MEP Engineering Consultancy Firm

MEP Engineering Consultancy Firm This is a mounting company in the field of Fire Protection, Solar, Plumbing, Electrical & other MEP
(1)

MEP Engineering Consultancy Firm is a mounting company in the field of Fire Protection, Plumbing, Electrical Installation and Protection System in the Industrial building, Commercial building, Residential building & any kind of high rise building. For a long period we has successfully served in designing, supplying & installing that sectors both Bangladesh & abroad. We have completed both design &

installation based on NFPA, BNBC, Alliance and Accord’s recent inspection reports and guidelines. Our target is maximum customer satisfaction with minimum cost and ensures quality mutually Products & Services.














 # # # # # # # # # # # # #উচ্চ নিরাপত্তা বিজ্ঞপ্তি # # # # # # # # # # # # # # সচেতন থাকুন যে, একদল লোক সরকারী বা বেসরকা...
12/09/2024

# # # # # # # # # # # # #উচ্চ নিরাপত্তা বিজ্ঞপ্তি # # # # # # # # # # # # # #

সচেতন থাকুন যে, একদল লোক সরকারী বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা -কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে ঘরে ঘরে যাচ্ছে। তাদের কাছে সরকারী অফিস থেকে নথি এবং লেটারহেড রয়েছে এবং দাবি করবে যে তাদের পরবর্তী আদমশুমারির জন্য প্রত্যেকের বৈধ পরিচয়পত্র আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে ঘরে ঢুকতে চাইবে এবং তারপরে তারা চুরি -ডাকাতি করবে। তারা দেখতে স্মার্ট এবং আড়ম্বরপূর্ণ চেহারায় দেখা যাবে। কেউ আপনার বাড়িতে এসে বলবে আমি আপনার ছবি/আঙুলের ছাপ নিতে চাই। তথ্য সংগ্রহকারী হিসাবে, তাদের কাছে একটি ল্যাপটপ, একটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস এবং সমস্ত নামের তালিকা রয়েছে। তারা তালিকা দেখাবে এবং সমস্ত তথ্য চাইবে। জেনে রাখুন আপাতত: সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এরকম কোনো উদ্যোগ নেয়নি। জেনে রাখুন এই সব মিথ্যা। তাদেরকে কোনো তথ্য দেবেন না।

সবাইকে সজাগ ও সচেতন হতে হবে। আপনার পরিচিত ও সম্প্রদায়ের সমস্ত গ্রুপে এটি পাঠান। আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের জানান।

 #বারবার_পড়বার_মত_নছিহাতদ্বীনের যে মেহনতই করি না কেনো যদি তার দ্বারা দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি পয়দা না হয় আর আখেরাতের প...
11/09/2024

#বারবার_পড়বার_মত_নছিহাত

দ্বীনের যে মেহনতই করি না কেনো যদি তার দ্বারা দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি পয়দা না হয় আর আখেরাতের প্রতি আসক্তি না বাড়তে থাকে তো আমি ভুল পথে আছি, বা আমার দ্বারা দ্বীনের মেহনত সঠিক হচ্ছে না। অথবা আমি যাকে অনুসরণ করছি বা যাদেরকে সামনে রেখে চলছি তারা ঠিক পথে নাই।

দ্বীনের মেহনতের বৈশিষ্ট্য হলো দুনিয়ার প্রতি তাচ্ছিল্য নিয়ে আসবে, যদি এটা না আসে তাহলে দ্বীনের নামে যে মেহনত আমি করছি সেটা হাক্বীকতের দ্বীনের মেহনত না, অন্য কিছু মিশ্রিত হয়ে গেছে। মেহনতের নামে আমি যে পথে চলছি, সেটা ভুল পথ অথবা আমি যাকে অনুসরণ করছি তিনি ভুল পথের পথিক।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) তাবেয়ীদেরকে বলছেন, তোমরা সাহাবীদের থেকে আমল বেশী করো, কিন্তু তারা তোমাদের থেকে উত্তম ছিলেন। তখন এক তাবেয়ী বলেন, যদি আমরা আমলই বেশী করি তাহলে তারা আমাদের থেকে কেমন করে ভালো ছিলেন? তখন উনি বলেন সাহাবারা (রাযিঃ) তোমাদের থেকে অনেক বেশী দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত এবং আখেরাতের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। (হযরত মুশফিক আহমেদ স্যার রহঃ)

