Engr. Md.Azim Hossain

Engr. Md.Azim Hossain Auto CAD 2D & 3D Designer.

Alhamdulillah
19/07/2025

Alhamdulillah

26/05/2025

কলাম, বীম ও ছাদে রড দেয়ার নিয়মঃ-
কলাম কিংবা বিমে ল্যাপিং কিভাবে দিতে হবে কতটুক দিতে হবে এসব বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও বিম কলামে এক্সট্রা টপ দেয়ার রিং বাধা এবং রিং দেয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। এছাড়া স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ক্র্যাংক বার এক্সট্রা টপ ইত্যাদি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।
প্র্যাকটিকাল কাজের বিভিন্ন ড্রয়িং এর আইডিয়া থেকে কলাম বীম ও ছাদে রড দেয়ার কিছু নিয়ম শেয়ার কর হলো। তবে ড্রয়িং টু ড্রয়িং কিছু জিনিস ভিন্ন হতে পারে। যে জিনিস গুলো মোটামুটি একই থাকে সেগুলো তুলে ধরা হলোঃ-

১। কলামে রিং বাধার নিয়মঃ-
ক) কলামের দুই পাশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা ফ্লোর এবং ছাদ সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের ভিতরে বেশী ঘন হবে ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৩/৪/৫ ইঞ্চি

খ) কলামের মাঝের অংশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা ফ্লোর এবং ছাদ সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের বাইরে কম ঘন ভাবে দিতে হবে ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৬/৭/৮ ইঞ্চি

২। বিমে রিং বাধার নিয়মঃ-
ক) বিমের দুই পাশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা কলাম সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের ভিতরে বেশী ঘন হবে ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৩/৪/৫ ইঞ্চি

খ) বিমের মাঝের অংশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা কলাম সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের বাইরে কম ঘন ভাবে দিতে হবে ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৬/৭/৮ ইঞ্চি

৩। বিমের ক্ষেত্রে এক্সট্রা টপঃ-
ক) বিমের প্রান্তে এক্সট্রা টপের পরিমান দেওয়া হয় L/4
খ) বিমের মাঝের সাপোর্টের পাশে এক্সট্রা টপ এর পরিমান দেওয়া হয় L/3
গ) বিমে এক্সট্রা বটম দেওয়া হয় কলাম থেকে L/7 বা L/8 দূরে

৪। ছাদে রড দেওয়ার নিয়মঃ-

ক) মেইন রড ও বাইন্ডার রডঃ-
ছাদে মেইন রড দেওয়া হয় শর্ট ডিরেকশন বরাবর
ছাদে বাইন্ডার রড দেওয়া হয় লং ডিরেকশন বরাবর।
মেইন রড খাচার বাইরে অর্থাৎ উপরে ও নিচে থাকে
বাইন্ডার রড খাচার ভিতরে থাকে।

খ) স্ল্যাবে এক্সট্রা টপঃ-
স্ল্যাবের প্রান্তে এক্সট্রা টপ এর পরিমান দেওয়া হয় L/4 পর্যন্ত।
স্ল্যাবের মাঝের সাপোর্টে এক্সট্রা টপ দেওয়া হয় L/3 পর্যন্ত।

গ) স্লাবে ক্র্যাংক বারঃ-
স্লাবের প্রান্তে ক্র্যাংক এর পরিমান L/5
স্ল্যাবের মাঝের সাপোর্টে ক্র্যাংক এর পরিমান দেওয়া হয় L/4

বিদ্রঃ এই ব্যাপার গুলো ডিজাইন অনুসারে হয়ে থাকে তাই আপনাকে কাজ করতে হবে ড্রয়িং অনুযায়ী। তবে মোটামুটি উপরের নিয়মানুসারেই বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হয়।

