জাতীয় যুব উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র - নিডটা

  • Home
  • Bangladesh
  • Raipur
  • জাতীয় যুব উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র - নিডটা

জাতীয় যুব উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র - নিডটা নিডটা: জাতীয় যুব উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
Technical Training Academy.

NYDTTA -National Youth Development & Technical Training Academy supports the growth and development of young people by strengthening the quality and increasing the availability of experiences offered by the organizations that serve them. We partner with community organizations, schools, colleges, policy makers, founders, and others to create programs, train staff, and develop policies that encourage and enable young people to transition successfully to adulthood.

05/07/2024
24/11/2021

# # শিক্ষাগত যোগ্যতা -

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বা কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান হতে সংশ্লিষ্ট ট্রেডে দুই (২) বছর মেয়াদী ইলেক্ট্রিক্যাল ট্রেড কোর্সে উত্তীর্ণ।

# # অভিজ্ঞতা - ২ থেকে ৩ বছর

# # বেতন - আলোচনা সাপেক্ষ

# # কর্মস্থল- রায়পুর , লক্ষ্মীপুর

**অভিজ্ঞ প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য এবং তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
**আবাসিক সুবিধা দেয়া হবে।

👉 জব ভিসায় ইউরোপের দেশ রোমানিয়া যাওয়ার অপূর্ব সুযোগ!!! 👉 বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেইউরোপের দেশ ...
17/10/2021

👉 জব ভিসায় ইউরোপের দেশ রোমানিয়া যাওয়ার অপূর্ব সুযোগ!!!
👉 বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে
ইউরোপের দেশ রোমানিয়া।
👉সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের সাক্ষাতকালে দেশটির পক্ষ থেকে এ আগ্রহ জানানো হয়।
বিস্তারিত -

১৪ অক্টোবর, ২০২১ | ইউরোপের দেশ রোমানিয়া বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। সম্প্রতি পররাষ্ট্র....

12/05/2021

আলহামদুলিল্লাহ জাগ্রত তরুণ সংঘের ইফতার আয়োজন ।
স্থান: জাতীয় যুব উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র - নিডটা
সার্বিক সহায়তা ছিলো হেল্প অর্গানাইজেশন।
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই উপস্থিত সবাইকে।

কারিগরি শিক্ষা কি?কারিগরি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে ব্যবহারিকভাবে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা ...
18/01/2021

কারিগরি শিক্ষা কি?
কারিগরি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে ব্যবহারিকভাবে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে। এটি এমন একটি শিক্ষা যা মানুষকে বিভিন্ন চাকরী যেমন ব্যবসা ও কারুশিল্পে কাজ করতে প্রশিক্ষণ দেয়।
দেশের বিপুল সম্ভাবনাময় এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হলে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রায় ১৬ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত এদেশের জনসম্পদই হচ্ছে উন্নয়নের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।

14/01/2021

জাপানে জাপানী ভাষা শিক্ষা কোর্সে আসা ভাইবোনদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা।
সামনে মার্চে তো জাপানী ভাষার কোর্স শেষ তার পরে কি করনীয়? কেউ হয়তো সেনমন অথবা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা চাকুরীর জন্য চেষ্টা করবেন।

যারা দেশ থেকে কেবল এইচএসসি শেষ করে এসেছেন,
১। তাঁদের জন্য একটা ভালো পথ হচ্ছে Specified Skills 1/特定技能1号 ভিসার জন্য JLPT N4 অথবা এর উপরের কোন জাপানিজ ভাষা পরীক্ষার সার্টিফিকেট অর্জন করা এবং সাথে Specified Skills 1 পরীক্ষায় পাস করা। ব্যস, জাপানে নিশ্চিন্তে জব নিয়ে ৫ বছর থাকার পরে Specified Skills 2 তে ট্রান্সফার হয়ে দেশে গিয়ে বিয়ে সাধি করে ফ্যামিলি নিয়ে আসা।
২। যদি সেনমন কোর্সে ভর্তি হতে চান তবে অবশ্যই টেকনোলোজি/ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করবেন। ইলেক্ট্রিকাল, ইলেক্ট্রনিক্স, প্রোগ্রামিং অথবা অটোমোবাইল ইত্যাদি সাবজেক্ট। অনেকেই কম টাকায় এবং খুব বেশি পড়া লাগেনা এমন সাবজেক্ট যেমন International Business, IT Business এই রকম কিছু আজগবি সাবজেক্ট নিয়ে পড়াশোনা করে থাকেন। বলে রাখা ভালো এই সব সাবজেক্ট নিয়ে পড়াশোনা করে জব ভিসায় যাওয়া অথবা জব খুঁজে পাওয়া খুবই দুষ্কর।

