বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ

  • Home
  • Bangladesh
  • Narail
  • বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ, Aerospace Company, Narail.

15/03/2015

"অক্টোপাসের মতোই সমস্যা বিভিন্ন দিক থেকে পরিস্থিতি চেপে ধরেছে। শরণার্থী শিবিরের দিকে এগোলে যে সমস্যাটি সবার আগে দৃষ্টি আকর্ষণ করবে তা হচ্ছে আবাসন। ১২ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৯ ফুট প্রস্থ একটি তাবুতে বাস করছে ২৩ জন। হাঁটু জল ও প্লাবনের ওপর ৮ বর্গফুট বাঁশের চাতালের উপর বাস করছে ১৬ জন। এটা ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা নয়, এটাই নিয়ম!
শিবিরের আর একটু কাছাকাছি এলে আরও অনেক সমস্যা সমস্যা চোখে পড়ে। হাজার হাজার মহিলা কেবল শাড়ির অর্ধেকটা দিয়ে শরীর ঢেকে রেখেছে,হাজার হাজার শিশু অপুষ্টিতে মৃত্যুবরণ করছে,লাখ লাখ মানুষ শীতের বাতাসের আতংকে দিন কাটাচ্ছে,এ বাতাসের সঙ্গে আছে নিউমোনিয়া। তাঁদের মধ্যে ঘোরাঘুরি করলে আরো সূক্ষ্ম সমস্যা ধরা পড়ে ; ৯০ লাখ জোড়া হাত অলস থেকে হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছে, সীমান্তের ওপারে বর্বরতার একই গল্প-- হাজার হাজার মহিলা ধর্ষিত হচ্ছে।"

----- নারায়ণ দেশাই, গান্ধী পিস ফাউন্ডেশন।

18/01/2015

প্রজন্ম চে গুয়েভারা কে চিনে অথচ একাত্তর এর দুর্ধর্ষ ক্র্যাক প্লাটুন এর জন্মদাতা খালেদ মুশাররফ কে চিনে না ।।
প্রজন্ম ফিদেল কাস্ত্রো কে চিনে অথচ ক্র্যাক প্লাটুন এর অন্যতম যোদ্ধা জুয়েল কে চিনে না ।।
প্রজন্ম মারখুর শহীদ আফ্রিদি কে চিনে অথচ ক্রিকেটার জুয়েল এর নাম কখনো শুনেইনি ।।

জুয়েল,স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে এক অবিচ্ছেদ নাম ।। ওপেনিং এ নামতো ছেলেটা,তৎকালীন বাংলাদেশ-পাকিস্থানের সেরা ক্রিকেটার ।। কিন্তু ঐযে ছেলেটা বাঙ্গালী,আর তখন ফাখিস্থানিদের কাছে সকল বাঙ্গালীই ছিল কুকুরের চেয়েও নিকৃষ্ট,গোলামের চেয়েও অধম,তাই আর ছেলেটার জাতীয় দলের হয়ে খেলা হয়ে ওঠেনি ।।

১৯৭১ সালের ২৭ ই মার্চ আজাদ বয়েজ ক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা মুস্তাক ভাই এর ডেডবডি দেখে ছেলেটা আর ঠিক থাকতে পারেনি ।। ক্রিকেটের ব্যাট ফেলে দিয়ে হাতে তুলে নেয় স্টেনগান,রাইফেল ।। যোগ দেয় ক্র্যাক প্লাটুন এর সাথে ।। সমস্ত ঢাকা শহর এ ফাখিস্থানি কুকুরদের কে দিশেহারা করে ফেলে এই ক্র্যাক প্লাটুন এর সদস্যরা তাঁদের সফল অপারেশন এর মাধ্যমে ।। সিদ্দিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন অপারেশন এ ছেলেটার ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল ভেঙে যায় ।। আঙ্গুল তিনটি কেটে ফেলতেই হবে ।।কিন্তু ছেলেটি নাছোড়বান্দা,আঙ্গুল তিনটি কোনভাবেই কাটতে দিবে না।। ছেলেটার চোখে-মুখে যে স্বাধীন বাংলাদেশের হয়ে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন ।। কতোবড় স্বপ্নবাজ ছিল ছেলেটা ।।

