Tikly Construction and Decoration

Tikly Construction and Decoration * Total construction service: including...
1.Structural design
2.Building design(interior-exterior)

21/09/2022

জরুরি নিয়োগঃ পার্ট টাইম

টিকলি ইন্সট্রাকশন এর কর্পোরেট অফিস, শিমুলবাগ, পটুয়াখালীতে জরুরি ভিত্তিতে একজন খণ্ডকালীন অফিস সহায়ক নিয়োগ দেয়া হবে।
অফিস টাইমঃ বিকাল ৫- রাত ৯ টা।
বেতনঃ আলোচনা সাপেক্ষে।
যোগাযোগঃ 01973200489

Commitment is a volitional psychological bond reflecting dedication to and responsibility for a particular target. we st...
20/09/2022

Commitment is a volitional psychological bond reflecting dedication to and responsibility for a particular target.
we stand together to achieve our ultimate goal. Stay connected.

Loading...
12/02/2021

Loading...

06/02/2021

-Home Designing
-Estimating
-Housing
-Engineering Consultancy Services from ...

#টিকলি_কন্সট্রাকসন_এন্ড_ডেকোরেসন---- Make your dream home become a reality....

We help you to build your dream home. Build your House with the latest technology and materials of the best quality.-

বাজারে সাধারণত তিন ধরণের সিমেন্ট পাওয়া যায়।  তার মধ্যে অন্যতম হলো ওর্ডিনারি পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট (ওপিসি)। ওর্ডিনারি পোর্...
06/02/2021

বাজারে সাধারণত তিন ধরণের সিমেন্ট পাওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম হলো ওর্ডিনারি পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট (ওপিসি)। ওর্ডিনারি পোর্টল্যান্ড সিমেন্টে ক্লিংকারের পরিমান ৯৫%-১০০% এবং জিপসামের পরিমান সর্বোচ্চ ০%-৫% পর্যন্ত হয়ে থাকে। ওর্ডিনারি পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট কংক্রিটের দ্রুত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

06/02/2021

প্রায় ভবনের দেয়ালেই নোনা ধরতে দেখা যায়। যে রং করা হোক না কেন, তার ওপর হালকা থেকে গাঢ় সাদা রঙের আস্তরণ পড়ে। এই নোনা ধরার ফলে ইট বা পাথরের তৈরি দেয়ালে সাদা সাদা লবণের অধঃক্ষেপ সৃষ্টি হয়। যা দেয়ালের সৌন্দর্য ও স্থায়িত্ব নষ্ট করে। এ থেকে রক্ষা পাওয়ার কিছু উপায় রয়েছে। আসুন জেনে নেই সেসব উপায় বা কৌশল সম্পর্কে-

লক্ষণ: প্রথম প্রথম দেয়াল ঘেমে যেতে থাকে বা ভেজা ভেজা ভাব চলে আসে। এর কিছুদিন পর দেয়ালে সাদা সাদা আস্তরণ দেখা দেয়। পরবর্তীতে সাদা লবণের ভারি আস্তরণ দেখা দেয় এবং প্লাস্টার ঝরে পড়তে থাকে।

কারণ: নোনা ধরার কারণসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভবন নির্মাণে কম পোড়ানো ইট ব্যবহার।
২. যে মাটি দিয়ে ইট তৈরি করা হয়, সে মাটিতে লবণের পরিমাণ বেশি।
৩. বাড়ি তৈরির উপকরণ, যেমন- বালি, সিমেন্ট, পানি প্রভৃতির মধ্যে লবণের পরিমাণ ২.৫% এর বেশি।
৪. সঠিক পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার অভাব।
৫. দেয়ালের মাঝের পানির লাইনে ছিদ্র থাকা।
৬. প্লাস্টার শুকানোর আগেই রং করে ফেলা।
৭. গাঠনিক ত্রুটি
৮. ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের অভাব।
৯. মেঝে এবং ঘরের মাঝের দেয়ালে সঠিকভাবে সিক্ততা স্তর না দেওয়া।

করণীয়: ভবন নির্মাণের আগেই নোনা ধরার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। নোনা ধরার মূল কারণ নির্মাণ সামগ্রী আর নির্মাণ প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। তবে সাধারণত দুটি উপায়ে নোনা প্রতিরোধ করা যায়-

স্বাভাবিক উপায়: প্রথমত সঠিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে। তাই বাড়ি নির্মাণের আগেই সে স্থানের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। বাড়ির চারপাশে ভালো ড্রেন স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে, যেন পানি জমে না থাকে। ছাদে সঠিক ঢাল রাখতে হবে, যাতে বৃষ্টির পানি তাড়াতাড়ি বের হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া বৃষ্টির ঝাপটা থেকে রক্ষার জন্য দেয়ালে সানশেডের প্রয়োজন। ইটের পানি ধারণ ক্ষমতা খুবই বেশি। ফলে বৃষ্টির পানি থেকে দেয়ালকে যতটা সম্ভব দূরে রাখতে হবে। ইটের গাঁথুনির ফ্লাশ পয়েন্টিং করলে অতিরিক্ত পানি দেয়ালের গায়ে জমা হতে পারে না। অনেক সময় ছিদ্রযুক্ত দেয়াল দিয়েও আর্দ্রতা দূর করা যায়।

