Electrical Solution And Servies Point - - E S S P

Electrical Solution And Servies Point - - E S S P Electrical Engineering

১. সাবস্টেশনে অল্প ওজনের ব্যক্তিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকে কেন ? আলোচ্য বিষয়সমূহঃ ১.ক্যাপাসিটিভ ডিসচার্জ কারেন্ট ২. কা...
02/08/2022

১. সাবস্টেশনে অল্প ওজনের ব্যক্তিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকে কেন ?
আলোচ্য বিষয়সমূহঃ
১.ক্যাপাসিটিভ ডিসচার্জ কারেন্ট
২. কার্ডিয়াক এরেস্টের ঝুঁকি ১.৩৫০ কেজি কম ওজনের ব্যক্তিরা কি সাবস্টেশনে জব করতে পারবেনা ?

ইদানিং ফেসবুক বা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে একটি কথা ঘুরপাক খাচ্ছে যে , ৫০ কেজির কম ওজনের ব্যক্তি সাবস্টেশনে প্রবেশ করতে পারেনা কেন ? এ নিয়ে অনেকেই মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে যাচ্ছেন । কেউ কেউ বলছেন যে , ৫০ কেজি কম ওজনের ব্যক্তির উপর হাই ভোল্টেজ কর্তৃক সৃষ্ট সুবিশাল ম্যাগনেটিক ফিল্ডের আকর্ষণ বেশি বলে তাকে সহজেই টেনে নিয়ে যেতে পারে । এ ধরনের ব্যাখ্যা খুবই হাস্যকর । তাহলে এর নেপথ্যে মূল রহস্য কি ? সে নিয়েই মূলত আজকের আলোচনা ।
১.ক্যাপাসিটিভ ডিসচার্জ কারেন্ট বাস্তবিকভাবে ২০-২৫ ফুট দূর থেকে বিদ্যুৎ কখনো টেনে নিয়ে যায়না । তবে হাই ভোল্টেজের জন্য ক্যাপাসিটিভ কারেন্ট ডিসচার্জ হতে পারে । কারণ মানবদেহ মাংসল এবং ফাপা । তাই হাই ভোল্টেজে মানবদেহ ক্যাপাসিটরের ন্যায় কাজ করে ।

এবার আসা যাক মূল প্রশ্নে । আসলে ৫০ কেজির কম ব্যক্তির সাবস্টেশনে প্রবেশ অনুচিত এই নিয়মটি IEEE কর্তৃক প্রকাশ করা হয় ।
আমরা জানি , IB = k/√ts

এখানে , IB হল বড়ি কারেন্ট , k হল কনস্ট্যান্ট , আর হল ঐ ব্যক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করতে কারেন্টের যতটুকু সময় লাগে ।
আর অন্য দিকে , k = √SB

২. কার্ডিয়াক এরেস্টের ঝুঁকি এখানে SB হল shocking probability of body । এসি কারেন্ট মানবদেহের জন্য বিপদজ্জনক । এসি কারেন্ট বিপদ্দজনক হবার একটি উল্লেখযোগ্য কারণ হল , রোধের উপর এসির তেমন প্রতিক্রিয়া নেই । তাই এসি কারেন্ট মানুষ বা যেকোন প্রাণীর হৃদপিণ্ড প্রভাব বিস্তার করে কার্ডিয়াক এরেস্ট ঘটাতে পারে । এসি মানেই ছন্দময়ী কারেন্ট । অর্থাৎ কখনো পজিটিভ সাইকেল আবার কখনো নেগেটিভ সাইকেল । এই ছন্দময়তা হার্ট টিস্যু সহ্য করতে পারেনা । যার দরুণ হার্টবিট নরমালের তুলনায় অনেক বেড়ে যায় এবং হৃদপিন্ড ক্ষতিগ্রস্থ হয় । গবেষণা অনুসারে একজন , ৫০ কেজি ওজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উচ্চ ভোল্টেজে অবস্থান করলে তার ক্যাপাসিটিভ ডিসচার্জ বডি কারেন্ট ১১৬ মিলি এম্পিয়ার হয়ে থাকে আর এটি ৩ সেকেন্ডেই তার দেহে প্রভাববিস্তার শুরু করতে সক্ষম । তাই এই পরিমাণ কারেন্ট তার জন্য বেশ মরণঘাতী হতে পারে । মূলত এই কারণেই ৫০ কেজির কম ব্যক্তিদের সাবস্টেশনে প্রবেশ নিষেধ । আর এই ওজন দিয়ে মূলত প্রবেশকারী ব্যক্তিটি কি প্রাপ্তবয়স্ক কিনা তা বুঝানো হচ্ছে ।

৩. এখন অনেকের মনে ঘটকা লাগতে পারে , তাহলে ৫০ কেজি কম ওজনের ব্যক্তিরা কি সাবস্টেশনে জব করতে পারবেনা ? আমাদের দেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক ৫০ কেজির বেশি হতে পারে । তারপরেও যদি কর্মীর ওজন ৫০ এর নীচে হয় তাহলে তাকে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক সুরক্ষা নিয়েই সাবস্টেশন রেঞ্জে প্রবেশ করতে হয় ।

আবাসিক এলাকা থেকে কত দূরে বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন স্থাপন করা উচিত ? আলোচ্য বিষয়সমূহঃ ১. সাবস্টেশন ও ফাংশন ম্যানেজমেন্ট ২.সা...
02/08/2022

আবাসিক এলাকা থেকে কত দূরে বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন স্থাপন করা উচিত ?

আলোচ্য বিষয়সমূহঃ

১. সাবস্টেশন ও ফাংশন ম্যানেজমেন্ট
২.সাবস্টেশন ও আবাসিক এলাকার দূরত্ব খুব গরম পড়ছে । তাই চালু করে দিলাম সিলিং ফ্যান । কিন্তু আপনার ব্যবহৃত বিদ্যুৎ নিশ্চয়ই আপনার নিকটবর্তী কোন সাবস্টেশন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে । কিন্তু কখনো কি মাথায় এসেছে , এই সাবস্টেশন কতটা নিকটে থাকা উচিত ?

