বিশ্বাস তবুও হয়েছি আমি তোমার আপন।
আমি অবলা পুরুষ।
হ্নদয়ের চোঁখ দিয়ে যদিও বা তোমায় দেখাতে পারি ! তাহলে কেনো,
কেনো,
দেখাতে পারো না তুমি আমায় !
নন্দিনী নাকি ভূল ধারণা করে ছুটে চলছি মরিচিকার পিছনে আমি !

নন্দিনী জানিনা কেনো তুমি সবসময় করো আমার সঙ্গে এতো লুকোচুরি !
তোমার ভালোবাসায় হতে চাই আমি সারাজীবনের বুড়ো সঙ্গী !
নন্দিনী তুমি কি জানো না ভালোবাসা ছাড়া আমি তোমার কাছে এমন কি বা চাই !
তবে দেবার বেলায় কেনো তুমি এতো নিরুপায় হও গো নন্দিনী !

তুমি বোধ হয় রোজ বৃষ্টি হয়ে ঝরো নন্দিনী--২৩------------------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী তুমি ...
10/10/2024

তুমি বোধ হয় রোজ বৃষ্টি হয়ে ঝরো নন্দিনী--২৩

------------------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী তুমি কখনও আমার হবেনা বা হওনি জেনেও !
রোজ তোমায় নিয়ে কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যায় ও আনন্দিত হয় !
তোমায় নিয়ে রোজ রাতে ঝুমঝুম বৃষ্টির মাঝে স্বপ্ন দেখাকে বোধ হয় ভাবি তুমি বৃষ্টি হয়ে ঝরো !

নন্দিনী বৃষ্টিতে ভেজার চেয়ে মাঝে মধ্যে অন্ধকার ঘরে স্বপ্নের মাঝে !
তোমার বুকে মাথা রেখে মুষলধারে বৃষ্টির টাপুর টুপুর শব্দ শোনাটাকে বোধ হয় ভাবি !
তুমি বৃষ্টি হয়ে অঝোর ধারায় ঝরো !
তুমি বৃষ্টির জল হয়ে গড়িয়ে পড়ছো আমার শয়নকক্ষে গো নন্দিনী !

নন্দিনী আমার ধারণা তুমি যখন রোজ বৃষ্টি হয়ে অঝোর ধারায় ঝনঝনিয়ে ঝরো !
আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে তোমায় ভেবে ভেবে শিহরিত হয় !
তখন আমার কাছে অনেক অনেক বেশি শান্তি লাগে গো নন্দিনী !

কিছু কিছু বৃষ্টি প্রশান্তির হয় গো নন্দিনী--২২---------------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী সব বৃ...
03/10/2024

কিছু কিছু বৃষ্টি প্রশান্তির হয় গো নন্দিনী--২২

---------------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী সব বৃষ্টি মন খারাপের হয় না।
অসময়ে বৃষ্টি এলে হাতের মুঠোয় পানি নিয়ে মাখিয়ে দিতে ইচ্ছে করে তোমার ঐ সুন্দর মায়াবী মায়াবী চোঁখে মূখে।
নন্দিনী বৃষ্টির টাপুর টুপুর শব্দে গলায় সুর না থাকলেও গান গাইতে ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে।

নন্দিনী বৃষ্টির মধ্যে ঠান্ডা হাওয়ায় ভিজতে ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে।
ঠোঙা ভর্তি গরম'গরম জিলেপি নিয়ে রাস্তার ধারে টিনের শেডের নীচে দাঁড়িয়ে খেতে ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে।
বৃষ্টির মধ্যে লাল নীল কাগজের নৌকা বানিয়ে ভাসাতে ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে গো নন্দিনী।