২৯ ই আগস্ট ছেলেটা আজাদের মগবাজারের বাসা থেকে পাকিস্থানি শুয়োর দের কাছে ধরা পরে ।। টর্চার সেলে অমানুষিক নির্যাতনেও ছেলেটার স্বপ্ন দেখা ছাড়েনি,হাতের তিনটি আঙ্গুল বুটের তলায় পিষ্ট হউয়ার সময়েও না।। স্বপ্নবাজ তরুণের কাছ থেকে স্বপ্ন চলে যায়নি ।।

ছেলেটা আর ফিরে আসেনি ।। স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের হয়ে ব্যাট ধরার কথা ছিল যে ছেলেটার সে আর ফিরে আসেনি ।। তবুও তাঁর স্বপ্নগুলো অপূর্ণতা থাকেনি ।। তাঁর আজন্ম লালিত দেশটা আজ স্বাধীন,স্বপ্নের ক্রিকেট দল আজ বিশ্ব ক্রিকেটে এক আগওমান শক্তি ।।
শহীদ জুয়েল,দেখো তোমার স্বপ্নের ক্রিকেট দল আজ তরতর করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে ।।সামনের মাসেই বিশ্বকাপ,তোমার ক্রিকেট যুদ্ধারা বিশ্বকাপেই তোমাকে কিছু উপহার দিবে ।।

যেখানেই থাকো,ভালো থেকো শহীদ জুয়েল,মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ্‌ তোমাকে বেহেশত নসীব করুন ।।
শুভ জন্মদিন শহীদ ক্রিকেটার জুয়েল ।।

অতীত খুঁড়ি,খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্দ করোটি।।
05/01/2015

অতীত খুঁড়ি,
খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্দ করোটি।।

03/12/2014
12/11/2014

মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকার দেশের রণাঙ্গণকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে। এগুলো হচ্ছে:

