Tech Giant Youth

Tech Giant Youth Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tech Giant Youth, Science, Technology & Engineering, Rajshahi.

Impressum
Will Provide all effective appropriate information to young generation which will help the platform.....!"Stay hungry, stay foolish" - Steve Job, Founder of Apple

বুয়েটের সমাবর্তনে এক যুবক বক্তৃতা দিতে গিয়ে বললেন—“আমার মতো ছাত্র বুয়েট আর দ্বিতীয়টি পাবে না, আর আসবেও না। আমিই শেষ।আমি ...
27/08/2025

বুয়েটের সমাবর্তনে এক যুবক বক্তৃতা দিতে গিয়ে বললেন—
“আমার মতো ছাত্র বুয়েট আর দ্বিতীয়টি পাবে না, আর আসবেও না। আমিই শেষ।

আমি আজ বেরিয়ে যাচ্ছি। আমার মতো আর কোনো ছাত্র এই বুয়েটে ভর্তি হতে পারবে না। আজ আমি গর্বিত যে এত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আমি ছাত্র ছিলাম।”

কথা বলতে বলতে তার চোখ থেকে অবিরাম জল পড়ছিল। তখন একজন প্রফেসর তাকে জিজ্ঞেস করলেন—
“তোমার গর্বিত হওয়ার কারণ কী?”

জবাবে ছেলেটি বলল—
“কমলাপুর রেলস্টেশনের পাশে একচালা এক বস্তির ঘরে আমার জন্ম। হ্যাঁ, আমি বস্তিরই ছেলে। বাবা যখন মারা যান, আমি তখন খুব ছোট। আমাকে বড় করে মানুষ করার জন্য আমার মা দিনের বেলায় ভিক্ষা করতেন আর রাতে এক বাসায় ঝির কাজ করতেন। আমি ওই বস্তিরই স্কুলে পড়তাম। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় ভালো ছিলাম।

মায়ের একার রোজগারে সংসার চলত না, তাই আমি কমলাপুর স্টেশনে বাদাম বিক্রি করতাম। স্টেশনে বাদাম নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর সময় কোথাও কোনো পড়ে থাকা ইংরেজি পত্রিকা কাগজ কুড়িয়ে এনে পড়ার চেষ্টা করতাম। আমি যখন তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হই, বস্তির স্কুলে সর্বোচ্চ নম্বর পাই।

আমার পড়াশোনার আগ্রহ দেখে একজন ভদ্রলোক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। আজ সেই ভদ্রলোকের জন্যই আমি এত দূর পর্যন্ত আসতে পেরেছি। এর জন্য আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিই।

আজ আর আমার মা বেঁচে নেই। বেঁচে থাকলে জড়িয়ে ধরে বলতাম—‘মা, তোমার বাদাম বিক্রি করা ছেলে বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ার হয়েছে।’ কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—তিনি তো আর নেই।

তবুও আমার একটাই পরিচয়—আমি বস্তির ছেলে। এই কথা বলতে আমার কোনো দ্বিধা হয় না।”

কথা শেষ করে আবারও চোখ মুছলেন ছেলেটি।

লেখাটি :সংগৃহীত

মহাকালগড় থেকে দরগাপাড়া: শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.)-এর অলৌকিক আগমন ও রাজশাহীর ইসলামী জাগরণরাজশাহী—অতীতের মহাকালগড়, যেখানে কুস...
27/08/2025

মহাকালগড় থেকে দরগাপাড়া: শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.)-এর অলৌকিক আগমন ও রাজশাহীর ইসলামী জাগরণ

রাজশাহী—অতীতের মহাকালগড়, যেখানে কুসংস্কারের অন্ধকারে ডুবে ছিল এক জনপদ। নরবলি, তন্ত্রবিদ্যা, অমানবিক প্রথার রাজত্বে হঠাৎ আলো হয়ে আবির্ভূত হলেন এক সুফী সাধক—হযরত শাহ মখদুম রূপোশ (রহ.)। তাঁর আগমন শুধু ধর্ম নয়, মানবিকতারও জাগরণ ঘটায়।

রাজশাহী—বরেন্দ্রভূমির দরগাপাড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা এক প্রাচীন নগরী; জনশ্রুতি, ইতিহাস আর আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে যার বুনন ঘন। এই শহরের প্রাণে যে নামটি সবচেয়ে গভীরভাবে উচ্চারিত হয়, তিনি হযরত শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.)—সুফী সাধক, দাওয়াতের পথিক, নৈতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক। ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগ ও চতুর্দশের শুরুতে তাঁর আগমন ও কর্মে রাজশাহী তথা বরেন্দ্র ও গৌড় অঞ্চলে ইসলামের বাণী নব আঙ্গিকে ছড়িয়ে পড়ে; মানুষের কুসংস্কার আর অমানবিক প্রথার বিরুদ্ধে মানবিকতা, তাওহীদ ও ন্যায়বোধের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

