Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center

Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center, Science, Technology & Engineering, Mymensingh.

Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center (BAXRC), the nation's first aerospace hub, pioneers innovation through research, education, and collaborations in aerodynamics, propulsion, space exploration, and UAV technology.

23/04/2026

একটা বড় অগ্রগতি সামনে আসছে।

গত ৮ এপ্রিল Asad Kagozi স্যার ময়মনসিংহে এসে আমাদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তিনি বর্তমানে
Head of Costing Data & Tools, Airbus Commercial, Germany
Lecturer, Hamburg University of Technology
Adviser, DhumketuX

গ্লোবাল এয়ারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিতে তার অভিজ্ঞতা এবং স্ট্র্যাটেজিক ইনসাইট আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে আরও শক্ত ভিত্তি দিয়েছে।

এর থেকেও বড় সুসংবাদ হলো —
Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center (BAXRC)-এর Trustee Board আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে।

এই Trustee Board-ই BAXRC-এর নীতিমালা, ভিশন, গভর্নেন্স এবং দীর্ঘমেয়াদী স্ট্র্যাটেজিক সিদ্ধান্তগুলো নির্ধারণ করবে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি একটি সুসংগঠিত, স্বচ্ছ এবং আন্তর্জাতিক মানের রিসার্চ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠবে।

আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকেও আগ্রহ তৈরি হচ্ছে— Boeing, SpaceX সহ বিভিন্ন গ্লোবাল এয়ারোস্পেস ইকোসিস্টেমের স্টেকহোল্ডারদের সাথে যোগাযোগ ও যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এটি এখন শুধু একটি পরিকল্পনা নয়, বরং একটি স্ট্রাকচার্ড, অনুমোদন-প্রক্রিয়াধীন বাস্তব উদ্যোগ। খুব শীঘ্রই সরকারি অনুমোদন নিয়ে BAXRC-এর যাত্রা শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।

আরেকটি বিষয় —
খুব শিগগিরই একটি ভিডিও আসছে, যেখানে সম্মানিত স্যাররা সবাই মিলে এই সেন্টার শুরু করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও ভিশন শেয়ার করবেন।

বাংলাদেশের এয়ারোস্পেস রিসার্চ ইকোসিস্টেমের জন্য এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

23/04/2026

বাংলাদেশে এরোস্পেস ও ডিফেন্স সেক্টরে বিভিন্ন দাবি যাচাইয়ের জন্য একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। Bangladesh Aerospace EXploration & Research Center - Community-এর অধীনে গঠিত হয়েছে একটি বিশেষজ্ঞ টিম — “Tech Shark Team”।

এই টিমটি গঠন করা হয়েছে দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক ও টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সমন্বয়ে, যার মধ্যে রয়েছে Aviation and Aerospace University Bangladesh, Bangladesh University of Engineering and Technology সহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে কেউ যদি এরোস্পেস বা ডিফেন্স সংক্রান্ত কোনো প্রযুক্তিগত দাবি করে, তাহলে সেটি যাচাই করার জন্য Tech Shark Team সরাসরি সেই স্থানে যাবে। তারা সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি লাইভ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখাবে—দাবিটি বাস্তব নাকি বিভ্রান্তিকর।

সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে, যারা এমন কোনো দাবি দেখতে পাচ্ছেন (ভিডিও, পোস্ট, প্রজেক্ট বা ডেমো), সেগুলোর লিংক কমেন্টে শেয়ার করতে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যাচাইয়ের জন্য টিম পাঠানো হবে।
এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগতভাবে জড়িত থাকবেন না—পুরো মূল্যায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন শুধুমাত্র প্রফেশনাল টিম।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো—দেশে এরোস্পেস ও ডিফেন্স সেক্টরে স্বচ্ছতা, বাস্তবভিত্তিক গবেষণা এবং সঠিক তথ্য প্রচার নিশ্চিত করা।
সবার প্রতি আহ্বান—শুধুমাত্র যাচাইকৃত ও সত্য তথ্যই সামনে আনুন।