নন্দিনী প্রচন্ড রৌদ্র ও বৃষ্টিতে তোমায় নিয়ে ব্যাগের মধ্যে ছাতা ঢুকিয়ে গা ঘেষে হাঁটতে ইচ্ছে করে।
বৃষ্টির মধ্যে তোমায় নিয়ে রাস্তায় জমা কাঁদা পানিতে জুতো খুলে হাঁটতে ইচ্ছে করে গো নন্দিনী।
নন্দিনী বৃষ্টির মধ্যে গলির ভিতর ঢুকে ঠোঁট ঠোঁট রেখে বারবার তোমাকে চুম্বন দিতে ইচ্ছে করে।

নন্দিনী একটা সাইকেল কারোর কাছ থেকে কিছু সময়ের জন্য ধার নিয়ে।
তোমাকে চড়িয়ে কোনো একটা অচেনা জায়গায় চলে যেতে ইচ্ছে করে।
যেখানে কেউ আমাদের চিনবে না গো নন্দিনী।
নন্দিনী নামহীন কোনো রেলস্টেশনে দূ'জন মিলে বসে দু'কাপ চা খেতে ইচ্ছে করে মাটির ভাঁড়ে।

নন্দিনী খুব জোরে জাপটে ধরতে ইচ্ছে করে তোমায় মাঝে মাঝে।
যাতে হাত ফস্কে পালাতে না পারো কোনোদিন আমার কাছ থেকে।
নন্দিনী সব বৃষ্টি অভিমানের হয় না।
সব বৃষ্টি অযত্নের হয় না।
সব বৃষ্টি অনাদরের হয় না গো নন্দিনী।

সব বৃষ্টি কাঁন্না লুকানোর হয় না গো নন্দিনী।
নন্দিনী কিছু কিছু বৃষ্টিতে তোমার প্রতি ভালোবাসার গভীরতা বৃদ্ধি পায়।
কিছু কিছু বৃষ্টি তোমার'আমার আবদারে ভিজিয়ে দেয় আদ্যোপান্ত গো নন্দিনী।

নন্দিনী ভিজোনা আজ শ্রাবণ ধারায়--২১-------------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী তুমি আমার দৃষ্টিতে...
28/09/2024

নন্দিনী ভিজোনা আজ শ্রাবণ ধারায়--২১

-------------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী তুমি আমার দৃষ্টিতে পাহাড়ি বৃষ্টির নোনাজলে মিসে যাওয়া এক চিলতে হাঁসি !
তুমি আমার এক টুকরো অমাবস্যার চাঁদ !
তুমি অন্ধকার আকাশের শুকতাঁরা !
নন্দিনী তুমি আমার কাছে সহস্র কাব্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা পল্লীর রাখালের বাঁশির সুর !
তা সত্ত্বেও তোমার কাছে আমি বিশ্বাস অবিশ্বাসের এক মরুভূমির ধুধু বালুর মরিচিকা।

নন্দিনী তুমি দেখো,
সত্যি তুমি দেখো না !
বানভাসি অসহায়ত্ব মানুষের ত্রাণ সামগ্রি বিতরণের সহতায় কলার ভেলা নৌকা সহ অনেক কিছুই না এগিয়ে এসেছে।
নন্দিনী দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে তুমি'আমি একসঙ্গে নেই !
নন্দিনী তুমি'আমি এক সঙ্গে নেই এই ক্রাইসিস কালীন সময়ে মানবতার কল্যানে।

নন্দিনী তুমি কি জানো !
হয়তো বা জানার আগ্রহও করোনী !
নন্দিনী মনে বড়ো আশা ছিলো তোমায় সাথে নিয়ে ঐ পাহাড় থেকে নেমে আসা মুষলধারে বৃষ্টির পানিতে ভেসে যাওয়া !
বন্যা কবলিত অসহায় পরিশ্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াবো দু'জন মিলে।
নন্দিনী তুমি তো পাশে নেই দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে !
তুমি আমার সঙ্গেও নেই !