১ নং সেক্টর:চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালির কিছুটা (মুহুরি নদীর পূর্বতীর)নিয়ে গঠিত এই সেক্টর বিভক্ত ছিলো ৫টি সাব-সেক্টরে। প্রায় ২১০০ জনের সেক্টর ফোর্সে দেড় হাজার ছিলেন ইপিআর বাহিনীর সদস্য, ২০০ পুলিশ এবং ৩০০ সেনাসদস্য আর বাকিরা নৌ ও বিমান বাহিনীর। এর বাইরে ২০ হাজারের বেশী বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন যাদের মাত্র ৩৫ ভাগ সশস্ত্র ছিলেন। মেজর জিয়াউর রহমান এই সেক্টরের প্রথম অধিনায়ক, পরে তার জায়গা নেন মেজর রফিকুল ইসলাম।
২ নং সেক্টর:কুমিল্লা, ফরিদপুর, নোয়াখালির কিয়দাংশ ও ঢাকা নিয়ে গঠিত এই সেক্টর বিভক্ত ছিলো আরও ৬টি সাবসেক্টরে। ৪ হাজার সেক্টর সেনা এবং ৩০ হাজার গেরিলার এই সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন মেজর খালেদ মোশররফ, পরে নেতৃত্ব দেন মেজর হায়দার।
৩ নং সেক্টর:মৌলভীবাজার ও ব্রাক্ষণবাড়িয়ার কিছু অংশ নারায়ণগঞ্জ এবং কেরানিগঞ্জের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত এই সেক্টরে ছিলো দশটি সাবসেক্টর এবং যোদ্ধা ছিলো প্রায় দশ হাজার। মেজর শফিউল্লার এই সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন পরে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর এস ফোর্সের নেতৃত্ব দেওয়া হলে শফিউল্লাহর জায়গা নেন মেজর নুরুজ্জামান।
৪ নং সেক্টর:উত্তরে সিলেট পুলিশ স্টেশন এবং দক্ষিণে হবিগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের মাঝামাঝি অবস্থিত এই সেক্টরের ছিলো ছয়টি সাবসেক্টর।৩ হাজার সেক্টর ট্রুপস আর ৮ হাজার গেরিলার যুদ্ধস্থল এই সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত। এই সেক্টরের সদরদফতর প্রথমে রাণীগঞ্জে ছিলো, পরে তা মাসিমপুরে স্থানান্তরিত হয়।
৫ নং সেক্টর:সিলেটের উত্তরাঞ্চলে ছয়টি উপসেক্টর নিয়ে গঠিত এই সেক্টরে ছিলো ৮০০ সেক্টর ট্রুপস এবং ৭ হাজার গেরিলা। অধিনায়ক ছিলেন মীর শওকত আলী।
৬ নং সেক্টর: রংপুর দিনাজপুর জেলা নিয়ে গঠিত এই সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন উইং কমান্ডার এমকে বাশার। ৫টি সাবসেক্টরে বিভক্ত এই সেক্টরে নিয়মিত বাহিনী ছিলো ১২০০ জনের এবং গেরিলা ছয় হাজার। পাটগ্রামের বুড়িমারি ছিলো এই সেক্টরের সদরদফতর।
৭ নং সেক্টর:রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুরের কিয়দাংশ নিয়ে গঠিত এই সেক্টর ভাগ ছিলো ৮টি উপসেক্টরে। নিয়মিত বাহিনীর দু হাজার এবং সমসংখ্যক গেরিলার নেতৃত্বে ছিলেন মেজর নাজমুল হক। এক গাড়ি দূর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর তার জায়গা নেন মেজর কাজী নুরুজ্জামান।
৮ নং সেক্টর:কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল পটুয়াখালি নিয়ে প্রাথমিকভাবে গঠিত এই সেক্টর থেকে পরে বরিশাল পটুয়াখালিকে আলাদা করে দেওয়া হয়। ৭টি উপসেক্টরে বিভক্ত এই সেক্টরের সদর ছিলো বেনাপোলে। ২ হাজার সেক্টরফোর্স এবং ৭ হাজার গেরিলার এই রণাঙ্গনে প্রথমে অধিনায়ক ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী। ১৫ জুলাই মেজর এমএ মঞ্জুর এর দায়িত্ব নেন এবং ওসমান চৌধুরীকে সদর দফতরে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৯ নং সেক্টর:বরিশাল, পটুয়াখালি এবং ফরিদপুর-খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত এই সেক্টরের অধীনে ছিলো এক ব্যাটেলিয়ান নিয়মিত সেনা এবং ১৫ হাজার গেরিলা। ৭ টি সাবসেক্টরে বিভক্ত ছিলো এটি যার নেতৃত্বে ছিলেন মেজর এমএ জলিল।
১০ নং সেক্টর:এই সেক্টরের কোনো সীমারেখা ছিলো না। পাকিস্তানী নৌযানগুলোর বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাত চালাতে নৌ কমান্ডোরা এই সেক্টরে অপারেশন চালাতেন। নির্দিষ্ট অপারেশনে ওই এলাকার নির্ধারিত সেক্টর কমান্ডারের অধীনস্থ হতেন তারা।
১১ নং সেক্টর: বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা জুড়ে বিস্তৃত এই সেক্টর ভাগ ছিলো ৮ ভাগে যার দায়িত্বে ছিলেন মেজর আবু তাহের। তার অধীনে ছিলো ২০ হাজার গেরিলা। ১৫ নভেম্বর কামালপুরের যুদ্ধে তাহের আহত হলে স্কোয়াড্রন লিডার হামিদুল্লাহ তার জায়গা নেন।