পরিচিতি ও উপাধি

শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.)—নামে যেমন শ্রদ্ধা, উপাধিতে তেমনি ইতিহাস। “শাহ”, “মখদুম”, “রূপোশ”—এই তিন উপাধি তাঁর নামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে সময়ের ধারায়। “মখদুম” আরবি শব্দ, অর্থ শিক্ষক/অভিভাবক; “রূপোশ” ফারসী, অর্থ মুখ-আবরণকারী—যা তাঁর তপস্যাপূর্ণ, সংযমী জীবনাচারের ইঙ্গিত বহন করে। লোকমুখে তিনি “বাবা মখদুম” নামেও পরিচিত।

বংশপরিচয়, জন্ম ও শিক্ষা

বিভিন্ন গ্রন্থ ও মাজার-প্রথায় প্রচলিত মতে তাঁর প্রকৃত নাম সৈয়দ আব্দুল কুদ্দুস। বংশসূত্রে তিনি কাদেরিয়া তরিকার মহান বুযুর্গ হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর বংশধর—এ দাবি জনশ্রুতিতে গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত। একাধিক বর্ণনায় আছে—৬১৫ হিজরী, ২ রজবে বাগদাদে তাঁর জন্ম। মঙ্গোল আক্রমণে (হালাকু খাঁ, ১২৫৮/৫৯ খ্রি.) বাগদাদের পতনের পর তাঁর পরিবার উপমহাদেশে আশ্রয় নেয়; পিতা আজ্জালা শাহ (রহ.) দিল্লিতে অবস্থান করেন এবং তিন পুত্র—সৈয়দ মুনিরউদ্দীন আহমদ, শাহ মখদুম রূপোশ ও সৈয়দ আহমদ তম্বরী—আধ্যাত্মিক শিক্ষায় দীপ্ত হয়ে দাওয়াতি অভিযাত্রায় বেরিয়ে পড়েন।

রাজনৈতিক পটভূমি ও বাংলায় আগমন

বাংলার মঞ্চে তখন দোলাচল—তুঘরিল খাঁর বিদ্রোহ, দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দীন বলবনের (শাসনকাল ১২৬৬–১২৮৭) অভিযান (১২৭৮ খ্রি.), পরে তাঁর পুত্র বুঘরা (বা বোখরা) খান-এর বাংলায় অভিষেক। বর্ণনায় আসে—শাহ মখদুম (রহ.) বলবনের অভিযানের সময় বাংলামুখী হন এবং গৌড়ে আলেম-সুফীদের মর্যাদা বৃদ্ধির এক সদাশয় পরিবেশে কাজ শুরু করেন।

গৌড় থেকে নোয়াখালী: দাওয়াতি যাত্রার প্রথম অধ্যায়

ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি গৌড় থেকে দক্ষিণে নৌপথে নেমে নোয়াখালীর শ্যামপুর এলাকায় প্রথম আস্তানা গড়েন। ১২৮৭ খ্রিষ্টাব্দে কাঞ্চনপুরে একটি খানকাহ স্থাপন করেন; চরিত্র, ইহসান ও আখলাকের সৌন্দর্যে তিনি অল্পকালেই বহু মানুষের হৃদয় জিতে নেন। এ সময়ে প্রিয় শিষ্য তুরকান শাহ-এর শাহাদাতের সংবাদ পেয়ে ১২৮৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি আবার গৌড় অভিমুখে যাত্রা করেন—এ যাত্রাই তাঁর রাজশাহীমুখী হওয়া ও মহাকালগড় অধ্যায়ের প্রস্তুতি।

তুরকান শাহ (রহ.) ও মহাকালগড়ের প্রাক-পর্ব

রাজশাহী (তৎকালীন মহাকালগড়)–এ তুরকান শাহ (রহ.)-এর আগমন ১২৭৯ খ্রিষ্টাব্দে। সে সময় স্থানীয় রাজাদের একাংশকে “দেও” বা “দৈত্যরাজ” নামে লোককথায় উল্লেখ পাওয়া যায়; কুসংস্কার, নরবলির মতো নিষ্ঠুর প্রথা চলত—এমন বর্ণনাই জনশ্রুতিতে বেশি। তুরকান শাহ (রহ.) ও তাঁর সঙ্গীরা এই অমানবিকতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শহীদ হন; আজও দরগাপাড়ায় তাঁদের মাজারের কথকতা শোনা যায়। এই রক্তগাথাই শাহ মখদুমের (রহ.) রাজশাহীগামী হওয়াকে ত্বরান্বিত করে।