নন্দিনী ঐ ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি মেঘের ভারিবর্ষণে ডুবে যাওয়া মানুষের সেবায়।
আশা ছিলো নৌকা বা ভেলায় ত্রাণ নিয়ে বিতরণ করবো বৃষ্টি ভেজা রৌদ্র গায়ে মেখে দু'জন মিলে !
হায়রে নিয়তি তুমি তো নেই !
নন্দিনী অসহায়ত্বের মাঝেও তুমি নেই !
শুধু-ই তুমি নেই !
শুধু-ই মানবিকতার সেবায় আমি একা !

নন্দিনী আমার মন যে হারায় মুষলধারে বৃষ্টির টাপুরটুপুর শব্দে ও জলচ্ছাসে ঘর বাড়ি ভাঙ্গা মানুষের চিন্তায় !
স্বপ্নের মাঝে
তোমায় নিয়ে
কোন ঠিকানায় মিষ্টি বাদল সুরে !
নন্দিনী তুমি না জানলেও,
আমি জানি !
পাহাড় পর্বত থেকে মুষলধারে বৃষ্টির পানি সবকিছু দুমড়ে মুচড়ে দিয়ে জানায় শ্রাবণ কেন কাঁদে !
আর প্রতিটি প্রেমিকরাই বোঝে সব ভালোবাসা টেকেনা শুধুই বিশ্বাসে আর অবিশ্বাসের কারণে !

নন্দিনী তুমি ভিজোনা আজ এই শ্রাবণ ধারায়,
বৃষ্টিতে তোমার
শরীর
মাথা
নাক
চোঁখ
ভিজে ঠান্ডা কাঁশি ও জ্বর করবে !
নন্দিনী এই জ্বরে আক্রান্তে হলে কষ্ট তুমি পাবে না।
কষ্ট আমিই পাবো !
কারণ তুমি শুধুই আমার !

নন্দিনী দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে অসহায়ত্বের মাঝ থেকে আমায় ডেকোনা আজ এমন করে !
তোমার মায়াবী মায়াবী মধুর থেকে সুমধুর কন্ঠের ডাকে আমি শিহরিত হয় !
বন্যায় কবলিত অসহায় মানুষেরা সেবায় বঞ্চিত হবে !
আমার এ চোঁখ আবার পথ হারাবে তোমার ডাকে গো নন্দিনী !

নন্দিনী সূখের আয়েশি হাসিটা হাসো--২০------------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী আসলে জগতে কে সুখে ...
21/09/2024

নন্দিনী সূখের আয়েশি হাসিটা হাসো--২০

------------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী আসলে জগতে কে সুখে আছে বলতে পারো প্রিয়জনকে ছাড়া !
প্রিয় মানুষের ভালোবাসা ছাড়া এ জীবনে টাকা পঁয়সা ধন দৌলতে সুখ দিয়েছে কই জন কে !

জীবনে সফলতা ও উচ্চ বিলাসী মানেই কি সুখ নন্দিনী !
বলতে পারো নন্দিনী এই জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক'জন !
এতোকিছু জানার পরেও নন্দিনী তুমি আমাকে বারবার কেনো আঘাত করো এ বুকের পিঞ্জিরায় !

নন্দিনী কোনো একদিন আমি সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার শুসান্ত পাগলকে।
নন্দিনী তাকে একদিন এক বেলা পেট ভরে খাওয়ে কি আয়েশি হাসিটাই না দেখেছিলাম ওর মূখে।
শুধু ভরা পেটেই যে মানুষ সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই।

নন্দিনী এই পৃথিবীর বুকে আমরা যারা মানুষ ভরা পেটের সূখের চিন্তা করি না।
বিশ্বাস অবিশ্বাসের ভিড়ে তাদের মন ভরে সুখ কখনও আসে না।
নন্দিনী আগে মানুষের প্রতি বিশ্বাস স্হাপন করে তারপর ভরা পেটের সূখের হাসিটাই হাসো !

একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও আস্থা না রেখে আমরা কখনেও পরিপূর্ণভাবে সুখী হতে পারি না।
নন্দিনী এই পৃথিবীতে বাস্তবতা বড়ই ফ্যাকাশে।
নন্দিনী তুমি উচ্চ বিলাসীতায় আমাকে বিহীন স্বপ্নের মাঝে রঙিন হয়ো না।

নন্দিনী একটু সুখের জন্যে এই পৃথিবীতে অনেক কিছুর দরকার নেই।
চলো নন্দিনী আমরা একে অপরের প্রতি বিশ্বাস স্হাপন করে মনটাকে একটু ভালো করি।
শুসান্ত পাগলের মতো পেট ভরে দু'বেলা দু'মুঠো খাবার খেয়ে সূখে আয়েশি হাসিটা হাসি।

নন্দিনী ধন দৌলত ও অর্থের দম্ভ থেকে দু'জন মিলে ফিরে আসি।
ক্ষমতা,
হিংসা,
লোভ,
লালসা,
ও স্বার্থপরতা ত্যাগ করি।
নন্দিনী দু'জন মিলে সৃষ্টিকর্তার তরে নিজেদেরকে সপে দিই।

দু'জন দু'জনারে অবিশ্বাস করে আর যেন কখনও না ঠকি।
পরিশেষে আমাদের দু'জনের জীবন সুখের হোক।
যাতে দু'জন মিলে সুন্দর একটি সূখের নীড় রচনা করতে পারি।
এই কামনা করি বিধাতার কাছে সবসময় নন্দিনী।

নন্দিনী তোমার'আমার মাঝে এমন প্রেম হোক--১৮-----------------------------------------------------------------হিমু।নন্দিনী ত...
17/09/2024

নন্দিনী তোমার'আমার মাঝে এমন প্রেম হোক--১৮

-----------------------------------------------------------------হিমু।

নন্দিনী তোমার'আমার মাঝে এমন একটা প্রেম হোক !
যেখানে কোন এক কনকনে শীতের সকালে তোমাকে পাশে নিয়ে।
শীতে কষ্ট পাওয়া রাস্তার পাশে,
অসহায়,
হতদরিদ্র,
পরিশ্রান্ত,
মানুষগুলির পাশে দাঁড়াবো দু'জন মিলে শীত বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে নন্দিনী।
দু'জন মিলে সহানুভূতির সাধ্য অনুযায়ী সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিবো মনের খুশিতে গো নন্দিনী !

নন্দিনী তোমার'আমার মাঝে এমন একটা প্রেম হোক !
যেখানে শহরের নামী-দামী রেষ্টুরেন্টে ভোজন নয়।
রাস্তার পাশে ফুচকার দোকানে ফুচকা খাবো দুজন মিলে নন্দিনী।
আর শহরের সস্তা হোটেলের ঐ খোলা কেবিনটা সাক্ষী থাকুক তোমার'আমার ভালোবাসার বন্ধনে।
দু'জনের খাবার খরচের অতিরিক্ত টাকাটা বন্টন হোক সমাজের,
অসহায়,
পরিশ্রান্ত,
হতদরিদ্র,
মানবতার কল্যানে গো নন্দিনী !

নন্দিনী তোমার'আমার মাঝে এমন একটা প্রেম হোক !
যেখানে ফেইসবুক,
ইমো,
উইচ্যাট,
কিংবা হোয়াটস্যাপের,
মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
নন্দিনী দু'জনের হৃদয়ের গভীর থেকে গভীরতার আবেগি কথাগুলি ঠাঁই পাক লাল নীল সাদা খামের চিঠিতে।
অথবা শতশত মাইল দূরে-দূরন্তে পায়ে হেঁটে চোঁখে চোঁখ রেখে দু'জনের মনের ভাষা আদান-প্রদান হোক কোন এক পড়ন্ত বিকেলে গো নন্দিনী !