দ্বিতীয়ত প্রয়োজনীয় আলো-বাতাস চলাচলের মাধ্যমে নোনা রোধ করা যায়। ঘরের মাঝে সব দেয়ালে সমানভাবে রোদের আলো প্রবেশ করতে পারে না, সেক্ষেত্রে নকশা তৈরির সময়ই যেসব দেয়ালে রোদের আলো কম পড়ে; সেসব দেয়ালে সঠিকভাবে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে বৃষ্টির পানি আর রোদের অভাবে দেয়ালটি স্যাঁতসেঁতে হয়ে নোনা ধরার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তাই সূর্যতাপ এবং বাতাস চলাচলের উপর নির্ভর করে নির্মাণ করতে হবে ভবন।

কৃত্রিম উপায়: এক্ষেত্রে প্রথমত গাত্রক পানি নিরোধক ব্যবস্থার মাধ্যমে রোধ করা যায়। এ ব্যবস্থা দু’ভাবে হতে পারে, যেমন- বাইরের দিকের গাত্র এবং ভেতরের দিকের গাত্র। যেহেতু বাইরের দিক থেকেই পানি বুনিয়াদ বা কাঠামোতে প্রবেশ করে। সেজন্য বাইরের দিকের গাত্রক ব্যবস্থা ভেতরের দিকের গাত্রক ব্যবস্থার চেয়ে বেশি কার্যকরী। বাইরের দিকের গাত্রের সিক্ততা নিরোধ করার সহজ ব্যবস্থা হচ্ছে, ইটের জোড়ায় মুখগুলো খুলে পয়েন্টিং করা এবং পরে ভালো করে প্লাস্টার করা। ভেতরের দিকে প্লাস্টারের ওপর সাধারণত মোম বা সিলিকেট দ্রবণ লাগানো হয়। তবে এ ব্যবস্থা ২-৩ বছর পরপর করতে হবে।

দ্বিতীয়ত পানি নিরোধক আচ্ছাদন সংযোজনের মাধ্যমেও রোধ করা যায়। বিটুমিন শিট, প্লাস্টিক শিট, মেটাল শিটের মাধ্যমে পানি প্রতিরোধী একটি স্তর গড়ে তোলা হয়।

প্রতিকারের উপায়: ভবন নির্মাণের পর নোনা দেখা যাওয়া আমাদের দেশের আবহাওয়ায় বেশ কমন। একে তো বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে বছরজুড়ে; সেই সাথে নির্মাণের সময়ে সতর্কতার অভাব। শখের বাড়িতে নোনা ধরে গেলে সেটা প্রতিকারের ব্যবস্থা করার কিছু উপায় রয়েছে।

হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই) ভবনের নোনা ধরা প্রতিকারের জন্য এইচবিআরআই-এসপি এবং এইচবিআরআই-ডিপি নামে দুটি দ্রবণ উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে। এদের ব্যবহারবিধি নিচে দেওয়া হলো-

১. ভবনের যেসব স্থানে নোনা দেখা দিয়েছে; সেসব জায়গার রং, চুন ইত্যাদির প্রলেপ ভালোভাবে সরিয়ে ফেলতে হবে। প্রয়োজনবোধে আক্রান্ত স্থানসমূহ পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

২. আক্রান্ত স্থানে এইচবিআরআই-এসপি তিন-চার বার এমনভাবে লাগাতে হবে, যেন বালি-সিমেন্টের আস্তরণটি সম্পূর্ণভাবে ভিজে যায়। একদিন অপেক্ষা করার পর এইচবিআরআই-এসপি লাগানোর স্থানসমূহ পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। ভেজা আস্তরণকে ভালোভাবে শুকানোর পর চুনকাম, রং, ডিসটেম্পার ইত্যাদি প্রলেপ দিতে হবে।

৩. ভবনের যেসব স্থানে এইচবিআরআই-ডিপি প্রয়োগ করতে হবে; সেসব জায়গার রং, চুন, পুটিং ইত্যাদির প্রলেপ ভালোভাবে সরিয়ে ফেলতে হবে। প্রয়োজনবোধে আক্রান্ত স্থানসমূহ পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। শুকনো আস্তরণে এইচবিআরআই-ডিপির দ্রবণ দিয়ে ভালোভাবে ভিজিয়ে দিতে হয়। ৩ ঘণ্টা পর ৩-৪ বার এইচবিআরআই-ডিপি দ্রবণের আস্তরণ প্রয়োগ করতে হবে। একদিন পর পানি দিয়ে অতিরিক্ত এইচবিআরআই-ডিপি সরিয়ে ফেলতে হবে। ভালোভাবে শুকানোর পর চুনকাম, রং, ডিসটেম্পার ইত্যাদির প্রলেপ দিতে হবে। অর্থাৎ একই উপায়ে প্রয়োগ করতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী।