21/04/2026

Bangladesh Student Rocket Program Explained | Level 1 to Level Pro Rocketry System 🇧🇩🚀

22/03/2026

ইনবক্সে পাঠানো ম্যাসেজ : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

রকেটের সলিট ফুয়েল, মিসাইল ফুয়েল বা এই ধরনের সেনসিটিভ কেমিক্যাল “সহজে পাওয়া যাবে” এই ধরনের পোস্ট বা অফারগুলোকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। বর্তমান সময়ে এগুলো শুধু সাধারণ ট্রেড বা সাপ্লাই চেইনের বিষয় না, বরং বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির অংশ হতে পারে।

গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিছু বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা যেমন 'র' বা CIA এই ধরনের ফাঁদ তৈরি করে থাকতে পারে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হতে পারে বাংলাদেশে কারা এই ধরনের উপকরণ সংগ্রহ করছে তা শনাক্ত করা, পরে সেই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমিত পর্যায়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে “জঙ্গি রাষ্ট্র” ন্যারেটিভ তৈরি করা।

এই ধরনের ফাঁদ খুব কৌশলে তৈরি করা হয়
১। সোশ্যাল মিডিয়ায় সহজলভ্য বা সস্তা ফুয়েলের অফার দেওয়া
২। ব্যক্তিগত যোগাযোগে গিয়ে বিশ্বাস অর্জন করা
৩। পরে লেনদেন বা সরবরাহের মাধ্যমে টার্গেট শনাক্ত করা

সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে
১। কোন ধরনের রকেট ফুয়েল, এক্সপ্লোসিভ কেমিক্যাল বা ডুয়াল-ইউজ ম্যাটেরিয়াল অপরিচিত সোর্স থেকে সংগ্রহ করবেন না
২। সোশ্যাল মিডিয়ার কোন অফার ভেরিফাই ছাড়া বিশ্বাস করবেন না
৩। সন্দেহজনক কোন অফার বা ব্যক্তি পেলে সাথে সাথে এড়িয়ে চলুন
৪। বৈধ গবেষণা বা কাজের জন্য হলে শুধুমাত্র অনুমোদিত, লাইসেন্সড ও যাচাইকৃত চ্যানেল ব্যবহার করুন

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এই বিষয়গুলো অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত
• Explosives Act, 1884 এবং Explosive Substances Act, 1908 অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া বিস্ফোরক বা সংশ্লিষ্ট কেমিক্যাল সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন বা ব্যবহার করা অপরাধ
• অপরাধের ধরন অনুযায়ী শাস্তি কয়েক বছর কারাদণ্ড থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে
• যদি কোনো বিস্ফোরণ, নাশকতা বা জননিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি হয়, তাহলে শাস্তি আরও কঠোর হয় এবং বিশেষ আইনে (সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ) বিচার হতে পারে
• সংশ্লিষ্ট কেমিক্যাল, ডিভাইস এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিধানও রয়েছে

এই সেক্টর অত্যন্ত সেনসিটিভ। এখানে একটি ভুল পদক্ষেপ শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি না, বরং দেশের জন্য বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন।

18/03/2026

কেন Bangladesh Joint Defense Research Consortium (BJDRC) তৈরি করা হলো? এখন কেন এটি বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয়?

বাংলাদেশে বর্তমানে ডিফেন্স, ড্রোন, রকেট ও মিসাইল প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। বিভিন্ন কোম্পানি, স্টার্টআপ এবং গবেষণা টিম এই সেক্টরে কাজ শুরু করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই সেক্টর অত্যন্ত বড়, জটিল এবং উচ্চ বিনিয়োগ নির্ভর।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো.... এই সেক্টর এত বিশাল যে এখানে কয়েকশত কোম্পানি কাজ করলেও প্রযুক্তির সব ক্ষেত্র শেষ করা সম্ভব না। পৃথিবীর বড় বড় দেশেও শত শত কোম্পানি ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে, তারপরও নতুন নতুন সিস্টেম তৈরি হচ্ছে।

