03/07/2023
৮ম ব্যাচের পরিচিত মুখ, বন্ধুবর অসাধারণ সাংগঠনিক ব্যাক্তিত্ব বিজয় মল্লিক Bijoy Mallick (NSTU, ACCE ৮ম ব্যাচ) এর ব্যাপারে আপনারা অনেকেই অবগত আছেন, যারা জানেন না, গত মার্চ মাসে কর্মস্থলে এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় বিজয় তার বাম পা টি হারায়, এরপর এখন পর্যন্ত একাধিক বার পায়ের ইনফেকশান জনিত কারনে তাকে হস্পিটালাইজড ও ডাক্তার এর দারস্থ হওয়া লাগে। যদিও এখন ইনফেকশান মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে, কিন্তু তার ভবিষ্যত নির্ভর করতেসে আগামি ২০-২৫ দিনের উপর। আমরা জানি একজন পা হারানো ব্যাক্তি কৃত্রিম পা সংযোজন এর মাধ্যমে সাভাবিক জীবন ফিরে পেতে পারে, কিন্তু এই কাজটি খুব কমপ্লেক্স এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা আবশ্যক। মেডিকেল সায়েন্স এর রেফারেন্স অনুযায়ী একজন ব্যাক্তি দুর্ঘটনার পরে ৫-৬ মাস সময় পায় কৃত্রিম পা সংযোজন এর জন্য। এর পর আস্তে আস্তে মাসেল হার্ডেনিং এর কারনে তা আর সম্ভব হয় না এবং ব্যাক্তির আজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরন করে নিতে হয়।
এই মুহুর্তে ইন্ডিয়াতে কৃত্রিম পা সংযোজনের জন্য সবচেয়ে ভালো আর সাস্টেইনেবল চিকিৎসা দেয়া হয়, অনেক গুলো কারনে যা লোকাল চিকিৎসা এর চেয়ে অনেক এগিয়ে এবং খরচ এর সাথে তুলনা করলে ইন্ডিয়া ইজ দি বেস্ট অপশন।
এতক্ষন যেই কথা গুলো বললাম এগুলো বাস্তবায়নে বিজয়ের হাতে আসে সব মিলায় ২৫ দিন আর খরচ এর হিসেব যদি বলি, ইন্ডিয়া যাওয়া আসা, থাকা, চেকাপ আর পা সংযোজন এর জন্য দরকার প্রায় ১২ লক্ষ টাকা। বিজয়ের কোম্পানি থেকে (এতদিনের নেগোসিয়েশান) এর পর যতদুর শুনসি ৪.৫ থেকে ৫ লক্ষ টাকা দিতে তারা রাজি হইসে মৌখিক ভাবে এবং কিছুদিনের মধ্যে এই টাকা হাতে তুলে দিবে বলে জানাইসে। যদি ৫০% ও ধরে নেই, এখনো প্রায় ৬ লক্ষ টাকার গ্যাপ রয়ে যায় যেটা ফিলাপ করতে না পারলে আসলে সব কিছুই বৃথা।
আমাদের হাতে সময় খুম কম, ২০-২৫ দিন সর্বোচ্চ, কিন্তু ইচ্ছাশক্তি থাকলে এই সময়ের মধ্যেই আমরা ফান্ডরেইজ করতে পারি। আমরা কি সবাই মিলে পারিনা বিজয়ের জন্য কিছু করতে? বিজয় আপনাদের ছোটভাই, বড়ভাই-দাদা হিসেবে পরিচিত। আমি প্রতিটি ব্যাচ এর প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রী কে বলবো আপনারা বিজয়ের জন্য এগিয়ে আসুন। প্রত্যেক ব্যাচ থেকে এক বা একাধিক স্টুডেন্ট কে এগিয়ে আসতে বলছি যারা
ভোলান্টারিলি নিজ ব্যাচ থেকে ফান্ডরেইজ করবে।
Standards Chartered Bank
Account No. : 18683129401
Account Name: Bijoy Mallick
Branch: আগ্রাবাদ
Bkash: 01670838585