Anwar Engineering & Builder's

Anwar Engineering & Builder's Construction Consultancy

মহান রাব্বুল সবার কুরবানি আপনি কবুল করুন(আমিন)
07/06/2025

মহান রাব্বুল সবার কুরবানি আপনি কবুল করুন(আমিন)

কলাম, বীম ও ছাদে রড দেয়ার নিয়মঃ-কলাম কিংবা বিমে ল্যাপিং কিভাবে দিতে হবে কতটুক দিতে হবে এসব বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  এছাড়...
08/05/2025

কলাম, বীম ও ছাদে রড দেয়ার নিয়মঃ-
কলাম কিংবা বিমে ল্যাপিং কিভাবে দিতে হবে কতটুক দিতে হবে এসব বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও বিম কলামে এক্সট্রা টপ দেয়ার রিং বাধা এবং রিং দেয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। এছাড়া স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ক্র্যাংক বার এক্সট্রা টপ ইত্যাদি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।
প্র্যাকটিকাল কাজের বিভিন্ন ড্রয়িং এর আইডিয়া থেকে কলাম বীম ও ছাদে রড দেয়ার কিছু নিয়ম শেয়ার কর হলো। তবে ড্রয়িং টু ড্রয়িং কিছু জিনিস ভিন্ন হতে পারে। যে জিনিস গুলো মোটামুটি একই থাকে সেগুলো তুলে ধরা হলোঃ-
----------------------------------------------------------------------
১। কলামে রিং বাধার নিয়মঃ-
ক) কলামের দুই পাশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা ফ্লোর এবং ছাদ সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের ভিতরে বেশী ঘন হবে ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৩/৪/৫ ইঞ্চি

খ) কলামের মাঝের অংশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা ফ্লোর এবং ছাদ সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের বাইরে কম ঘন ভাবে দিতে হবে ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৬/৭/৮ ইঞ্চি

২। বিমে রিং বাধার নিয়মঃ-
ক) বিমের দুই পাশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা কলাম সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের ভিতরে বেশী ঘন হবে ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৩/৪/৫ ইঞ্চি

খ) বিমের মাঝের অংশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা কলাম সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের বাইরে কম ঘন ভাবে দিতে হবে ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৬/৭/৮ ইঞ্চি

৩। বিমের ক্ষেত্রে এক্সট্রা টপঃ-
ক) বিমের প্রান্তে এক্সট্রা টপের পরিমান দেওয়া হয় L/4
খ) বিমের মাঝের সাপোর্টের পাশে এক্সট্রা টপ এর পরিমান দেওয়া হয় L/3
গ) বিমে এক্সট্রা বটম দেওয়া হয় কলাম থেকে L/7 বা L/8 দূরে

৪। ছাদে রড দেওয়ার নিয়মঃ-

ক) মেইন রড ও বাইন্ডার রডঃ-
ছাদে মেইন রড দেওয়া হয় শর্ট ডিরেকশন বরাবর
ছাদে বাইন্ডার রড দেওয়া হয় লং ডিরেকশন বরাবর।
মেইন রড খাচার বাইরে অর্থাৎ উপরে ও নিচে থাকে
বাইন্ডার রড খাচার ভিতরে থাকে।

খ) স্ল্যাবে এক্সট্রা টপঃ-
স্ল্যাবের প্রান্তে এক্সট্রা টপ এর পরিমান দেওয়া হয় L/4 পর্যন্ত।
স্ল্যাবের মাঝের সাপোর্টে এক্সট্রা টপ দেওয়া হয় L/3 পর্যন্ত।

গ) স্লাবে ক্র্যাংক বারঃ-
স্লাবের প্রান্তে ক্র্যাংক এর পরিমান L/5
স্ল্যাবের মাঝের সাপোর্টে ক্র্যাংক এর পরিমান দেওয়া হয় L/4

বিদ্রঃ এই ব্যাপার গুলো ডিজাইন অনুসারে হয়ে থাকে তাই আপনাকে কাজ করতে হবে ড্রয়িং অনুযায়ী। তবে মোটামুটি উপরের নিয়মানুসারেই বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হয়।

রডের পরিমাপ শিখুনঃ-10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta20 mm = 2.466 kg/m =...
08/05/2025