১. সাবস্টেশন ফাংশন ম্যানেজমেন্ট সাবস্টেশন নিয়ে আসলে নতুন করে কিছু বলার নেই । এর আগে বহুবার এই টপিক নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করেছি । কিন্তু আজ কিছুটা ভিন্নভাবে সাবস্টেশনকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব । কোন একটি সামাজিক ফাংশনের কথা চিন্তা করুন । কোন একটি সামাজিক ফাংশশম সেখানে বিভিন্ন লোক বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত । ফাংশন ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি থাকে , আবার সভাপতি তার অধীনস্থ কর্মীদের কাজ তদারকি বা নিয়ন্ত্রণ করছে । কেউ আবার ফাংশনের আর্থিক হিসেব নিকাশের কাজ করছে । আবার কেউ অতিথিদের তথ্য প্রেরণের কাজ সামলাচ্ছে । আবার ফাংশনের নিরাপত্তা প্রদান করছেন প্রহরী । এবার চলুন এই ফাংশনের উপমাটির সাহায্যে সাবস্টেশন সিস্টেমকে তুলনা করব । শুরু করা যাক প্রথমে বলা হয়েছে ফাংশনের ম্যানেজমেন্ট কমিটির একজন সভাপতি থাকে যিনি ফাংশনের মূল চালিকাশক্তি । তেমনিভাবে সাবস্টেশনের মূল চালিকাশক্তি হল ট্রান্সফরমার । এই ট্রান্সফরমার ভোল্টেজকে কমিয়ে সুনিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে নিয়ে আসে । সাধারণত গ্রীড এবং ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশনে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় ।
গ্রীড উপকেন্দ্রে ২৩০/১৩২ , ১৩২/৩৩ , ৪০০/২৩০ , ৪০০/১৩২ এবং ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশনে ৩৩/১১ কেভি ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয় । তারপর ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে কমিয়ে আনা ভোল্টেজকে পরিমাপ করতে ব্যবহার করা হয় পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার । আর এই ভোল্টেজের দরুণ প্রবাহিত উচ্চমাপের কারেন্ট পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয় কারেন্ট ট্রান্সফরমার । এই কারেন্ট ট্রান্সফরমার এবং পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমারকে আপনি ফাংশনের ঐ ব্যক্তিদের সাথে তুলনা করতে পারেন যারা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন হিসেব নিকাশের কাজে ব্যস্ত থাকেন । অত : পর সভাপতির অধীনস্থ যেসব কর্মীরা হুকুম পালন করছে তাদের সাবস্টেশনের বিভিন্ন সুইচিং ডিভাইসের সাথে তুলনা করা যায় যেমন রিলে , আইসোলেটর । এরপর আসা যাক , প্রহরীর কথায় । অনুষ্ঠানে যেন কোন বিঘ্ন না ঘটে সেজন্য একজন প্রহরী থাকেন যিনি পাহারা দিয়ে থাকেন । সাবস্টেশনেও একজন নৈশ প্রহরী থাকেন যার নাম সার্কিট ব্রেকার । সাবস্টেশনের কোন প্রকার ফল্ট হলেই সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সাবস্টেশনকে বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে । গ্রীড সাবস্টেশনে SF6 সার্কিট ব্রেকার এবং ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশনে ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয় । তারপর অতিথিদের আমন্ত্রণের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের আপনি সাবস্টেশনের পাওয়ার লাইন ক্যারিয়ার / SCADA সিস্টেমের সাথে তুলনা করতে পারেন ।

২. সাবস্টেশন থেকে আবাসিক এলাকার দূরত্ব কত হওয়া উচিত ?
আবাসিক এলাকা থেকে সাবস্টেশনের দূরত্ব নূন্যতম ১০০ ইয়ার্ড বা ৩০০ ফুট হওয়া দরকার । একটি সাবস্টেশন থেকে ১১ কিলোভোল্টের ফিডার লাইনগুলো ৩০০ ফুট দূরে আবাসিক এলাকার এইচ টাইপ পোলে বসানো ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারে গিয়ে প্রবেশ করে । এখন প্রশ্ন আসাই স্বাভাবিক যে , এই দূরত্ব কেন রাখা দরকার ? " সাবস্টেশন কথাটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে আছে সুবিশাল পাওয়ার কন্ট্রোল ডিভাইসসমূহ । এছাড়া উপরেও ইতোমধ্যে উল্লেখ করা হল যে , সাবস্টেশনে পাওয়ার ট্রান্সফরমার , কারেন্ট ট্রান্সফরমার , পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমারসহ বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ডিভাইস থাকে যারা ক্রমাগত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ছড়িয়ে যেতেই থাকে । আর এই ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েব মানবদেহের জন্য বেশ ক্ষতিকারক । তাই এদিক বিবেচনা করে মূলত সাবস্টেশন থেকে আবাসিক বাসাবাড়ির একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা লাগে ।

Float switch connection Diagram.
02/08/2022

Float switch connection Diagram.

আপনার কাছে 12V, 120AH battery আছে।  এখন প্রশ্ন হল এই Battery দিয়ে কতোক্ষণ আপনি আপনার load চালাতে পারবে ?তাহলে এখন আপনার...
02/08/2022

আপনার কাছে 12V, 120AH battery আছে। এখন প্রশ্ন হল এই Battery দিয়ে কতোক্ষণ আপনি আপনার load চালাতে পারবে ?
তাহলে এখন আপনার Load জানতে হবে কত ?
ধরলাম আপনার Load 200 watt.
তাহলে
Battery voltage, 12V
Battery Ampere, 120ah
Your total load,. 200w
Battery efficiency, 80%
,
Battery power = AH*V*efficiency
এখানে ইফিসিয়েন্সি সূত্রে নেই তবুও সেফটির জন্য ধরা হয়েছে।
,
Battery backup time,
= AH*V*efficiency / Load
= 120*12*.8/200w
= 5.76 hours
সুতরাং উল্লেখিত Battery দ্বারা 5.76 ঘন্টা আপনার Load নির্দ্বিধায় চালাতে পারবেন।
এই নিয়ম ফলো করে আপনারা আপনাদের কাঙ্খিত load মেজার করবেন।

