M/s A.B KHAN Filling Station

M/s A.B KHAN Filling Station LPG, PETROL, OCTEN, DIESEL , TOTAL, MOTUL LUBRICANTS SUPPLIER (DEALER OF PADMA OIL COMPANY LIMITED)

দেশে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি সালফার পাওয়া গেছে। আর সরকারিভাবে নির্ধারিত মাত্রাও গ্রহণযোগ্...
14/12/2025

দেশে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি সালফার পাওয়া গেছে। আর সরকারিভাবে নির্ধারিত মাত্রাও গ্রহণযোগ্য সীমার ৩৫ গুণ বেশি, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বায়ুদূষণের একটি বড় কারণ হলো জ্বালানি তেলে সালফার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও বায়ুমানবিষয়ক গবেষক আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেন, সালফার শুধু নিজে দূষণ করে না, বস্তুকণা তৈরি করে আরও কিছু উপাদানের দূষণে সহায়তা করে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। তাই সারা পৃথিবীতে জ্বালানি তেলে সালফার কমিয়ে রাখে। দেশে পরীক্ষায় যে মাত্রায় সালফার পাওয়া গেছে, তা ভয়াবহ।

দেশে জ্বালানি তেল পরীক্ষা হয়েছে দুটি সংস্থায়। একটি হলো বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। দ্বিতীয়টি বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)। এসব পরীক্ষায় কিছু নমুনায় জ্বালানি তেলে সালফার নির্ধারিত মাত্রা, অর্থাৎ ৩৫০ পিপিএমের (পার্টস পার মিলিয়ন) নিচে পাওয়া গেছে। কিছু নমুনায় পাওয়া গেছে ১ হাজার ৩৪৮ থেকে ২ হাজার ৮০০ পিপিএম পর্যন্ত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চমাত্রায় সালফার পাওয়া ভয়াবহ ঘটনা। আর ৩৫০ পিপিএমের নিচে পাওয়া মানেই ভালো, তা নয়। কারণ, জ্বালানি তেলে সালফারের গ্রহণযোগ্য মাত্রা আসলে ১০ পিপিএম। ইউরোপের দেশগুলো ১০ পিপিএম মাত্রার ভালো মানের জ্বালানি তেল ব্যবহার করে। প্রতিবেশী দেশ ভারতও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি তেলে সালফারের মাত্রা ঠিক করেছে ১০ পিপিএম।

মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের ক্ষতি ও তেলের ট্যাংকে দ্রুত মরিচা পড়া নিয়ে নিয়মিত গ্রাহকের অভিযোগ আসছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ অক্টোবর গাজীপুরে মেঘনা তেল কোম্পানির এক পরিবেশকের কাছ থেকে অকটেনের নমুনা সংগ্রহ করে একটি মোটরসাইকেল উৎপাদন ও বিপণনকারী কোম্পানি। তারা তা বিসিএসআইআরে পরীক্ষা করায়। গত ২০ অক্টোবর পাওয়া প্রতিবেদন বলছে, এতে সালফারের মাত্রা ২ হাজার ৮০০ পিপিএম।

জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক সাজিদ হোসেন খান প্রথম আলোকে বলেন, সালফার শ্বাসনালিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে অ্যাজমা, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগ (সিওপিডি), ব্রঙ্কাইটিস, শ্বাসকষ্ট ও শিশুদের ফুসফুসের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। অল্প মাত্রার সালফারও সংবেদনশীল ব্যক্তিদের মধ্যে হাঁপানি ‘অ্যাটাক’ সৃষ্টি করতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তিনি বলেন, বাতাসে সালফারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

© প্রথম আলো

13/12/2025

এক গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক।
দুধ জ্বালিয়ে দই, দই থেকে মাখন—এই সামান্য আয়েই চলে তার সংসার।

প্রতি সপ্তাহের মতো একদিন কৃষকের স্ত্রী গোল গোল মাখনের রোল বানালেন।
দেখতে প্রতিটাই এক কেজির মতো।
কৃষক সেগুলো নিয়ে শহরের পরিচিত দোকানে হাজির হলেন।

দোকানদার মাখন নিলেন,
আর কৃষক নিলেন চিনি, চা, তেল—সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
লেনদেন শেষ, সবাই খুশি।

কিন্তু কৃষক চলে যাওয়ার পর দোকানদারের মনে সন্দেহ জাগল—
“একবার ওজন করে দেখি।”

ওজন করতেই চোখ কপালে!
প্রতিটা মাখন ১ কেজি নয়—মাত্র ৯০০ গ্রাম!

