AmraoBiggani-আমরাও বিজ্ঞানী

AmraoBiggani-আমরাও বিজ্ঞানী চলো বিজ্ঞান জানি

⏲ ৬ আগস্ট , ১৯৪৫ ; সকাল ৮ টা ১৫ মিনিট । 🇯🇵 জাপানের হিরোশিমা শহরের আকাশে হাজির আমেরিকার বি-২৯ বোমারু বিমান  🛩 বিমান থেকে ...
06/08/2025

⏲ ৬ আগস্ট , ১৯৪৫ ; সকাল ৮ টা ১৫ মিনিট ।
🇯🇵 জাপানের হিরোশিমা শহরের আকাশে হাজির আমেরিকার বি-২৯ বোমারু বিমান 🛩
বিমান থেকে ফেলা হলো 'লিটল বয়' নামক বোমা । ইতিহাসের প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হলো একটি পারমাণবিক মরণাস্ত্র 💥
পারমাণবিক বিস্ফোরণের কিছু মুহূর্তের মধ্যেই প্রাণ হারায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষ । পরবর্তীতে তেজস্ত্রিয়তা ও শারীরিক আঘাত থেকে সর্বমোট নিহত হোন প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ ।
🕊
আজ ইতিহাসের সেই ভয়াবহ ঘটনার ৮০ বছর পূর্ণ হলো । পৃথিবীতে পারমানবিক অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ হোক, এমন নির্মম ধ্বংসযজ্ঞ আর যেন না ঘটে , আজকের দিনে এটাই হোক আমাদের প্রার্থনা 🌎



🏜️বিস্তীর্ণ মরুভূমির বুকে হঠাৎ চোখে পড়বে লম্বা এক পথচিহ্ন , আর সেই পথের শেষ প্রান্তে খুঁজে পাওয়া যাবে বড়সড় একটা পাথর 🪨 ।...
30/07/2025

🏜️বিস্তীর্ণ মরুভূমির বুকে হঠাৎ চোখে পড়বে লম্বা এক পথচিহ্ন , আর সেই পথের শেষ প্রান্তে খুঁজে পাওয়া যাবে বড়সড় একটা পাথর 🪨 । মনে হবে, পাথরটি যেন নিজে নিজেই এতখানি পথ পাড়ি দিয়েছে !
🤔
ঘটনাটি বাস্তবে অসম্ভব মনে হলেও প্রকৃতিতে এর অস্তিত্ব ঠিকই রয়েছে! আর, এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ডেথ ভ্যালি ন্যাশনাল পার্ক 🏞️ এ ।
🏞️ ডেথ ভ্যালি ন্যাশনাল পার্ক , পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক স্থানগুলোর একটি । এই সমতল - মরু অঞ্চলে দেখা মেলে 'চলন্ত পাথর' বা 'Sailing Stone' এর ।
দীর্ঘদিন যাবৎ এই রহস্যময় ঘটনার কারণ অজানা ছিলো । তবে, ২০১৩-২০১৪ সালে এক ⚛ গবেষণায় অবশেষে রহস্যের সমাধান ঘটে ।
❄❄
শীতকালে রাতের বেলায় ডেথ ভ্যালির শুষ্ক-পৃষ্ঠে পাতলা বরফের আস্তরণ পড়ে । আবার, সকালে সেই 🧊 বরফ গলতে শুরু করে এবং ছোট ছোট টুকরায় পরিণত হয় । এবং সেই বরফ আর পানি 💧 মিলে পাথরের পৃষ্ঠতলকে পিচ্ছিল করে তোলে । ফলে, বাতাসের ধাক্কায় 💨 পাথর খণ্ডগুলো ধীরে ধীরে চলতে শুরু করে । এভাবে রাতের পর দিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং পাথর-খণ্ডগুলোর চলার পথের লম্বা 〰 দাগ তৈরি হয়।

⭐আরো অবাক করা তথ্য হলোঃ
👉 পাথর-খণ্ডের গতি - প্রতি মিনিটে প্রায় ২-৫ মিটার ।⏩
👉 চলার পথের দৈর্ঘ্য - কয়েক মিটার থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে ।