15/07/2021

বৈদ্যুতিক কিছু কথা,
Power Factor (পাওয়ার ফ্যাক্টর) কি?
01. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
“পাওয়ার ফ্যাক্টর হল একটিভ পাওয়ার অর্থাৎ যে পাওয়ার আমরা ব্যবহার করতে পারি এবং এ্যপারেন্ট পাওয়ারের অনুপাত। ইহাকে cosθ দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যার মান 0 হতে 1 পর্যন্ত। পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্দেশ করে শতকরা কত ভাগ electricity আমরা প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারি। একটিভ পাওয়ার কিলোওয়াট (kW) এ পারিমাপ করা হয় এবং এ্যাপারেন্ট পাওয়ার ভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার(KVA)এ পরিমাপ করা হয়।
একটিভ পাওয়ার (kW)=VIcosθ, এ্যপারেন্ট পাওয়ার (kVA)=VI
পাওয়ার ফ্যাক্টর, cosθ =kW/kVA, এখানে θ হল কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ।
(Power Factor - P.F): ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোসাইন কোণ (Cosϴ) কে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে৷ অন্যভাবে বলা যায়- রেজিস্ট্যান্স এবং ইম্পিড্যান্স এর অনুপাত অথবা প্রকৃত শক্তি (Real Power) এবং আপাত শক্তির (Apparent Power) অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর (P.F) বলে৷
ইহার কোন একক নাই, শতকরা (%) হিসাবে প্রকাশ করা হয় ৷সঠিক পাওয়ার ফ্যাক্টর (p.f) এর মান জানা না থাকলে, হিসেব করার সময় আদর্শ মান হিসেবে পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% ধরে অর্থাৎ p.f = 0.8 (ল্যাগিং) ধরে হিসাব করা হয়৷
পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকার যথা-
• ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor)
• লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)
• ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)
02. ল্যাগিং, লিডিং এবং ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে কি বোঝায়?
লিডিং পাওয়ার: লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর হল যখন কারেন্ট ভোল্টেজ এর থেকে এগিয়ে থাকে। যেমনঃ ৯০ ডিগ্রী লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে বোঝায় কারেন্ট ভোল্টেজের সাপেক্ষে ৯০ ডিগ্রী এগিয়ে আছে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
I C E
কারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)
C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।
ল্যাগিং পাওয়ার: ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর হল যখন কারেন্ট ভোল্টেজ এর থেকে পিছিয়ে থাকে। যেমনঃ ৯০ ডিগ্রী ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে বোঝায় কারেন্ট ভোল্টেজের সাপেক্ষে ৯০ ডিগ্রী পিছিয়ে আছে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
E L I
ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)
L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।
ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর :যখন কোন সার্কিট রেজিস্টিভ সার্কিটের ন্যায় আচরন করে, তখন উক্ত সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। এ অবস্থায় কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যে কোন কৌণিক ব্যবধান থাকেনা, অর্থাৎ কারেন্ট ও ভোল্টেজ ইনফেজে থাকে।
“যদি লোড Capacitive হয় তাহলে পাওয়ার ফ্যাক্টর লিডিং হয় আর যদি লোড Inductive হয় তাহলে পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং হয়। লোড Resistive হলে পাওয়ার ফ্যাক্টর Unity হয়, অর্থাৎ 'এক'” ।
03. পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% বলতে কি বুঝ?
পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% অর্থাৎ Cosθ= ০.৮ বলতে বুঝি ১০০ kVA সাপ্লাই পাওয়ার হলে ৮০ কিলোওয়াট একটিভ পাওয়ার পাওয়া যাবে। পাওয়ার ফ্যাক্টর লোড এর উপর র্নিভর করে।
04. পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কম হলে সিস্টেমে কি অশুবিধা হয়?
কোন এসি সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর যে হারে কমতে থাকে, সার্কিট দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টের পরিমান ও সেই হারে বাড়তে আরাম্ভ করে। এতে সরবরাহ লাইনের পরিবাহী আর জেনারেটর, ট্রান্সফরমার প্রভৃতি মেশিনে উত্তাপজনিত বৈদ্যুতিক শক্তির অপচয় বহুগুণে বেড়ে যায়। কারন, কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের ফলে সেই পরিবাহী গরম হয়ে যে পরিমান তড়িৎ শক্তির অপচয় ঘটায় তাহা তড়িৎ প্রবাহের বর্গফলের সমানুপাতিক হয়।
শক্তির অপচয়ের এই বৃদ্ধিতে সরবরাহ লাইনের এবং জেনারেটর, ট্রান্সফরমার প্রভৃতি মেশিনের কর্মদক্ষতা অনেকখানি কমে যায়। তাছাড়া মেশিনগুলিও অপেক্ষাকৃত অল্প সময়ের মধ্যে কাজের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে সরবরাহকারী আর গ্রাহক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হন।
সরবরাহ লাইন দিয়ে যখন কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন লাইনে ভোল্টেজ ড্রপ হয়। লাইনের ইম্পিডেন্স কে কারেন্ট দিয়ে গুন করলে যত হয়, ভোল্টেজ ড্রপের পরিমান ঠিক তত ভোল্ট হয়। সুতারাং পাওয়ার ফ্যাক্টর কমে যাওয়ার ফলে লাইন দিয়ে যখন অপেক্ষাকৃত বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হতে থাকে, তখন স্বাভাবিক কারনেই লাইনে ভোল্টেজ ড্রপের পরিমান বৃদ্ধি পায়, আর সেই সঙ্গে লোড সার্কিটের টার্মিনাল ভোল্টেজ কমে যায়। এতে কেবল মাত্র যে, আলো গুলি কম জোরে জ্বলে বা পাখা গুলি আস্তে আস্তে ঘোরে তাই নয়, লোড সার্কিটে যে সমস্ত বৈদ্যুতিক মোটর লাগানো থাকে, সেই গুলি বিশেষ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এইসব কুফল দেখা দেয় বলেই এসি সার্কিটে পাওয়ার ফ্যাক্টরের অবনতি ঘটলে তার মান উন্নত করা একান্ত ভাবে আবশ্য ।
“পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কম হলে অনেক বেশি আয়তনের পরিবাহীর প্রয়জন হয়, লাইন লস বৃদ্ধি পাওয়ায় সিস্টেমের দক্ষতা কমে যায় , প্রাথমিক খরচ বেড়ে যায় তাই পার ইউনিট কষ্ট বেশি হয়”।
05. পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন কি এবং কিভাবে করা হয়?
পাওয়ার ফ্যাক্ট্রর Correction বলতে আমরা সহজে বুঝি কোন একটা সিস্টেমে Reactive পাওয়ার এর পরিমান কমিয়ে Active পাওয়ার এর পরিমান বাড়ানো। আমরা সাধারনত ক্যাপাসিটর ব্যাংক অথবা সিংক্রোনাস মোটর ব্যবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর Correction ও improve করে থাকি। ইন্ডাস্ট্রিতে Capacitor Bank ব্যবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর Correction করা হয়। আমরা এক যায়গায় বড় ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার না করে প্রত্যেক লোডে ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার করতে পারি। অথবা যে সব লোড লো পাওয়ার ফ্যাক্টর এর জন্য দায়ী সে সব লোড এর ব্যবহার কমিয়েও পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রভ করতে পারি।
06. এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কত? কেন?
এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান ইউনিটি বা 1 হয় ।
এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় ইন্ডাকটিভ রিয়াক্ট্যান্স (XL) এবং ক্যাপাসিটিভ রিয়াক্ট্যান্স (XC)সমান (XL = XC) হয়। এ অবস্থায় মোট ইম্পিড্যান্স Z = R+ J(XL-XC) = R হয়। তখন পাওয়ার ফ্যাক্টর, Cosθ= R/Z = R/R = 1 হয়। আবার θ = Cos-1 1 = 00 হয় অর্থাৎ রেজোন্যান্সের সময় সার্কিটের কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যে ফেজ কোন শুন্য হয় অর্থাৎ পাওয়ার ফ্যাক্টর ইউনিটি হয়।
07. অর্থনৈতিক পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে?
পাওয়ার ফ্যাক্টর যে মানে উন্নিত করলে বাৎসরিক সর্বোচ্চ সাশ্রয় হয়, উক্ত পাওয়ার ফ্যাক্টরকে সর্বোত্তম পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
08. এসি সার্কিটে পাওয়ার ফ্যাক্টর কম হলে কি ধরনের অসুবিধা হতে পারে??
উত্তরঃ আমরা জানি, P = VICosθ অনুযায়ী সার্কিটে সংযুক্ত লোডে সব সময় সমান পাওয়ার গ্রহন করে। তাই পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কম হলে লোড বা মেশিনের কারেন্টের মান বেশি হবে, ফলে নিচের অসুবিধাগুলো দেখা দিবে-
১। কপার লস বেশি হবে
২। দক্ষতা হ্রাস পাবে
৩। মেশিনের সাইজ বেড়ে যাবে
৪। লোড অতিরিক্ত গরম হবে (এমনকি পুড়েও যেতে পারে)
৫। ভোল্টেজ রেগুলেশন দুর্বল হবে
09. ভোল্ট (V)
ভোল্ট হল ইলেকট্রিক পটেনশিয়াল (বিদ্যুৎ বিভব) বা ইলেক্ট্রোমোটিভ ফোর্স
(তড়িৎচালক বল) মাপার আন্তর্জাতিক একক।
১ অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎপ্রবাহ (কারেন্ট) যখন ১ ওহম প্রতিরোধের (রেজিসট্যান্স) মধ্য দিয়ে যায় তখন
১ ভোল্ট তড়িৎচালক বল তৈরি হয়।
09. ওয়াট (বিদ্যুৎ)
ক্ষমতার (পাওয়ার) বৈদ্যুতিক ইউনিট। ১ ভোল্ট চাপের মধ্য দিয়ে ১ অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হলে যে শক্তি স্থানাতরিত হয়।
10. ওয়াট(তাপ)
মেট্রিক সিস্টেমে ক্ষমতার (পাওয়ার) ইউনিট। ১ সেকেন্ডে ১ জুল শক্তির হারে যে কাজ হয় তার সমান।
11. ওয়াটআওয়ার (Wh)
বৈদ্যুতিক শক্তি মাপার একক। একটি ইলেকট্রিক সার্কিট থেকে ১ ঘণ্টা ধরে ১ ওয়াট পাওয়ার নিলে বা ওই সার্কিটে ১ ঘণ্টা ধরে ১ ওয়াট পাওয়ার সরবরাহ করলে যে শক্তি যায় তাই হল ১ ওয়াটআওয়ার।
12. ভোল্টেজ কি বা ভোল্টেজ কাকে বলে?
ভোল্টেজ (Voltage): কোন পরিবাহীর অভ্যন্তরে থাকা ইলেকট্রন সমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন হয় তাকে বিদ্যুৎ চালক বল বা ভোল্টেজ বলে। ভোল্টেজ এর প্রতীক চিহ্ন হলো V এবং এর একক হলো Volt (ভোল্ট)।
13. ভোল্টেজ কিভাবে মাপে?
ভোল্টেজ মাপবার যন্ত্রের নাম ভোল্ট মিটার। এই ভোল্ট মিটারের টেস্ট প্রোব দুটি কে বিদ্যুতের উৎসের দুই প্রান্তে সংযুক্ত করে ভোল্টেজ পরিমাপ করতে হয়।
এছাড়াও আরো ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ভোল্টেজ পরিমাপ করা সম্ভব। যেমন সার্কিট এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন পার্টস ঠিকমত ভোল্টেজ পাচ্ছে কিনা প্রভৃতি। রিপেয়ারিং কাজের ক্ষেত্রে সার্কিট এর বিভিন্ন পার্টসের এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশের ভোল্ট মেপে ত্রুটি নির্ণয় করা হয়।
14. কারেন্ট কি বা কারেন্ট কাকে বলে?
কারেন্ট (Current): পরিবাহীর মধ্যকার ইলেকট্রন সমূহ নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকে কারেন্ট বলে। অর্থাৎ পরিবাহীর মধ্যে ইলেকট্রনের প্রবাহই ইলেকট্রিক কারেন্ট। কারেন্টের প্রতীক চিহ্ন – I. একক Ampere (A)
15. কারেন্ট কত প্রকার?
কারেন্ট কে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায় যথা-
এসিবা অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC – Alternating Current)
ডিসিবা ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC – Direct Current)
এডি কারেন্ট(Eddy Current)
16. অ্যাম্পিয়ার/এম্পিয়ার কি?
এম্পিয়ার (Ampere): কোন পরিবাহীর যে কোন অংশের মধ্য দিয়ে এক কুলম্ব চার্জ এক সেকেন্ড সময় ধরে প্রবাহিত হলে উক্ত পরিমান চার্জকে ১ অ্যাম্পিয়ার/এম্পিয়ার বলে।
কারো কারো এখানে জটিল লাগতে পারে যে কারেন্ট ও এম্পিয়ার আলাদা ভাবে কেন সংজ্ঞায়িত করা হলো? এর উত্তর হচ্ছে কারেন্টের পরিমাপ করা হয় এম্পিয়ার দ্বারা।
174. এম্পিয়ার/কারেন্ট কিভাবে মাপে?
এম্পিয়ার মাপবার মিটার কে এমিটার (Ammeter) বা এম্পিয়ার মিটার বলে। এম্পিয়ার/অ্যাম্পিয়ার মাপবার জন্য এমিটার কে লোডের সিরিজে সংযুক্ত করতে হয়।
অজ্ঞাত লোডের এম্পিয়ার মাপতে এম্পিয়ার মিটার কে সিরিজে সংযুক্ত করতে হয়
এখানে উল্লেখ্য সরাসরি ব্যাটারির এম্পিয়ার মাপা সম্ভব নয় এ ধরণের মাল্টিমিটার বা এম্পিয়ার মিটার দ্বারা।
18. ওয়াট কি?
ওয়াট (Watt): সহজ ভাবে বললে ক্ষমতার একক হচ্ছে ওয়াট। আমরা জানি যে কোন যন্ত্র তা ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক কিংবা ম্যাকানিকাল হোক না কেন চলবার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। তেমনি ভাবে কোন যন্ত্র/লোড নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু শক্তি খরচ করে কোন কাজ সম্পূর্ণ করতে পারে সে হিসাব কেই ওয়াট বলে।
19. ওয়াট কিভাবে নির্ণয় করে?
ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী DC এর ক্ষেত্রে–
P = V×I = I2×R = V2÷R
অর্থাৎ,
P = V×Iঅথবা
P = I×Rঅথবা
P = V2/R
এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়।
ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী AC এর ক্ষেত্রে–
P = V×I×P.F = I2×R×P.F = (V2×P.F)÷R
অর্থাৎ,
P = V×I×P.Fঅথবা
P = I2×R×P.Fঅথবা
P = (V2×P.F)÷R
এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়।
এখানে,
P = Power যার একক হলো Watt
I = Current যার একক হলো Ampere
V = Voltage যার একক হলো Volt
R = Resistance যার একক হলো Ohms
PF = Power Factor, ফেজ এঙ্গেল এর মান (Cosϴ)
20. ওয়াট কিভাবে মাপে?
ওয়াট মাপবার জন্য ওয়াট মিটার ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও
21. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
পাওয়ার ফ্যাক্টর (Power Factor – P.F): ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোসাইন কোণ (Cosϴ) কে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে৷ অন্যভাবে বলা যায়- রেজিস্ট্যান্স এবং ইম্পিড্যান্স এর অনুপাত অথবা প্রকৃত শক্তি (Real Power) এবং আপাত শক্তির (Apparent Power) অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর (P.F)বলে৷
এসি লাইনে ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তি কোসাইন (Cosϴ) কোণ কে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
ইহার কোন একক নাই, শতকরা (%) হিসাবে প্রকাশ করা হয় ৷
সঠিক পাওয়ার ফ্যাক্টর (p.f) এর মান জানা না থাকলে, হিসেব করার সময় আদর্শ মান হিসেবে পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% ধরে অর্থাৎ p.f = 0.8 (ল্যাগিং) ধরে হিসাব করা হয়৷
পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকার যথা-
ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor)
লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)
ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)