10/11/2014

“পাহাড়তলির আকবর শাহ মসজিদের কাছে আমার একটা দোকান ছিলো। ১০ই নভেম্বর, ১৯৭১ সকাল ছয়টার দিকে প্রায় চল্লিশ পঞ্চাশ জন বিহারি আমার দোকানে এসে জোর
করে আমাকে ফয়েজ লেকে নিয়ে যায়। আমি সেখানে দেখতে পাই পাম্প হাউজের উত্তরদিকে লেকের পাড়ে অনেক বাঙালীকে হাত বেঁধে রাখা হয়েছে। বিহারিদের হাতে ছুরি, তলোয়ার কিংবা অন্য কোন ধারালো অস্ত্র ছিলো। তারা প্রথমে বাঙালীদের মারধোর করছিলো আর অস্ত্রধারীদের কাছে নিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলো। অস্ত্রধারী বিহারিরা হাতবাঁধা অসহায় মানুষগুলোর পেটে ঘুষি মারছিলো আর
তলোয়ার দিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করছিলো কিংবা মাটিতে শুইয়ে গলা কাটছিলো! আমি বেশ কয়েকদল বাঙালীকে এভাবে মেরে ফেলতে দেখি। একজন বিহারি আমার দিকে এগিয়ে এসে আমার সোয়েটার খুলে নেয়। তখন আমি তাকে ঘুষি মেরে ফেলে দিয়ে লেকে ঝাঁপ দেই আর সাঁতরে অন্য পাড়ে গিয়ে আমি টিলার ওপর জঙ্গলে লুকাই। তারা আমার খোঁজে এলে আমি ভাগ্যক্রমে লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হই। ঝোপের আড়ালে থেকে আমি বহু লোককে জবাই করে হত্যা করতে দেখি। দুপুর দুটো পর্যন্ত এই হত্যাকান্ড চলতে থাকে। এরপর তারা ১০-১২জন বাঙালীর একটি দলকে আনে। আর তাদেরকে দিয়ে গর্ত খুড়িয়ে পড়ে থাকা লাশগুলো কবর দেওয়ায় এবং কাজ শেষ হলে তাদেরকেও মেরে ফেলে! তারপর আনন্দে চিৎকার করতে করতে বিহারিগুলো চলে যায়। তখনো অনেক লাশ আশেপাশে পড়ে ছিলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে!"

পাহাড়তলি গণহত্যায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়াদের একজন গুফরান ভূঁইয়া,তৎকালীন ওয়াসার মালামাল সরবরাহকারী।।উপরিউক্ত সাক্ষাৎকারটি পাওয়া যায় "১৯৭১ঃভয়াবহ অভিজ্ঞতা" বইয়ে।।

আজ ১০ই নভেম্বর , শহীদ নূর হোসেন দিবস । শহীদ নূর হোসেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে স্মরণীয় নাম।আজ ১০ নভেম্ব...
09/11/2014

আজ ১০ই নভেম্বর , শহীদ নূর হোসেন দিবস ।
শহীদ নূর হোসেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে স্মরণীয় নাম।
আজ ১০ নভেম্বর, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ হন নূর হোসেন। এ দিনে হাজারো প্রতিবাদী যুবকের সঙ্গে জীবন্ত পোস্টার হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন যুবলীগ কর্মী নূর হোসেন।
তার বুকে-পিঠে লেখা ছিল 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক' এই জ্বলন্ত স্লোগান। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অকুতোভয় সেই যুবকের অগ্নিঝরা স্লোগান সহ্য হয়নি তত্কালীন স্বৈরশাসকের। স্বৈরাচারের লেলিয়ে দেয়া বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালিয়ে তার বুক ঝাঁঝরা করে দেয়। গুলিতে আরো শহীদ হন যুবলীগ নেতা নুরুল হুদা বাবুল ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটোও।
নূর হোসেনের আত্মত্যাগে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন আরো অপ্রতিরোধ্য রূপ লাভ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ এর ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারের পতন ঘটে।
এই আন্দোলনের জোয়ারে নব্বইয়ের শেষ দিকে ভেসে যায় স্বৈরাচারের তক্তপোশ। শহীদ নূর হোসেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠেন।এরপর থেকে প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরন করছি আজ শহীদ নূর হোসেনকে ,
সৃষ্টিকর্তা তার সহায় হোক।

মহান স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক নড়াইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক জাসদ নেতা সৈয়দ নাজমুলআলম জঙ্গী দুরারোগ্য ব্যা...
09/11/2014