এই কারণেই Bangladesh Joint Defense Research Consortium (BJDRC) গঠন করার ধারণা এসেছে।

BJDRC-এর মূল উদ্দেশ্য খুবই সহজ....
একই জিনিস নিয়ে সবাই প্রতিযোগিতা না করে, সবাই যেন ভিন্ন ভিন্ন সেক্টর ও ক্যাটাগরির সিস্টেম নিয়ে কাজ করে এবং একে অপরকে সহযোগিতা করে।

ডিফেন্স প্রযুক্তির ক্ষেত্র কতটা বড়, সেটা বুঝতে কয়েকটা ডাটা দেখলেই বোঝা যায়।

রকেট, মিসাইল, ড্রোনের পাশাপাশি স্থল (Land), আকাশ (Air) এবং সমুদ্র (Sea) মিলিয়ে আধুনিক ডিফেন্স প্রযুক্তিতে অসংখ্য ক্যাটাগরি রয়েছে।

---

১. Rocket Systems
মোট প্রধান ক্যাটাগরি.... ৩টি
মোট সাব-ক্যাটাগরি.... প্রায় ১০–১৫টি

প্রধান ক্যাটাগরি:

1. Artillery Rocket
2. Anti-Armor Rocket
3. Scientific / Sounding Rocket

---

২. Missile Systems
মোট প্রধান ক্যাটাগরি.... ৫টি
মোট সাব-ক্যাটাগরি.... ২০+

প্রধান ক্যাটাগরি:

1. Surface-to-Surface Missile
2. Surface-to-Air Missile
3. Air-to-Air Missile
4. Anti-Ship Missile
5. Anti-Tank Guided Missile

---

৩. Drone / UAV Systems
মোট প্রধান ক্যাটাগরি.... ৬টি
মোট সাব-ক্যাটাগরি.... ২৫+

প্রধান ক্যাটাগরি:

1. Combat Drone (UCAV)
2. Surveillance / ISR Drone
3. Loitering Munition
4. Civilian Drone
5. Logistics / Cargo Drone
6. Hybrid / VTOL Drone

---

৪. Land Defense Systems
মোট প্রধান ক্যাটাগরি.... ৬+

প্রধান ক্যাটাগরি:

1. Armored Vehicles (Tank, IFV, APC)
2. Artillery Systems
3. Rocket Artillery / MLRS
4. Air Defense Systems
5. Radar Systems
6. Electronic Warfare Systems

---

৫. Air Defense and Aviation Systems
মোট প্রধান ক্যাটাগরি.... ৬+

প্রধান ক্যাটাগরি:

1. Fighter Aircraft
2. Transport Aircraft
3. Attack Helicopter
4. Military UAV Systems
5. Early Warning Radar Systems
6. Air Defense Command Systems

---

৬. Naval / Sea Defense Systems
মোট প্রধান ক্যাটাগরি.... ৬+

প্রধান ক্যাটাগরি:

1. Naval Warships
2. Submarine Systems
3. Anti-Ship Missile Systems
4. Naval Drone / USV
5. Naval Radar Systems
6. Coastal Defense Systems

---

সব মিলিয়ে শুধু এই কয়েকটি সেক্টরেই রয়েছে প্রায়....

৩০+ প্রধান ক্যাটাগরি
১০০+ সাব-ক্যাটাগরি সিস্টেম

এখন বুঝা যায় এই ইন্ডাস্ট্রি কত বড়।

যদি বাংলাদেশে ১০–২০টি কোম্পানি এই সেক্টরে কাজ শুরু করে এবং সবাই একই জিনিস বানাতে শুরু করে.... যেমন সবাই একই ধরনের ড্রোন বা একই ধরনের রকেট বানায়.... তাহলে কয়েকটি সমস্যা হবে।

1. একই জিনিসে অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা
2. সময় ও গবেষণা খরচ নষ্ট
3. বাজার ছোট হওয়ায় অনেক কোম্পানি টিকে থাকতে পারবে না
4. দেশের সামগ্রিক প্রযুক্তি উন্নয়ন ধীর হয়ে যাবে