রডের পরিমাপ শিখুনঃ-
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta

রডের ওজনঃ-
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।

উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।

বাংলাদেশে সাধারণ লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী। এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg

রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয়………

এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 /531,36 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলিমিটারে উল্লেখ করতে হবে।

পাইল ক্যাপ করার আগে সিমেন্ট কংক্রিট (Lean Concrete) এবং ব্রিক ফ্ল্যাট সলিং করার মূল উদ্দেশ্য হলো পাইল ক্যাপের স্থায়িত্ব ...
06/03/2025

পাইল ক্যাপ করার আগে সিমেন্ট কংক্রিট (Lean Concrete) এবং ব্রিক ফ্ল্যাট সলিং করার মূল উদ্দেশ্য হলো পাইল ক্যাপের স্থায়িত্ব ও শক্তি নিশ্চিত করা। এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো—

1. সমান ও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি
পাইল ক্যাপের নিচে যদি অসমান বা নরম মাটি থাকে, তাহলে সেটি কাঠামোর ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ব্রিক ফ্ল্যাট সলিং এবং সিমেন্ট কংক্রিট একটি সমান ও মজবুত পৃষ্ঠ তৈরি করে, যা পাইল ক্যাপের লোড সমানভাবে বণ্টন করতে সাহায্য করে।

2. মাটির আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষা
মাটির আর্দ্রতা সরাসরি পাইল ক্যাপের কংক্রিটের সঙ্গে সংযোগ করলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সিমেন্ট কংক্রিটের একটি স্তর (Lean Concrete) আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষা দেয় এবং ভবিষ্যতে ফাউন্ডেশনের ক্ষয়রোধ করে।

3. লোড ট্রান্সফার এবং বিয়ারিং ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পাইল ক্যাপের ওপর যে লোড আসে, তা যাতে ঠিকভাবে পাইলের মাধ্যমে মাটিতে স্থানান্তরিত হয়, সেজন্য নিচের স্তর শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। ব্রিক ফ্ল্যাট সলিং এবং সিমেন্ট কংক্রিট ব্যবহার করলে সেটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি (Bearing Capacity) বাড়ে এবং কাঠামোর স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয়।

4. নির্মাণকাজ সহজ ও মানসম্মত করা
একটি সমান ও পরিষ্কার পৃষ্ঠ থাকলে রিইনফোর্সমেন্ট বসানো, শাটারিং স্থাপন এবং কংক্রিট ঢালাই করা সহজ হয়। সিমেন্ট কংক্রিট ও ব্রিক সলিং ব্যবহারের ফলে নির্মাণকাজের গুণগত মান উন্নত হয়।

5. ভূমি ধ্বস এবং সেটেলমেন্ট প্রতিরোধ
যদি নিচের স্তরে দুর্বল মাটি থাকে, তাহলে সেটেলমেন্টের কারণে ভবিষ্যতে কাঠামোতে ফাটল দেখা দিতে পারে। সিমেন্ট কংক্রিট এবং ব্রিক ফ্ল্যাট সলিং এই সেটেলমেন্ট কমাতে সাহায্য করে।

উপসংহার:পাইল ক্যাপের আগে সিমেন্ট কংক্রিট এবং ব্রিক ফ্ল্যাট সলিং করার ফলে কাঠামোর স্থায়িত্ব, শক্তি এবং নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত হয়। এটি ফাউন্ডেশনের জন্য একটি শক্ত ও সমান ভিত্তি তৈরি করে, যা ভবিষ্যতে কাঠামোকে স্থিতিশীল রাখে এবং দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ রাখে।

#ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #ছাদঢালাই #সিভিলইঞ্জিনিয়ার #নির্মানকাজ #রডের_হিসাব #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন

রাস্তায় ইট বিছানোর ক্ষেত্রে...২ কিলোমিটার লম্বা এবং ১০ মিটার চওড়া একটি রাস্তার হেরিংবোন বন্ডের কাজে কতটি ইট লাগতে পারে ...
01/12/2024