12/08/2024
We are a leading MEP Engineering Consultancy Firm located in Amehnaz Mension (3-Kitchen Restaurant), J-28, Rupnagar Main...
08/07/2024

We are a leading MEP Engineering Consultancy Firm located in Amehnaz Mension (3-Kitchen Restaurant), J-28, Rupnagar Main Road, Extension Pallabi, Mirpur-8, Dhaka-1212


This is a full-time on-site role for a Mechanical Design Engineer (HVAC & Fire Safety drawing) . As a Mechanical Design Engineer, you will be responsible for designing, developing, calculating, drafting, estimation & supervision etc .You have to provide daily working report & projects are completed within budget and timeline. Applicant always ready to work both consultancy & supervision anywhere in Bangladesh. Always bring positive thinking about development both own career & company also.



• Bachelor's degree or Diploma in Mechanical Engineering or a related field
• Minimum 2 years’ experience with HVAC and Fire 🔥 safety systems consultancy work
• Proven experience in mechanical (HVAC & Fire Safety) design and analysis using CAD software (Minimum), Revit MEP (BIM) as ➕
• Clear concept for calculation, estimation, supervision of a project
• Familiarity with industry codes and regulations
• Knowledge of sustainable design and energy efficiency concepts
• Sound knowledge of mechanical engineering principles and practices
• Proficiency in technical drawing and documentation
• Strong problem-solving and analytical skills
• Excellent communication and collaboration abilities
• Ability to manage multiple projects and prioritize tasks effectively

No. of vacancy: Either 01 or 02

: Immediately

: Amehnaz Mansion, J-28, Rupnagar Main Road, Extension Pallabi, Mirpur-8, Dhaka-1212

Job Nature: Full time

: Negotiable

: 9.00 A.M to 6 P.M including 1 Hr. lunch break

Compensation & Other Benefits
1) Two festival bonus
2) Mobile bill
3) As per company policy

Send CV to: [email protected]

আর মাত্র একদিন বাকি। তাই যারা এখন পর্যন্ত গুগল ফরম ও আপডেটেড সিভি দেন নাই, তারা দেরি না করে এক্ষুণি  সম্পূর্ণ করে ফেলুন।...
03/07/2024

আর মাত্র একদিন বাকি। তাই যারা এখন পর্যন্ত গুগল ফরম ও আপডেটেড সিভি দেন নাই, তারা দেরি না করে এক্ষুণি সম্পূর্ণ করে ফেলুন। লিংক নিচে দেওয়া হলোঃ https://forms.gle/pqxFVj5dzi8cY5KW9

Very simple technique to lock waste portal water.
03/07/2024

Very simple technique to lock waste portal water.

 : Mechanical Engineer (Design-drawing-drafting _Auto CAD) *Working Experience: The applicants for Mechanical should hav...
29/06/2024

: Mechanical Engineer (Design-drawing-drafting _Auto CAD)

*Working Experience: The applicants for Mechanical should have experience in the following area(s):
1) design-drawing and estimation of Pipe line work like as HVAC and Fire Safety System.
2) Have to experience in the field of Auto-CAD drafting in 2D & 3D (Minimum 2D have to need)
Educational Qualification:
1) B.Sc. Engineering (Minimum 1-2 Years’ experience in related field) or Experienced Diploma (Minimum 3 Years’ experience in related field) in Mechanical Engineering or EEE or equivalent from any reputed institution.


1) Being on the project constantly in order to ensure that set standards are followed.
2) Maintain good communication with client, office and different authority
3) Collect, preserve & have clear concept of all approved drawing, design, specifications.
4) Planning, coordinating, recommending and implementing as per designs and work progress.
5) Ensuring that the site work is completed in certain time frame and that the set budget
6) Focusing on safety and ensuring that all workers adhere to set safety standards.
7) Determining work methods that result to improved efficiency in the work place.
8) Ensuring the quantity & quality of materials received and used.
9) Have to provide daily working report
10) Applicant always ready to work both consultancy & supervision anywhere in Bangladesh
11) Always bring positive thinking about development
12) Applicant have to be a practicing real Muslim

No. of vacancy: Either 01 or 02

Date of joining: Immediately

Job location:
MEP Engineering Consultancy Firm, Amehnaz Mension, J-28, Rupnagar Main Road, Extension Pallabi, Mirpur-8, Dhaka-1212