14/07/2021

প্রশ্ন ও উত্তর গুলাে জানা খুব জরুরী ! প্রশ্ন- ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা বেশি হয়ে থাকে কেন ? উত্তরঃ ট্রান্সফরমার একটি স্ট্যাটিক ডিভাইস অর্থাৎ স্থির যন্ত্র । এতে কোন ঘূর্ণায়মান অংশ নেই , ফলে ঘর্ষণজনিত কোন ক্ষয় বা লস এতে নেই । অন্যান্য ঘূর্ণায়মান যন্ত্রের তুলনায় ট্রান্সফরমারে লস অনেক কম । তাই ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা সবচাইতে বেশি । ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা ৯৫ % -৯৮ % পর্যন্ত হয়ে থাকে । প্রশ্ন- . ট্রান্সফরমারের রেটিং KW এ না লিখে kVA লেখা হয়ে থাকে কেন ? উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের মােট লস = কোর লস + কপার লস । কোর লস নির্ভর করে ভােল্টেজ এর উপর এবং কপার লস নির্ভর করে কারেন্টের উপর , কিন্তু ট্রান্সফরমারের মােট লস কারেন্ট ও ভােল্টেজের মধ্যবর্তী ফেজ কোণের উপর নির্ভর করেনা । kW এর সাথে পাওয়ার ফ্যাক্টর বা কারেন্ট ও ভােল্টেজের মধ্যবর্তী ফেজ এঙ্গেল জড়িত কিন্ত kVA এর সাথে পাওয়ার ফ্যাক্টর থাকেনা । এজন্য ট্রান্সফরমারের রেটিং kW এ না লিখে kVA লেখা হয়ে থাকে । প্রশ্ন- ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং কাকে বলে ? ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং করার শর্ত কি কি ? উত্তরঃ অনেক সময় ৩ ফেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার না করে তিনটি ১ ফেজ ট্রান্সফরমার এর সাহায্যে ৩ ফেজ সাপ্লাই দেয়া হয় , এই ব্যবস্থাকে ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং বলে । ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং করার শর্তঃ ১ ) প্রতিটি ট্রান্সফরমার এর kVA রেটিং একই হতে হবে । ২ ) প্রতিটি ট্রান্সফরমার এর ভােল্টেজ রেটিং একই হতে হবে । ৩ ) সঠিক পােলারিটি অনুযায়ী সংযােগ দিতে হবে । প্রশ্ন- অটো ট্রান্সফরমার সম্পর্কে লেখ । এর ব্যবহার লিখ । উত্তরঃ অটো ট্রান্সফরমার এমন এক ব্যাতিক্রমি ট্রান্সফরমার যার মধ্যে কেবল একটি ওয়াইন্ডিং থাকে । ইহার কিছু অংশ প্রাইমারি আর কিছু অংশ সেকেন্ডারি , উভয় কয়েল ইলেকট্রিক্যাল ও ম্যাগনেটিক্যালি সংযুক্ত থাকে । তারপরও একে ট্রান্সফরমার বলা হয় , কারণ ইহার কার্যপ্রণালী দুই ওয়াইন্ডিং ট্রান্সফরমার এর মতই । এর ব্যবহারঃ ১ ) ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ভােল্টেজ ঘাটতি পুরনে ইহা ব্যবহার করা হয় । ২ ) ৩ - ফেজ ইন্ডাকশন মােটর চালু করার কাজে ব্যবহার হয় । ৩ ) রাজপথ আলােকিত করার কাজে ইহা ব্যবহার হয় । ৪ ) রেডিও ইলেক্রনিক্সে ইহা ব্যবহার করা হয় । প্রশ্নঃ সাবস্টেশন কি ? উওরঃ সাবস্টেশন হচ্ছে পাওয়ার সিস্টেমের একটি অংশ যা বিদ্যুৎ উৎপাদন , পরিবহণ , সঞ্চালন , বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ।প্রশ্নঃ ১১ কেভি সাবস্টেশনের কি কি ইকুপমেন্ট থাকে ? ট্রান্সফরমার 0 LT সুইচগিয়ার O HT সুইচগিয়ার 0 PFI ATT প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কি ? উওরঃ সুইচগিয়ার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি , যা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং , কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করে থাকে । ( রিলে , সার্কিট ব্রেকার , ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ইত্যাদি ) প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কত প্রকার ? O IT সুইচগিয়ার O HT সুইচগিয়ার প্রশ্নঃ IT & HT সুইচগিয়ার বলতে কি বুঝ ? উওরঃ LT সুইচগিয়ারঃ সাবস্টেশনের লাে - সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং , কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে IT সুইচগিয়ার বলে । উওরঃ HT সুইচগিয়ারঃ সাবস্টেশনের হাই - সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং , কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে HT সুইচগিয়ার বলে । প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার LT & HT ব্যবহার করা হয় ? উওরঃ LT সুইচগিয়ারঃ MCB , McCB , ACB সার্কিট ব্রেকার HT ' সুইচগিয়ারঃ VCB সার্কিট ব্রেকার প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কি ? উওরঃ সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস , যা দ্বারা বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সাপ্লাই এর সাথে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা যায় । তবে সার্কিট ব্রেকারের সবচেয়ে বড় কাজ হল , যখন অতিরিক্ত কারেন্ট বা ত্রুটিপুর্ন কারেন্ট লাইনে প্রবাহিত হয় , তা থেকে সার্কিটকে অটোমেটিক রক্ষা করা । প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার সাবস্টেশনে ব্যবহার করা হয় ? উওরঃ MCB , McCB , ACB সার্কিট ব্রেকার , VCB সার্কিট ব্রেকার । প্রশ্নঃ IT & HT সাইডের মেইন কাজ কি ? উওরঃ HT ' সুইচগিয়ার মূলত ট্রান্সফরমার কে সাট - ডাউন করানাে LT সুইচগিয়ার মূলত লােড কে কন্ট্রোল করে অথবা রক্ষা করে । প্রশ্নঃ PFI কি ? পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট যা পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট করে । প্রশ ০ কেন DEL ব্যবহার করা )প্রশ্নঃ কেন PFI ব্যবহার করা হয় ? উওরঃ কারন আমাদের ট্রান্সমিশন লাইনে ভােল্টেজ এবং কারেন্ট এর কারনে একটি এঙ্গেল সৃস্টি হয় যা লস হিসাবে ধরা হয়।এই লস কে কমানাের জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট ব্যবহার করা হয় । প্রশ্নঃ PFI রেটিং কিভাবে নিতে হয় ? উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৬০ % হিসাবে নিতে হয় । প্রশ্নঃ PFI স্টেপ কি এবং কিভাবে স্টপ সিলেকশন করতে হয় ? উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ১০০ কেভি থেকে ২৫০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ৬ স্টেপের ১ টা ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ৩১৫ কেভি থেকে ২০০০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ১ টা ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ২৫০০ কেভি থেকে ৪০০০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ২ টা প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে কিভাবে লােড বের করতে হয় ? উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৮০ % হিসাবে নিতে হয় । প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে IT & HT সাইড কোন অংশ কে বলে ? প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে LT & HT সাইড কোন অংশ কে বলে ? উওরঃ ৩৩ কেভি থেকে ১১ কেভি পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় HT সাইড এবং ১১ কেভি থেকে ০.৪ কেভি ( ৪০০ ভােল্ট ) পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় LT সাইড । প্রশ্নঃ জেনারেশন পাওয়ার এবং ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারের রেটিং দেখাও ? উওরঃ জেনারেশন পাওয়ারঃ ১১ কেভি , ৩৩ কেভি , ১ ৩২ কেভি , ২৩০ কেভি , ৪০০ কেভি ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারঃ ৪০০ কেভি , ২৩০ কেভি , ১৩২ কেভি , ৩৩ কেভি , ১১ কেভি । প্রশ্নঃ কেন ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ৪০০০ কেভির বেশি ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না ? উওরঃ কারন ৪০০০ কেভি উপরের ট্রান্সফরমারের জন্য সার্কিট ব্রেকার নেই তাই ব্যবহার করা হয় না ।