রাজশাহীতে আগমন ও মখদুমনগর

শাহ্ মখদুম (রহ.) ১২৮৯ খ্রিষ্টাব্দে রাজশাহীতে (মহাকালগড়) উপস্থিত হয়ে বাঘা অঞ্চলে দাওয়াতি কেন্দ্র স্থাপন করেন। এখানে তাঁর নির্মিত কেল্লার নামেই এলাকার খ্যাতি—মখদুমনগর। বাঘা তখন প্রশাসনিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র; গৌড়ের সুলতান নসরত শাহ (৯৩০ হি.) এই অঞ্চল পরিদর্শন করে একটি মসজিদ ও পুকুর খননের নির্দেশ দেন—এ গল্প রাজশাহীর স্মৃতিকথায় আজও ধ্বনিত।

মহাকালগড়ের কাহিনি: কুসংস্কার-ভাঙার লড়াই

রাজশাহীর জনকথায় মহাকালগড় এক রহস্যভূমি—মন্দিরাঙ্গিনায় যাদুকুন্ড নামের এক কূপ, “দেওরাজ”দের অলৌকিকতার আবরণ, আর নরবলি-প্রথার আতঙ্ক। বর্ণনায় আছে—এক নাপিত দম্পতির কনিষ্ঠ সন্তানের নরবলি নির্ধারিত হলে তারা মখদুমনগরে আশ্রয় চায়। শাহ মখদুম (রহ.) তাঁদের সান্ত্বনা দিয়ে “সময় আসুক”—এই বার্তা দেন। পরদিন ভোরে পদ্মায় কুমিরে চড়ে তাঁর আবির্ভাবের লোককথা রাজশাহীর আখ্যানকে আজও আলোকিত করে; তিনি যাদুকুণ্ডের গূঢ়তন্ত্র নস্যাৎ করে মানবিকতার জয় নিশ্চিত করেন—এমন বিশ্বাস প্রচলিত।

এই কাহিনিরই ধারাবাহিকতায় তিন দফা সংগ্রামের উল্লেখ পাওয়া যায়—প্রথমটি ঘোড়ামারা এলাকায় (অশ্বের শাহাদাতের স্মারক নামে জনশ্রুতি “ঘোড়ামারা”), দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় মহাকালগড়ের নিয়তি বদলে যায়। বলা হয়, প্রতিপক্ষের আত্মসমর্পণ ও শান্তিচুক্তির মধ্য দিয়ে নরবলি-প্রথার অবসান ঘটে; মানুষের কাছে ধর্মের সৌন্দর্য তুলে ধরা হয় ভয়-তন্ত্রের বদলে তাওহীদের ডাক, ন্যায় ও করুণার ভাষায়।

নোট: উপরের ঘটনাপরম্পরা লোককথা ও প্রথাগত ধারার অংশ। এগুলো রাজশাহীর স্মৃতি-ঐতিহ্যের মধ্যেই প্রধানত সংরক্ষিত।

জীবনাচার: ইবাদত, শিক্ষা ও তাকওয়ার নির্জনতা

রাজশাহীতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পর শাহ মখদুম (রহ.)-এর দিনচর্যা ছিল নির্জন ইবাদত, কুরআন তিলাওয়াত, কম-বক্তৃতা, বেশি-অনুশীলন। জীবনের শেষ অধ্যায়ে তিনি শিষ্যদের অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করেন—দাওয়াত, সামাজিক সংস্কার ও ন্যায়চর্চার কাজ অব্যাহত রাখতে। মৃত্যুর পূর্বে তিনি নিজ কবরস্থানের স্থানও চিহ্নিত করে দেন—এ বয়ান রাজশাহীর অধিবাসীদের মুখে মুখে।

ইন্তেকাল, মাজার ও উরস

প্রচলিত মতে ৭১৩ হিজরী, ২৭ রজব (১৩১৩ খ্রিষ্টাব্দ)-এ তিনি ইন্তেকাল করেন। কিছু বর্ণনায় ভিন্ন সালও পাওয়া যায়—এখানে ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। মুঘল আমলে আলী কুলি বেগ তাঁর মাজারের ওপর একটি বর্গাকৃতি এক-গম্বুজ বিশিষ্ট সমাধি নির্মাণ করেন বলে প্রচলন আছে; সম্রাট হুমায়ূনের আমলে সম্পত্তি ভাড়া-মুক্তির কথাও পরে মুতাওয়াল্লিরা উল্লেখ করেছেন।