Job Nature: Full time

Salary: Negotiable

Office Time: 9.00 A.M to 6 P.M including 1 Hr. lunch break

Compensation & Other Benefits
1) Two festival bonus
2) Mobile bill
3) As per company policy

Send CV to: [email protected]

16/06/2024

*_ঈদের দিনের ১৩ টি সুন্নত---_*

মুসলমানদের ঈদের দিন একটি পবিত্র ও ইবাদতের দিন।এদিন শুধু উৎসবের নয়। আনন্দের পাশাপাশি ইবাদতটাই মূখ্য এ দিনে। ঈদের দিন রয়েছে ১৩ টি সুন্নত।

আসুন জেনে আমল করি---

১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। [বায়হাকী, হাদীস নং-৬১২৬]

২. মিসওয়াক করা। [তাবয়ীনুল হাকায়েক-১/৫৩৮]

৩. গোসল করা। [ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৩১৫]

৪. শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৪৮]

৫. সামর্থ অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৪৮, মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং -৭৫৬০]

৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা। [মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৫৬০]

৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। [বুখারী, হাদীস নং-৯৫৩, তিরমিজী, হাদীস নং-৫৪২, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-১৬০৩]

৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া। [আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৫৭]

৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাতে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা। [দারাকুতনী, হাদীস নং-১৬৯৪]

১০. ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৫৬, আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৫৮]

১১. যে রাস্তায় ঈদগাতে যাবে, সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৮৬]

১২. পায়ে হেটে যাওয়া। [আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৪৩]

১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

তবে ঈদুল আযহায় যাবার সময় তাকবীর উচ্চস্বরে পড়া।(সংগৃহীত)

আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে উক্ত সুন্নতগুলো আমল করার তৌফিক দান করেন,আমিন।

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর কাংখিত মাসআলাটি আল-কাউছারে চলে আসলমুহাম্মাদ ফেরদৌস আলআমান - শ্রীপুর, গাজীপুর৬১৮৪. প্রশ্নদেশের কোনো ক...
09/06/2024

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর কাংখিত মাসআলাটি আল-কাউছারে চলে আসল

মুহাম্মাদ ফেরদৌস আলআমান - শ্রীপুর, গাজীপুর
৬১৮৪. প্রশ্ন
দেশের কোনো কোনো এলাকায় কুরবানীর গোশত বণ্টনের একটি সমাজপ্রথা চালু আছে। এই সমাজের নিয়ম ‎হল, এলাকার যারা কুরবানী করেন, তাদের কুরবানীর গোশতের তিন ভাগের একভাগ বাধ্যতামূলকভাবে সমাজে জমা ‎করতে হয়। পরবতীর্তে এই গোশত নির্দিষ্ট সমাজভুক্ত সকল ব্যক্তিবর্গ, যারা কুরবানী করেছেন এবং যারা কুরবানী ‎করেননি সবার মধ্যে বণ্টন করা হয়। এরূপ বণ্টন কি শরীয়মসম্মত? এক্ষেত্রে করণীয় কী?‎

