09/07/2024
তুমি আমার কাছে বঙ্গের মোনালিসা অপি করিমের হাসি, যার বর্ণনা করতে গিয়ে আমি লিখেছি ডজন ডজন ফিলোসোফি। তুমি এমন একফুল মায়াবতী- যে ফোটার আগেই তারে পাওয়ার লোভে বিদ্রোহ করে প্রজাপতি।
তুমি আমার কাছে আটসেলের অনিকেত প্রান্তর। মুখস্থ করি, ঠোঁটস্থ করি, তবুও ভাঙতে পারিনা রহস্যের প্রাচীর। জট পাকিয়েন ফেলি অনগর্ল। ষষ্ঠ শ্রেণীর কিশোরীর নামের পাশে কিশোরের নাম লিখতে দেখে টুরিতে মিলিয়ে ফেলেছিলাম সম্পর্কের কেমিস্ট্রি, তোমাকে মিলাতে পারিনি এতটুকুনও।
তুমি আমার কাছে হুমায়ুন আহম্মেদের কোথাও কেউ নেই। প্রত্যাশা, প্রেম, অপেক্ষায় মিশিয়ে বাকের হয়ে দোয়েলের মত শিশ দিয়ে ছিলাম প্রণয়ের– তুমি ভাবলে বাউণ্ডুলে, ইভটিজার, অথচ আমি ছিলাম প্রেমিক।
তুমি আমার কাছে বেলা বোস। চাকরী পাওয়ার চেয়েও তীক্ষ্ণ ছিলো তোমাকে হারানোর ভয়। চাকরীর হাটে পৌঁছাবার পূর্বে তুমি হয়ে গেলে পয়শাওলার বাজার ব্যাগের দু'কেজি রূপালী ইলিশ।
তুমি আমার কাছে একশো একটা দুঃখ। যাকে হারিয়ে ছিলাম গতো শীতে, তুবুও ঘাপটি মেরে মিশে আছো আমার শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, দেখা যায় না ট্যার পাওয়া যায়। তোমার দুঃখগুলোও তেমনই জড়িয়ে আছে অষ্টপৃষ্ঠে অস্পষ্ট, অদৃশ্য, দেখা যায় না কিন্তু যন্ত্রণা তুমুল।
তুমি আমার কাছে একাত্তুরের যুদ্ধ। তোমাকে জয়ের উন্মাদনা, অধিকার আদায়, রাজত্ব স্থাপনের কিংবা একটা জীবন বাচাঁনোর পায়তারা সংগ্রাম। বুলেটে বুলেটে বুক ঝাঝরা হওয়া এই যুদ্ধে তুমি বিজয়ের পতাকা।
অতঃপর তুমি আমার কাছে এক টুকরো নিশ্চিত মৃত্যু। গোলাপের বিনিময়ে কিনেছিলাম উষ্ণ চুমোর কাছ থেকে বছর দেড়েক আগে, অথচ দ্যাখো ঐ মৃত্যু দাফন করে দেয় রোজ।
(Copy)