মাজারের অবস্থান: রাজশাহী শহরের দরগাপাড়া—দক্ষিণে প্রমত্তা পদ্মা, পূর্বে রাজশাহী কলেজ।
বার্ষিক উরস: প্রতি বছর ২৭ রজব—দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো আশেক-ভক্তের সমাগমে দরগাহ প্রাঙ্গণ মুখর থাকে।

কেরামত ও জনশ্রুতি

শাহ্ মখদুম (রহ.)-এর কেরামতের কথা রাজশাহীর লোকস্মৃতিতে জীবন্ত—কুমির, সিংহ-বাঘে চড়া, অনুর্বর ভূমি সবুজে রূপান্তর, ইত্যাদি। এসব বয়ান সুফি ধারার আধ্যাত্মিক ভাষ্যে বারাকতের প্রতীক—ঐতিহাসিক নথির তুলনায় এগুলো বেশি লোকবিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে বিবেচ্য।

সমাজসংস্কার ও উত্তরাধিকার

শাহ্ মখদুম (রহ.)-এর দাওয়াতি কর্মের সারবস্তু ছিল—মানুষকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা, কুসংস্কারের অবসান, ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা, হৃদয়ের শুদ্ধি। রাজশাহী-বরেন্দ্র ও গৌড় অঞ্চলে ইসলামের বিস্তারে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রতিষ্ঠাকালীন; মখদুমনগর, ঘোড়ামারা, দরগাপাড়া—এসব স্থাননাম আজও তাঁর স্মৃতি বহন করে। তাঁর রেখে যাওয়া খানকা-সংস্কৃতি জ্ঞানচর্চা, দরস-নসিহত, সেবামূল্যের ধারাকে এগিয়ে নেয়—যান্ত্রিক যুগেও মানবিকতার পাঠ স্মরণ করিয়ে দেয়।

নাম ও সাল নিয়ে বিতর্ক: ইতিহাসের পাঠ

প্রকৃত নাম: “সৈয়দ আব্দুল কুদ্দুস”—এ নামটি বহু গ্রন্থে এসেছে; তবে রাজশাহীর জনজীবনে তিনি “বাবা মখদুম” নামেই অতি পরিচিত।

উপাধি: “শাহ”, “মখদুম”, “রূপোশ”—শিক্ষকত্ব, আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব ও তপস্যার স্বীকৃতি।

ইন্তেকালের সাল: ১৩১৩ খ্রি. সবচেয়ে প্রচলিত; তবে ভিন্ন সালও উল্লেখিত—অতএব ইতিহাসপাঠে এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে—এ কথা জানা জরুরি।

রাজশাহী আগমনের প্রেক্ষাপট: তুরকান শাহ (রহ.)-এর শাহাদাত, মহাকালগড়ের কুসংস্কার, এবং স্থানীয় সমাজে ন্যায়বোধ-ভিত্তিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা—সব মিলিয়ে তাঁর আগমন ও দাওয়াতি অভিযানকে ঐতিহাসিক তাৎপর্য দিয়েছে।

দর্শনার্থীর জন্য সৌজন্য স্মারক

মাজার জিয়ারতে গেলে নিয়ত শুদ্ধ রাখা, আচার-আচরণে সংযম, মাজার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, স্থানীয় নিয়ম মেনে চলা ও অন্যের ইবাদত-মনোযোগে ব্যাঘাত না ঘটানো—এই কয়েকটি নীতি শাহ মখদুম (রহ.)-এর শেখানো আখলাকেরই বাস্তব রূপ।

হযরত শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.) রাজশাহীর ইতিহাসে শুধু একজন সুফী সাধক নন—তিনি এক নৈতিক জাগরণের প্রতীক। কুসংস্কার-ভাঙার সাহস, ইহসানের সৌন্দর্য, ন্যায় ও করুণার দাওয়াত—এই তিনের সমন্বয়ে তিনি যেভাবে বরেন্দ্রভূমির মানুষকে আলোর পথে ডেকেছিলেন, তার প্রতিধ্বনি আজও দরগাপাড়ার আকাশে ধ্বনিত। ইতিহাস, জনশ্রুতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য—সবকিছুর সংমিশ্রণে তিনি রাজশাহীর চেতনায় অমলিন এক নাম। “প্রত্নতত্ত্বের রাজশাহী”–র পাঠকদের প্রতি আহ্বান—আমরা যেন এই ঐতিহ্যকে কেবল গল্প হিসেবে না পড়ে, বরং মানবিকতার কর্মসূচি হিসেবে জীবনে ধারণ করি।

ইতিহাস শুধু গল্প নয়, শিক্ষা। শাহ মখদুম রূপোশ (রহ.)-এর জীবন আমাদের শেখায়—অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, মানবিকতা আর তাওহীদের আলো ছড়ানো। রাজশাহীর এই ঐতিহ্যকে জানুন, সংরক্ষণ করুন, শেয়ার করুন।