উত্তর

কুরবানীর গোশত বণ্টনের প্রশ্নোক্ত পদ্ধতিটি আমাদের দেশের কোনো কোনো এলাকায় প্রচলিত একটি সমাজপ্রথা। ‎সাধারণ দৃষ্টিতে এটি একটি ভালো উদ্যোগ মনে হতে পারে; কিন্তু কোনো সামাজিক প্রথা বা রীতি পালন করার জন্য তা ‎শরীয়তের দৃষ্টিতে শুদ্ধ ও আমলযোগ্য কি না— তাও নিশ্চিত হতে হয়। ভালো নিয়ত থাকলেও শরীয়ত সমর্থন করে না ‎অথবা ইসলামের নীতির সাথে মানানসই নয় এমন কোনো কাজ করা বা এমন কোনো রীতি অনুসরণ করার সুযোগ ‎নেই।
প্রশ্নোক্ত সমাজপ্রথাটিতে উদ্দেশ্য ভালো হলেও যে পদ্ধতিতে তা করা হয় এতে শরীয়তের দৃষ্টিতে মৌলিক কিছু আপত্তি ‎রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল, সামাজিক এ প্রথার কারণে সকলেই তার কুরবানীর এক তৃতীয়াংশ গোশত সমাজের ‎লোকদের হাতে দিতে বাধ্য থাকে। এবং এর বিলি-বণ্টন ও গ্রহিতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শুধু সমাজপতিদেরই হাত থাকে। ‎গোশত বণ্টনের ক্ষেত্রে এ বাধ্যবাধকতা শরীয়তসম্মত নয়। কেননা শরীয়তে কুরবানী ও গোশত বণ্টন একান্তই ‎কুরবানীদাতার নিজস্ব কাজ।
ঈদের দিন সম্মিলিতভাবে জামাতে নামায আদায় করতে বলা হলেও কুরবানীর জন্য কত মূল্যের পশু কিনবে, সে পশু ‎কোথায় জবাই করবে, গোশত কীভাবে বণ্টন করবে—এ বিষয়গুলো কুরবানীদাতার ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ‎শরীয়তে কুরবানীর কিছু গোশত সদকা করতে উৎসাহিত করা হয়েছে এবং আত্মীয়-স্বজন ও গরীব-দুঃখীদের কুরবানীর ‎গোশত দিতে তাকিদও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা কুরবানীদাতার উপর অপরিহার্য করা হয়নি। বরং কুরবানীদাতা কী ‎পরিমাণ গোশত নিজে রাখবে, কী পরিমাণ সদকা করবে এবং কাকে কাকে বিলি করবে আর কী পরিমাণ আগামীর ‎জন্য সংরক্ষণ করবে— এগুলো কুরবানীদাতার একান্তই নিজস্ব ব্যাপার এবং ব্যক্তিগতভাবে করার কাজ। এটিকে ‎সামাজিক নিয়মে নিয়ে আসা ঠিক নয়।
তাই শরীয়তের মাসআলা জানা না থাকার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গোশত বণ্টনের প্রশ্নোক্ত যে পদ্ধতি প্রচলিত ‎হয়েছে, তা পরিহারযোগ্য। নিম্নে সংক্ষেপে প্রশ্নোক্ত প্রথাটির কিছু ক্ষতির দিক উল্লেখ করা হল—‎
১. অনেক কুরবানীদাতার পরিবারের সদস্য-সংখ্যা বেশি হওয়ায় অথবা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে নিজ পরিবারের ‎জন্য বেশি গোশত রাখার প্রয়োজন হয়; ফলে সে পরিবারের জন্য বেশি গোশত রাখতে চায়। আবার অনেকে তার ‎কোনো দরিদ্র আত্মীয়কে কুরবানীর গোশত দিতে চায়। কিন্তু সামাজিক এই বাধ্যবাধকতার কারণে অনিচ্ছা সত্ত্বেও ‎সামাজিক রীতি অনুযায়ী কুরবানীর এক তৃতীয়াংশ গোশত সমাজে দিতে বাধ্য হয়। অথচ হাদীস শরীফে ইরশাদ ‎হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—‎
إِنَّهُ لَا يَحِلُّ مَالُ امْرِئٍ إِلَّا بِطِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ‎.‎
কোনো মুসলমানের সম্পদ তার সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল নয়। (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২০৬৯৫)‎
২. প্রশ্নোক্ত প্রথায় গোশতদাতা তার দানের অংশটি কাকে দেবে সে স্বাধীনতা হারায়। হয়তো সে তার নিকটাত্মীয় অথবা ‎পরিচিত কাউকে একটু বেশি পরিমাণে দিত, কিন্তু এক্ষেত্রে তার জন্য এমনটি করার সুযোগ থাকে না।
৩. অনেক মানুষ এমন আছেন, যারা প্রত্যেকের হাদিয়া বা সদকা গ্রহণ করতে চান না। আর শরীয়তও কাউকে সকলের ‎হাদিয়া বা সদকা গ্রহণ করতে বাধ্য করেনি। কিন্তু সামাজিক এই রীতির কারণে গোশত গ্রহণকারী প্রত্যেকেই অন্য ‎সকলের হাদিয়া বা সদকা গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। বলাবাহুল্য এ ধরনের ঐচ্ছিক বিষয়ে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা ‎মোটেই উচিত নয়।
৪. এ ধরনের বাধ্যবাধকতা আরোপের আরেকটি ক্ষতির দিক হল, সমাজের কিছু মানুষ এমন থাকে, যাদের আয় ‎রোজগার হারাম পন্থায় হয়। সেক্ষেত্রে জেনে বুঝে তাদের কুরবানীর গোশত সমাজের সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া ‎হয়। অথচ হারাম উপার্জনের মাধ্যমে কুরবানীকৃত পশুর গোশত খাওয়া জায়েয নয়।
মোটকথা, শরীয়তের শিক্ষা মোতাবেক প্রত্যেককে তার কুরবানীর অংশ দান করার বিষয়ে স্বাধীন রাখতে হবে। প্রশ্নোক্ত ‎পদ্ধতিতে বা অন্য কোনোভাবে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা যাবে না। কুরবানীদাতা নিজ দায়িত্ব ও বিবেচনা মতো যাকে ‎যে পরিমাণ হাদিয়া করতে চায় করবে এবং গরীব-মিসকীনকে যে পরিমাণ সদকা করতে চায় করবে। রাসূলুল্লাহ ‎সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময় থেকে শত শত বছর যাবৎ এ পদ্ধতিই চলমান আছে। এই পদ্ধতিই অবলম্বন ‎করা জরুরি। শরীয়ত যা চালু করতে বলেনি এমন কোনো প্রথা চালু করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
‎—সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯৭২; জামে তিরমিযী, হাদীস ১৫১০; বাদায়েউস সানায়ে ৪/২২৪; তাবয়ীনুল হাকায়েক ‎৬/৪৮২; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৭/৪৭৩; আলবাহরুর রায়েক ৮/১৭৮; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩০০; রদ্দুল মুহতার ‎৬/৩২৮