07/07/2021

1) ট্রান্সফরমার কি এবং কিভাবে কাজ করে?
ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রিক্যাল যন্ত্র যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুতকে (Alternating current) এক ভোল্টেজ থেকে অন্য ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। ট্রান্সফরমার ‘উচ্চ-ধাপী’ (স্টেপ আপ) অথবা ‘নিম্ন-ধাপী’(স্টেপ ডাউন) দুই ধরনের হয়ে থাকে এবং এটি ম্যাগনেটিক ইণ্ডাকশন (Magnetic induction) নীতি অনুসারে কাজ করে। ট্রান্সফরমারে কোন চলমান/ঘূর্ণায়মান অংশ থাকে না, এটি সম্পূর্ণ স্থির ডিভাইস। এটির গঠন খুবই সাধারন, দুই বা ততোধিক অন্তরীত তামার তার একটি অন্তরীত ইস্পাতের অথবা লোহার কোরের (laminated steel/Iron core) গায়ে প্যাঁচানো থাকে। ট্রান্সফরমারে দুটি উইন্ডিং থাকে, প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিং । প্রাইমারি উইন্ডিয়ে ভোল্টেজ প্রদান করলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় এবং ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স আইরন কোরের মধ্য দিয়ে সেকেন্ডারি উইন্ডিয়ে যায় এবং সেখানে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয়। যার ফলশ্রুতিতে সেকেন্ডারি কয়েলে ভোল্টেজ পাওয়া যায়। ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ পরিবর্তনের হার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচ সংখ্যার হারের উপর নির্ভর করে।

2) ট্যাপ (Tap) কি এবং কখন ব্যাবহার করা হয়?

উচ্চ বা নিম্ন ভোল্টেজ অবস্থার সংশোধন করতে এবং সেকেন্ডারি টার্মিনালে নির্ধারিত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে, উচ্চ ভোল্টেজের কিছু ট্রান্সফরমারে ট্যাপ(Tap) প্রদান করা হয়। উচ্চ অথবা নিম্ন ভোল্টেজ, উভয় অবস্থায় সাধারণত দুই এবং একের অর্ধেক এবং নির্ধারিত প্রাইমারি ভোল্টেজ থেকে পাঁচ শতাংশ উপরে অথবা নিচে বিবেচনা করে ট্যাপ সেট করা হয়। উদাহরণস্বরূপঃ যদি কোন ট্রান্সফরমারের প্রাইমারিতে নির্ধারিত ভোল্টেজ ৪৮০ভোল্ট হয় এবং এটি লাইন ভোল্টেজ ৫০৪ ভোল্টে চলে তাহলে প্রাইমারিতে ট্যাপ স্বাভাবিকের থেকে ৫% উপরে দিতে হবে যাতে করে সেকেন্ডারিতে সঠিক ভোল্টেজ রেটিং বজায় রাখা যায়।

3)Insultaing, Isolating এবং Shielded Winding ট্রান্সফরমারের মধ্যে পার্থক্য কি?

ইনস্যুলেটিং (Insultaing) এবং আইসোলেটিং (Isolating) ট্রান্সফরমার একই। মূলত ট্রান্সফরমারের প্রাইমারী এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিয়ের বিচ্ছিন্নতার (Isolation) অথবা দুটির অন্তরকের (Insultaing) বর্ণনার উদ্দেশ্যে এই শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়। Shielded Winding ট্রান্সফরমার ডিজাইন করা হয় প্রাইমারী এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিং-এর মাঝে metallic shield (ধাতব ঢাল) দেয়া থাকে, যাতে করে এর নয়েজ হ্রাস পায়। সব দুই, তিন এবং চার উইন্ডিং বিশিষ্ট ট্রান্সফরমার ইনস্যুলেটিং বা আইসোলেটিং ধরনের হয়ে থাকে। শুধু অটো-ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিং একে অপরের সাথে ইলেক্ট্রিক্যালি যুক্ত থাকে, এতে কোন ইনস্যুলেটর বা আইসোলেটর থাকে না।

4) একটি ট্রান্সফরমারের নেমপ্লেটে প্রদত্ত ভোল্টেজ ব্যতীত অন্য কোন ভোল্টেজে কি ট্রান্সফরমার চালানো যেতে পারে?

কিছু কিছু ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমার নেমপ্লেটে প্রদত্ত ভোল্টেজ অপেক্ষা কম ভোল্টেজে চালান যেতে পারে। যদি ট্যাপ প্রদান করা না হয়ে থাকে তাহলে ট্রান্সফরমার নেমপ্লেটে প্রদত্ত ভোল্টেজ অপেক্ষা বেশি ভোল্টেজে চালান উচিত নয়। যদি নির্ধারিত ভোল্টেজ অপেক্ষা কম ভোল্টেজে ট্রান্সফরমার চালান হয়, তাহলে এর KVA রেটিংও ক্রমান্বয়ে কমে যাবে। উদাহরণস্বরূপঃ যদি কোন ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ভোল্টেজ ৪৮০ ভোল্ট ও সেকেন্ডারি ভোল্টেজ ২৪০ ভোল্ট হয়ে থাকে এবং এটি যদি ২৪০ ভোল্টে অপারেট করা হয় তাহলে সেকেন্ডারি ভোল্টেজ হ্রাস পেয়ে হবে ১২০ ভোল্ট। যদি ট্রান্সফরমারটির রেটিং ১০KVA হয়ে থাকে তাহলে সেটি হয়ে যাবে ৫ KVA অথবা প্রদত্ত ভোল্টেজের সমানুপাতিক হবে।

5) ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা বেশি হয়ে থাকে কেন?

ট্রান্সফরমার একটি স্ট্যাটিক ডিভাইস অর্থাৎ স্থির যন্ত্র। এতে কোন ঘূর্ণায়মান অংশ নেই, ফলে ঘর্ষণজনিত কোন ক্ষয় এতে নেই। অন্যান্য ঘূর্ণায়মান যন্ত্রের তুলনায় ট্রান্সফরমারে লস অনেক কম। তাই ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা সবচাইতে বেশি। ট্রান্সফরমারের কর্মদক্ষতা ৯৫%-৯৮% পর্যন্ত হয়ে থাকে।

6) ট্রান্সফরমার কি সমান্তরালে(parallel) সংযোগ দেয়া যেতে পারে?

সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার সমান্তরালে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে তাদের ইম্পিড্যান্স এবং ভোল্টেজ সমান হতে হবে। যদি দুটি ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ সমান না হয়, তাহলে দুটি ট্রান্সফরমারের ক্লোজ নেটওয়ার্কে থাকা সার্কুলেটিং কারেন্টের কারনে মাত্রাতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হবে এবং ট্রান্সফরমারের জীবদ্দশা হ্রাস পাবে। এছাড়াও প্রত্যেক ট্রান্সফরমারের ইম্পিড্যান্স অবশ্যই ৭.৫% এর মধ্যে থাকতে হবে। উদাহরণস্বরূপঃ যদি ট্রান্সফরমার ‘A’-এর ইম্পিড্যান্স ৪% হয়ে থাকে এবং ট্রান্সফরমার ‘B’-কে সমান্তরালে সংযোগ দিতে B-এর ইম্পিড্যান্স ৩.৫% অথবা ৪% এর মধ্যে থাকতে হবে। থ্রি ফেজ ট্রান্সফরমার সমান্তরাল সংযোগের ক্ষেত্রে একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

7) ট্রান্সফরমারের কোরের লেমিনেশন/ইনসুলেশন কতটুকু পুরু হয়ে থাকে?

উত্তরঃ আসলে এই লেমিনেশন স্বাভাবিক ভাবে ০.৪মিমি থেকে ০.৫ মিমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে পাওয়ার লাইনে ব্যবহৃত অনেক ট্রান্সফরমারের লেমিনেশনের পুরুত্ব অনেক কম হয় (০.২ মিমি)।

8))একটি ট্রান্সফরমার কয়েল এর তার গুলো কি মানের হতে হবে?