BJDRC এই সমস্যার একটি সমাধান তৈরি করার চেষ্টা করছে।

এখানে মূল ধারণা হলো....
এক কোম্পানি এক সেক্টরের নির্দিষ্ট ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করবে।

উদাহরণ:

যদি একটি কোম্পানি Loitering Munition Drone নিয়ে কাজ করে....
তাহলে অন্য কোম্পানি একই জিনিস না বানিয়ে Cargo Drone বা ISR Surveillance Drone নিয়ে কাজ করবে।

আরেক উদাহরণ:

যদি একটি কোম্পানি Short Range Rocket System তৈরি করে....
তাহলে অন্য কোম্পানি Surface-to-Air Missile, Radar System, Electronic Warfare System, বা Naval Defense System নিয়ে কাজ করতে পারে।

এভাবে সবাই ভিন্ন ভিন্ন প্রযুক্তি উন্নয়ন করবে এবং একে অপরের সহযোগী হবে।

BJDRC-এর মূল উদ্দেশ্য:

1. বাংলাদেশের ডিফেন্স প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম তৈরি করা
2. কোম্পানিগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
3. একই প্রযুক্তিতে অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা কমানো
4. গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খরচ কমানো
5. জাতীয় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি করা

শেষ কথা হলো....

ডিফেন্স প্রযুক্তি এমন একটি সেক্টর যেখানে একটি দেশের শত শত কোম্পানি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান একসাথে কাজ করে।

এই কারণেই Bangladesh Joint Defense Research Consortium (BJDRC) তৈরি করা হয়েছে....
যাতে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে সহযোগী হিসেবে কাজ করতে পারে।

প্রতিযোগিতা থাকবে.... কিন্তু তা হবে উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের জন্য.... নিজেদের ধ্বংস করার জন্য নয়।

17/03/2026

বাংলাদেশ এয়ারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (BAXRC)
৬৪ জেলায় Drone School ও Drone Pilot Training Program — শিগগিরই শুরু হচ্ছে

বাংলাদেশে ড্রোন প্রযুক্তি এখন দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে—কৃষি, সার্ভে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, মিডিয়া এবং শিল্পখাতে এর ব্যবহার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো দেশে এখনো প্রশিক্ষিত Drone Pilot এবং Drone Engineer এর বড় ঘাটতি রয়েছে।

এই বাস্তবতা মাথায় রেখে BAXRC (Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center) একটি জাতীয় উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

আমাদের লক্ষ্য হলো ধাপে ধাপে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় Drone School এবং Drone Pilot Training Program চালু করা, যেখানে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে।

এই প্রোগ্রামে থাকবে ৫টি প্রশিক্ষণ লেভেল:

Level 1 – School Level (Drone Basics)
স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য ড্রোনের মৌলিক ধারণা, নিরাপদ উড়ান, এবং প্রযুক্তির প্রাথমিক পরিচয়।

Level 2 – High School Level (Basic Pilot Training)
ড্রোন ফ্লাইট কন্ট্রোল, নিরাপত্তা নিয়ম, এবং প্রাথমিক পাইলট প্রশিক্ষণ।

Level 3 – College Level (Intermediate Drone Operations)
Mapping, survey, FPV flying এবং বাস্তব অপারেশন।

Level 4 – University Level (Drone Engineering & Advanced Operations)
Drone design, avionics, flight controller এবং system integration।

Level 5 – Professional Level (Industrial Drone Pilot)
Agriculture drone, disaster monitoring, industrial inspection এবং professional pilot certification।

আমাদের লক্ষ্য আগামী ৫ বছরের মধ্যে ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) শিক্ষার্থীকে Drone Training দেওয়া এবং বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী Drone Pilot Ecosystem তৈরি করা।

এই বড় উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য আমরা Crowdfunding campaign শুরু করার পরিকল্পনা করছি, যাতে দেশের মানুষ, প্রযুক্তি কমিউনিটি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারেন।

যারা মনে করেন বাংলাদেশে ড্রোন প্রযুক্তি, UAV গবেষণা এবং নতুন প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তোলা জরুরি, তারা এই উদ্যোগে যুক্ত হতে পারেন।

খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে:

• বিস্তারিত Project Plan
• Crowdfunding Campaign
• Drone School Registration
• Volunteer ও Partner Program

বাংলাদেশের প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ গড়তে এখনই সময়।

Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center (BAXRC)
Building the future aerospace ecosystem of Bangladesh.