রাগে দোকানদারের মাথা গরম।
ভাবলেন, কৃষক তাকে ঠকিয়েছে।

পরের সপ্তাহে কৃষক আবার মাখন নিয়ে এলে
দোকানদার চেঁচিয়ে উঠলেন—

“দূর হও!
৯০০ গ্রাম মাখনকে ১ কেজি বলে বিক্রি করো?
আমার দোকানে আর আসবে না!”

কৃষক চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলেন।
চোখ নামিয়ে শান্ত কণ্ঠে বললেন—

“দাদা, রাগ করবেন না।
আমি গরিব মানুষ… দাড়িপাল্লার বাটখরা কেনার সামর্থ্য নেই।”

দোকানদার একটু থমকালেন।

কৃষক আবার বললেন—

“আমি প্রতিবার আপনার দোকান থেকেই যে ১ কেজি চিনি নেই,
সেই চিনিকেই মাপ ধরে মাখন বানাই।
আপনার চিনি যদি পুরো ১ কেজি হতো,
আমার মাখনও ঠিক ১ কেজিই হতো দাদা।”

নীরব হয়ে গেল দোকান।
দোকানদারের মুখ ফ্যাকাশে, মাথা নিচু।

শিক্ষাঃ
আপনি যে মাপ দিয়ে মানুষকে মাপেন,
একদিন ঠিক সেই মাপকাঠিতেই আপনাকে মাপা হবে।

যা দেন—তা-ই ফিরে আসে।
ধোঁকা দিলে ধোঁকা,
ন্যায় দিলে ন্যায়,
আর সততা দিলে—আল্লাহ বহুগুণে ফিরিয়ে দেন।

#বন্ধু

14/11/2025
★ অসুখী মানুষ ★এক রাজা একদিন তার উজিরকে জিজ্ঞেস করলেন, "আচ্ছা বলো তো অধিকাংশ মানুষ অসুখী কেন?"উজির কিছুক্ষণ নীরব থেকে রা...
29/10/2025

★ অসুখী মানুষ ★

এক রাজা একদিন তার উজিরকে জিজ্ঞেস করলেন, "আচ্ছা বলো তো অধিকাংশ মানুষ অসুখী কেন?"

উজির কিছুক্ষণ নীরব থেকে রাজাকে বললেন, "এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আপনাকে একটি ছোট কাজ করতে হবে।"

রাজা বললেন,"কি কাজ?"

উজির বললেন, "আপনাকে একটি থলেতে নিরানব্বইটি স্বর্ণমুদ্রা রাখতে হবে। সাথে একটি কাগজে লিখে রাখতে হবে, যাতে লেখা থাকে থলেতে ১০০টি স্বর্ণমুদ্রা রয়েছে। তারপর থলিটি রাতে আপনার কোন কর্মচারীর ঘরের সামনে রেখে আসুন।"

রাজা উজিরের কথা মত তাই করলেন। মুদ্রা ভরা থলেটি একজন রাজকর্মচারীর ঘরে সামনে রেখে এলেন।