ভবনের নোনা হলো দ্রবণীয় লবণের দ্রবণ হতে পানির বাষ্পীভবনের ফলে ভবনের দেয়ালে লেপ্টে থাকা লবণের অধঃক্ষেপ। সাধারণত দীর্ঘদিন ধরে আর্দ্র জলবায়ু, প্রবল বৃষ্টিপাত ও গাঁথুনিতে জমা পানির প্রভাবেই নোনা ধরে। নোনা ধরার ফলে অস্বাস্থ্যকর অবস্থা সৃষ্টি হয়, ছোপ ছোপ দাগ প্লাস্টার এমনকি চুনকামেও ঢাকা পড়ে না। নোনার সংস্পর্শে কাগজপত্র, কাপড়-চোপড়, কাঠ ইত্যাদি তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। প্লাস্টার নরম হয়ে খসে পড়ে। সর্বোপরি ভবনের সৌন্দর্যহানী ঘটে।

তাই নোনা প্রতিরোধক ব্যবস্থা ভবন তৈরির অংশ বলে গণ্য করা উচিত। আমাদের দেশের আবহাওয়াজনিত কারণে নোনা ধরা সমস্যাটি বহুলভাবে দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে আমাদের ভবন নির্মাণের আগে সতর্ক হওয়া জরুরি।
জনসচেতনতায়ঃ টিকলি কন্সট্রাকসন এন্ড ডেকোরেসন।

04/02/2021

Our Commitments
“We strive and commit to provide complete solution, creative design, excellent services, and quality finishing works to our clients through the project timeline, ensuring their vision is delivered to meet their expectations on time and on budget.
We are also committed to forging long-term partnerships with our clients, creating robust, flexible solutions which will address the changing needs of their business’s future.”

02/02/2021

ইতিমধ্যে অনেকে বিল্ডিং নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন আবার অনেকে পরিকল্পনা করছেন।
কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজ করতে সবারি ইটের গাঁথুনি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী জানা দরকার।।
✓ কাজ শুরুর আগে ইটগুলোকে অন্তত: ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজাতে হবে এবং ভালভাবে পরিস্কার করতে হবে। ভেজা ইটে গাঁথুনি ভাল হয় এবং ফাঁটল ধরার সম্ভাবনা কম থাকে। ভাল করে না ভেজালে প্লাস্টারে সমস্যা হতে পারে।
✓ ইট গাঁথার সময় প্রত্যেকবার সুতা এবং শল দেখেনিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে।
✓ গাঁথুনির সময় দেখতে হবে দুটো ইটের মধ্যের ফাঁক যেন ১ সে. মিটার থেকে বেশী না হয় এবং জোড়ার উপর জোড়া যেন অবিরাম না হয়।
✓ অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা বেশী লাভ করার জন্য ইটের আকার আকৃতি ঠিক রাখে না! ফলে ইট ব্যবহার করা ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা দেখা যায়।
✓ ইটের আকার ঠিক না থাকা কারনে অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, যায় ফলে সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে। ইটের অনেক অপচয় হয় বেছে বেছে তা ব্যবহার করতে গিয়ে মিস্ত্রিদের সময় বেশী লাগছে, ফলেমিস্ত্রি খরচ বেড়ে যায়।
✓ সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
✓ FM 1.5 গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।
✓ কোন নির্দীষ্ট উদ্দ্যেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে গাঁথুনী করা ভাল ।
✓ জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত।
✓ জোড়ের পুরুত্ব ১৩ মিমি এর বেশী যেন না যায়।
✓ জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে, প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।
✓ ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায়।
✓ একদিনে সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয়।
✓ কিউরিং ৭ দিন পর্যন্ত করা ভালো।

31/01/2021

টিকলি কন্সট্রাকসনঃ-

30/01/2021

সয়েল টেস্টিংঃ
ভবন নির্মাণের পূর্বে সয়েল টেস্ট (মাটি পরীক্ষা) করা অতন্ত্য জরুরি। সয়েল টেস্টের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের ধরন জানা যায়। অর্থাৎ, ফাউন্ডেশন শ্যালো (ফুটিং) হবে নাকি ডিপ (পাইলিং) হবে সেটা বোঝা যায়।
জনসচেতনতায়ঃ টিকলি কন্সট্রাকসন এন্ড ডেকোরেসন।

30/01/2021

* Total construction service: including...
1.Structural design
2.Building design(interior-exterior)
3.Electrical design
4.3D Elevation
5.Plumbing,drawing
6.Site supervision
7.Equipment & tools supply
8.Labor & vehicle supply
9.Event and sound management

Address

Patuakhali

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tikly Construction and Decoration posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share