#প্ল্যান #বিল্ডিং #ডিজাইন #নকশাঘর #ইমারত #ইঞ্জিনিয়ারিং #আর্কিটেক্ট #ইঞ্জিনিয়ার #কনস্ট্রাকশন
#সয়েলটেস্ট #পাইলিং #ঘর #বাড়ি #অনুমোদন

পাইলিংয়ের মালামালের এস্টিমেটঃ------------------------------------------------------------------------একটি 18" ডায়া পাইল...
25/05/2025

পাইলিংয়ের মালামালের এস্টিমেটঃ-
-----------------------------------------------------------------------
একটি 18" ডায়া পাইলের ইনফরম্যাশন দেওয়া হলো এর এষ্টিমেট কিভাবে করবো?
পাইলের দৈর্ঘ্য = 51'- 6"
পাইলের ডায়া = 18"
পাইল কাভারিং = 3"
পাইলের মেইন রড = 7 টি 16 মিলি
পাইলের রিং = 10 মিলি = 0.375"
রিং দূরত্ব = 5" পরপর
কাট অফ লেভেল = 2'- 0"
অনুপাত (1:1.5:3)
বোরিং দৈর্ঘ্য 51'-6"

🔹মালামালের পরিমানঃ-
ঢালাই এর পরিমান = πd^2/4 X পাইলের দৈর্ঘ্য
ঢালাই এর পরিমান = π(1'-6")2/4 X 51'- 6" = 90.96 ঘনফুট ।
শুকনা মসলা = 90.96 x 1.5 = 136.44 ঘনফুট ।
অনুপাতের যোগফল = ( 1 + 1.5 + 3) = 5.50
সিমেন্ট = (136.44 x 1 x 0.8 )/ 5.5 = 19.85 ব্যাগ বা 20 ব্যাগ । (প্রতি Cft = 0.8 ব্যাগ)
বালি = 136.44 X 1.5 /5.5 = 37.21 বা 38 Cft
পাথর = 136.44 X 3 /5.5 = 74.42 বা 75 cft

🔹মেইন রডের দৈর্ঘ্য = পাইলের দৈর্ঘ্য - নিচের সি সি ঢালাই + 1টা ল্যাপিং দৈর্ঘ্য
= (51'- 6" - 1'-6") + 3'-0" (ল্যাপিং 3' - 0') = 53'-0"
রডের ওজন= রডের দৈর্ঘ্য x সংখ্যা x প্রতি ফুটের ওজন
= 53'-0" x 7 x 0.48
= 178.08 কেজি

🔹রিং রডের দৈর্ঘ্য = L = Nr(D + d) + 8d
এখানে, N =রিং এর সংখ্যা;D = পাইলের ক্লিয়ার কভার বাদে খাচার ডায়া ফুটে
D = পাইলের ডায়া - দুই পাশের ক্লিয়ার কভার
= 18"- (3"×2)
=18"-6" = 12" =1'-0"
d = স্পাইরাল রডের ডায়া ফুটে, যেমন 10 মিমি = 0.033' ফুট ।

🔹স্পাইরাল সংখ্যা N = (পাইলের দৈর্ঘ্য - উপরে নিচে স্পাইরাল ছাড়া অংশ) + স্পাইরাল রডের স্পেসিং + উপরে-নিচে 2টা
=[{51'-6"-(2'-0"+1'-6")}÷0'-5"]+2
= [(51'-6"-3'-6"}÷0'-5"]+1
= [{48'-0"+0'-5"]+1
= 97 পিছ।

🔹স্পাইরাল রডের দৈর্ঘ্য L = Nr(D + d) + 8d
বা, {97× 3.14× (1' + 0.033)} + (8×0.033)
বা, {97× 3.14×1.033'}+ 0.264
= 314.90 ফুট
রিং রড = রডের দৈর্ঘ্য X প্রতি ফুটের ওজন
=314.90 X0.19 = 59.83 কেজি