কর্মচারী রাতে প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হলে দেখতে পেলেন ঘরের সামনে একটি থলে পড়ে আছে। থলেটা ঘরে নিয়ে খোলার পর স্বর্ণমুদ্রা গুনা শুরু করলো। গুনে নিরানব্বইটি স্বর্ণমুদ্রা পেল। কিন্তু কাগজে লেখা ১০০টি স্বর্ণমুদ্রা। আরো কয়েকবার গুনেও স্বর্ণমুদ্রা ৯৯টিই পেল। একটি মুদ্রা না পেয়ে সেই কর্মচারী ঘরের সবাইকে ঘুম থেকে উঠিয়ে স্বর্ণমুদ্রা খোঁজার কাজে লাগিয়ে দিল। সবাই মিলে সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও স্বর্ণমুদ্রাটি আর পেলেন না।

এদিকে রাজা আর উজির আড়ালে দাঁড়িয়ে সবকিছু লক্ষ করছিলেন। সকালে ওই কর্মচারী যখন রাজবাড়ি আসলেন,রাজা দেখতে পেলেন কর্মচারীর মুখ মলিন। তার মন যেন অতিমূল্যবান কিছু হারিয়ে যাওয়ার ব্যাথায় জর্জরিত।

এবার উজির রাজাকে বললেন, "রাজা মশাই ওই একের জন্যই আমরা এত অসুখী! সৃষ্টিকর্তা আমাদের যত কিছুই দেন না কেন, সবই হচ্ছে নিরানব্বইটি স্বর্ণমুদ্রার মত। আমরা সেগুলো নিয়ে তুষ্ট থাকি না। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি না। সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে কি দিয়েছেন, সেই হিসাব না করে আমরা শুধু অপ্রাপ্তি হিসেব করি। এক সময় অপূর্ণতা এত বেশি থাকে যে, কি পেয়েছি তা একেবারে মনেই থাকে না। তখন সবদিকে শুধু অপ্রাপ্তিই আমাদের চোখে পড়ে, আর মনে শুধু অপূর্ণতার হাহাকার।"

আমরা যদি সৃষ্টিকর্তার দেওয়া অসংখ্য প্রাপ্তির কথা মনে রাখি, তাহলে মনে অশান্তি থাকবে না। হতাশা আমাদেরকে স্পর্শও করতে পারবে না। তখন শুধু মনে হবে সৃষ্টিকর্তা তো আমি না চাইতেই আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। তাই মনে বিশ্বাস রাখুন আপনি অনেক ভালো আছেন, সত্যিই অনেক সুখে আছেন।

22/10/2025



উগান্ডার প্রথম প্রাইম-মিনিস্টার অ্যাপোলো মিল্টন ওবোটে তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিলেন। জনৈক প্রফেসর─ পিটার্স─ চূড়ান্ত ঘৃণা কর...
12/10/2025

উগান্ডার প্রথম প্রাইম-মিনিস্টার অ্যাপোলো মিল্টন ওবোটে তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিলেন। জনৈক প্রফেসর─ পিটার্স─ চূড়ান্ত ঘৃণা করতেন ওবোটেকে।

একদিন, প্রফেসর পিটার্স ডাইনিং রুমে খাচ্ছিলেন। ওসময় মিল্টন ওবোটে তার খাবারের ট্রে নিয়ে এসে বসলেন প্রফেসরের পাশে। বিরক্ত প্রফেসর বলে উঠলেন─ "মিস্টার ওবোটে, আপনি হয়তো জানেন না যে, শুয়োর ও পাখি পাশাপাশি খেতে বসে না।"

ওবোটে তাকালেন বিরক্ত প্রফেসরের দিকে, তারপর শান্ত-কণ্ঠে বললেন─ "ঠিকাছে প্রফেসর, চিন্তা করবেন না, আমি উড়ে যাচ্ছি।"

ওবোটে উঠে গিয়ে অন্য টেবিলে বসলেন। ক্রোধে লাল হলেন প্রফেসর, এবং এই অপমানের শোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন।

পরদিন, ক্লাসে এসে, প্রফেসর পিটার্স এই প্রশ্নটি করলেন─ "মিস্টার ওবোটে, ধরুন আপনি রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার সময় একটি বাকশো কুড়িয়ে পেলেন, ওটার ভিতরে দু'টি উপহার: টাকা এবং জ্ঞান; আপনি নিতে পারবেন যেকোনো একটি। কোনটি নিবেন?"