যারা দেশ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং, পলিটেকনিক ডিপ্লোমা, অথবা সাইন্স রিলেটেড বিষয় পড়াশোনা করে আসছেন,
১। জাপানী ভাষার কোর্স শেষ করে ভুলেও সেনমন অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যাবেন না যদি আপনার লক্ষ্য থাকে একান্তই জব এবং জব ভিসা নিয়ে জাপানে টিকে থাকা। কেন এভাবে বলছি, কারন জাপানী ভাষা কোর্স শেষ করে জব ভিসাতে যেতে পারলে নেক্সট ৫ বছরে আপনার ৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা যেমন হচ্ছে পাশাপাশি আপনি জাপানের পাসপোর্টের জন্য এ্যাপ্লাই করার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলবেন মানে আপনি জাপানের নাগরিক হবার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলবেন।
২। আপনি দেশে থেকে জব ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা নিয়ে এসে আবার ৪-৫বছর পড়াশোনা করে যদি জব ভিসা বা জবে যান তাহলে আপনি তখনো একজন ফ্রেসার হিসেবে জয়েন করতে হবে। আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কতো বড় ডিগ্রি অর্জন করলেন তার চেয়েও জাপানী কোম্পানি আপনাকে মূল্যায়ন করবে আপনার ভাষাগত দক্ষতা এবং বয়স দিয়ে।

যারা দেশ থেকে জেনারেল লাইনে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি অর্জন করে এসেছেন,
দেশ থেকে জেনারেল লাইনে ডিগ্রি অর্জন করতে এমনিতেই বয়স ২৬-২৭ হয়ে যায়, তাই জাপানে এসে ১-২বছর জাপানী ভাষা কোর্স করে তার পর সেনমন অথবা বিশ্ববিদ্যালয় কোর্স তার পরে চাকরি। এর চেয়ে প্যারাময় কিছু হতেই পারে না। মুক্তির পথ হচ্ছে জাপানী ভাষা কোর্স সবার চেয়ে ভালভাবে পড়াশোনা করে শেষ করা। লক্ষ্য থাকতে হবে স্কুল শেষে যেন N2 সার্টিফিকেট অর্জন করা যায়। N2 সার্টিফিকেট অর্জন করলে কয়েকটা জব ফেয়ার অথবা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করলে জব অফার পাওয়ার বেশ সম্ভাবনা আছে। তার পরেরও ব্যবস্থা না হলে হ্যালোওয়ার্কে গিয়ে নিয়মিত ঘ্যানঘ্যান করতে থাকলে একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্‌। তার পরেও রিস্কফ্রি থাকার জন্য Specified Skills 1/特定技能1号 টেস্ট দিয়ে সার্টিফিকেট অর্জন করে রাখলে বাকি পথ নিরাপদ।

আল্লাহ্‌ আমাদের সবার প্রবাসী জীবন সাফল্যময়, সহজ ও সুন্দর করুন, আমীন। - সংগ্রহীত

 িসায়_জাপান_যাওয়ার_অপূর্ব_সুযোগ!!! ★★ জাপান পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তর অর্থনৈতিক দেশ। জাপান এ রয়েছে প্রচুর শ্রমিকের ঘাটতি আর...
10/01/2021

িসায়_জাপান_যাওয়ার_অপূর্ব_সুযোগ!!!

★★ জাপান পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তর অর্থনৈতিক দেশ। জাপান এ রয়েছে প্রচুর শ্রমিকের ঘাটতি আর এই ব্যাপক শ্রমিক ঘাটতির কারণে, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। জাপানে প্রচুর জনশক্তি দরকার। আর এই জন্যই সাম্প্রতিক সময়ে জাপান জব ভিসা চালু করেছে।

✔✔ প্রশ্নঃ জাপানিজ ভাষা কেন শিখবেন ? জাপানিজ ভাষা শিখে কি জীবনে সফলতা পাওয়া সম্ভব ?
উত্তরঃ
➡ ➡ জাপানে সরকারি/বেসরকারিভাবে জব ভিসায় যাওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে জাপানী ভাষায় পর্যাপ্ত দক্ষতা থাকতে হবে। জাপান ২০২৫ সালের মধ্যে ১৪টি সেক্টরে বাংলাদেশসহ আরও ৯টি দেশ থেকে ৩,৪০,০০০ জন Specified Skilled Worker (SSW) নিয়োগ করবে ।