🔹রডের পরিমান কেজিতে= মেইন রড+ রিং রড
মোট রড = 178.08 +59.83 = 237.91 কেজি

তাহলে-
সিমেন্ট: ২০ ব্যাগ
বালি: ৩৮ সিএফটি
পাথর: ৭৫ সিএফটি
রড: ২৩৮ কেজি
ধন্যবাদ

23/05/2025

#পাইল_ক্যাপ_এর_এষ্টিমেটিং
পাইল ক্যাপ এর সাইজ = 11'- 6"
পাইল ক্যাপের প্রস্থ = 7'- 6"
পাইল ক্যাপ এর কাভারিং = 3"
পাইল ক্যাপ এর মেইন রড = 20 মিলি 4" C/C উভয় দিকে।
কলামের সাইজ =12" x 24"
কলামের কাভারিং= 2.5"
কলামের রড =16 টা 20 এম এম
কলাম রিং = 10 এম এম ডায়া 5" C/C
কলামের রিং গ্রেড বীমের নীচ পর্যন্ত হিসাব করতে হবে ।
কলামের রডের দৈর্ঘ্য = 13 - 6" মাটামসহ
কলামের মাটাম = 2'-0"
পাইল ক্যাপের ঢালাই এর গভীরতা = 3-0"
পাইল ক্যাপের মাটাম/ এল = 2'-0"
পাইল ক্যাপের মাটামের বাইন্ডার = 2-10 মিমি
ঢালাই এর অনুপাত 1:1.5:3
গ্রেডবীম এর টপ লেভেল মাটির লেভেল এর সমান
ঢালাই পাথর দিয়ে উভয় পাশে 1'- 6" করে বেশী মাটি কাটতে হবে
সিলেট বালি 100%
পাইল ক্যাপ এর সাটারিং কাজ = [{পাইল ক্যাপের দৈর্ঘ্য + (দুই পাশে বাড়তি 1.25")} + পাইল ক্যাপের প্রস্থ ]×2 x (কাস্টিং এর গভিরতা) সাটারিং এর উচ্চতা ৷
= [{11' - 6 " + (1.25"×2)} + 7' - 6"] × 2 × 3' - 0"
= [{11.5' + (0.104×2)} + 7.5'] ×2 ×3 - 0"
= 115.25 বর্গফুট
পাইল ক্যাপ এর ঢালায়ের পরিমান = পাইল ক্যাপের দৈর্ঘ্য x প্রস্থ X গভীরতা
= 11'- 6" x 7' - 6"X3'-0"
= 11.5'× 7.5'x3'-0"
= 258.75 ঘনফুট
শুকনা মসলার পরিমান = মোট কাস্টিং X1.5
= 258.75 ×1.5 = 388.13 ঘনফুট
অনুপাতের যোগফল = (1 + 1.5 + 3) = 5.5
সিমেন্ট = (388.13 X1/5.5 ) ×0.80 = 56.45 বা 57 ব্যাগ
সিলেট বালি 100% = 388.13 X1.5 /5.5 = 105.85 ঘনফুট
পাথর = (388.13 X3 /5.5) = 211.71 ঘনফুট
ধন্যবাদ,

ছাদ ঢালাইয়ের পূর্বে কি কি চেক করতে হবেঃ------------------------------------------------------------------------🔹ফর্মওয়ার...
23/05/2025

ছাদ ঢালাইয়ের পূর্বে কি কি চেক করতে হবেঃ-
-----------------------------------------------------------------------
🔹ফর্মওয়ার্ক ও সেন্টারিং

১। ছাদের শাটারিং (formwork) শক্তভাবে বসানো হয়েছে কিনা
২। নিচে সেন্টারিং এর পর্যাপ্ত সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে কিনা
৩। ফাঁকফোকর বা লিকেজ আছে কি না