#শাহ্মখদুম #রাজশাহীরঐতিহ্য #সুফীসাধক #ইসলামীইতিহাস #হজরতশাহমখদুম #মখদুমরূপোশ #ঐতিহাসিকরাজশাহী #বাংলারইতিহাস #দরগাপাড়া

“কুমিল্লা পলিটেকনিক থেকে শুরু করে গুগল অফিস—খালেদ বিন সাইফুল্লাহর গল্প আমাদের শেখায়, সঠিক দিকনির্দেশনা আর অধ্যবসায় থাকলে...
26/08/2025

“কুমিল্লা পলিটেকনিক থেকে শুরু করে গুগল অফিস—খালেদ বিন সাইফুল্লাহর গল্প আমাদের শেখায়, সঠিক দিকনির্দেশনা আর অধ্যবসায় থাকলে অসম্ভব কিছুই নয়।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে স্ট্যানলি ঝং প্রমাণ করলেন- হোঁচট খাওয়ার মানেই হেরে যাওয়া নয়।তিনি একসাথে ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির...
24/08/2025

মাত্র ১৯ বছর বয়সে স্ট্যানলি ঝং প্রমাণ করলেন- হোঁচট খাওয়ার মানেই হেরে যাওয়া নয়।

তিনি একসাথে ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির আবেদন করেও রিফিউজড হন। এগুলোর মধ্যে এমআইটি, স্ট্যানফোর্ড, ক্যালটেক, কার্নেগি মেলন আর ক্যালিফোর্নিয়ার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ও ছিল।

কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, গুগল তাকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে, এমন এক পদে, যেখানে সাধারণত পিএইচডি করা লোকজন কাজ করেন!

স্ট্যানলির সাফল্যের রেকর্ড ছিল অসাধারণ। ৪.৪২ জিপিএ, এসএটি-তে ১৫৯০ স্কোর, বিশ্বব্যাপী কোডিং প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান, এমনকি হাইস্কুলেই নিজের ই-সিগনেচার স্টার্টআপ চালু করেছিলেন তিনি।

তারপরও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একে একে তাকে ফিরিয়ে দেয়। তিনি ও তার বাবা মনে করেন- এর পেছনে পক্ষপাতিত্ব কাজ করেছে। তাই তারা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন, যেখানে এশিয়ান-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন তারা।

স্ট্যানলি অল্প সময়ের জন্য টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন, কিন্তু পরে গুগলের অফার গ্রহণ করেন। এখানে সাধারণত উচ্চতর ডিগ্রিধারীরা চাকরি পান, কিন্তু স্ট্যানলির দক্ষতাই প্রমাণ করল- ডিগ্রির চেয়ে বড় হলো যোগ্যতা।

AUST IPE থেকে টেসলায় প্রসেস ইঞ্জিনিয়ার: সামিহা মুস্তাবিন জয়গীরদারের আন্তর্জাতিক সাফল্যবাফেলো, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্...
15/07/2025

AUST IPE থেকে টেসলায় প্রসেস ইঞ্জিনিয়ার: সামিহা মুস্তাবিন জয়গীরদারের আন্তর্জাতিক সাফল্য

বাফেলো, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (AUST) ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (IPE) বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে সামিহা মুস্তাবিন জয়গীরদার আজ যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেসলা-তে প্রসেস ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত।

তিনি ২০২৫ সালের মে মাসে টেসলার এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পান। এর আগে তিনি টেসলাতেই অ্যাসোসিয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ১ বছর ২ মাস ধরে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেন।

সামিহার পেশাগত যাত্রা শুরু হয় হা-মীম গ্রুপ-এ ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার হিসেবে। এরপর তিনি প্রায় তিন বছর ধরে Singer Bangladesh Ltd.-এ প্রোডাকশন অফিসার এবং পরবর্তীতে সিনিয়র অফিসার হিসেবে কাজ করেন। শিল্প উৎপাদন ও প্রক্রিয়া উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

তিনি ২০১৫-২০১৯ মেয়াদে AUST থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে তিনি ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল ও কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং এইচএসসি পাশ করেন।

সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য, আত্মবিশ্বাস, ও বিশ্লেষণী দক্ষতা দিয়ে সামিহা জয়গীরদার আজ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের গর্ব হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে চলেছেন।



মেধা এবং পরিশ্রমের সমন্বয় ঘটলে অজ পাড়াগাঁয়ে থেকেও দেশ সেরা হওয়া যায়,দৃষ্টি যেন চোখে আঙুল দিয়ে সেটাই দেখিয়ে দিলো ।
15/07/2025