⏲' টাইম মেশিন ' এর ব্যপারে তো আমরা সকলেই জানি !  সাই-ফাই গল্প,উপন্যাস কিংবা সিনেমা-কার্টুন, সবখানেই এই টাইম মেশিন এর ব্য...
31/12/2024


' টাইম মেশিন ' এর ব্যপারে তো আমরা সকলেই জানি ! সাই-ফাই গল্প,উপন্যাস কিংবা সিনেমা-কার্টুন, সবখানেই এই টাইম মেশিন এর ব্যবহার অহরহ ! তবে, বাস্তবে টাইম মেশিন ব্যবহার করে অতীতে যোগাযোগ সম্ভব না হলেও, ভবিষ্যতের সাথে যোগাযোগ করার উপায় কিন্তু রয়েছে !! আর তা হলো টাইম ক্যাপসুল 💊

টাইম ক্যাপসুলঃ টাইম ক্যাপসুল হচ্ছে বিশেষ ধরনের তথ্য ও উপাদানের সংরক্ষণ, যার মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্মের উদ্দেশ্যে কোনো তথ্য, চিঠি, ছবি, দলিল এবং অন্যান্য উপাদান মাটির গভীরে বা নিরাপদ কোনো স্থানে সংরক্ষণ করা হয় । অর্থ্যাৎ, টাইম ক্যাপসুলের মাধ্যমে ভবিষ্যতের মানুষকে বর্তমান সময়ের কোনো ঘটনা, তথ্য, উপাত্ত, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি সম্পর্কে জানানো সম্ভব হয় ।
একারণে ভবিষ্যতের ইতিহাসবিদ-প্রত্নতত্ত্ববিদদের জন্য নির্ভরযোগ্য নিদর্শন হতে পারে টাইম ক্যাপসুল । পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরণের টাইম ক্যাপসুল আবিস্কৃত হয়েছে , আবার প্রতিনিয়তই নতুন নতুন টাইম ক্যাপসুল সংরক্ষণ করা হচ্ছে ।

ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ারে ২০২১ সালে ১৪৫ বছরের পুরনো একটি টাইম ক্যাপসুল পাওয়া যায়, যেখানে ১৮৭৬ সালের সময়কার সংবাদ-প্ত্রিকা ও মুদ্রা সংরক্ষণ করা ছিলো ।
১৯৩৭ সালে যুক্তরাষ্টের ওগলিথ্রোপ বিশ্ববিদ্যালয়ে "দ্য ক্রিপ্ট অফ সিভিলাইজেশন" নামক একটি ব্যতিক্রমধর্মী টাইম ক্যাপসুল সংরক্ষণ করা হয়। যা, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনের পুরো নিচতলায় নানা ধরনের বই, পানীয় ও একসেট লিনকন লগ সংরক্ষন করে পুরো ভবনকে স্টিল দ্বারা ঝালাই করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। মজার ব্যাপার হলো, এই টাইম ক্যাপসুল উন্মোচনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১১৩ খ্রিষ্টাব্দ । অর্থ্যাৎ, আজ থেকে প্রায় ৬১৯০ বছর পর এটি উন্মোচন করা হবে !!