17/03/2026

বাংলাদেশের “Drone Race” কে এগিয়ে থাকবে?

বর্তমান বিশ্বের সামরিক ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার একটি বড় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ড্রোন প্রযুক্তি। দীর্ঘ-পাল্লার, স্বয়ংক্রিয় ও উচ্চ সহনশীলতার ড্রোন এখন কৌশলগত সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যদি কোনো কোম্পানি ২৫০০+ কিমি রেঞ্জের সক্ষম ড্রোন সফলভাবে তৈরি করতে পারে, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানকে বর্তমান চলমান বৈশ্বিক “Drone Race”-এ বিজয়ী বলেই গণ্য করা যাবে।
তাই এখন সময় এসেছে দেশের প্রযুক্তি কোম্পানি, গবেষণা দল ও উদ্ভাবকদের জন্য...
প্রতিযোগিতা শুরু হোক।

দেখা যাক, বাংলাদেশের কোন কোম্পানি প্রথম ২৫০০+ কিমি ড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করে নতুন এক মাইলফলক স্থাপন করতে পারে।

Bangladesh Joint Defense Research Consortium-BJDRC— নতুন যাত্রা শুরুবাংলাদেশে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্ভাব...
17/03/2026

Bangladesh Joint Defense Research Consortium-BJDRC— নতুন যাত্রা শুরু
বাংলাদেশে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্ভাবনের লক্ষ্যে আমরা শুরু করছি Bangladesh Joint Defense Research Consortium (BJDRC) — একটি যৌথ প্রযুক্তি গবেষণা প্ল্যাটফর্ম, যেখানে একাধিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি কোম্পানি একসাথে কাজ করবে।

BJDRC-এর মূল লক্ষ্য হলো দেশীয়ভাবে উন্নত প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য একটি যৌথ গবেষণা ইকোসিস্টেম তৈরি করা। এই প্ল্যাটফর্মে কাজ হবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে, যেমন—

• Aerospace systems
• Autonomous drones ও UAV
• Robotics systems
• Artificial Intelligence
• Sensor ও advanced engineering technologies
Founding Member Companies:
[DhumketuX Defense]
[Roboway Technologies]
[Robodemy]
[Rroketo]
Advizo Ai

গবেষণা, সহযোগিতা এবং প্রকৌশল উদ্ভাবনের মাধ্যমে BJDRC বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতের উন্নত প্রযুক্তি উন্নয়নে অবদান রাখবে।
আগামী দিনে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন গবেষণা উদ্যোগ, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সহযোগিতার নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

Innovate | Develop | Defend
Bangladesh Joint Defense Research Consortium (BJDRC)

17/03/2026

গত বছর আমরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রকল্প ঘোষণা করেছিলাম। বিভিন্ন কারণে সেই সময় ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হওয়ায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—এই প্রকল্পগুলো আবার নতুনভাবে চালু ও এগিয়ে নেওয়া হবে।

ঘোষণা করা প্রধান প্রকল্পগুলো ছিল—

Ramjet Demonstrator Project
উচ্চগতির এয়ার-ব্রিদিং propulsion সিস্টেম নিয়ে একটি গবেষণা প্রকল্প, যেখানে ground-test ভিত্তিক ramjet demonstrator তৈরি ও পরীক্ষা করার লক্ষ্য রয়েছে।

Reusable Rocket Project
ভবিষ্যতের space access প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো reusable launch system। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো ছোট স্কেলের reusable rocket platform নিয়ে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরি করা।