ওবোটে অকপটে জানালেন─ "অবশ্যই টাকা।"

পিটার্সের চোখেমুখে ফুটে উঠলো তাচ্ছিল্যের হাসি, ওবোটেকে বাগে পাওয়ার আত্মহারা আনন্দ─ "আপনার জায়গায় আমি হলে, জ্ঞানটাই নিতাম।"

ওবোটে নির্লিপ্ত─ "যার যা নেই, সে তো সেটাই নেবে।"

এই জবাবের পরিণাম হলো ভয়াবহ! মিল্টন ওবোটের পরীক্ষার খাতায় কোনো নাম্বার দিলেন না প্রফেসর পিটার্স, খাতার উপরে শুধু লিখে দিলেন একটি অক্ষর─ 'ইডিয়ট'।

কষ্ট পেয়েছিলেন মিল্টন ওবোটে। মেনে নিয়েছিলেন তার পরিশ্রমের মূল্য না-পাওয়ার এই স্নবারি। তিনি মেধাবী ছিলেন, ভদ্র ছিলেন, প্রতিবাদী, পরিশ্রমী তো ছিলেনই, এবং ছিলেন স্পষ্টবাদী ও অকল্পনীয় শান্ত-বুদ্ধির। খাতাটি হাতে নিয়ে উঠলেন তিনি, ধীরে হেঁটে গেলেন প্রফেসর পিটার্সের সামনে। পিটার্স এটার অপেক্ষায় ছিলেন, একটা হেস্তনেস্ত হয়ে যাক আজ, ঝামেলা বাঁধাক ওবোটে, তারপর শাস্তি দেওয়া যাবে দৃষ্টান্তমূলক।

সুস্থির, প্রশান্ত, প্রত্যুৎপন্নমতি অ্যাপোলো মিল্টন ওবোটে খাতাটি এগিয়ে ধরে ভদ্র-কণ্ঠে বললেন─ "মিস্টার প্রফেসর, আমার খাতার উপরে আপনি নিজের নামটি সাইন করেছেন, কিন্তু নাম্বার লিখে দিতে ভুলে গেছেন।"

এই একটি বাক্যের পর থেকেই, মিল্টন ওবোটেকে আর ঘাঁটাননি প্রফেসর পিটার্স।

হ্যাঁ, যুদ্ধ ব্রেইন দিয়ে করতে হয়, উইপন দিয়ে নয়।

Salah Uddin Ahmed Jewel
তথ্যসূত্র─ লিখক ও প্রফেসর ওজোক আইজ্যাক।

https://www.facebook.com/share/1XQmtHDK8d/
06/10/2025

https://www.facebook.com/share/1XQmtHDK8d/

এক বিশেষ প্রজাতির বাজপাখি চল্লিশ বছর বয়সে হঠাৎ যেন হারিয়ে ফেলে নিজের সব শক্তি। এক সময় আকাশের রাজা ছিল যে পাখি, শিকার ধরতে যার ক্ষিপ্রতা ছিল তুলনাহীন—সে তখন ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে থাকে।

তার নখ লম্বা হলেও আর শক্ত থাকে না, শিকার ধরা অসম্ভব হয়ে ওঠে। ঠোঁট সামনের দিকে বাঁকা হয়ে যায়, ফলে খাবার ছিঁড়ে খাওয়ার শক্তি হারিয়ে ফেলে। ফলে খাবার খুটে বা ছিঁড়ে খাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ডানা ভারী হয়ে যায় এবং বুকের কাছে আটকে যাওয়ার দরুন উড়ার ক্ষমতাও সীমিত হয়ে যায়। ফলস্বরূপ শিকার খোঁজা, ধরা ও খাওয়া তিনটিই ধীরে ধীরে মুশকিল হয়ে পড়ে।। আকাশের বিশালতা তখন তার কাছে হয়ে ওঠে দূর স্বপ্ন।