🔹 রডের ফিটিং ও টাইং

১। ডিজাইন অনুযায়ী রড বসানো হয়েছে কিনা (Structural Drawing অনুযায়ী)
২। Top bar, bottom bar, crank bar, distribution bar ঠিক আছে কিনা
৩। কাভার ব্লক বসানো হয়েছে কিনা (সাধারণত ১৮-২৫ মিমি)
৪। রডে মরিচা থাকলে তা পরিষ্কার করা হয়েছে কিনা

🔹ইলেকট্রিক ও পাইপলাইন চেক

১৷ বৈদ্যুতিক কনডুইট (electrical conduit) ঠিকভাবে বসানো হয়েছে কিনা
২। পানির পাইপ বা অন্য যন্ত্রাংশ বসানো হয়ে গেছে কিনা

🔹লেভেলিং ও স্লোপ

১। ছাদে সঠিক লেভেল রাখা হয়েছে কিনা
২। পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ঢাল (slope) ঠিকভাবে রাখা হয়েছে কিনা

🔹মশলা প্রস্তুতির ব্যবস্থা

১। কংক্রিটের অনুপাত ঠিক আছে কিনা (যেমন = 1:2:4, 1:1.5:3)
২। কংক্রিট মেশানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে সিমেন্ট, বালি, পাথর, পানি প্রস্তুত আছে কিনা
৩। মিক্সার মেশিন ও লেবার ঠিক আছে কিনা।

🔹ভাইব্রেটর ও কারেন্ট

১। কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় air gap দূর করতে ভাইব্রেটর প্রস্তুত আছে কিনা​ (সম্ভব হলে ডিজেল ভাইব্রেটর মেশিন রাখবেন)
​২। কারেন্ট ও পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

🔹আবহাওয়ার অবস্থা

১। বৃষ্টি হলে ছাদ ঢেকে রাখার ব্যবস্থা আছে কিনা (যেমন:পলিথিন, ত্রিপাল)।
২। খুব বেশি গরম হলে ঢালাইয়ের পর পানি দেওয়ার প্ল্যান।

🔹টিম প্রস্তুত আছে কিনা

১৷ ঢালাই শুরু হলে একটানা কাজ করার জন্য লেবার, মিস্ত্রি, হেলপার প্রস্তুত।
২। Supervisor বা অভিজ্ঞ ব্যক্তি উপস্থিত আছেন কিনা।

🔹অতিরিক্ত টিপস:

১। সম্ভব হলে একজন প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা চেক করে নিবেন।
২। ঢালাইয়ের পর অন্তত ৭ দিন ধরে প্রতিদিন পানি দিতে হবে (curing)।
৩। ঢালাইয়ের সময় “joint” যেন না পড়ে, সেজন্য একটানা ঢালাই করুন।
​৪। শ্রমিকদের জন্য সেফটির ব্যবস্থা করুন।

ছাদে রড বাঁধার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক কাজ আছে, যা ভবনের গঠন ও স্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত জরুরি। নিচে ছাদে রড...
23/05/2025

ছাদে রড বাঁধার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক কাজ আছে, যা ভবনের গঠন ও স্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত জরুরি। নিচে ছাদে রড বাঁধার আগে করণীয় ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো:

১. নকশা ও প্রকৌশল অনুমোদন:
প্রকৌশলী দ্বারা তৈরি করা ছাদের নকশা (Drawing) নিশ্চিতভাবে হাতে থাকা জরুরি। নকশা অনুযায়ী রডের ধরন, আকার, সংখ্যা ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল আছে কিনা তা যাচাই করতে হবে।

২. মালামাল যাচাই:
রডের মান (Grade 40 বা Grade 60) যাচাই করতে হবে। রডে মরিচা বা ফাটল আছে কিনা তা দেখা।
সিমেন্ট, বালি ও পাথরের মান যাচাই করে স্টোর করতে হবে।