রাস্তায় ইট বিছানোর ক্ষেত্রে...
২ কিলোমিটার লম্বা এবং ১০ মিটার চওড়া একটি রাস্তার হেরিংবোন বন্ডের কাজে কতটি ইট লাগতে পারে !! আসুন হিসাবটি দেখে নিই...
যদি রাস্তার ক্ষেত্রফল = ২× ১০০০ × ১০ [ :: ১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার]
= ২০০০০ বর্গমিটার
প্রচলিত ইটের মাপ = ২৫.৪ x ১২.৭ x ৭.৬ সেমি
প্রতি বর্গমিটার হেরিংবোন বন্ডের কাজে ইটের প্রয়োজন
= ১.০০/ ০.২৫৪ × ০.০৭৬ = ৫১.৮ = ৫২ টি. মোট ইটের প্রয়োজন = ২০০০০ × ৫২ = ১০৪০০০০ টি অথবা,
মেট্রিক ইটের মাপ = ২০ × ১০ × ১০ সেমি
প্রতি বর্গমিটার হেরিংবোন বন্ডের কাজে ইটের প্রয়োজন = ১.০০/ ০.২০ x ০.১০ = ৫০ টি: মোট ইটের প্রয়োজন = ২০০০০ ×৫০ = ১০০০০০০ টি।
ধন্যবাদ,

গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ ...
18/11/2024

গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ………
এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 531,36 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।
খোয়ার হিসাব
* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
বালির হিসাব
* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢ়ালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।
==============================================
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাস জানুনঃ
1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ

সিঁড়ি নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন ও উত্তর...----------------------------------------------------------------------8.সিড়ির দৈর্ঘ্য...
18/11/2024