মেধা এবং পরিশ্রমের সমন্বয় ঘটলে অজ পাড়াগাঁয়ে থেকেও দেশ সেরা হওয়া যায়,দৃষ্টি যেন চোখে আঙুল দিয়ে সেটাই দেখিয়ে দিলো ।

বিখ্যাত "ব্যর্থ ব্যক্তির গল্প" যারা পৃথিবী বদলে দিয়েছেন::💠১) মাত্র চার মাস পর টমাস এডিসনকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়ে...
15/07/2025

বিখ্যাত "ব্যর্থ ব্যক্তির গল্প" যারা পৃথিবী বদলে দিয়েছেন::💠

১) মাত্র চার মাস পর টমাস এডিসনকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল; তার শিক্ষক তাকে মানসিকভাবে দুর্বল বলে চিহ্নিত করেছিলেন। পরে তিনি ইতিহাসের অন্যতম সেরা আবিষ্কারক হয়ে ওঠেন।

২) চার্লস ডারউইনকে চিকিৎসাবিদ্যা ত্যাগ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল, তার বাবা তিক্তভাবে বলেছিলেন: "তুমি তোমার কল্পনা ছাড়া আর কিছুই পরোয়া করো না!" তিনি শেষ পর্যন্ত জীববিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন।

৩) "সৃজনশীলতার অভাব" এর জন্য ওয়াল্ট ডিজনিকে একটি সংবাদপত্রের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এরপর তিনি বিশ্বব্যাপী প্রজন্মের কাছে প্রিয় একটি বিনোদন সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন।

৪) বিথোভেনের সঙ্গীত শিক্ষক তাকে সম্পূর্ণ প্রতিভাহীন বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে কালজয়ী কিছু মাস্টারপিস রচনা করেছিলেন।

৫) আলবার্ট আইনস্টাইন চার বছর বয়স পর্যন্ত কথা বলতেন না এবং তার শিক্ষক তাকে মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। তিনি ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হয়ে উঠেন।

৬) আর্ট স্কুলের প্রবেশিকা পরীক্ষায় তিনবার ব্যর্থ হওয়ার পর অগাস্ট রডিনের বাবা তাকে "বোকা" ঘোষণা করেছিলেন। রডিন এখন সর্বকালের সেরা ভাস্করদের একজন হিসেবে পরিচিত।

৭) সম্রাট ফার্দিনান্দ বিখ্যাতভাবে মোজার্টের "দ্য ম্যারেজ অফ ফিগারো"-এর সমালোচনা করেছিলেন "অনেক বেশি নোট" হিসেবে। আজ, মোজার্টের প্রতিভা প্রশ্নাতীত।

৮) দিমিত্রি মেন্ডেলিফ রসায়নে গড় নম্বর অর্জন করেছিলেন, তবুও তিনি পরে পর্যায় সারণী তৈরি করেছিলেন, যা বিজ্ঞানকে মৌলিকভাবে রূপান্তরিত করেছিল।

৯) ফোর্ড অটোমোবাইলের কিংবদন্তি স্রষ্টা হেনরি ফোর্ড মৌলিক সাক্ষরতার সাথে লড়াই করেছিলেন এবং অসাধারণ সাফল্য অর্জনের আগে একাধিকবার দেউলিয়া ঘোষণা করেছিলেন।

১০) যখন মার্কনি রেডিও আবিষ্কার করেছিলেন এবং বাতাসের মাধ্যমে শব্দ প্রেরণের বর্ণনা দিয়েছিলেন, তখন তার বন্ধুরা তাকে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান, ভেবেছিলেন যে তিনি তার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন। কয়েক মাস পরে, তার আবিষ্কার সমুদ্রে অসংখ্য জীবন বাঁচিয়েছিল।

🕊️শিক্ষা: অন্যদের দৃষ্টিভঙ্গিকে কখনই আপনার সম্ভাবনা সংজ্ঞায়িত করতে দেবেন না। মহত্ত্ব প্রায়শই ব্যর্থতা দিয়ে শুরু হয়। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন!