৩. ছাঁচ বা ফর্মওয়ার্ক প্রস্তুত:
স্ল্যাবের নিচে কাঠ, প্লাইউড বা স্টিল দিয়ে ফর্মওয়ার্ক তৈরি করতে হবে যাতে কংক্রিট ঢালার সময় রড ও ঢাল সঠিকভাবে বসে।
ফর্মওয়ার্ক লেভেল ও শক্ত অবস্থায় আছে কি না নিশ্চিত করতে হবে।

৪. রড কাটিং ও বেন্ডিং:
নকশা অনুযায়ী রড কাটা ও বেন্ড করা। ওভারল্যাপ, হুক এবং স্পেসিং সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করা।

৫. রড বিছানো (Reinforcement):
স্ট্রাকচারাল ডিজাইন অনুযায়ী রডের সাইজ, স্পেসিং ও গ্রেড ঠিক করুন (সাধারণত ১০মিমি বা ১২মিমি ব্যাসের রড ব্যবহৃত হয়)।
নিচে ও উপরে দুটি লেয়ারে রড বসান: বটম বার ও টপ বার। যেখানে রড জোড়া লাগাতে হবে, সেখানে সঠিক ওভারল্যাপ (lapping) নিশ্চিত করুন (সাধারণত ৪০-৫০ গুণ ব্যাস)।

৫. ক্লিয়ার কভার ঠিক রাখা:
রডের নিচে এবং পাশের দিকে নির্ধারিত ক্লিয়ার কভার (সাধারণত ২৫–৫০ মিমি) বজায় রাখতে স্পেসার ব্যবহার করা জরুরি।

৬. ইলেকট্রিক পাইপ ও অন্যান্য লাইন বসানো:
স্ল্যাবের নিচে ইলেকট্রিক কনডুইট বা পাইপ আগে থেকেই বসানো উচিত। ডিজাইন অনুসারে বৈদ্যুতিক লাইনের পাইপ বা ড্রেনেজ পাইপ আগে থেকেই বসিয়ে নিতে হবে।

৮. ছাদ পরিষ্কার ও প্রস্তুতি:
ছাদ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন—ময়লা, ধূলা, পুরনো কংক্রিট বা ঢালাই উঠে গেলে সরিয়ে ফেলুন।
যদি পুরনো ছাদে পানি জমে থাকে, তাহলে সে জায়গাগুলোর ড্রেনেজ ঠিক করুন।

৯. ইন্সপেকশন:
রড বাঁধার পর ইঞ্জিনিয়ার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা ইন্সপেকশন করানো জরুরি।

১১. ঢালাই (Concrete Pouring):
মিক্সার মেশিনে সঠিক অনুপাতে কংক্রিট তৈরি করুন (সাধারণ অনুপাত ১:১.৫:৩ — সিমেন্ট : বালি : খোয়া)।
কংক্রিট ঢালার সময় ভাইব্রেটর ব্যবহার করুন যেন ফাঁকা না থাকে।

১২. কিউরিং (Curing):
ঢালাই হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পানি ছিটিয়ে কিউরিং শুরু করুন।
অন্তত ৭–১৪ দিন প্রতিদিন পানি দিয়ে ভেজা রাখতে হবে যেন কংক্রিট শক্ত হয় এবং ফাটল না ধরে।

৮. ওয়াটারপ্রুফিং (Waterproofing):
সর্বশেষ ছাদের ওয়াটারপ্রুফিং করতে হবে। ছাদের উপরে চুন-বালি-মাটি বা ওয়াটারপ্রুফ কোটিং ব্যবহার করতে পারেন। ড্রেন বা পানিনিষ্কাশনের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে।

#ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #ছাদঢালাই #সিভিলইঞ্জিনিয়ার #নির্মানকাজ #রডের_হিসাব #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন

OPC এবং PCC সিমেন্টের মধ্যে পার্থক্যঃএই বিষয়ে সম্পর্কে অবশ্যই জ্ঞান থাকা উচিতঃবাজারে সাধারনত দুই ধরনের সিমেন্ট দেখা যায়...
22/05/2025