সিঁড়ি নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন ও উত্তর...
----------------------------------------------------------------------
8.সিড়ির দৈর্ঘ্য= ১৫'-৬",প্রস্থ = ৮'-০",সিড়ির মেন রড ১২ মিমি ৪ C/C,সিড়ির এক্সটা টপ ১২ মিমি ৪" C/C,সিড়ির এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য = ল্যান্ডি+L/4,সিড়ির বাইন্ডার ৮" C/C,সিড়ির ওয়েষ্ট স্ল্যাবে পুরুত্ব = ৬",সিড়ির ট্রেড ১০",সিড়ির রাইজার ৬",সিড়ির মাঝের ল্যান্ডিং এর নীচে টি বীম আছে সাইজ ১০"x১৮" উপরে ছাদের বীম সিড়ির ভিতরে আসবে না। বীমের রড ৬-২০ মিমি, বীমের রিং ১০ মিমি, বীমের রিং ৬" C/C,বীমের এল বা মাটাম ৬"।.................................................................
সিড়ির দৈর্ঘ্য = (৪'-০''+৯ টা ট্রেড+৪'-০")
= (৪'-০"+৯x১০"+৪'-০")
= ১৫'-৬''
প্রস্থ= (৩'-১০"+৪"+৩'-১০")
= ৮'-০"...............................................................
সিড়ি ওয়েষ্ট স্ল্যাবের দৈর্ঘ্য
পিথাগোরাসের সুত্র মতে
= রুট অভার (৪'-৬")^২+(৮'-৪")^২
= ৯'-৬''
এখনে উচ্চতা ৪'-৬"
ভূমি = ১০x০'-১০"
= ৮'-৪"
ঢালায়
বীম = ৮'-০"x০'-১০"x১'-০"= ৬.৬৪
ল্যান্ডিং = ৮'-০"x৪'-০"x০'-৬"x২ = ৩২.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব
= ৯'-৬''x৩'-১০"x০'-৬"x২ = ৩৬.৩৯
ধাপ = ১/২"x০'-৬'x০'-১০"x৩'-১০"x১৮
= ১৫.১০
মোট = ৯০.১৩ ঘনফুট...............................................................
মালামাল
শুকনা " = ৯০.১৩x১.৫= ১৩৫.২০ ঘনফুট
অনুপাত ১:২:৪
অনুপাতের যোগফল = (১+২+৪)= ৭
মালামাল
সিমেন্ট = ( ১৩৫.২০x১÷৭)÷১.২৫= ১৫.৪৫ ব্যাগ
[যেহেতু ১ ব্যাগ সিমেন্ট = ১.২৫ ঘনফুট]
বালি = ১৩৫.২০x২÷৭ = ৩৮.৬৩ ঘনফট
খোয়া= ১৩৫.২০ x৪÷৭ = ৭৭.২৬ ঘনফুট.............................................................
মেন রডের দৈর্ঘ্য
= [(৪'-০"+৯'-৬"+৪'-০")-{(৩/৪"x২)÷১২}]= ১৭'-৬"
বাইন্ডার রডের দৈর্ঘ্য
= [৩'-১০"-{(৩/৪"x২)÷১২}]= ৩'-৯"
এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য
= -৩/৪"+৪'-০"+(৯'-৬"÷৪)= ৫'-১৭"
ল্যান্ডিং বাইন্ডার দৈর্ঘ্য
= ৮'-০"-(৩/৪"x২÷১২)= ৭'-১১"
বীমের মেন রডের দৈর্ঘ্য
= (৮'-০")-(১.৫"x২)+(৬"x২)= ৮'-৯"
রিং রডের দৈর্ঘ্য
= {(১০-১.৫x২)+(১৮-১.৫x২)}x২+(৩x২)= ৪'-২"
মেন রডের পরিমান
= {(৩'-১০"x১২-৩/৪"x২)÷৪}+১= ১২.১৩ টি
~ ১৩ টি
মোট = ১৩x২= ২৬ টি
এক্সটা টপ = ১৩x৪= ৫২ টি
ল্যান্ডিং বাইন্ডার পরিমান
= [{৪'-০"x১২-(৩/৪"x২)}÷৮]+১= ৬.৮১
~ ৭ টি
মোট ৭x২= ১৪ টি
ল্যান্ডিং এ ডাবল জালি এখানে ৮" করে হিসাব করে
বাইন্ডার পরিমান
= (৯'-৬"x১২÷৮)-১= ১৩.২৫
~ ১৪ টি
মোট ১৪x২=২৮ টি
মোট রিং এর পরিমান
= [{(৮'-০")-(১.৫"x২)}÷৬"]+১= ১৬.৫০
~ ১৭ টি
রডের পরিমান
মেন রড
১২মিমি = ১৭'-৫"x২৬x০.২৭ = ১২২.২৯
এক্সটা টপ
১২ মিমি = ৬'-১"x৫২x০.২৭= ৮৫.৩৬
ল্যান্ডিং বাইন্ডার
১২ মিমি = ৭'-১১"x১৪x০.২৭= ২৯.৯৪
বাইন্ডার
১০ মিমি = ৩'-৯"x২৮x০.১৯ = ১৯.৯৫
বীম মেন রড
২০ মিমি = ৮'-৯"x৬x০.৭৫= ৩৯.৩৮
বীমের রিং
১০ মিমি = ৪'-২"x১৭x০.১৯ = ১৩.৪৭
মোট রডের পরিমান = ৩১০.৩৯ কেজি................................................................
মোট সাটারিং
বীম সাইড
৮'-০"x১'-০"x২= ১৬.০০
ল্যান্ডিং তলা
৪'-০"x৮'-০"x২= ৬৪.০০
ল্যান্ডিং সাইড
= {(৪'-০"+৮'-০"+৪'-০")x০'-৬"}x২= ১৬.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব তলা
= ৯'-৬"x৩'-১০"x২= ৭২.৭৭
ওয়েষ্ট স্ল্যাব সাইট
= ৯'-৬"x১'-০"x৪= ৩৮.০০
ধাপ
= ৩'-১০"x০'-৬"x১০x= ৩৮.৩০
= ২৪৫.০৭ বর্গফুট

স্টিল বিল্ডিং ইরেকশন বিস্তারিত শুরু থেকে শেষ =================== স্টিল বিল্ডিং এ কাজ  খুবই সুক্ষ এবং সব কাজ,ডিজাইন,ড্রয়ি...
18/11/2024

স্টিল বিল্ডিং ইরেকশন বিস্তারিত
শুরু থেকে শেষ
===================
স্টিল বিল্ডিং এ কাজ খুবই সুক্ষ এবং সব কাজ,ডিজাইন,ড্রয়িং মিলিমিটার এ করা হয় কারন এখানে অল্প এরর এর কারনেও অনেক বড় ভুল হতে পারে। আর.সি.সি কাজের তুলনায় স্টিল বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন এর কাজ অনেক সুক্ষ তাই স্টিল বিল্ডিং ইরেকশনে ও অনেক বেশী সতর্ক থাকতে হবে।

এই পোস্টে স্টিল বিল্ডিং ইরেকশন এর ধাপ গুলোর কিছু ইম্পরট্যান্ট পয়েন্ট আলোচনা করবো।