#কুরবানি #হালাল #গোশত #বন্টন

★আসসালামু আলাইকুম। মেহেরবানী করে গুরুত্ব সহিত পোস্টটা পড়বেন। যদি সন্দেহ মনে হয় তাহলে বিজ্ঞ মুফতি  সাহেবের সাথে বসবেন। ...
07/06/2024

★আসসালামু আলাইকুম। মেহেরবানী করে গুরুত্ব সহিত পোস্টটা পড়বেন। যদি সন্দেহ মনে হয় তাহলে বিজ্ঞ মুফতি সাহেবের সাথে বসবেন। শুদ্ধ হলে আমল করবেন আর যদি কোথাও সংশোধন হয় সেটা মেহেরবানী করে আমাকেও জানাইয়া দিবেন। সংগৃহীত পোস্ট ★

কুরবানির গোশতের সামাজিক বন্টন জায়েজ নেই
মুফতি ওযায়ের আমিন

কোরবানির গোশতের বাধ্যতামূলক সামাজিক বন্টন জায়েজ নেই। দেখতে সুন্দর ও মানবিক মনে হলেই যায়েজ হয়ে যায় না। যায়েজের জন্য প্রয়োজন শরঈ দলীল। কুরবানির গোশত তিন ভাগ করা উত্তম ও মুস্তাহাব। অবশ্য পুরো গোশত যদি নিজে রেখে দেয় তাতেও কোনো অসুবিধা নেই। প্রয়োজনে বণ্টনে কমবেশি করাতেও কোনো দোষ নেই (আল-মুগনী ১১/১০৮; মির‘আত ২/৩৬৯; ঐ, ৫/১২০ পৃঃ)।

বর্তমানে বিভিন্ন মহল্লায় প্রচলন রয়েছে, কুরবানির গোশতের এক-তৃতীয়াংশ একস্থানে জমা করে মহল্লায় যারা কুরবানি করতে পারেনি তাদের তালিকা করে সুশৃংখলভাবে তাদের মধ্যে বিতরণ করা ও প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়। কাজটি দেখতে ভালো হলেও এটি জায়েজ নেই। কেননা এই প্রচলনের ফলে কারও দিতে মনে না চাইলেও তাকে সমাজের খাতিরে দিতে হয়। না দিলে সামাজিক চাপ ও বদনামের স্বীকার হতে হয়। ক্ষেত্রবিশেষ সামাজিক ভাবে মনিটরিং করা হয়, কেহ একতৃতীয়াংশের কম দিলেন কি না।