Radar Research Project
RF sensing, antenna array design, signal processing এবং tracking system নিয়ে একটি hands-on গবেষণা প্রকল্প, যেখানে ওপেন-সোর্স ও একাডেমিক পদ্ধতিতে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এখন থেকে আমরা এই প্রকল্পগুলো ধাপে ধাপে আবার শুরু করবো এবং আগ্রহী শিক্ষার্থী, গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয় টিমদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।

বাংলাদেশে যদি সত্যিকারের aerospace ও advanced technology ecosystem তৈরি করতে হয়, তাহলে শুধু আলোচনা নয়—
বাস্তব গবেষণা ও প্রকল্পের মাধ্যমে এগোতে হবে।

শিগগিরই প্রতিটি প্রকল্পের roadmap, team formation এবং participation process প্রকাশ করা হবে।
যারা আগ্রহী, তারা প্রস্তুত থাকুন।

17/03/2026

বাংলাদেশ এয়ারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (BAXRC)
শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর — খুব শীঘ্রই শুরু হচ্ছে আমাদের যাত্রা

অবশেষে অপেক্ষার সময় প্রায় শেষ।

গত কিছু সময় আমরা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলাম এবং নির্বাচন শেষ হওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম, যাতে একটি স্থিতিশীল পরিবেশে আমাদের কার্যক্রম শুরু করা যায়। এখন সেই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, এবং আমরা খুব শীঘ্রই Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center (BAXRC) এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

খুব শীঘ্রই আমরা শুরু করতে যাচ্ছি আমাদের প্রথম ধাপের বিভিন্ন উদ্যোগ—যেখানে দেশের শিক্ষার্থী, তরুণ প্রকৌশলী, গবেষক এবং এয়ারোস্পেস আগ্রহীরা একসাথে কাজ করার সুযোগ পাবে।

আসছে শিগগিরই—

BAXRC-এর মূল টিম ও সমন্বয় কাঠামোর ঘোষণা

শিক্ষার্থীদের জন্য অংশগ্রহণ ও ভলান্টিয়ার প্রোগ্রাম

প্রাথমিক এয়ারোস্পেস গবেষণা ও ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট শুরু

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতা

ভবিষ্যতের International Aerospace Laboratory (IAL-Bangladesh) নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা

এটি শুধু একটি সংগঠন নয়; এটি বাংলাদেশের এয়ারোস্পেস গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নের একটি নতুন যাত্রা।

যেসব শিক্ষার্থীর স্বপ্ন রকেট, ড্রোন, স্যাটেলাইট, প্রপালশন, অ্যাভিওনিক্স, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স বা স্পেস এক্সপ্লোরেশন নিয়ে—তোমাদের জন্যই এই প্ল্যাটফর্ম।

প্রস্তুত থাকো। খুব শীঘ্রই বড় ঘোষণা আসছে।

বাংলাদেশের এয়ারোস্পেস ভবিষ্যৎ গড়তে
Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center (BAXRC)
শুরু হচ্ছে নতুন এক যাত্রা।

08/03/2026

বাংলাদেশ নামক দেশকে ভবিষ্যতে টিকে থাকতে গেলে কমপক্ষে ১ লাখের উপর লং রেঞ্জ আবার সস্তা ড্রোন মজুদ করা দরকার, যেগুলোর মিনিমাম রেঞ্জ হবে ২০০০ কিলোমিটারের বেশি। প্রতিটা বিভাগে ও জেলাতে আন্ডারগ্রাউন্ড ফ্যাসিলিটি বানানো দরকার এগুলো স্টোর করার জন্য।
অনেকেই হয়তো জানেন না, পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বাঙ্কারের দেশ হলো সুইজারল্যান্ড যাদের আছে approximately 360,000 private shelters এবং 9,000 public facilities।