সামনে তিনটে পথ খোলা থাকে—
১. ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া।
২. শকুনের মতো মৃতদেহ খেয়ে দিন কাটানো।
৩. অথবা নিজের শরীরকে নতুন করে গড়ে তোলা, যন্ত্রণা মেনে নেওয়া, আরেকবার শক্তি ফিরে পাওয়া।

বাজপাখি বেছে নেয় তৃতীয় পথ। সে উড়ে যায় এক উঁচু পাহাড়ের চূড়ায়, যেখানে কেউ তার দুর্বলতা দেখতে পাবে না। সেখানে আশ্রয় নিয়ে শুরু করে অসম্ভব এক সংগ্রাম।

প্রথমে সে পাথরে ঠুকে ঠুকে নিজের বাঁকা ঠোঁট ভেঙে ফেলে। যন্ত্রণা অসহনীয়, তবুও সে সহ্য করে। অপেক্ষা করে নতুন ঠোঁট গজানোর। তারপর সে নিজের নখ একে একে ভেঙে ফেলে, রক্তপাত হয়, কষ্ট হয়—কিন্তু থামে না। নতুন নখ গজানোর পর সে পালা আসে ডানার। বুকের সঙ্গে লেগে থাকা ভারী পালকগুলো একে একে ছিঁড়ে ফেলে দেয়। প্রতিটি ছেঁড়ার সঙ্গে যন্ত্রণা চিৎকার করে ওঠে, কিন্তু বাজপাখি নিরব থাকে।

১৫০ দিনের এই দুঃসহ যন্ত্রণার শেষে একদিন সে জেগে ওঠে নতুন দেহ নিয়ে। গজিয়েছে নতুন ঠোঁট, নতুন নখ, নতুন পালক। আবার সে আকাশে উড়ে যায়, শিকার ধরে, আর ফিরে পায় তার রাজকীয় গরিমা। এরপর সে বাঁচে আরও ৩০ বছর, পূর্ণ শক্তি ও মর্যাদায়।

এই গল্প শুধু পাখির নয়, আমাদের প্রত্যেকের। চল্লিশ পার হতে না হতেই আমরা অনেকে মনে করি—সব শেষ। ইচ্ছাশক্তি কমে যায়, উৎসাহ শুকিয়ে যায়, স্বপ্ন দেখা বন্ধ হয়ে যায়। তখন আমাদেরও সামনে তিনটে পথ থাকে: হাল ছেড়ে দেওয়া, অজুহাত দিয়ে বেঁচে থাকা, অথবা বাজপাখির মতো নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলা।

আমাদেরও দরকার পুরনো অভ্যাস ভাঙা, আলস্য আর নেতিবাচক চিন্তা দূর করা, অতীতের ভার ঝেড়ে ফেলা। হয়তো ১৫০ দিনের মতো দীর্ঘ নয়, কিন্তু এক মাসের চেষ্টা, এক সপ্তাহের দৃঢ়তা—সেটাই হতে পারে আমাদের নতুন জীবনের সূচনা।

জীবন আসলে থেমে থাকার নাম নয়। যত কষ্টই আসুক, আপনাকে মনে রাখতে হবে—বাজপাখিও মৃত্যুর দোরগোড়া থেকে ফিরে এসে নতুন আকাশ পেয়েছিল।

তাই কখনোই নিজেকে হারতে দেবেন না। হাল ছেড়ে দেবেন না। আপনার ভেতরেও সেই শক্তি আছে। শুধু প্রয়োজন সাহসী সিদ্ধান্ত, আর যন্ত্রণা সহ্য করার মন। তখনই একদিন আপনিও বলতে পারবেন—আমি আবার উড়তে শিখেছি।

An Animesh (পরিমার্জিত)

#বাজপাখিরগল্প #জীবনেপাঠ #অনুপ্রেরণামূলকগল্প #জীবনপরিবর্তন

New Rate Of LPG 58.15
03/09/2025

New Rate Of LPG 58.15

Address

Satkhira
9400

Telephone

+8801715167202

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M/s A.B KHAN Filling Station posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to M/s A.B KHAN Filling Station:

Share