টাইম ক্যাপসুল যে কেউ চাইলে সহজেই তৈরি করতে পারে। আবার, টাইম ক্যাপসুলের জন্য ইচ্ছেমতো সময়ও নির্ধারণ করে দেয়া যায় । সাধারনত, ২৫-১৫০ বছরের জন্য ব্যক্তিগত টাইম ক্যাপসুল তৈরি করা হয়। টাইম ক্যাপসুল তৈরির জন্য শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী পাত্র যেমনঃ প্লাস্টিকের পাত্র, কাঠের বাক্স, ধাতব ক্যান বা স্টিলের কোনো বাক্স ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় । পাত্রে সকল জিনিসপত্র রাখা শেষে পানি যেন না ঢোকে , এজন্য পাত্রের ঢাকনা শক্ত করে বন্ধ করে পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে তারপর সংরক্ষণ করতে হবে ।
টাইম ক্যাপসুলে বিভিন্ন উপাদান রাখা যেতে পারে, যেমনঃ
- প্রিয় বই বা ম্যাগাজিন 📚
- চিঠি-পত্র
- সংবাদ-পত্রিকা
- নিজ বা পরিবারের ছবি 📷
- ব্যবহৃত খেলনা, উপাদান , জুতা , পোশাক
- শিল্পকর্ম
- ধাতব মুদ্রা বা কাগজের নোট
ইত্যাদি । মাটি খুঁড়ে , ভবনের দেয়ালে, গাছের কোটরে বা বাগানে ইত্যাদি স্থানে টাইম ক্যাপসুল সংরক্ষণ করা যায় ।
টাইম ক্যাপসুল কেবল পৃথিবীতে নয়, এমনকি মহাকাশেও তা সংরক্ষণ করা হয়েছে !! ( ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ড, অ্যাপোলো ১১ )

চাইলে আমরা নিজেরাও কিন্তু টাইম ক্যাপসুল তৈরি করতে পারি । ২০২৪ সাল খুব শীঘ্রই বিদায় নিবে। আর ২০২৪ সাল নানা কারণে বিশেষ ভাবে স্মরণীয় ! তাই, ভবিষ্যতের জন্য ২০২৪ সালে আমাদের স্মরনীয় মুহূর্তগুলোকে আমরা টাইম ক্যাপসুলে সংরক্ষণ করে রাখতে পারি !!

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট, উইকিপিডিয়া, ব্যাপন ।





🖐️ আঙ্গুলের ছাপ ,কোনো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে যেটির ব্যবহার সবচেয়ে প্রচলিত । প্রত্যেক ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপ অনন্য এবং...
19/08/2024

🖐️ আঙ্গুলের ছাপ ,
কোনো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে যেটির ব্যবহার সবচেয়ে প্রচলিত । প্রত্যেক ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপ অনন্য এবং অন্যদের চেয়ে আলাদা । কিন্তু পৃথিবীতে এমন মানুষও রয়েছে, যাদের আঙ্গুলে কোন ছাপ'ই নেই !!
🐾
যেহেতু- পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, বিদেশ-ভ্রমণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে বিড়ম্বনা-দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তাই এই রোগটি 'ইমিগ্রেশন ডিলে ডিজিজ (Immigration Delay Disease)' নামে পরিচিত। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে Adermatoglyphia বলা হয়।
✈️
এই রোগ মূলত SMARCAD1 নামক জিনের DNA এর মিউটেশন এর কারণে হয়ে থাকে । এই SMARCAD1 জিনে অবস্থিত SMARCAD1 প্রোটিন আঙ্গুলের ছাপ তৈরিতে ভূমিকা রাখে । মিউটেশনের ফলে এ প্রোটিনের পরিমাণ কমে যায়, ফলে আঙ্গুলের ছাপ তৈরি-ই হয় না। এই রোগটি বংশানুক্রমে ছড়াতে পারে।
👨‍👩‍👧‍👦
সারা বিশ্বে এমন রোগীর সংখ্যা হাতেগোনা, আশ্চর্যের ব্যাপার হলো- বাংলাদেশেও এমন রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে । রাজশাহীর পুঠিয়ার অমল সরকারের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের আঙ্গুলে কোন ছাপ নেই । এজন্য পরিবারের সবাই অমল সরকারের স্ত্রীর এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা সিম ব্যবহার করেন, যেহেতু তার এই রোগটি নেই 🫡
সূত্রঃ বিবিসি


🎉আগস্ট মাসে জন্মগ্রহণ করা সবাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ! তো, তোমার জন্ম কোন মাসে ? কমেন্টে জানাতে পারো... 💬
01/08/2024

🎉আগস্ট মাসে জন্মগ্রহণ করা সবাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা !
তো, তোমার জন্ম কোন মাসে ? কমেন্টে জানাতে পারো... 💬