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞান...
13/07/2025

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষাবিদ, বাঙালি ভাষাবিদ, বাংলা সাহিত্যের সর্বোত্তম সমালোচক ও মত প্রদানকারী, অন্যতম প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক, ভাষা আ*ন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ, সাহিত্যিক, ভাষাতত্ত্ববিদ ও মনীষী ৷ ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দের এইদিনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অবিভক্ত চব্বিশ পরগণা জেলার পেয়ারা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন ৷

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সবসময়ই সাহিত্য কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং বায়ান্নোর ভাষা আ*ন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন । এম.এ পাশ করার পরই তিনি বঙ্গীয মুসলিম সাহিত্য সমিতি’র সম্পাদক নিযুক্ত হন । বিভিন্ন ভাষায় ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র দখল ছিল অসাধারণ ও অসামান্য । উর্দু ভাষার অভিধান প্রকল্পেও তিনি সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন । পরে পূর্ব পাকিস্তানি (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষার আদর্শ অভিধান প্রকল্পের সম্পাদক হিসেবে বাংলা একাডেমিতে যোগ দেন ।

১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমি কর্তৃক গঠিত বাংলা একাডেমির পঞ্জিকার তারিখ বিন্যাস কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন । তাঁর নেতৃত্বে বাংলা পঞ্জিকা একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত রূপে অধিষ্ঠিত হয় ৷ তাঁর রচিত গ্রন্থ সমূহ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা সম্পদরূপে অধিষ্ঠিত সহ বাংলা সাহিত্য নিয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি আলোচনা-সমালোচনা ও গবেষণা করেন ৷ তাঁর বিখ্যাত একটি আসাম্প্রদায়িক দেশভক্তির উক্তি হলো “আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙ্গালি ।”

#মুহম্মদশহীদুল্লাহ #ভাষাবিদ #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

চট্টগ্রামের গর্বচট্টগ্রামের ছেলে এবং বুয়েটিয়ান ইফতেখার হাকিম কাউসার তার মেধা ও পরিশ্রমের প্রমাণ রেখে এবার যোগ দিলেন Meta...
13/07/2025

চট্টগ্রামের গর্ব

চট্টগ্রামের ছেলে এবং বুয়েটিয়ান ইফতেখার হাকিম কাউসার তার মেধা ও পরিশ্রমের প্রমাণ রেখে এবার যোগ দিলেন Meta (Facebook)-তে Production Engineer হিসেবে।

প্রযুক্তি দুনিয়ার এই বিশাল সংস্থায় একজন বাংলাদেশির এই অর্জন নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য গর্বের।
তোমার এই সাফল্য নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে, হাকিম 🇧🇩

মাস্টার্স না করেই এবং ৩.২৪ সিজিপিএ নিয়ে জবি রসায়নের জুনায়েদ মাহমুদ শুভ আল্লাহর রহমতে আমেরিকার ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিট...
13/07/2025

মাস্টার্স না করেই এবং ৩.২৪ সিজিপিএ নিয়ে জবি রসায়নের জুনায়েদ মাহমুদ শুভ আল্লাহর রহমতে আমেরিকার ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে রসায়নের পিএইচডি প্রোগ্রামে ফুল ফান্ডেড অফারে চান্স পান।
The Florida State University তে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চান্স পাওয়া প্রথম শিক্ষার্থী।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ১১তম ব্যাচ তথা ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী হলেও ১ম বর্ষেই রিএড নিয়েছিলেন। যার কারণে অনার্স শেষ করেছেন ১২তম ব্যাচের সাথে ২০২২ সালে।
অনার্স শেষ করেই আমেরিকাতে পিএইচডিতে আবেদন করেন জুনায়েদ মাহমুদ শুভ।

মহান আল্লাহ তায়া’লার রহমতে প্রোফাইলে মোটামুটি সব এরিয়া কাভার করা থাকায় সে টাকা খরচে মিতব্যয়ী থাকেন এবং অল্প সংখ্যক জায়গাতেই সুযোগ খোঁজ করেন।

ফলস্বরূপ, প্রফেসর ম্যানেজের মাধ্যমে তিনি প্রথমে দুই জায়গা থেকে অফার পান।
জ্যাকসন স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি এট বাফেলো।
জবির একজন শিক্ষক এবং একজন বন্ধু জ্যাকসন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে থাকায় জুনায়েদ এটাকেই বেছে নেন কোনো বাড়তি হিসেব ছাড়া।

প্রথম সেমিস্টারের একদম শেষ দিকে তিনি নিশ্চিত হোন যে পরবর্তী সেমিস্টারে তার টিউশন ফি ডিপার্টমেন্ট কিংবা প্রফেসর কাভার দিতে পারছে নাহ।
টিউশন ফি আর স্টাইপেন্ড (ফান্ডিং) আলাদা হিসেবে ছিলো, যা আবেদনের আগে গুরুত্ব পায়নি তার কাছে, নিজের শিক্ষক আর বন্ধু সে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় থাকার কারণে।

আল্লাহর রহমতে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে আবেদনের সময়সীমার একদম শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করেই কয়েকটি জায়গায় আবেদন করেন।
উল্লেখ্য যে ফল সেমিস্টারে আবেদন করে চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক গল্প হচ্ছে - আবেদন সেপ্টেম্বর - অক্টোবর এর মধ্যেই করা, দেরি হলে নভেম্বরের শুরুতে।