➡ ➡ ভাষা শিখে স্টুডেন্ট ভিসা, টেকনিক্যাল ইন্টার্ন কর্মী ভিসা এবং স্কলারশিপ পেতে পারেন

➡ ➡এমনকি আপনি জাপানিজ ভাষার সার্টিফিকেট অর্জন করলে বাংলাদেশের বিভিন্ন কনসালটেন্সি ফার্ম, এজেন্সিতে শিক্ষকতাসহ বাংলাদেশে অবস্থিত জাপানিজ কোম্পানিগুলোতেও চাকুরি করতে পারবেন। এক কথায় জাপানিজ ভাষা জানা থাকলে যেকোনো জাপানিজ প্রতিষ্ঠানে আপনার সম্মান অনিবার্য।

➡ ➡ লক্ষ লক্ষ বেকারের দেশে স্বল্প সময়ে বেকারত্ব থেকে নিজেকে বের করার জন্য জাপানী ভাষায় পর্যাপ্ত দক্ষতা অর্জন করে জাপান যাওয়ার বিকল্প নাই। এতে আপনি যেমনটা স্বল্প সময়ে অধিক পরিমানে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করবেন ঠিক তেমনি আপনার পরিবার ও দেশের উন্নতিতে ও অর্থনীতিতে ভাবনাহীন ভুমিকা রাখতে পারবেন।

➡ ➡ যারা জাপানিজ ভাষার এন-৪/এন-৫ কোর্সের উপর সার্টিফিকেট অর্জন করেছে সরকারীভাবে তাদের নিবন্ধন করে থাকে পরবর্তীতে তারা নিবন্ধনকৃত ব্যক্তিদের জাপানে যাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে। জাপানী ভাষার ৬ মাসের একটি কোর্স করে আপনি ও যেতে পারেন জাপান।

✔✔ প্রশ্নঃ কেন জাপানের এত জনশক্তি দরকার?
▬► উত্তরঃ নিম্ন মৃত্যু ও জন্মহারের কারণে আগামী ২০৬০ সালের মধ্যে বর্তমান লোক সংখ্যা ১২ কোটি ৭৩ লাখ থেকে কমে ৮ কোটি ৭ লাখে পৌঁছবে। মূলত গড় আয়ু বেশি হওয়ায় জাপানে বৃদ্ধদের সংখ্যা বেড়েই চলছে।
ফলে তাদের জীবন যাত্রা ব্যয় সামলাতে সরকারকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যা অর্থনীতির চাকা গতিহীন করে তুলছে। জাতিসংঘের ধারণা মতে, প্রজনন হার বাড়াতে না পারলে জাপানকে প্রতিবছর অন্তত সাড়ে দশ লাখ করে অভিবাসীকে নিজের দেশে ঠাঁই দিতে হবে। বৃদ্ধদের সংখ্যা বেশি বিধায় কাজ করার লোক পাচ্ছেনা সরকার।

✔✔ প্রশ্নঃ সম্পুর্ন জাপানিজ ভাষা শিখতে কত সময় দিতে হবে?
▬► উত্তরঃ জাপানিজ ভাষা শিখতে ৪ থেকে ৬ মাসের মত সময় দিতে হবে। তারপরেও আপনাকে বেশি বেশি প্র্যাক্টিস চালিয়ে যেতে হবে। আপনি যত বেশি প্র্যাক্টিস করবেন তত আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। আর জাপানিজদের কাছে দক্ষ জাপানিজ পারা লোকের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট জাপানের, এশিয়ার এ দেশটির পাসপোর্ট হাতে থাকলে ১৯১টি দেশে বিনা ভিসায় অথবা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করা যাবে। টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের সুনাম ধরে রেখেছে দেশটি।

জাপান সব ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে তার মানে বলাই যায়, আপনি শুধু জীবনে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা আর কাজের অভিজ্ঞতাই অর্জন করবেন না আপনি সমাজে একজন মানুষ ও ব্যক্তি হিসাবে কেমন হইয়া উচিত সেটাও জাপানের মানুষ ও জাপানের সংস্কৃতি আপনাকে সেরাটাই শিখিয়ে দিবে । 😃

কারিগরি শিক্ষা কি?কারিগরি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে ব্যবহারিকভাবে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা ...
30/12/2020