OPC এবং PCC সিমেন্টের মধ্যে পার্থক্যঃ

এই বিষয়ে সম্পর্কে অবশ্যই জ্ঞান থাকা উচিতঃ

বাজারে সাধারনত দুই ধরনের সিমেন্ট দেখা যায়। একটা হচ্ছে
OPC: Ordinary Portland Cement.
অপরটি হচ্ছে, PCC: Portland Composite Cement.
OPC সিমেন্টে ক্লিংকারের পরিমান ৯৫ শতাংশ থেকে একশ ভাগ পর্যন্ত থাকে। আর জিপসাম থাকে সর্বোচ্চ ০-৫ শতাংশ। PCC সিমেন্টে ক্লিংকারের পরিমান ৬৫ শতাংশ থেকে ৭৯ শতাংশ। স্লাগ, ফ্লাই অ্যাশ ও লাইম স্টোনের পরিমান ২১ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ এবং জিপসামের পরিমান সর্বোচ্চ ০-৫ শতাংশ।

বাজারের সিমেন্টের ব্যাগে এই তথ্যগুলো দেখে খুব সহজেই বোঝা যায় কোনটি PCC আর কোনটি OPC সিমেন্ট।

OPC:
1. OPC এর পূর্ণরূপ হলো ordinary portland cement.
2. OPC তে clinker এর পরিমান 95%- 100%.
3. পানি যোজিত এলাকায় কাঠামো নির্মাণে OPC cement ব্যবহার করা হয়।
4. জমাট বাধার সময় সময় প্রাথমিক 30 মিনিট এবং চুড়ান্ত 10 ঘন্টার কম।
5. OPC Cement এর শক্তি PCC Cement এর চেয়ে 100 psi বেশি।

PCC:
1. PCC এর পূর্ণরূপ হলো Portland composite cement.
2. PCC তে clinker এর পরিমাণ 65%-79%.
3. সাধারণ কাঠামো নির্মাণে PCC Cement ব্যবহার করা হয়।
4. জমাট বাধার প্রথমিক সময় 30 মিনিট এবং চুড়ান্ত 10 ঘন্টা।
5. PCC Cement এর শক্তি OPC এর চেয়ে 100 Psi কম।

নির্মাণের ধরনের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে পিসিসি এবং ওপিসি সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

যখন PCC সিমেন্ট ভালো:
==========>মাটির সার্বিক পরিস্থিতি সাধারণ পর্যায়ে থাকলে।
>মাটিতে রাসায়নিক পদার্থ সংক্রান্ত কোন সমস্যা না থাকলে।
>কংক্রিট খুব দ্রুততার সাথে শক্ত হবার প্রয়োজন না হলে।
>কংক্রিটে ঢালাইয়ের সময় উৎপন্ন তাপমাত্রা হিসাবে ধরা না হলে।
>বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে সব ধরনের পাইলিং, ফাউন্ডেশন, গাথুনী, ছাদ এবং প্লাস্টারের কাজে পিসিসি সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

যখন OPC সিমেন্ট ভালো:
================
>বহুতল ভবন নির্মাণে।
>উচ্চশক্তিসম্পন্ন শিল্পকারখানার কাঠামো নির্মাণে।
>পানির নিচে কংক্রিটের কাজে।
>ব্রিজ, কালভার্ট ও সেতু নির্মাণের কাজে।
>মাটি পরীক্ষায় (সয়েল টেস্ট) সালফারসহ কংক্রিটের জন্য বিভিন্ন ক্ষতিকর পাওয়া গেলে

এবং কংক্রিট খুব দ্রুততার সঙ্গে শক্ত হবার প্রয়োজন হলে OPC সিমেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিলইঞ্জিনিয়ারিং)→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি...
21/05/2025