জুনায়েদকে দেরিতেই আবেদন করতে হয়।
এবার তিনি আর কোনো ইমেইলিং করেননি প্রফেসরদের সাথে আবেদনের আগে কিংবা অফার লেটার পাবার আগে।
সেই প্রোফাইলেই আল্লাহর রহমতে ভরসা করে সম্পূর্ণ সেন্ট্রালি তিনি আবেদন করেন ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে।
আর পরিশেষে তিনি আল্লাহর রহমতে ফুল ফান্ডেড অফার পান রসায়নের পিএইচডি প্রোগ্রামে।

(The Princeton Review এ আমেরিকার ১৬ তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং US News এ সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ২৩ তম হচ্ছে The Florida State University).

জুনায়েদের গল্পটাতে অনুপ্রেরণা নেয়ার মতো অনেক কিছুই রয়েছে।
বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য:
বিনা মাস্টার্সে পিএইচডি প্রোগ্রাম এ অফার পাওয়া।
এতো দেরিতেও আবেদন করে ডাক পাওয়া যায়, প্রোফাইল ভারি থাকলে।
প্রোফাইল স্ট্রং থাকলে প্রফেসর ম্যানেজ করার প্রয়োজন কম।
একজন রিএড নেয়া শিক্ষার্থী হয়েও আল্লাহর রহমতে এই অর্জন।

জুনায়েদ মাহমুদ শুভ (Zunayed Mahmud Shuva)'র আবেদনের সময়কার প্রোফাইল:

অনার্স এর সিজিপিএ: ৩.২৪

IELTS : 7.0
GRE : 306
TOEFL : 95

ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে ৩টি গবেষণাপত্র (আবেদনের আগে প্রকাশিত ছিলো ২টি)

তার প্রকাশিত ৩টি গবেষণা পত্র আলাদা আলাদা প্রফেসরদের সাথে এবং রসায়নের সম্পূর্ণ ভিন্ন ৩ বিভাগের।

এটাও তার প্রোফাইলকে ইউনিক প্রমাণ করেছে এডমিশন কমিটির কাছে।
উল্লেখ্য যে - তিনি 1st Author ছিলেন নাহ গবেষণাপত্র গুলোতে,
কিন্তু ৩টিই ছিলো Research Paper.

জবি রসায়ন বিভাগের কয়েকজন প্রফেসরের সাথেই তার গবেষণাপত্র রয়েছে।

তিনি ২০২৪ সালের ফল সেমিস্টারে ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে যাত্রা শুরু করেছেন।

আপনারা Zunayed Mahmud Shuva ভাইয়ের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের প্রা...
13/07/2025

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. ওয়াসিক আল আজাদ এখন গুগলের মেশিন লার্নিং নেটওয়ার্কিং টিমের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। নতুন প্রজন্মের মেশিন লার্নিং প্রযুক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে জেমিনি ও গুগল ক্লাউডের বড় আকারের এমএল ট্রেনিং চালাতে যে জটিল নেটওয়ার্কিং প্রয়োজন, সেই কাজে এখন যুক্ত রয়েছেন তিনি।

ওয়াসিক আল আজাদ রুয়েটের ২০১২–১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীনই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ ও নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার আগ্রহ তাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। রুয়েট থেকে স্নাতক সম্পন্নের পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নেব্রাস্কা অ্যাট ওমাহা থেকে মাস্টার্স শেষ করেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব নটর ডেম থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করেন।

শিক্ষাজীবনে শুধু ক্লাসরুমেই থেমে থাকেননি ওয়াসিক। নেব্রাস্কা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্র্যাজুয়েট টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন, পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে একটানা গবেষণায় যুক্ত ছিলেন মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে। কম্পিউটার সিস্টেম ও মেশিন লার্নিং নিয়ে তার গবেষণা তাকে নিয়ে গেছে গুগলের মতো বিশ্বমানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে।

গুগলে তিনি এখন যে দলে কাজ করছেন, সেই দল জিপিইউ ও টিপিইউ পডগুলোর মধ্যে ইন্টারকানেক্ট তৈরি করে মেশিন লার্নিং পারফরম্যান্স ও স্কেলেবিলিটি আরও উন্নত করছে। জেমিনি প্রজেক্টের পাশাপাশি গুগল ক্লাউডের বহির্বিশ্বের গ্রাহকদের বড় মাপের এমএল ট্রেনিং সুবিধা নিশ্চিত করতেও অবদান রাখছেন ওয়াসিক আল আজাদ।

রুয়েটের গর্ব ওয়াসিকের এ অর্জন শুধু তারই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-সহপাঠী ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকল।

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tech Giant Youth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share