স্টিল বিল্ডিং এর কাজ শুরু করার আগের স্টেপঃ
==================================
১. ✅Drawing
স্টিল বিল্ডিং ইরেকশন এর আগে ডিজাইন অনুসারে পারফেক্ট ড্রয়িং করে নিতে হবে এবং ড্রয়িং এ কোন গ্যাপ রাখা যাবেনা। ড্রয়িং অনেক বেশী ক্লিয়ার হতে হবে মানে সব ইনফরমেশন যেন ড্রয়িং এ থাকে

২. ✅Drawing Approval
ড্রয়িং করার পর ক্লায়েন্ট থেকে ড্রয়িং এপ্রুভাল নিতে হবে , যেন পরবর্তীতে কাজ করার সময় কোন ঝামেলা না হয়, কোন চেঞ্জ না আসে ড্রয়িং এর বাইরে। এক্ষেত্রে প্রজেক্ট যতই ছোট হোক না কেন অবশ্যই এপ্রুভাল নিয়ে কাজ করতে হবে । কারন প্রজেক্ট এর মাঝামাঝি তে কোন চেঞ্জ আসলে তখন কাজ করা অনেক সমস্যার।

৩. ✅Safety on the job site
কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই “সেফটি অন দি জব সাইট” মেনটেইন করতে হবে। কারন স্টিল বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে কলাম/বিম/রাফটার কিংবা অন্য যেকোন মেম্বার অনেক ভারী হয় আর সব কাজই রিস্ক এর তাই অবশ্যই লেবার থেকে শুরু করে ইঞ্জিনিয়ার সবাইকে সেফটি মেন্টেইন করে কাজ করতে হবে।
আর এটা শুধুমাত্র স্টিল বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে না সব প্রজেক্টেই “সেফটি অন দি জব সাইট” থাকতে হবে

৪. ✅Preparing the jobsite.

🚩কাজ শুরুর আগে জব সাইট ক্লিয়ার করতে হবে, সাইটের ময়লা আবর্জনা,বিভিন্ন অবসটাকল ক্লিয়ার করতে হবে

🚩গর্ত থাকলে গর্ত ভরাট করা এবং হিলি এরিয়া থাকলে কাটিং করতে হবে।

🚩পাওয়ার লাইন থাকতে হবে এবং চেক করতে হবে যেন ঠিকমত পাওয়ার সাপ্লাই থাকে। যেকাজ করার সময় সমস্যায় না পড়তে হয়।

🚩লেবার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার দের জন্য থাকার মত পরিমিত ব্যাবস্থা থাকতে হবে এবং ম্যাটেরিয়াল রাখার স্টোরেজ ঠিক করে নিতে হবে , যেন সেফটি থাকে এবং সিকিউরিট থাকে।

🚩ম্যাটেরিয়াল আনা নেয়া করার জন্য যেন যথেষ্ঠ জায়গা থাকে এবং ম্যাটেরিয়ালস লোডিং-আনলোডিং এর জন্য ব্যাবস্থা করা থাকে

🚩ক্রেন কিংবা অন্যান্য যন্ত্রপাতী প্লেসমেন্ট ও মুভিং এর জন্য জায়গা রাখতে হবে ।

স্টিল বিল্ডিং এর কনস্ট্রাকশন শুরু সময় থেকেঃ
==================================
সাইট প্রিপারেশন এর পরে আসে কনস্ট্রাকশন এর কাজ। আর কনস্ট্রাকশন এর কাজ শুরু হলেই প্রথমে থাকে ফাউন্ডেশন

✅স্টেপ-০১ : ফাউন্ডেশন এর কাজ

🚩কাজ করার শুরুতেই গ্রাউন্ড প্রিপারেশন এর কাজ ক্রতে হবে। গ্রাউন্ড লেভেল করে নিতে হবে, এবং প্রপার কম্পেকশন করে নিতে হবে।
🚩এরপর সয়েল রিপোর্ট অনুযায়ী ডিজাইন ড্রয়িং অনুসারে ফাউন্ডেশন এর কাজ শুরু করতে হবে।