আজ থেকে ঠিক ৫৫ বছর পূর্বে, ২০ জুলাই-১৯৬৯ সালে, নিল আর্মস্ট্রং প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের 🌕 মাটিতে পা রাখেন ! মানবজাতির ইত...
20/07/2024

আজ থেকে ঠিক ৫৫ বছর পূর্বে, ২০ জুলাই-১৯৬৯ সালে, নিল আর্মস্ট্রং প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের 🌕 মাটিতে পা রাখেন ! মানবজাতির ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক যুক্ত হয় !
🚀
১৯৬৯ সালের ১৬ই জুলাই, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়- অ্যাপোলো-১১ 🚀 । অ্যাপোলো-১১ এর অংশ ছিল তিনটি- কমান্ড মডিউল, সার্ভিস মডিউল এবং লুনার মডিউল।
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই, লুনার মডিউলটি চাঁদে অবতরণ করে। আর কমান্ড মডিউলটি চাঁদের কক্ষপথে ঘুরতে থাকে ।🌕
🚀অ্যাপোলো-১১ এর যাত্রী ছিলেন তিনজন- নিল আর্মস্ট্রং, বাজ অলড্রিন এবং মাইকেল কলিনস। এদের মধ্যে প্রথম দুইজন চাঁদের মাটিতে পা রাখেন । তাঁরা সেখানে দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময় অবস্থান করেন এবং ২১.৫ কেজি বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে ২৪ জুলাই পৃথিবীতে ফেরত আসেন 🌎
এই ঘটনা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও আমরা মানবজাতির এই অনন্য অর্জনে সরল মনে বিশ্বাস করি এবং সামনের দিনের মহাবিশ্ব-জয় নিয়ে আশাবাদী হই ।🪐
এই বিশ্বাস নিয়েই চাঁদের বুকে প্রথম পা রাখার মুহূর্তে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন,
"That's one small step for a man, one giant leap for mankind."
(একজন মানুষের ক্ষুদ্র এক পদক্ষেপ, মানবজাতির জন্য এক বিশাল অগ্রযাত্রা)⭐️



মাটির নিচ থেকে হঠাৎ করে তীব্র বেগে পানি বের হচ্ছে,🌪️ দৃশ্যটি অবাক হওয়ার মতো !🤩এই ব্যাপারটিকে বলা হয়- গেইসার !⛲ গেইসার মূ...
16/07/2024

মাটির নিচ থেকে হঠাৎ করে তীব্র বেগে পানি বের হচ্ছে,🌪️ দৃশ্যটি অবাক হওয়ার মতো !🤩
এই ব্যাপারটিকে বলা হয়- গেইসার !⛲
গেইসার মূলত ভূ-গর্ভ থেকে উৎক্ষিপ্ত গরম পানি বা বাষ্প💨, যা পিচকারি বা ফোয়ারার মতো করে উর্ধ্বমুখী হয়ে বেরিয়ে আসে !
🧐এটি একটি বিরল ঘটনা। সাধারণত আগ্নেয়গিরিপ্রবণ এলাকায় এটি বেশি ঘটে থাকে ।
ভূ-অভ্যন্তরে গরম শিলা, ম্যাগমা ইত্যাদির ফলে সৃষ্ট ♨️প্রচন্ড তাপে ভূ-গর্ভস্থ পানিতে উচ্চ-তাপ ও চাপের সৃষ্টি হয়, ফলে পানির উচ্চ-চাপে পাতলা ভূ-পৃষ্ঠ ফেটে গিয়ে বিস্ফোরণের মতো তীব্র বেগে গরম পানি স্প্রে বা উৎক্ষিপ্ত হয় । 💨
এটির উচ্চতা সর্বোচ্চ ২০০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। সর্বোচ্চ ১০ মিনিট পর্যন্ত এটি স্থায়ী হতে পারে। 🤯
🌎পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ১০০০ টির মতো সক্রিয় গেইসার আছে । যার মধ্যে আমেরিকার Yellowstone National Park -টিতেই রয়েছে প্রায় ৪৬৫টি গেইসার !
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গেইসার- 'Old Faithful Geyser' এই Yellowstone National Park-এ অবস্থিত। যা থেকে প্রতি ৩৫-১২০ মিনিট পরপর ১.৫-৫ মিনিট ধরে ১০৬-১৮৫ ফুট পর্যন্ত পানি উৎক্ষিপ্ত হয় !