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।

☑পাইলের এষ্টিমেট ও মালামালের দর-বিশ্লেষণএকটি 18" ডায়া পাইলের ইনফরম্যাশন দেওয়া হলো  এর এষ্টিমেট কিভাবে করবো ??পাইলের দৈ...
18/05/2025

☑পাইলের এষ্টিমেট ও মালামালের দর-বিশ্লেষণ
একটি 18" ডায়া পাইলের ইনফরম্যাশন দেওয়া হলো এর এষ্টিমেট কিভাবে করবো ??
পাইলের দৈর্ঘ্য = 51'- 6"
পাইলের ডায়া = 18"
পাইল কাভারিং = 3"
পাইলের মেইন রড = 7 টি 16 মিলি
পাইলের রিং = 10 মিলি = 0.375"
রিং দূরত্ব = 5" পরপর
কাট অফ লেভেল = 2'- 0"
অনুপাত (1:1.5:3) ; বোরিং দৈর্ঘ্য 51'-6"
মালামালের পরিমান
ঢালাই এর পরিমান = πd^2/4 X পাইলের দৈর্ঘ্য
ঢালাই এর পরিমান = π(1'-6")2/4 X 51'- 6" = 90.96 ঘনফুট ।
শুকনা মসলা = 90.96 x 1.5 = 136.44 ঘনফুট ।
অনুপাতের যোগফল = ( 1 + 1.5 + 3) = 5.50
সিমেন্ট = (136.44 x 1 x 0.8 )/ 5.5 = 19.85 ব্যাগ বা 20 ব্যাগ । (প্রতি Cft = 0.8 ব্যাগ)
বালি = 136.44 X 1.5 /5.5 = 37.21 বা 38 Cft
পাথর = 136.44 X 3 /5.5 = 74.42 বা 75 Cft
এবং মেইন রডের দৈর্ঘ্য = পাইলের দৈর্ঘ্য - নিচের সি সি ঢালাই + 1টা ল্যাপিং দৈর্ঘ্য
= (51'- 6" - 1'-6") + 3'-0" (ল্যাপিং 3' - 0') = 53'-0"
রডের ওজন= রডের দৈর্ঘ্য x সংখ্যা x প্রতি ফুটের ওজন
= 53'-0" x 7 x 0.48
= 178.08 কেজি
রিং রডের দৈর্ঘ্য = L = Nr(D + d) + 8d
এখানে, N =রিং এর সংখ্যা;D = পাইলের ক্লিয়ার কভার বাদে খাচার ডায়া ফুটে
D = পাইলের ডায়া - দুই পাশের ক্লিয়ার কভার
= 18"- (3"×2)
=18"-6" = 12" =1'-0"
d = স্পাইরাল রডের ডায়া ফুটে, যেমন 10 মিমি = 0.033' ফুট ।
স্পাইরাল সংখ্যা N = (পাইলের দৈর্ঘ্য - উপরে নিচে স্পাইরাল ছাড়া অংশ) + স্পাইরাল রডের স্পেসিং + উপরে-নিচে 2টা
=[{51'-6"-(2'-0"+1'-6")}÷0'-5"]+2
= [(51'-6"-3'-6"}÷0'-5"]+1
= [{48'-0"+0'-5"]+1
= 97 পিছ।
স্পাইরাল রডের দৈর্ঘ্য L = Nr(D + d) + 8d
বা, {97× 3.14× (1' + 0.033)} + (8×0.033)
বা, {97× 3.14×1.033'}+ 0.264
= 314.90 ফুট
রিং রড = রডের দৈর্ঘ্য X প্রতি ফুটের ওজন
=314.90 X0.19 = 59.83 কেজি
রডের পরিমান কেজিতে= মেইন রড+ রিং রড
মোট রড = 178.08 +59.83 = 237.91 কেজি
ধন্যবাদ,

Address

Pabna
Pabna
6600

Telephone

+8801755809927

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engr. Md.Azim Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engr. Md.Azim Hossain:

Share