🚩ফাউন্ডেশন এর কাজ শেষ করে এংকর বোল্ট সেট করতে হবে। আর এক্ষেত্রে অনেক সতর্ক থাকতে হবে যেন এংকর বোল্ড লেভেল এবং বেস-প্লেট লেভেল ঠিক থাকে। নাহলে পরবর্তী তে কলাম সেট করতে সমস্যা হবে এবং কলাম বাঁকা ভাবে ও বসতে পারে ।

⏩এংকর বোল্ট সম্পর্কে পোস্ট ০১:
https://www.facebook.com/DesignIntegrityBd/posts/645129145985159

⏩এংকর বোল্ট সম্পর্কে পোস্ট ০২ :
https://www.facebook.com/DesignIntegrityBd/posts/350262862138457

✅স্টেপ-০২ : Frame এর কাজ

🚩এংকর বোল্টিং এবং বেস প্লেট সেট-আপ এর পর শুরু হয় ফ্রেমিং এর কাজ। আর ফ্রেমিং এর সব ম্যাটেরিয়ালস গুলো ফ্যাক্টরি তেই বানানো হয় । সাইটে ডিরেক্ট রেডি করা ম্যাটেরিয়ালস আসে

🚩 ফ্রেমিং এর ক্ষেত্রে প্রথমেই কলাম সেটাপ করতে হবে এবং সতর্কতার সাথে তা সেটাপ করতে হয়। আর কলামের সাথে রিলেটেড কোন কাট-পিচ আছে কিনা তা দেখে সেট করতে হবে।

🚩যদি বড় বিল্ডিং হয়, তাহলে এক্ষেত্রে সব কলাম সেটাপ করার চেয়ে ভালো গ্রিড ধরে কাজ করা। ১ থেকে ১০, কিংবা ১ থেকে ৫ যেভাবে গাইড লাইন দেয়া হয় সেভাবে ফ্রেমিং করা । আর সে অনুসারে সাইটে ম্যাটেরিয়ালস মজুদ থাকতে হবে। নাহলে কাজ ডিলে হয়।

🚩কলাম সেট করার পর শেড বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে রাফটার এবং মাল্টি স্টোরি বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে বিম সেট করতে হবে।
এক্ষেত্রে বোল্টিং সঠিক ভাবে সেট করতে হবে সতর্কতার সাথে।


✅স্টেপ-৩: প্রাইমারি মেম্বার সেট-আপঃ Girts, Purlins/Sub-Beam

🚩ফ্রেমিং এর কাজ করার পর শেড এর ক্ষেত্রে পারলিন,গার্ট এবং মাল্টি-স্টোরি বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে সাব-বিম সেট-আপ করতে হবে

✅স্টেপ-৪: প্রাইমারি মেম্বার সেট-আপঃ Pipe,Bracing Member and others

🚩সেকেন্ডারী মেম্বার এর কাজ করার পর ব্রেসিং মেম্বার এবং ওপেনিং মেম্বার গুলো সেট-আপ করতে হবে

✅স্টেপ-৫: শিটিং আইটেম সেট-আপঃ Wall Sheeting,Roof Sheeting

🚩প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী মেম্বার সেট-আপের পর শিটিং আইটেম এর কাজ শুরু হয়।

🚩শেড বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে যদি ওয়াল শিটিং এবং রুফ শিটিং থাকে সেক্ষত্রে আগে রুফ শিটিং এর কাজ করতে হবে। এবং পাশপাশি ব্রিক ওয়ালের কাজ থাকলে তা শেষ করতে হবে। পরবর্তীতে ব্রিক ওয়ালের হাইট মিসার করে বাকী অংশের ওয়াল শিটিং এর কাজ শেষ করতে হবে।

🚩রুফ এবং ওয়াল শিটিং এর ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ল্যাপিং দিতে হবে নাহলে পরবর্তী তে পানি ঢুকার সম্ভবনা থাকবে।

🚩রুফ এবং ওয়াল শিটিং এর ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ফাসেনার দিতে হবে নাহলে পরবর্তী তে শিটিং খুলে যেতে পারে।

🚩রুফ শিটিং এ সাধারনত সব বিল্ডিং এই ইনসুলেশন থাকে , এবং ইন্সুলেশন ভালো কোয়ালিটির এবং সঠিক ভাবে ইমপ্লিম্যান্ট করতে হবে।