তথ্যসূত্রঃ ব্যাপন বিজ্ঞান সাময়িকী এবং ইন্টারনেট ।



আর, ইকুয়েডর দুই গোলার্ধের মধ্যবর্তী দেশ🌎 হওয়ায় দেশটির একই অঞ্চলের এক পাশের পানির ঘূর্ণন অপর পাশের ঘূর্ণনের বিপরীত !! 🌪  ...
14/07/2024

আর, ইকুয়েডর দুই গোলার্ধের মধ্যবর্তী দেশ🌎 হওয়ায় দেশটির একই অঞ্চলের এক পাশের পানির ঘূর্ণন অপর পাশের ঘূর্ণনের বিপরীত !! 🌪



⚡বৈদ্যুতিক মাছ ! মাছেরাও আবার বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে নাকি ?? 🧐উত্তরঃ হ্যাঁ ।  😲অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে এমন মাছের অস্...
12/07/2024

⚡বৈদ্যুতিক মাছ ! মাছেরাও আবার বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে নাকি ?? 🧐
উত্তরঃ হ্যাঁ । 😲
অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে এমন মাছের অস্ত্বিস্ত রয়েছে !

বৈদ্যুতিক মাছ বা Electric Eel ( ইলেকট্রিক ঈল ) নামে পরিচিত এসব মাছ প্রায় ৬৫০ ভোল্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে !!
ইলেকট্রিক ঈলের বৈজ্ঞানিক নামঃ Electrophorus Electricus. 🐟
কেবলমাত্র দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন রেইনফরেস্টে এসব মাছ বাস করে। সাধারণত অ্যামাজন ও ওরিনোকো নদীতে এসব মাছের দেখা মেলে।
⚡ইলেকট্রিক ঈল তার শরীরের ইলেকট্রোলাইটস নামক কোষ এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
মূলত শিকার এবং যোগাযোগের কাজে তারা এই বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করে ।
যদিও, এই বৈদ্যুতিক সিগন্যাল এর ফলে তাদের নিজেদের কোন ক্ষতি হয় না ! ⚡
ইলেকট্রিক ঈল সাধারণত ছোট মাছ, ব্যাঙ 🐸 , স্যালাম্যান্ডার খেতে পছন্দ করে। এগুলো লম্বায় প্রায় ২.৫ মিটার বা ৮ ফিটের মতো এবং ওজনে ২০ কিলোগ্রামের মতো হয়ে থাকে ।

ইলেকট্রিক ঈল প্রায় ৬৫০ ভোল্টের বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে, যা দ্বারা সহজেই একটি 🐴ঘোড়াকে ঘায়েল করা সম্ভব ! যদিও এই বৈদ্যুতিক চার্জ খুবই অল্প সময় স্থায়ী হওয়ায় এই বিদ্যুৎ দ্বারা কেবল নিয়ন লাইট💡ই জালানো সম্ভব !





বর্তমান পৃথিবীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি📈 একটি মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই পৃথিবীর জনসংখ্যা ৮০০ কোটি বা ৮ বিলিয়ন ছা...
05/07/2024

