FNS Builders

FNS Builders Construction Farm

03/10/2025
24/07/2025
11/05/2025

৩৫ হাজার টাকার চায়না বিজনেস (M) ভিসা –
যেভাবে নিজে নিজে মাত্র ৬,৮২০ টাকায় করবেন.....

অনেকেই চীনের বিজনেস ভিসা নিতে জানতে চাচ্ছেন তবে সবার আলাদা আলাদা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সময়সাপেক্ষ হয়ে যাচ্ছে। তাই ভাবলাম, পুরো প্রসেসটা একটা পোস্টে আবার তুলে ধরি—যাতে আপনি নিজেই সব করতে পারেন। এতে করে অনেক টাকা ও সময় বাঁচবে।

১. সবার আগে আপনাকে Canton Fair থেকে একটি অফিসিয়াল ইনভাইটেশন নিতে হবে। ওয়েবসাইটে গিয়ে “Overseas Buyer” হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করে একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন।

রেজিস্ট্রেশন শেষে ইনভাইটেশন ডাউনলোড করে রাখুন।

🔗 https://www.cantonfair.org.cn/en-US

এই মাসের ক্যান্টন ফেয়ার শেষ হয়ে গেছে তবে আগামী ক্যান্টন ফেয়ারের (অক্টোবর-নভেম্বর) জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন।

ফেয়ার ছাড়াও আপনি আপনার সাপ্লাইয়ার থেকে ইনভিটেশন নিতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে চাইনিজ সাপ্লাইয়ার কিভাবে পাওয়া সেটা নিয়ে আরেকটি পোস্ট করবো।

২. এবার অনলাইনে চায়না ভিসার পোর্টালে গিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে।

ফর্মের একদম শেষে ইনভাইটেশন লেটার আপলোড করার অপশন আসবে—সেখানে Canton Fair থেকে পাওয়া ইনভাইটেশনটি দিন।

🔗 https://bio.visaforchina.cn/DAC3_EN/qianzhengyewu

ফর্ম সাবমিট করার ১–২ দিনের মধ্যেই ইমেইলে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়। ইন্টারভিউ দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

৩. ইন্টারভিউ লাগলেও চিন্তার কিছু নেই। সবাইকে ডাকে না, তবে কেউ কেউ ইন্টারভিউর জন্য ডাক পেতে পারেন।

অনেকে ভাবেন এটা হয়তো ভিডিও ইন্টারভিউ—আসলে না। সরাসরি ঢাকার বারিধারায় এমবাসিতে যেতে হয়।

প্রশ্নগুলো খুবই সাধারণ হয়ঃ
আপনি কী করেন, কেন যাচ্ছেন, আগে কোথাও গেছেন কি না—এই ধরণের।

শুধু আত্মবিশ্বাস নিয়ে উত্তর দিলেই যথেষ্ট।

ইন্টারভিউয়ে আপনার আবেদন ফর্ম, ইনভাইটেশন আর পাসপোর্ট নিলেই হয়।

ইন্টারভিউ দেওয়ার পর মাত্র ৫–১৫ মিনিটের মধ্যেই ইমেইলে ভিসা এপ্রুভালের খবর চলে আসে।

৪. যদি ভিসা এপ্রুভাল আসে, তাহলে ইনভাইটেশন লেটার, আবেদন ফর্ম, পাসপোর্টসহ সবকিছু বনানিতে গিয়ে জমা দিতে হবে।

ফি: ৬,৮২০ টাকা (ক্যাশে)

সাধারণত ৪ কার্যদিবসের মধ্যেই পাসপোর্টে ভিসা লাগানো অবস্থায় হাতে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।

বিজনেস ভিসার ঝামেলা না চাইলে টুরিস্ট ভিসা এখন সহজেই করতে পারবেন এজেন্সির মাধ্যমে। ৮২০০ থেকে ১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। আপনার সুবিধামতো লোকেশন এবং রিভিউ দেখে এজেন্সী বেছে নিন।

বিজনেস ভিসা করার এই প্রসেসটি সবার সাথে শেয়ার করার জন্য হুসেইন আহমেদ ভাইকে ধন্যবাদ। ভাইয়ের গাইডলাইনগুলোকে আমি একটু গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি।

লিখাটি সংগ্রহীত--






10/05/2025

সুখের জীবন? আমেরিকায় সেটাও সম্ভব — যদি শুরুটা ঠিকভাবে করেন!