তবে ইরানের মিসাইল ও ড্রোন শহর (missile cities) সম্পর্কে বেশি জানা যায় না। ইরানের এই আন্ডারগ্রাউন্ড "মিসাইল সিটি"গুলো পাহাড়ের ভেতরে ৫০০ মিটার পর্যন্ত গভীরে খোঁড়া বিশাল টানেল নেটওয়ার্ক, যেখানে হাজার হাজার ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন এবং অন্যান্য অস্ত্র স্টোর, অ্যাসেম্বল ও লঞ্চ করা হয়। ইরানের দাবি অনুযায়ী প্রতিটি প্রদেশে (৩১টি) এমন বেস আছে, পরিচিত কয়েকটি (যেমন Khorramabad, Tabriz, Kermanshah, Semnan) বিশাল স্কেলের টানেলের দৈর্ঘ্য কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত, উচ্চতা ৬-১০ মিটার এবং প্রস্থও প্রায় তাই। এগুলো ড্রোন সিটিও অন্তর্ভুক্ত করেছে, এবং ইরানের মোট মিসাইল স্টক হাজারের উপর (৩০০০+ অনুমান)।

এখন অনেকেই বলবে, দেশের সরকার তো এগুলো করবে না। আমার প্রশ্ন কেন করবে? আর কাদের জন্য করবে? জনগণের জন্য? এই দেশে জনগণ কি নিজের ভালো বুঝে?

যখন যুদ্ধ লাগবে তখন সরকার ব্যবস্থার সবাই বিদেশ পালায় যাবে, কিন্তু মারা পড়বে জনগণ। যেহেতু জনগণ মরবে, তাহলে এটার দায়ও জনগণের উপর। নিজের বাঁচার দায়িত্ব নিজে নেন। সরকার বা বিদেশের আশায় বসে না থেকে। টয়লেটের চাপ আসলে তো কারো জন্য বসে থাকেন না যে সরকার টয়লেট বানায় দিলে করবেন, না দিলে করবেন না? নিজেদের ভালোর জন্য জনগণকেই আগায় আসতে হবে, নিজেদের সুরক্ষা নিজেরাই নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের অনেকগুলো ড্রোন কোম্পানি আছে (যেমন,DhumketuX , Roboway Technologies , Avion Aerospace Group , Rododemy, ড্রোন ফ্লাই বিডি, রে-নাস গ্লোবাল, জিওটেক ইঞ্জিনিয়ারিংসহ অন্যান্য UAV/ড্রোন সার্ভে ও ম্যানুফ্যাকচারিং ফার্ম)। এদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে প্রত্যেকটা কোম্পানিকে কয়েক হাজার করে বানানোর কন্ট্রাক্ট দিলেই এটা খুব কম সময়ে করা সম্ভব।জনগণ চাইলে সরকার করতে বাধ্য হবে।

জেলায় জেলায় ড্রোন ফ্লাইন ক্লাব ও স্কুল বানান। যুবক দের ড্রোন পাইলটের ট্রেনিং দেন মিনিমাম ১ কোটি জনকে। একটা কাহিনী বলি, প্রথমবিশ্ব যুদ্ধে জার্মানি হারার পর তাদের বিমান বাহিনী সহ সব কিছুই কম বেশি নিষিদ্ধ ছিলো। তখন জার্মান রা একটা বুদ্ধি বের করছিলো তারা স্কুল কলেজ ও শহরে ফ্লাইং গ্লাইডার ক্লাব ও স্কুল বানায় সেই সাথে স্কাউট এর জন্ম দেয় যাতে লিডারশীপ তৈরি হয়। এই সব ফ্লাইং ক্লাবই পরবর্তীতে হিটলার ক্ষমতায় আসলে জার্মানির বিমানবাহিনী গঠন করে আর গ্লাইডার ক্লাব ও স্কুল থাকায় আগে থেকেই পাইলট তৈরি হয়ে থাকে। যারা পরবর্তীতে যুদ্ধে লিড দেয়। বাংলাদেশের একই করা এখন সময়ের দাবি। টাকার অভাব হলে, জনগণ সেচ্ছায় চাদা দিবে।

বাংলাদেশের জনগণের ঘাস খেয়ে হলেও অস্ত্র বানানো উচিত। অথবা কাফনের কাপড় পরে ঘুমান।

শেয়ার দিয়ে জনমত গড়ে তোলেন!

Nahiyan Al Rahman Oli

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Aerospace Exploration & Research Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share