বর্তমান পৃথিবীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি📈 একটি মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই পৃথিবীর জনসংখ্যা ৮০০ কোটি বা ৮ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে ! কিন্তু, ৮০০ কোটি জনসংখ্যা কী আসলেই অতিরিক্ত ? নাকি, কেবল মাত্র মানুষেরই অব্যবস্থাপনার ফলাফল !!
🧐
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, এই ৮০০ কোটি মানুষকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যেই বসবাসের ব্যবস্থা করে দেওয়া সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা 'Population Research Institute' এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। দেখা যাক- কীভাবে?...
🌎
যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয়-বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য টেক্সাসের আয়তন- ৭৪৮,৬০৩,৫০০,০০০ স্কয়ার ফিট ! (৭.৪৮ ট্রিলিয়ন) !
এই আয়তনকে ৮০০কোটি দিয়ে ভাগ করলে, জনপ্রতি আয়তন দাঁড়ায় - ৯৩৫ স্কয়ার ফিট(প্রায়)।
আর, প্রতি চারজনকে একটি পরিবার👨‍👩‍👧‍👦 হিসেবে ধরলে- প্রত্যেক পরিবার পাবে- প্রায় ৩৭০০ স্কয়ার ফিট ! যেখানে, একটি সাধারণ বাড়ির🏠 আয়তন(*ক্ষেত্রফল) গড়ে- ২২০০ স্কয়ার ফিট !
**(টেক্সাস'কে- মরুভূমি, নদী-পাহাড় বাদ দিয়ে সমতল হিসেবে কল্পনা করলে)
😳
ℹ️ মজার ব্যপার হচ্ছেঃ
টেক্সাসের আয়তন- যুক্তরাষ্ট্রের আয়তনের ৭ শতাংশ ।
টেক্সাস আয়তনের দিক থেকে- বাংলাদেশের চেয়ে ৪.৫ শতাশ বড়।
টেক্সাসের আয়তন- পৃথিবীর স্থলভাগের আয়তনের ২০০ ভাগের ১ ভাগ (মাত্র !!) 😶
🤔
আর বাকি পৃথিবী পড়ে থাকবে - স্কুল-হাসপাতাল🏥, রাস্তা-ঘাট🛣, অফিস-আদালত, কৃষিজমি, বাজার-শপিংমল, বন-জঙ্গল🌵 , পশু-পাখি, পাহাড়-নদী🏞 ইত্যাদির জন্য।




মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর পক্ষ থেকে 👽এলিয়েনদের জন্য উপহার! তাও আবার ৪৬ বছর পূর্বে পাঠানো !! 🧐দেখা যাক... কী সেই উপহা...
03/07/2024

মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর পক্ষ থেকে 👽এলিয়েনদের জন্য উপহার! তাও আবার ৪৬ বছর পূর্বে পাঠানো !! 🧐দেখা যাক... কী সেই উপহার?
🎁
১৯৭৭ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়- ভয়েজার ১ ও ভয়েজার ২ নামক দুটি মহাকাশযান🚀। মানুষের পাঠানো সবচেয়ে দুরবর্তী মহাকাশযান হচ্ছে- এই ভয়েজার ১ ও ২। মহাকাশযান দুটির মূল মিশন ছিলো - আমাদের সৌরজগতের বাইরের মহাবিশ্ব নিয়ে অনুসন্ধান করা 🪐 । তবে মহাকাশযান দুটির প্রত্যেকটিই এলিয়েনদের জন্য একটি করে উপহার নিয়ে যায় । আর সেটি হচ্ছে -
ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ড - The Golden Record of Voyagers 📀