নন্দিনী তোমার'আমার মাঝে এমন একটা প্রেম হোক !
যেখানে সন্দেহ কিংবা অবিশ্বাস নয়,
জীতবে দু'জনের বিশ্বাস,
পরস্পরের বোঝাপড়া,
আর দু'জনের বন্ধুত্বটা।
নন্দিনী কারন তোমার ভালোবাসার মানুষ হয়ে উঠার আগে আমাকে প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠতে হবে তোমার কাছে !
তৃতীয়ত না ভেবে কোন কিছু বলার আগেই যাতে তুমি সবকিছু বুঝতে পারো আমার মন ও চোঁখের ইশারাতে গো নন্দিনী !

নন্দিনী তোমার'আমার মাঝে এমন একটা প্রেম হোক !
যেখানে দু'জন দু'জনের প্রতি সম্মানের জায়গাটা অনেক বেশি উচ্চ থাকবে।
নন্দিনী তোমার এতটুকু অসম্মান হোক সেই কাজটি আমি কখনও করবোনা।
তোমাকে নিজের সর্বোচ্চ সম্মানের জায়গাটা বুক উজাড় করে দিতে আমার কখনও কৃপনাতা থাকবে না গো নন্দিনী !

নন্দিনী তোমার'আমার মাঝে এমন একটা প্রেম হোক !
যেখানে দু'জন দু'জনারে কথা দিয়ে কথা রাখবো ও সম্মান করবো নন্দিনী।
বিশ্বাসের মর্যাদা রাখবো,
নন্দিনী আর যাই হোক শেষ পর্যন্ত আজীবন পাশে থাকবো।
দু'জনের একসাথে পথ চলতে গিয়ে একে অপরকে ছেড়ে যাওয়ার মতো হয়তো অনেক কারন আসতে পারে।
কিন্তু থেকে যাওয়ার জন্য অন্তত এই কারন গুলিকে আমি বিতাড়িত করবো জন্ম থেকে জন্মান্তর পর্যন্ত তোমাকে-ই ভালোবেসে গো নন্দিনী।

নন্দিনী সেটা হয়তো তুমি বোঝো না--১৭----------------------------------------------------- হিমু।নন্দিনী তোমার টুকরো টুকরো অ...
14/09/2024

নন্দিনী সেটা হয়তো তুমি বোঝো না--১৭

----------------------------------------------------- হিমু।

নন্দিনী তোমার টুকরো টুকরো অভিমানগুলো আমাকে সবসময় প্রচণ্ড রকম পীড়া দেয়।
রোজ গোধুলিলগ্নে তোমার কথা ভেবে ভেবেই আমার সূর্যাস্ত হয়।
নন্দিনী হয়তো সেটা তুমি বুঝো না !

নন্দিনী প্রতিদিন রাতে তোমার কথা ভেবে ভেবে বিশেষ একটা ঘুম হয় না।
মাঝে মাঝে প্রচন্ড জ্বর আসে,
জ্বর সারানোর ঔষধও খাই না।
নিয়মিত ঔষধ খেলাম কি না সেটা তুমি তো আর খোঁজও নাও না।
নন্দিনী সেটা তুমি হয়তো বুঝো না !

নন্দিনী তোমাকে সদা-হাস্যোজ্জ্বল দেখতে প্রাণবন্ত চেষ্টা করে যায়।
তোমার বুকের কৃষ্ণ বর্ণের ভালোবাসা ফেরৎ পাওয়ার আসায়।
নন্দিনী তোমার মধুর থেকে সুমধুর কন্ঠ শুনতে দেরি হলে তখন বেদনায় নীল হয় যায় আমার অতৃপ্ত আত্মা।
নন্দিনী সেটাও তুমি হয়তো বুঝো না !

নন্দিনী হয়তো তুমি ভাবো আমি তোমায় মোটেও ভালোবাসি না।
আমি বলি,তোমার কাছে ভালোবাসা মাপার কোন যন্ত্র নেই,
নেই কোনো অনুভূতি।
তা না হলে তুমি ঠিকই বুঝে নিতে পারতে নন্দিনী।
সেই আমিটাই তোমাকে কতখানি ভালোবাসি।
সেটা তুমি হয়তো বুঝো না নন্দিনী !