এধরনের প্রচলন খাইরুল কুরুনে পাওয়া যায় না। রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন, কোনো মুসলমানে মাল তার সন্তুষ্টি ছাড়া গ্রহণ করা হালাল নয়। (মুসনাদে আহমদ : ১৫/২৯৩, রদ্দুল মুহতার : ৬/৪২৭, আলমগিরী/হিন্দিয়া : ৫/৩০০, হেদায়াহ : ৪/৪৪৯, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২২৪)

বাধ্যতামূলক সামাজিক বন্টন ও বাস্তবতা-১

আমার একান্ত পরিচিত একটি গ্রামের আপন ৩ ভাই। তারা ঢাকায় ইমামতি করেন। ঈদের নামাজ পড়ানো এবং মাদরাসার বিভিন্ন দায়িত্বের কারণে তাদের কেউ ঈদের দিন গ্রামের বাড়িতে থাকতে পারেন না। তাই ঈদের পরদিন তিন ভাই মিলে বাড়িতে গিয়ে কোরবানি করেন। তারা সামর্থের সর্বোচ্চ পরিমাণে কুরবানির গোশত সমাজের গরিবদের মাঝে নিজেদের পক্ষ থেকে বিতরণ করেন। এরপরেও সমাজের পক্ষ থেকে তাদের বিপক্ষে অপপ্রচার করা হয়েছে যে, "সমাজে গোস্ত দিতে হবে এই কারণে তারা ঈদের দিন কোরবানি করে না।"

পরবর্তীতে সাধারণ মানুষ যেন তাদের গোস্ত গ্রহণ না করে এমন অলিখিত নোটিশ জারি করা হয়। এ বছর তারা মনের কষ্টে ঢাকায় কোরবানি দেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা কি বাধ্যতামূলক নয়? এ বিষয়ে কি বিশ্লেষণ করা হবে?

বাধ্যতামূলক সামাজিক বন্টন ও বাস্তবতা-২

তারা আপন দুই ভাই। একজন কোরবানি দিয়েছেন সাত ভাগের এক ভাগ। এর মধ্যে তিন ভাগের একভাগ সমাজের লোকজন এসে নিয়ে গেছেন। এরপর দেখা গেল যে ভাই কোরবানি দেন নাই- তিনি সমাজ থেকে যে পরিমাণ গোস্ত পেয়েছেন তার চেয়ে কোরবানি দাতার গোশতের পরিমাণ কম। অথচ তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি। আত্মীয় মেহমানের জন্য তার আরো বেশি গোশতের প্রয়োজন।

এমন পরিস্থিতিতে এই লোকের কাছ থেকে সমাজের লোক পাঠিয়ে বাধ্যতামূলক তিনভাগের এক ভাগ নিয়ে যাওয়াটা কতটুকু স্বেচ্ছা-প্রণোদিত হতে পারে?

বাধ্যতামূলক সামাজিক বন্টন ও বাস্তবতা-৩

সামাজিকভাবে গোস্ত বন্টন করা হয় এমন একটি গ্রামে সরেজমিনে নিরীক্ষা করে দেখা গেছে- কোরবানি দাতাদের প্রত্যেকটি গরুর সাথে সমাজের পক্ষ থেকে এক একজন লোক দায়িত্ব প্রদান করা হয়, যেন গোস্ত কম দিল কিনা সেটা যাচাই করতে পারে এবং একতৃতীয়াংশ গোস্ত নিয়ে যেতে পারে। এছাড়া কোন কারনে কেউ যদি এক তৃতীয়াংশের কম গোস্ত প্রদান করে তাহলে তা নিয়ে সমালোচনা করা হয় এবং কোরবানি দাতাকে বিভিন্নভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়। কাউকে এমনও বলতে শোনা যায়- তিনি গোস্ত কেন দিয়েছেন? সবটা নিজেই খেয়ে ফেলুক, তার গোস্তের দরকার নাই। গোটা সমাজে এটা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে কি বলা যায় ঐচ্ছিক প্রদান করছে। এটা কি বাধ্যতামূলক সামাজিক বন্টন নয়?
হে আল্লাহ.... আমাদের রুহে সহি বুঝ দান করুন।

লেখক : মুফতি ওযায়ের আমীন

ইবাদতের অনন্য এক বসন্তকাল যিলহজের প্রথম দশদিন। অথচ এ বিষয়ে আমাদের জানাশোনা ও আমলের চর্চা নেই বললেই চলে। জানাশোনা ও আমল ব...
31/05/2024