উত্তরঃ একটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারী এমং সেকেন্ডারী কয়েল অনেক ভাল মানের অরিজিনাল কপার তার দিতে তৈরি করতে হবে।তাছাড়া এটার মধ্যে দিয়ে অতিরিক্ত রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়,ফলে ভোল্টেজ ড্রপ বেশি হয়,লসের পরিমাণ বেড়ে যায়।

প্রশ্নঃ অন লোড আর নো লোড কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের আউটপুটে যখন কোন লোড লাগানো থাকে না তখন তাকে বলে “নো লোড কন্ডিশন”। আর যদি আউটপুটে লোড বিদ্যমান থাকে তাহলে তাকে বলা হয় “লোডেড কন্ডিশন”।

09) টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফরমার কি?

উত্তরঃ এখন আমরা আলোচনা করবো নতুন দের বিশেস সেনসেশন টরোয়েড ট্রান্সফরমার নিয়ে। এই টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফরমার (Toroid transformer) মূলত একই নীতিতে কাজ করে থাকে। এর প্রকৃত নাম টরোয়ডাল বা টরওয়ডাল ট্রান্সফরমার। এর গোল বা রিং আকৃতির জন্য এই নাম দেয়া হয়েছে। ইংরেজি টরাস (Torus) শব্দের অর্থ গোলাকার রিং বিশেষ। আর এই টরাস শব্দটি থকেই টরোয়েড শব্দটি এসেছে।

10)ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (a) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(b) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(c) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে।
(d) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।

11) সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।

12) ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।

14) ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমে বাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতে বাহির হয়ে যায়।

15) বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারেরট্যাংক ও কনজার্ভেটরের সংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরে ত্রুটি দেখা দিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।

16) গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।

17) জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।

18) ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটা তারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষ কমানোর জন্য।

19) সি.বি কি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণ লাইনকে আপনা
আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।

20) এ.সি কে ডি.সি এবং ডি.সি কে এ.সি কি ভাবে
করা হয় ?
উ : এ.সি কে ডি.সি করা হয় রেকটিফায়ার ও
রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং ডি.সি কে এ.সি
করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

21)ট্রান্সফরমারের কোরের লেমিনেশন/ইনসুলেশন কতটুকু পুরু হয়ে থাকে?
আসলে এই লেমিনেশন স্বাভাবিক ভাবে ০.৪মিমি থেকে ০.৫ মিমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে পাওয়ার লাইনে ব্যবহৃত অনেক ট্রান্সফরমারের লেমিনেশনের পুরুত্ব অনেক কম হয় (০.২ মিমি)।
22) একটি ট্রান্সফরমার কয়েল এর তার গুলো কি মানের হতে হবে

উত্তরঃ একটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারী এমং সেকেন্ডারী কয়েল অনেক ভাল মানের অরিজিনাল কপার তার দিতে তৈরি করতে হবে।তাছাড়া এটার মধ্যে দিয়ে অতিরিক্ত রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়,ফলে ভোল্টেজ ড্রপ বেশি হয়,লসের পরিমাণ বেড়ে যায়।

23) অন লোড আর নো লোড কি?

উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের আউটপুটে যখন কোন লোড লাগানো থাকে না তখন তাকে বলে “নো লোড কন্ডিশন”। আর যদি আউটপুটে লোড বিদ্যমান থাকে তাহলে তাকে বলা হয় “লোডেড কন্ডিশন”।

24) টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফরমার কি?

উত্তরঃ এখন আমরা আলোচনা করবো নতুন দের বিশেস সেনসেশন টরোয়েড ট্রান্সফরমার নিয়ে। এই টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফরমার (Toroid transformer) মূলত একই নীতিতে কাজ করে থাকে। এর প্রকৃত নাম টরোয়ডাল বা টরওয়ডাল ট্রান্সফরমার। এর গোল বা রিং আকৃতির জন্য এই নাম দেয়া হয়েছে। ইংরেজি টরাস (Torus) শব্দের অর্থ গোলাকার রিং বিশেষ। আর এই টরাস শব্দটি থকেই টরোয়েড শব্দটি এসেছে।

25) ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি
মজবুত ভাবে না করা থাকে, লুজ কানেকশন থাকে
তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক
প্রকার আওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।

26)ট্রান্সফরমার রেটিং 50/75MVA বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ প্রাকৃতিক কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করেই ট্রান্সফরমার 50MVA লোড বহন করতে সক্ষম। কিন্তু কৃত্রিম কুলিং (এয়ার প্রেসার) ব্যবহার করে ট্রান্সফরমারের ক্ষমতা 75MVA পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে।

27) ট্রান্সফর্মারের রেটিং অনুযায়ী কত পার্সেন্ট লোডে চালানো হয়?
উত্তরঃ বাংলাদেশে সাধারনত রেটেড পাওয়ারের ৮০-৯০% লোডে ট্রান্সফরমারকে চালানো হয়।

28) ONAN ও ONAF কি...?
উত্তরঃ ট্রান্সফর্মার কুলিং সিস্টেমের নাম। যদি কুলিং ফ্যানের মাধ্যমে বাতাসের চাপ দিয়ে ট্রান্সফরমার তেলকে ঠান্ডা রাখা হয়, তবে তাকে Oil Natural Air Force (ONAF) Cooling বলে। ফ্যান না চালিয়ে শুধুমাত্র ট্রান্সফরমার তেলের মাধ্যমেই ঠান্ডা রাখলে, তাকে Oil Natural Air Natural (ONAN) Cooling বলে। সাধারনত লোড কম থাকলে কুলিং ফ্যান চালানো হয় না, লোড বাড়লে চালাতে হয়। তাই একই ট্রান্সফরমার ONAN এবং ONAF, দুই মোডেই চালানো হয়।

29) ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ
রেগুলেশন কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের নো-লোড হতে ফুল
লোড ভোল্টেজের পার্থক্যকে ফুল লোড
ভোল্টেজ দ্বারা ভাগ করে একে শতকরা
হিসাবে প্রকাশ করাকেই ভোল্টেজ
রেগুলেশন বলে।
ভোল্টেজ রেগুলেশন, %VR = V – V /V x100

ভোল্টেজ রেগুলেশন এর মান যত কম হয় ততই
ভালো। ভোল্টেজ রেগুলেশন লোডের ধরনের
উপর নির্ভরশীল, যেমন- রেজিস্টিভ লোড
(হিটার, ইলেক্ট্রিক আয়রন, ল্যাম্প – ইউনিটি
পাওয়ার ফ্যাক্টর
ইন্ডাকটিভ লোড ( ইন্ডাকশন মোটর, চোক
কয়েল, ট্রান্সফরমার – ল্যাগিং পাওয়ার
ফ্যাক্টর)
ক্যাপাসিটিভ লোড ( ক্যাপাসিটর
সিনক্রোনাস কন্ডেনসার – লিডিং পাওয়ার
ফ্যাক্টর)

30) ট্রান্সফরমারে কোন ধরনের
লোডে ভোল্টেজ রেগুলেশনের মান
নেগেটিভ হয় এবং কেন?