নন্দিনী তুমি এরিস্টটল বুঝো,
প্লেটো বুঝো আর সক্রেটিস বুঝো।
পশ্চিমা দর্শনের জনক বুঝো,
নন্দিনী তুমি আমায় বুঝো না।
তুমি কবি বুঝো,
কবিতা বুঝো,
হেলাল হাফিজ বুঝো।
অনুপম কথামালায় পরম যত্নে থরে থরে সাজিয়ে বিখ্যাত সব কবিতা লিখো।
নন্দিনী তুমি আমায় নিয়ে কিছু লিখো না !

নন্দিনী তুমি প্রবন্ধ পড়ো,
তুমি উপন্যাস পড়ো,
আরও অনেক গল্প পড়ো।
কবি রবিন্দ্রনাথ,নজরুল,শরৎ,সুনীল,শামসুর রাহমান আর হুমায়ুন আহমেদ এর লেখা পড়ো।
নন্দিনী মনে হয় তুমি আমার লেখা পড়ো না।
নন্দিনী হয়তো তুমি সেটাও বুঝো না !

নন্দিনী তুমি আবৃত্তি করো,
পশ্চিমা দেশের হিন্দি গান শোনো,
বিভিন্ন বক্তৃতা করো,
উপস্থাপনা করো,
অমানুষদের মানুষ করো।
যা যা দরকার সবই করো,
আমার বিশ্বাস তুমি আমায় নিয়ে কিছুই ভাবো না !
সেটা হয়তো তুমি একটুও বুঝো না নন্দিনী !

নন্দিনী কিভাবে বুঝাই আমি তোমাকে একবিন্দু মিথ্যা বলি না।
তুমি কষ্ট পাও এমন কোনো কাজও আমি করি না।
জীবন বাঁচানোর চেষ্টাটুকু করি মাত্র।
নন্দিনী তোমার দেওয়া কষ্টের নিম্ন-চাপগুলি সবসময় ঘৃর্নিঝড় নার্গিস,
সিডর,
আইলা,
কিংবা আম্ফান হয়ে আমার বুকে ফিরে এসে বারংবার আমাকে বিধ্বস্ত করে দেয় !
নন্দিনী সেটাও হয়তো তুমি বুঝো না !

নন্দিনী তুমি বিহনে একা বাঁচা যায় কি বলো ?
না যায় না।
আপন কাউকে কাছে না পেলে,
কাজে অকাজে নিজেকে জড়িয়ে নিই অন্য দিগন্তে।
তোমাকে দূরে রেখে জীবন থেকে পালিয়ে বেড়াতে হয় আমায়।
নন্দিনী তুমি হয়তো সেটা বুঝো ন !

নন্দিনী তুমি কি জানো ?
ভালোবাসার মানুষকে স্বাধীনতা দিতে হয়।
দিনশেষে যদি সে তোমার কাছেই ফিরে আসে তবেই না সে একান্তই তোমার।
নন্দিনী তুমি কি জানো ?
ভালোবাসাটা ছোট্ট একটি পাখির ছানার মতো।
যাকে হাতের মুঠোয় সজোরে চেপে ধরলে সে মরে যেতে পারে।
আর হালকা করে ধরলে ফুড়ুৎ করে উড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়ে যায়।
সেটাও হয়তো তুমি বুঝো না নন্দিনী !

সুতরাং নন্দিনী এসো,
এসো-না দু'জন মিলে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাই।
নিজেরাও বদলে যায়,
আর দু'জন মিলে পৃথিবীটাকেও বদলে ফেলি।
নন্দিনী দু'জন দু'জনার হয়ে সুস্থ চিন্তা করে পরম মমতায় সুখে নিদ্রা যাই।
নন্দিনী হয়তো সেটাও তুমি বুঝো না !

Address

পদ্মা সেতু, মাওয়া ঘাট।
Mawa

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Humayun Ahmed Himu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share