মহান স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক নড়াইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক জাসদ নেতা সৈয়দ নাজমুল

আলম জঙ্গী দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত শনিবার সকালে ঢাকার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না নিল্লাহে অ ইন্না ইলায়হে রাজেউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। চিরকুমার এ বীর মুক্তিযোদ্ধা ১ ভাই ও ১ বোন, বহু ভাইগ্না-ভাগ্নী গুণগ্রাহী ও আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
রবিবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাস্ট্রীয় সম্মাননা ‘‘গার্ড অব অনার’’ প্রদান করা হয়। এসময় নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এসএ বাকী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এস এম ফজলুর রহমান জিন্নাহ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার এডভোকেট এস এ মতিন, সাবেক সাংসদ সাঈফ হাফিজুর রহমান খোকন, যশোর জেলা জাসদের সভাপতি ও যশোর মুজিব বাহিনীর প্রধান এডভোকেট রবিউল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শরীফ হুমায়ুন কবীর, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, পৌর মেয়র জুলফিকার আলী, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
জানাগেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৪টি মুজিব বাহীনির কমান্ডের মধ্যে বর্তমান বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ ছিলেন একটি কমান্ডের প্রধান।সৈয়দ নাজমুল আলম জঙ্গী ছিলেন তাঁর সেকেন্ড ইন কমান্ড। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সদস্য, ঢাকা টিএন্ডটি কলেজের সাবেক ভিপি ছিলেন।
এদিকে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ নাজমুল আলম জঙ্গী’র মৃত্যুতে জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টি, জাতীয় পার্টি, নড়াইল প্রেসক্লাব, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, নড়াইল ক্লাব ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, নড়াইল কণ্ঠসহ বিভিন্ন, সামজিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এর ব্যক্তিবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

তথ্য সরবরাহে : নড়াইল কণ্ঠ।

08/11/2014

বিপ্লব হয়েছিল লাশে, সংহতি হয়েছিল রক্তে।
যেদিন খালেদ মোশাররফের লাশ পড়েছিল খোলা মাঠে, কর্ণেল হায়দারের লাশ পড়েছিল পাশেই।
১৬ ই ডিসেম্বরের যে ছবিতে নিয়াজী হেটে আত্নসম্পর্পন বেদীর দিকে যাচ্ছে এক পাশে অরোরা আরেক পাশে একটু খাঁটো করে একজন মানুষের সাথে । কাঁধে স্বয়ংক্রিয় চাইনীজ রাইফেল। কর্ণেল হায়দার। মেলাঘরে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেণিং দিতেন যে খালেদ মোশাররফ আর হায়দার। তাদের লাশ। সারাদিন যাদের লাশের উপর মাছি উড়েছে তার মধ্য দিয়ে বিপ্লব হয়েছিল সেদিন । সংহতি হয়েছিল বঙ্গবন্ধু খুনী মেজর রশীদ যখন তাহেরের বিপ্লবী সংস্থার সৈন্য নিয়ে জিয়াকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করেছিল এবং মুক্ত জিয়া বের হয়েই তাহেরের সাথে বেঈমানী করেছিল তখন।
বিপ্লব হয়েছিল "সিপাহী জনতা ভাই ভাই, হাবিলদারের উপর অফিসার নাই" কিংবা "সিপাহী জনতা ভাই ভাই, অফিসারের রক্ত চাই" স্লোগাণে। বিপ্লব হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা সেনা-অফিসার হত্যাকে বৈধতার দিনকে স্বাগত জানাতে। বিপ্লব হয়েছিল বাংলার শেষ সূর্যকে ডুবিয়ে দিতে, বিপ্লব হয়েছিল ৭১ এর পরাজিত পক্ষকে পূনরায় ক্ষমতায় বসাতে।
বিপ্লব হয়েছিল বাংলাদেশে্র স্রেফ শেষ আশার আলোটাকে এক ফু দিয়ে নিভিয়ে দিতে।

Address

Narail
7500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share