উত্তরঃ ক্যাপাসিটিভ লোডের ক্ষেত্রে
ভোল্টেজ রেগুলেশনের মান নেগেটিভ হয়।
কারন এক্ষেত্রে কারেন্ট ভোল্টেজের ৯০৹
আগে থাকে।

31) ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারের
প্রাইমারিতে ডেল্টা ও সেকেন্ডারিতে
স্টার সংযোগ থাকে কেন?
উত্তরঃ প্রাইমারি হাই সাইড থেকে
সেকেন্ডারি লো সাইডে গ্রাহকদের সরবরাহ
দেয়া হয়। এক্ষেত্রে ডেল্টা/স্টার সংযোগ
উপযোগী কারন, তিন ফেজ চার তার ব্যবস্থা
একমাত্র স্টার সংযোগে পাওয়া যায়। তাহলে
গ্রাহকদের প্রয়োজনে তিন ফেজ ও সিঙ্গেল
ফেজ উভয় সরবরাহ দেয়া যাবে।

32) ট্রান্সফরমারের দক্ষতা কাকে
বলে? সর্বোচ্চ দক্ষতার শর্ত কি?

উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের আউটপুট ও ইনপুট
পাওয়ারের অনুপাতকেই দক্ষতা বলে। কোন
ঘূর্ণন অংশ না থাকায় অন্যান্য সকল
ইলেকট্রিক্যাল মেশিনের চেয়ে
ট্রান্সফরমারের দক্ষতা অনেক বেশি প্রায়
৯৫% থেকে ৯৯% পর্যন্ত।
কোর লস = কপার লস হলে সরবচ্চ দক্ষতা হয়।

33) ট্রান্সফরমারে অয়েল (তৈল) এর
কাজ কি? অয়েল এর ফ্লাশ পয়েন্ট ও
ফায়ার পয়েন্ট বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারকে ঠাণ্ডা রাখা ও
ইন্সুলেশন হিসাবে কাজ করে ট্রান্সফরমার
অয়েল।
যে তাপমাত্রায় তৈলের বাস্পে আগুন ধরে
যায় তাকে ফ্লাশ পয়েন্ট (এই তাপমাত্রা
১৬০ C এর নিচে হওয়া ঠিক নয়) আর যে
তাপমাত্রায় ট্রান্সফরমারের তৈলে আগুন
ধরে যায় তাকে ফায়ার পয়েন্ট (এই
তাপমাত্রা ২০০ C এর নিচে হওয়া ঠিক নয়
বলে।

34) ট্রান্সফরমারের স্লাজিং কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের তৈল বাতাসের
সংস্পর্শে এসে এলে অক্সিজেনের সাথে
বিক্রিয়া করে তেলের অনু ভেঙ্গে গাঁদ বা
তলানি সৃষ্টি হয়, একে ট্রান্সফরমারের
স্লাজিং বলে।

35) পোলারিটি না জেনে ট্রান্সফরমারের প্যারালেল অপারেশন করা হলে কি কি সমস্যা হবে?
যখন ৩ ফেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার না করে ৩টা ১ ফেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করার মাধ্যমে ৩ ফেজ সাপ্লায় দেয়া হয় তাকে ট্রান্সফরমারের ব্যাংকিং পদ্ধতি বলা হয় । অর্থাৎ ১ ফেজ ট্রান্সফরমারের সাহায্যে ৩ ফেজ সাপ্লায় বাবস্থাকে ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং বলে ।

36) ট্রান্সফরমারের ব্যাংকিং করার শর্ত কি কি?

১। সংযোগ দেয়া প্রত্যেকটা ট্রান্সফরমারের Kva রেটিং অবশ্যই এক থাকতে হবে ।
২। ট্রান্সফরমার তিনটার ভোল্টেজ রেটিং সমান হতে হবে ।
৩। ট্রান্সফরমারগুলো সঠিক পোলারিটি মতো সংযোগ করতে হবে ।

37) ট্রান্সফরমারের ব্যাংকিং কতো প্রকার এবং কি কি ?
ট্রান্সফরমারের ব্যাংকিং সাধারনত ছয় প্রকার হয়ে থাকে, সেগুলো হলো:
১। ডেল্টা – ডেল্টা কানেকশন ।
২। স্টার – স্টার কানেকশন
৩। স্টার – ডেল্টা কানেকশন
৪। ডেল্টা – স্টার কানেকশন
৫। (V-V) অথবা ওপেন ডেল্টা কানেকশন ।
৬। T – T কানেকশন ।

38) আইডিয়াল ট্রান্সফরমার কাকে বলে ?
যে ট্রান্সফরমারের কোন প্রকার পাওয়ার লস নেই তাকে আইডিয়াল ট্রান্সফরমার বলা হয়, একে আদর্শ ট্রান্সফরমারও বলা হয়ে থাকে । এর মানে হচ্ছে আমরা ইনপুট এবং আউটপুটে সমান পাওয়ার পাব । ইনপুটে যদি ১০০ KW দেয়া হয় তাহলে আউটপুটেও ১০০ KW পাব । যদিও বাস্তবে পাওয়ার লস হয়না এমন কোন মাশিন নেই, কিন্তু এই ট্রান্সফরমারে পাওয়ার লস খুবই কম তাই একে আইডিয়াল ট্রান্সফরমার বলা হয় ।

39) আইডিয়াল ট্রান্সফরমারের বৈশিষ্ট্য কি কি ?
১। আইডিয়াল ট্রান্সফরমারের অয়ান্ডিং রেজিস্টান্স খুব কম হবে ।
২। আইডিয়াল ট্রান্সফরমারের করে লস থাকা যাবেনা
৩। কোন লিকেজ ফ্লাক্স থাকা যাবেনা ।
৪। আইডিয়াল ট্রান্সফরমারের কোরের পারমিটিভিটি অনেক উচ্চমানের হবে ।

40) ট্রান্সফরমেশন রেশিও বলতে কি বোঝায়?
একটি ট্রান্সফরমারের দুইদিকের ইন্ডিউসড কারেন্ট এবং ভোল্টেজ ও কয়েলে যে প্যাচ থাকে সেটার সাথে নির্দিষ্ট একটা অনুপাত অনুযায়ী হয়ে থাকে এই অনুপাকেই টার্ন রেশিও অথবা ট্রান্সফরমেশন রেশিও বলা হয় । ট্রান্সফরমেশন রেশিওকে a দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে, তাই a=E/E=I/I=N/N এভাবে রেশিও বোঝানো হয়।

41) কোন ট্রান্সফরমার স্টেপ ডাউন নাকি স্টেপ আপ সেটা বোঝার সহজ উপায় কোনটা ?
এইখানে খুব সহজে কোন ট্রান্সফরমারের স্টেপ ডাউন নাকি স্টেপ আপ বের করা যায় ।
কোন ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইডের থেকে যদি সেকেন্ডারি সাইডে প্যাঁচের সংখ্যা কম হয় তখন সেই ট্রান্সফরমারকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলা হয় ।
আবার, যখন কোন ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইডের থেকে যদি সেকেন্ডারি সাইডে প্যাঁচের সংখ্যা বেশি থাকে তখন সেই ট্রান্সফরমারকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে ।
তাই বলা যায় কয়েলের প্যাঁচের সংখ্যা দেখেই আমরা খুব সহজে কোন ট্রান্সফরমারের স্টেপ ডাউন নাকি স্টেপ আপ অবস্থা বুঝতে পারি ।

Address

Mymensingh
Mymensingh
22

Telephone

01991269759

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Electrical Solution And Servies Point - - E S S P posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share