🚩ওয়ালের ক্ষেত্রে কিছু স্পেশাল বিল্ডিং এ ইনসুলেশন থাকে যেমনঃ কোল্ড স্টোরেজ

✅স্টেপ-৬: একসেওসরিজ আইটেম সেট-আপঃ Trims, Gutter,Down Pipe ,Canopy,Soffit

🚩স্ট্রাকচার এর কাজ শেষ হবার পর আসে একসেসরিজ এর কাজ, এক্ষেত্রে সঠিক সাইট মিজারমেন্ট এর মাধ্যমে কাজ করতে হবে নাহলে সেট হবেনা।
🚩 সাইত থেকে ফিডব্যাক দেয়ার পর সে সাইজের ট্রিমস,গাটার,ডাউনপাইপ ফ্যাব্রিকেশন করতে হবে।

🚩যদি বিল্ডিং এ ক্যানোপি কিংবা সফিট থাকে তারপর তার কাজ করতে হবে। এবং সব শেষে ডোর, উইন্ডো,ভেন্টিলেটর,রুফ মনিটর ইত্যাদি থাকলে তার কাজ করতে হবে।

এসব কাজ করার ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতার সাথে কাজ করতে হবে। সেফটি মেন্টেইন করে কাজ করতে হবে এবং এসব কাজ এতই সুক্ষ যে কয়েক মিলিমিটার এর জন্য ও অনেক সমস্যা পোহাতে হতে পারে কিংবা নতুন কএ ম্যাটেরিয়ালস প্রোডাকশন দিতে হতে পারে ..

ফেয়ার ফেস কংক্রিট এর বিস্তারিতঃ------------------------------------------------------------------------ফেয়ার ফেস কংক্রিট...
18/11/2024

ফেয়ার ফেস কংক্রিট এর বিস্তারিতঃ-
-----------------------------------------------------------------------
ফেয়ার ফেস কংক্রিট বলতে ঐ কংক্রিট কে বুঝানো হয় যেটার ফর্মওয়ার্ক খুলে ফেলার পর সরফেসটা এতটাই মসৃণ হয় যে সেটাকে নতুন করে ফিনিশিং করার জন্য প্লাস্টারের প্রয়োজন পরে না।

সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় ডিজাইনেই সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ম্যাটেরিয়ালসের নানান পরিবর্তন-পরিবর্ধন, সংযোজন-বিয়োজন ও নতুনত্ব যোগ হচ্ছে। তেমনি একটি ম্যাটেরিয়ালস ‘ফেয়ার ফেস প্লাস্টার’। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা যায়। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ব্যবহার করলে আর নতুন করে পেইন্ট করতে হয় না। এটি দেখতে সুন্দর এবং দীর্ঘস্থায়ী।

ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কিভাবে তৈরি হয়ঃ-.....................................................................
ফেয়ার ফেস হচ্ছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিমেন্ট বেইজ এক ধরনের প্লাস্টার। এটি মূলত ৬০ শতাংশ সাদা সিমেন্ট ও ৪০ শতাংশ গ্রে সিমেন্ট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোন চিপসের সমন্বয়।

ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজঃ-.....................................................................
ইটের শুকনো দেয়ালে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর লাগাতে হয়। সাধারণ বালু সিমেন্টের আস্তর করার মতোই ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর করতে হয়। সাধারণ প্লাস্টার করার পরও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার করা যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ প্লাস্টারকে রাফ করে নিতে হয়।

স্থায়িত্বঃ-.....................................................................
ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের পুরুত্ব ৮ মিলিমিটার। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার দেখতে উজ্জ্বল ছাই রঙা ধরনের। সিমেন্ট বেইজ হওয়ায় এটি অত্যন্ত মসৃণ ও গ্লসি হয়ে থাকে। একবার ব্যবহার করলে সারাজীবন চলে। সাধারণত ২০-৩০ বছরের স্থায়িত্বের গ্যারান্টিতে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করা হয়।

গ্রুভঃ-.....................................................................
ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা গেলেও এক্সটেরিয়েরই ব্যবহার করা হয় বেশি। ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করার সময় ইচ্ছে অনুযায়ী গ্রুভ ব্যবহার করা যায়। সাধারণত প্রতি ২ ফিট পর পর ১-২ ইঞ্চি গ্রুভ ব্যবহার করা হয়। ইচ্ছে করলে এর কম-বেশিও করা যায়।