ইবাদতের অনন্য এক বসন্তকাল যিলহজের প্রথম দশদিন। অথচ এ বিষয়ে আমাদের জানাশোনা ও আমলের চর্চা নেই বললেই চলে। জানাশোনা ও আমল বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে যিলহজের প্রথম দশকের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আমরা একটি লিফলেট তৈরি করেছি।
নিজের জন্য কিংবা পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও মসজিদের মুসল্লীদের মাঝে বিতরণের উদ্দেশ্যে আপনি লিফলেটটি আমাদের অফিস থেকে বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারেন।
ঠিকানা:
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন
প্লট-সি ৭০, রোড ৩, ব্লক-সি, আফতাবনগর, ঢাকা-১২১২
✆ যোগাযোগ: 01958277671 (Copied from Ahmadullah page)

ইকিগাই থেকে ১০টি পয়েন্ট: দীর্ঘ ও সুখী জীবনের জন্য জাপানি রহস্য:১. যা আপনি ভালোবাসেন, যা আপনি ভালো করতে পারেন, যা পৃথিবীক...
25/05/2024

ইকিগাই থেকে ১০টি পয়েন্ট: দীর্ঘ ও সুখী জীবনের জন্য জাপানি রহস্য:

১. যা আপনি ভালোবাসেন, যা আপনি ভালো করতে পারেন, যা পৃথিবীকে প্রয়োজন, এবং যার জন্য আপনি পারিশ্রমিক পেতে পারেন, তা খুঁজে বের করুন। এই চারটি উপাদানের সংযোগস্থলে আপনার ইকিগাই অবস্থান করে।

২. আপনার আবেগকে পূর্ণ হৃদয়ে অনুসরণ করুন। যখন আপনি এমন কাজগুলিতে জড়িত হন যা আপনি আবেগী, তখন আপনি স্বাভাবিকভাবেই আরও পরিপূর্ণ এবং উদ্দীপিত অনুভব করেন।

৩. আপনার শরীর এবং মন সক্রিয় রাখুন। শারীরিক কার্যকলাপ, মানসিক চ্যালেঞ্জ এবং জীবনব্যাপী শেখার মাধ্যমে শক্তি এবং জ্ঞানীয় ফাংশন বজায় রাখুন।

৪. পরিবার, বন্ধু এবং সম্প্রদায়ের সাথে দৃঢ় সংযোগ তৈরি করুন। এমন লোকদের সাথে থাকুন যারা আপনাকে সমর্থন এবং উন্নত করে।

৫. জীবন উত্থান-পতনে ভরা। অনুগ্রহ সহকারে চ্যালেঞ্জগুলি নেভিগেট করতে এবং বিপর্যয় থেকে আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার জন্য স্থিতিস্থাপকতা চাষ করুন।

৬. জীবনের সব দিকেই ভারসাম্যের জন্য প্রচেষ্টা করুন—কাজ, সম্পর্ক, অবসর এবং ব্যক্তিগত উন্নয়ন। চরমপন্থা এড়িয়ে চলুন এবং সাদৃশ্য সন্ধান করুন।

৭. মনোযোগ অনুশীলন করুন এবং বর্তমান মুহূর্ত উপভোগ করুন। অতীত বা ভবিষ্যতের বিষয়ে চিন্তা ছেড়ে দিন এবং সম্পূর্ণভাবে বর্তমান মুহূর্তটি উপভোগ করুন।

৮. ঘুম, পুষ্টি, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা এবং স্ব-যত্ন অনুশীলনকে অগ্রাধিকার দিয়ে আপনার শারীরিক এবং মানসিক কল্যাণের যত্ন নিন।

৯. কৃতজ্ঞতার মনোভাব গড়ে তুলুন। আপনার জীবনের ছোট-বড় আশীর্বাদগুলির প্রশংসা করুন এবং নিয়মিত ধন্যবাদ জানান।

১০. নতুন অভিজ্ঞতার জন্য কৌতূহলী এবং খোলা থাকুন, ক্রমাগত শিখুন, বাড়ান এবং একজন ব্যক্তি হিসাবে বিকশিত হোন।

-সংগৃহিত

Address

J-28 (Ground Floor), Extension Pallabi, Rupnagar Road
Mirpur
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801913339640

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MEP Engineering Consultancy Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MEP Engineering Consultancy Firm:

Share