শুধু ট্যুরিস্ট ভিসা বা লোক দেখানো ভিডিও দেখে আমেরিকার স্বপ্ন দেখবেন না — বাস্তবতা হলো, যারা ধাপে ধাপে এগোয়, তারাই এখানে টিকে থাকে।

প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী আমেরিকায় গিয়ে নিজেদের জীবন বদলে ফেলছে। কেউ চাকরি পাচ্ছে Google-এ, কেউ Amazon-এ, আবার কেউ ২–৩ বছরের মধ্যেই পরিবার নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করছে।

আপনিও পারবেন — যদি আপনি শুরুটা করেন সঠিক পথে: স্টুডেন্ট ভিসা দিয়ে।

এই পোস্টে আপনি জানতে পারবেন —

আমেরিকায় পড়াশোনার সহজ গাইড

স্কলারশিপ ও ফান্ডিং ব্যবস্থা

ব্যাংক স্টেটমেন্ট কত লাগবে

পড়াশোনার পরে চাকরি ও স্থায়ী হবার পথ

আর কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর

প্রথম ধাপ: স্টুডেন্ট ভিসা (F1 Visa)
EducationUSA ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রাম বেছে নিন। ভর্তি হওয়ার পরে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে I-20 ফর্ম পেলে আপনি স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

স্কলারশিপ ও ফান্ডিং:
আমেরিকার অনেক বিশ্ববিদ্যালয় Merit-based, Need-based স্কলারশিপ এবং Graduate Assistantship দিয়ে থাকে।
বিশেষ করে মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে ভালো CGPA, IELTS/TOEFL, GRE স্কোর, এবং SOP থাকলে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই 100% স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন।

ব্যাংক স্টেটমেন্ট:
F1 ভিসার জন্য সাধারণত ১ বছরের টিউশন ফি + বাসস্থান খরচ মিলিয়ে মোট $25,000–$35,000 ডলার দেখাতে হয়।
এই ফান্ড শিক্ষার্থীর নিজের বা তার স্পনসরের নামে থাকতে পারে। স্পনসর যে কেউ হতে পারে—আত্মীয় হতে হবে না। প্রয়োজন হবে ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও স্পনসরশিপ লেটার।

কাজ করার সুযোগ:
পড়াশোনা চলাকালীন সময়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করার অনুমতি থাকে।
ডিগ্রি শেষ হওয়ার পর OPT (Optional Practical Training) এর মাধ্যমে ১ বছর (STEM কোর্স হলে ৩ বছর) ফুলটাইম কাজের অনুমতি মেলে।

পিআর (গ্রিন কার্ড) পাওয়ার পথ:
OPT শেষ হলে H-1B ওয়ার্ক ভিসায় রূপান্তর করা যায়। এই ভিসায় কাজ করলে আপনার কোম্পানি আপনাকে স্পনসর করে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারে।
এইভাবে:
পড়াশোনা → চাকরি → H-1B → গ্রিন কার্ড = আমেরিকায় স্থায়ী হওয়া।

---

কমন কিছু প্রশ্ন:

১. আমেরিকায় পড়াশোনার জন্য IELTS কি লাগবে?
– হ্যাঁ, বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য IELTS বা TOEFL আবশ্যক। কিছু কলেজ Duolingo স্কোরও গ্রহণ করে।

২. আমেরিকায় থাকা খরচ কত?
– শহর ও স্টেট ভেদে মাসে $700–$1500 খরচ হতে পারে।

৩. স্টুডেন্ট ভিসায় কাজ করা যাবে?
– হ্যাঁ, ক্যাম্পাসের ভেতরে সীমিত সময়ের জন্য কাজের অনুমতি থাকে। OPT এর মাধ্যমে ফুলটাইম কাজও করা যায়।

৪. গ্রিন কার্ড পেতে কত বছর লাগতে পারে?
– নির্ভর করে আপনার জব স্পনসরশিপ ও ক্যাটাগরির ওপর। সাধারণত ১–৫ বছরের মধ্যে সম্ভব।

---

শেষ কথা:
যদি ধৈর্য, দক্ষতা আর পরিকল্পনা থাকে, তাহলে আমেরিকায় স্থায়ী হওয়া আর স্বপ্ন থাকে না — সেটা বাস্তব হয়।
শুরুটা করুন আজ থেকেই — সঠিক তথ্য ও সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে।

04/05/2025

Address

Mirpur
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FNS Builders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share