কিউরিংঃ.....................................................................
ফেয়ার ফেস প্লাস্টার কাজ করার পর তিন থেকে সাত দিন কিউরিং করলে ভালো হয়। আস্তরে চুল ছেঁড়া দাগ হয় না।

বাংলাদেশে কোথায় পাবেন?.....................................................................
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি দেশের ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের প্রিমিক্স পাউডার পাওয়া যায়।
যেগুলো হচ্ছে দুবাইয়ের কনমিক্স, জার্মানির বিএসএফ, ভারতের ড. ফিক্সিট ও ফসরক।
তবে দুবাইয়ের কনমিক্স কোম্পানি বেশ সুনামের সাথে তাদের কনস্ট্রাকশন কেমিক্যাল বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং করে আসছে।
টাইলসের বড় শোরুমগুলোতে খোঁজ করলেও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার পাওয়া যাবে।

মূল্যঃ.....................................................................
সাধারণত প্রতিবর্গ ফুট ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা মূল্যে কাজ করা যায়। তবে হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের বাইরে কাজ করতে স্ক্যাফোল্ডিং(মাচা) তৈরি করতে হয়। মাচা বাবদ আরো পাঁচ টাকা লাগতে পারে।

দেখতে অত্যন্ত মসৃণ, আভিজাত্য ও অনন্য সুন্দর হওয়ায় বাংলাদেশে এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকায় অনেক বিল্ডিংয়েই ব্যবহৃত ফেয়ার ফেস প্লাস্টার আপনার নজর কাড়বে। এটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি চলে যুগের পর যুগ।

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা = ১ বিঘ...
24/06/2024

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট
সংগৃহীত পোস্ট।

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা = ১ বিঘা।৬০.৫ কাঠা = ১ একর।========...
07/06/2024

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট
Anwar Engineering & Builder's

বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:-১। সীমানা নির্ধারন২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক৩। পাইলিং ক) পাইল পয়েন্...
05/06/2024

বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:-

১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা
খ) বোরিং করা
গ) খাচা বাধা
ঘ) ব্লক দেওয়া
ঙ) ওয়েল্ডিং করা
চ) খাচা ঢুকানো
ছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ আন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায় (ছাদের ঢালাইয়ের সময় ইলেকট্রিক পাইপ লাইন গুলো চেক) জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া ১৯। চিলাকুটার কলাম
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক
ঙ) ঢালায় চ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া ২১। জলছাদ
ক) ছাদ চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) চুন ফোটানো
ঘ) চুন চালা
ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে
শুকনা অবস্থায় কাটা
চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়
মেশানো পানি দিয়ে
ভেজানো
ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা
দেওয়া
জ) ভাল ভাবে পচানো
ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের
দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো
ঞ) ভাল ভাবে পিটানো
ট) হালোট দেওয়া
ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে
তালের ব্রাস দিয়ে
ফিনিশিং দেওয়া
ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে
পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা
রাখা
ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করা
ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া
খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক
গ) ইট ভেজানো
ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেল
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৪। ফলস স্ল্যাব ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং
ক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং
ক) গুরুপ কাটা
খ) পাইপ জ্যাম
গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং
২৮। প্লাষ্টার
ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো
খ) বালি চালা ও ধৌয়া
গ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং
ঙ) প্লাষ্টার
চ) কিউরিং
২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার
৩০। ওয়াল টাইলস
ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং
খ) পেসার চেক
গ) ভাটিক্যাল পাইপ
ঘ) টাইলস ফিটিং
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩১। ফ্লোর টাইলস
ক) চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া
ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং
৩৪। রং
ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা
খ) পরিষ্কার
গ) সিলার
ঘ) পুটি
ঙ) ঘোষা
চ) ফাস্ট কোট
ছ) সেকেন্ড কোট
জ) ফাইনাল কোট
৩৫। পলিশিং
ক) ভাল ভাবে ঘোষা
খ) আস্তর দেওয়া
গ) পুটি কাটা
ঘ) পলিশ করা
৩৬। থাই ফিটিং
ক) আউটার লাগানো
খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং
গ) সিলিকন গাম দেওয়া
৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা
৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া
Anwar Engineering & Builder's

Address

Mymensingh

Telephone

+8801736644514

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anwar Engineering & Builder's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Anwar Engineering & Builder's:

Share