🔹এটি মূলত কপারের তৈরি ও সোনার আবরণে মোড়ানো ১২ ইঞ্চি ব্যাসের একটি ফনোগ্রাফ রেকর্ড।
🔹রেকর্ডটিতে আছে- মানবজাতির পরিচয়, মানুষের জীবনযাত্রা- সংস্কৃতি , পৃথিবীর বর্ণনা , বিভিন্ন অডিও ও ১১৫টি ভিন্ন ভিন্ন ছবি 🎞।
🔹অডিও হিসেবে আছে - শিশুদের হাসি, পাখিদের কিচিরমিচির ইত্যাদি। আরও আছে- ৫৫টি ভাষার শুভেচ্ছাবার্তা।
🔹মজার ব্যাপার হচ্ছে- এই ১১৫টি ছবি ডিজিটাল ফরম্যাটে কিংবা প্রিন্ট করে পাঠানো হয়নি।
🔸কারণ, সেসময়- ১৯৭৭ সালে, না ছিল পেনড্রাইভ আর না ছিল হার্ডডিস্ক।
আর, মহাকাশযানের কম্পিউটারের মেমোরি ছিল মাত্র- ৬৯.৬৩ কিলোবাইট !
🔹আসলে, ছবিগুলো পাঠানো হয়েছিল অডিও ফরম্যাটে অর্থাৎ, শব্দে রূপান্তর করে🎶!
কারণ, ফনোগ্রাফ রেকর্ডে কেবল শব্দই রাখা সম্ভব ।
🔹আর, রেকর্ডের কভারের উপরে এই শব্দকে ডিকোড করে কীভাবে তথ্য পাওয়া যাবে, তার নির্দেশনা দেওয়া আছে।
🛰ভয়েজার-১ বর্তমানে পৃথিবী থেকে ২৪,৪০৮,২৬৭,১৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে !!
⭐️
ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ড পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল- এই মহাবিশ্বে যদি আর কোন বুদ্ধিমান প্রাণী থাকে, তবে তারা যেন জানতে পারে, মানুষ নামক আরেকটি বুদ্ধিমান প্রজাতি রয়েছে 🌏। এলিয়েন'রা যদি রেকর্ডটি পেয়ে ডিকোড করতে পারে, তবে উদ্দেশ্য সফল হবে।
আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এই ক্ষুদ্র বার্তাটির সাথে মিশে আছে - মানুষের সামর্থ্য, মানবজাতির পরিচয়, আমাদের স্বপ্ন-আশা । এই আশা সাথে নিয়েই ছুটে চলেছে অজানার পথে ✨
🌟
যদি, কখনো-কোনদিন- এলিয়েন'রা রেকর্ডটি খুঁজে পেয়ে ঠিকমতো ডিকোড করতে পারে, তবে, ৫৫টি ভাষার শুভেচ্ছাবার্তার মধ্যে বাংলা ভাষার শুভেচ্ছাবার্তাটিও বেজে উঠবে,
" নমস্কার, বিশ্বে শান্তি হোক "...



🌧বর্ষার মেঘলা আকাশে ঘন-কালো মেঘগুলো দেখে প্রশ্ন জাগতে পারে - মেঘের ওজন কতো? 🧐সাধারণত একটি সাদা মেঘের আয়তন গড়ে - এক ঘন কি...
30/06/2024

🌧বর্ষার মেঘলা আকাশে ঘন-কালো মেঘগুলো দেখে প্রশ্ন জাগতে পারে - মেঘের ওজন কতো?
🧐
সাধারণত একটি সাদা মেঘের আয়তন গড়ে - এক ঘন কিলোমিটার (১কি.মি.৩) । এই আয়তনের একটি মেঘের ওজন (মূলত ভর ) ১ মিলিয়ন পাউন্ড বা ৫ লক্ষ কেজি, কিংবা তারও বেশি হতে পারে। যা প্রায় ১০০টি হাতির ওজনের সমান !! 🤯
কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এ তো কেবল সাদা মেঘের ওজনের হিসাব ।
🤔
ঘন-কালো একেকটি মেঘের ওজন একই আয়তনের সাদা মেঘের তুলনায় গড়ে ১০০ গুন বা তারচেয়েও বেশি হতে পারে। সংখ্যার হিসাবে তাই কালো মেঘের ওজন- ৫০ হাজার টন বা ৫ কোটি কিলোগ্রাম, এমনকি তারও বেশি হতে পারে। যা প্রায় ৮ হাজার হাতির ওজনের সমান !! 😱

ভাগ্যিস, বৃষ্টির পানি সব একসাথে ধপাস করে পড়ে না, নইলে......😶‍🌫️




Address

Pabna Sadar
Pabna
6600

Telephone

+8809638198791

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AmraoBiggani-আমরাও বিজ্ঞানী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to AmraoBiggani-আমরাও বিজ্ঞানী:

Share