M.K. Architects and Engineering

M.K. Architects and Engineering "স্বল্প খরচে দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনে বাড়ি তৈরীতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আমরা"

23/09/2023

Project No- 32 ongoing
6 storied Residential Building at Airport

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?➥১. পর্চা বা খতিয়ান। ➥২. দলিল। ➥৩. ম্যাপ বা নকশা।এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া ...
10/05/2023

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

৮ মাত্রার ভুমিকম্পের পরেও, কিন্তুু মাচাঁ উচু করে দাঁড়িয়ে আছে:  বিএসসি পাশ করার  সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে বেশ কিছু অভিজ্ঞত...
13/02/2023

৮ মাত্রার ভুমিকম্পের পরেও, কিন্তুু মাচাঁ উচু করে দাঁড়িয়ে আছে:
বিএসসি পাশ করার সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে বেশ কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি।
অন্যান্য ক্ষেত্র অপেক্ষা স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংটা একটু ব্যতিক্রমী। হিসাব নির্ভর এই ক্ষেত্রটি ভবন নির্মাণ মালিক, কোম্পানি এমন কি বিল্ডিংয়ের স্থপিতের কাছে পর্যন্ত অবহেলিত এক শিক্ষা। এখানে রাজমিস্ত্রী থেকে শুরু করে কন্সট্রাকশন লেবার পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে পছন্দ করে। একেক জনের একেক মত, চিন্তাও অনেক অদ্ভুত। বিল্ডিং এর কলাম/ফাউন্ডেশনের এর সাইজ এরা মুখস্ত বলতে পারে। কত তলা বিল্ডিং হলে কত মিলি রড ব্যবহার করতে হবে তাও তাদের নখ দর্পনে থাকে।
অথচ একটা বিল্ডিং এর স্ট্রাকচারাল ডিজাইন কেমন হবে তা অনেকটা নির্ভর করে বিল্ডিং এর সাইজ,বিল্ডিং এর উচ্চতা, মাটির গুনাগুন,সাইজমিক জোন (ভূমিকম্প জোন), বাতাসের বেগ, বাতাসের জন্য এক্সপোজার টাইপ ইত্যাদির উপরে। একটা বিল্ডিং ঢাকার জেলার জন্য যে স্ট্রাকচারাল ডিজাইন হবে, সেই একই বিল্ডিং সিলেটে অন্যরকম ডিজাইন হবে। এমন কি ঢাকায় করা দুইটি একই ধরণের বিল্ডিং এর স্ট্রাকচারাল ডিজাইন হুবহু একই বিল্ডিং, একই জোন যেমন ঢাকাতে(এমনকি এক বিল্ডিং থেকে আরেকটা বিল্ডিং ১০০ মিটার এর কম দুরুত) হলেও এর স্ট্রাকচারাল ডিজাইন আলাদা হতে পারে শুধুমাত্র মাটির ভিন্ন কোয়ালিটির জন্য( ইঞ্জিনিয়ারিং এ আমরা soil site Classifications বলি) ।
তারমানে একটি বিল্ডিং ডিজাইন করতে গেলে অনেক নিয়ম মানতে হয়। এই নিয়ম বানায় কারা? রাষ্টীয় ভাবে আমাদের এই নিয়ম গুলো বানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC)! উপরে উল্লেখিত কোন বিষয়ই আমাদের মন গড়া কথা না। এটাই রাষ্টীয় আইন তথা বিল্ডিং কোড।
অথচ প্রকৌশলী হিসাবে কোন ডিজাইন করতে গেলে অনেক জায়গায় প্রশ্ন শুনতে হয়, পাশের বাসা ৬ টা করে রড দিয়ে তোলা আপনার ডিজাইনে ১০ টা রড কেনো? এসব প্রশ্নের উত্তর অনেক সবুর করেই দেই। মাঝে মাঝে বিরক্ত ও লাগে।
এতো কথা বলেও বুঝানো যায় না।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে ও এরকম ছিলো। ৪ তলার স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করে ৬ তলা তুলেছে। তথাকথিত প্রাকটিস বিহীন প্রকৌশলী দ্বারা বৈধ ও করে নিয়েছে। কিন্তু প্রকৃতি ক্ষমা করেনি। রানা প্লাজা ধসের ঘটনা ঘটেছে, হাজার হাজার মানুষকে জীবন দিয়ে প্রমান করতে হয়েছে এই সব জিনিস অবৈধ।
সারাদেশের আবাসিক ভবনগুলার অবস্থা আরো খারাপ। মধ্যমানের একটা ভুমিকম্প যদি হয় (যার epi center ঢাকার ১০০-২০০ কিমি এর মাঝে) কি যে অবস্থা হবে তা সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানেন। এই সব বিল্ডিং বানানোর সময় ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রেই কোনো কোড মানা হয় নাই। ইঞ্জিনিয়ারিং এসেসমেন্ট এর আন্ডারে নিয়ে আসলে ৯০% বিল্ডিং এরই টিকে থাকার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
অথচ ভবনগুলো বানানোর সময়ে ভবন মালিকগন যদি একটু সচেতন হয়ে একজন প্রফেশনাল স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার দ্বারা ডিজাইন করে নিতেন তাহলে এই অবস্থা তৈরি নাও হতে পারতো। কয়েক কোটি টাকার বিল্ডিং একটা প্রফেশনাল স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার যে খরচ নিবে তা বিল্ডিং এর সব খরচের ১% বা তার কিছু কম বা বেশি। এই খরচ বাচাতে গিয়ে আপনার ৯৯% বিনিয়োগ টাই অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে।
নিচের বিল্ডিং গুলো তুরস্কের। হাজার টা স্থাপনার মাঝখানে বেশ সংগ্রাম করেই টিকে আছে। কারন এটা বানানোর সময় অনেক সচেতনভাবে স্ট্রাকচারাল প্রকৌশলী ডিজাইন করেছিলেন। প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার, সুপার ভাইজার, লেবার সবাই যার যার দায়িত্ব সততার সাথে পালন করেছিলেন।
আপনি কি চান, সেটা আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মনে রাখতে হবে আপনি প্রকৌশলী হন কিংবা ভবন মালিক, আপনার গাফিলতির জন্য কারো প্রাণ গেলে অবশ্যই আপনাকে তার জবাবদিহি হবে। এপারে পার পেয়ে গেলেও, ওপারে বিচার হবে!
এখন তো অনেক বাড়ির মালিক ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে যায়, যার জন্য তুরস্কে আজকে এই করুন অবস্থা।

Address

12/A Pulerpar, Lamabazar
Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M.K. Architects and Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share