কারিগরি শিক্ষা কি?
কারিগরি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে ব্যবহারিকভাবে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে। এটি এমন একটি শিক্ষা যা মানুষকে বিভিন্ন চাকরী যেমন ব্যবসা ও কারুশিল্পে কাজ করতে প্রশিক্ষণ দেয়।
দেশের বিপুল সম্ভাবনাময় এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হলে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রায় ১৬ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত এদেশের জনসম্পদই হচ্ছে উন্নয়নের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।

দেশের উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার ভূমিকাঃ

প্রতিবছর প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ নতুন করে শ্রমবাজারে প্রবেশ করে। এর অধিকাংশই হয় বেকার, না হয় আধা বেকার অবস্থায় থাকে। যাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়, তারাও দক্ষতার অভাবে স্বল্প বেতন ও সুযোগ-সুবিধায় কাজ করতে বাধ্য হয়। ফলে তাদের জীবনমান থাকে অনুন্নত এবং অভাব হয় নিত্যসঙ্গী। পাশাপাশি আমাদের দেশের প্রচুর সংখ্যক লোক কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিদেশে যাচ্ছেন।

প্রবাস থেকে আমাদের দেশে তারা যে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করেন তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারি দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত এবং এ বৈদেশিক মুদ্রা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। কিন্তু আমাদের দেশ থেকে যে সকল শ্রমজীবী মানুষ বিদেশে যান তার শতকরা ২৩ ভাগ মাত্র দক্ষ, বাকি ৭৭ ভাগ আধা-দক্ষ বা অদক্ষ। ফলে তারা অন্যান্য দেশের কর্মজীবীদের তুলনায় অনেক কম আয় করেন এবং কম সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করেন। এসব শ্রমিকদের যদি দক্ষ শ্রমজীবী হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তাহলে তারা অধিক উপার্জনসহ উন্নত জীবন পাবেন। কয়েকগুণ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণে সক্ষম হবেন। কারিগরী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় জোর দেয়ার কারণে বাংলাদেশের চাইতে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যা-, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার জিডিপির হার অনেকগুণ বেশী। অথচ ১৯৭০ সালে এই দেশগুলির জিডিপি আমাদের প্রায় সমকক্ষ ছিলো।

ডিগ্রী নয় দক্ষতা অর্জনই শ্রেয় -

দক্ষতা উন্নয়নের বর্তমান পদক্ষেপের পরেও ২০২০ সালে ৭৫% শ্রমশক্তি অদক্ষ থাকবে। বাংলাদেশে যে প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে তা বিপুল পরিমানে মানুষের জন্য অপ্রতুল তার সাথে রয়েছে দুর্যোগ প্রবনতা ও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঝুকি। সব মিলিয়ে এ দেশের বর্তমান উন্নয়নের ধারা ক্রমবর্ধমান রাখতে হলে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি, শিল্পায়ন, তৈরি পোষাক শিল্প, বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি এই চারটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে গুরুত্বআরোপ করতে হবে। এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে টেকসই অবস্থানে পৌছানোর জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি।
বেকার যুবক-যুব মহিলাগণকে চাহিদা ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ সরবরাহের ফলে অধিক দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি হচ্ছে যা শিল্প- প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করতে ও কাঁচামালের অপচয় রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।
এর জন্য প্রকৃত সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও আমাদের দেশে এখনও দরিদ্র। প্রাকৃতিক উপায়গুলি কীভাবে এবং সাজসরঞ্জামগুলি সঠিক ব্যবহার করতে হয় তা আমরা জানি না।
কারিগরি শিক্ষার আরও প্রসার এবং উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা দক্ষ জনবল তৈরির মূল ক্ষেত্র। তাই উৎপাদনমুখী ও বাস্তব ভিত্তিক এ শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত এবং পেশাদার শিক্ষা আমাদের ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রযুক্তিবিদ দেয়। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর যুগে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করা প্রয়োজন।

তাই কারিগরি শিক্ষায় দক্ষতা প্রয়োজন।

08/12/2019

শীঘ্রই জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ
কোর্সের শুভ উদ্বোধন করা হবে।
যোগাযোগ ঃ
০১৭৩২৭৯০১৫০

Address

Haji Wahab Tower
Raipur
3710

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8801732790150

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাতীয় যুব উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র - নিডটা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to জাতীয় যুব উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র - নিডটা:

Share