The Bengal Mind

The Bengal Mind Author, Blogger, Activist, Fact Checker

19/04/2026
ইরানের নতুন নেতৃত্ব নি*উক্লি*য়ার উ*য়েপে*নের ব্যাপারে কী ভাবছে?মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি অনেক সময় এক অদ্ভুত নাট্যমঞ্চের মতো। ...
10/03/2026

ইরানের নতুন নেতৃত্ব নি*উক্লি*য়ার উ*য়েপে*নের ব্যাপারে কী ভাবছে?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি অনেক সময় এক অদ্ভুত নাট্যমঞ্চের মতো। এখানে আজ যে ঘটনাকে বিজয় বলে মনে হয়, কালই সেটি বিপদের সূচনা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আলি খামেনির মৃত্যুর ঘটনাটিও অনেকটা তেমন। প্রথম দৃষ্টিতে মনে হতে পারে ইসরায়েলের জন্য এটি এক বড় কৌশলগত সাফল্য। কিন্তু ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, কখনো কখনো যে শত্রুকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তার জায়গাতেই জন্ম নেয় আরও কঠিন এক প্রতিপক্ষ। আলি খামেনি অন্তত ঘোষিত নীতিতে পারমাণবিক অস্ত্রের বিরোধী ছিলেন। ২০১০ সালে তেহরানে নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন,
“We consider the use of nuclear weapons as haram and believe it is everyone’s duty to make efforts to secure humanity against this great disaster.”
ইরান দীর্ঘদিন ধরে এই বক্তব্যকে এক ধরনের নৈতিক অবস্থান হিসেবে তুলে ধরেছে। রাষ্ট্রের নীতির ভেতরেও তার প্রতিধ্বনি শোনা গেছে বহুবার। কিন্তু ক্ষমতার রাজনীতিতে শূন্যতা কখনো বেশিক্ষণ ফাঁকা থাকে না। এখন আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে মোজতবা খামেনির নাম। অনেক পর্যবেক্ষকের ধারণা, তিনি স্বভাবতই আরও কঠোর এবং সংঘর্ষের প্রশ্নে কম আপসপ্রবণ। বিরোধী শক্তিকে দমনের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বহুদিন ধরেই নানা আলোচনা রয়েছে। ২০০৯ সালের ইরানের বিক্ষোভ দমনের সময় তাঁর কঠোর অবস্থানের কথা বিশ্লেষকেরা প্রায়ই উল্লেখ করেন। এর আগেও শাসনবিরোধী আন্দোলন মোকাবিলায় শক্ত হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে তিনি ছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তরুণ বয়সে ইরাক ইরান যুদ্ধের সময় তিনি ফ্রন্টলাইনে ছিলেন বলেও নানা সূত্রে উল্লেখ আছে। সেই অভিজ্ঞতা যে তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করেছে, এমন ধারণাও অমূলক নয়। যুদ্ধের বাস্তবতা কাছ থেকে দেখা মানুষ অনেক সময় নিরাপত্তার প্রশ্নে অন্যদের চেয়ে বেশি নির্মম সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করে না। আরও একটি দিক অনেক সময় আলোচনায় আসে। তিনি রক্ষণশীল বলেই পরিচিত, কিন্তু ব্যক্তিগত ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে নানা বিতর্কও তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে অর্থ পাচার বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও শোনা গেছে বিভিন্ন সময়ে। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু এসব আলোচনা অন্তত একটি ধারণা দেয় যে বাস্তব রাজনীতিতে শক্তি ও স্বার্থের হিসাব কখনো কখনো ধর্মীয় বিধানের চেয়েও বড় হয়ে উঠতে পারে।
এই জায়গাতেই মূল প্রশ্নটি এসে দাঁড়ায়। শত্রু দমনের প্রশ্নে নতুন নেতৃত্ব কি তাঁর পিতার সেই ধর্মীয় ফতোয়াকে অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলবে? নাকি নিরাপত্তা আর প্রতিরোধের যুক্তি সামনে এনে সেই নৈতিক সীমারেখাকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করা হবে? রাজনীতির একটি পুরোনো সত্য আছে। অনেক সময় যে প্রতিপক্ষকে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বলে মনে হয়, তিনিই আসলে সবচেয়ে অনুমেয়। তাকে সরিয়ে দিলে মাঠে নামে এমন কেউ, যার চালচলন বোঝা কঠিন। তখন আলোচনার ভাষা বদলে যায়; যুক্তির জায়গা ধীরে ধীরে শক্তির কাছে জায়গা ছেড়ে দেয়। মোজতবা খামেনি সেই অজানা অধ্যায়ের নাম হতে পারেন কি না, তা সময়ই বলবে। তবে ইতিহাসের দিকে তাকালে একটি কথা মনে পড়ে। কখনো কখনো এক মানুষের প্রস্থান কেবল একটি যুগের অবসান নয়; সেটিই হয়তো আরেকটি আরও অস্থির যুগের দরজা খুলে দেয়।

04/03/2026

ধর্ম মানুষের পথপ্রদর্শক, কিন্তু মানুষ যখন ধর্মকে ভীরুতার আবরণ করিয়া তোলে, তখন সেই পথপ্রদর্শকই পরিণত হয় প্রাচীরে। আমরা আয়াত উচ্চারণে যত তৎপর, তাহার ব্যঞ্জনা অনুধাবনে তত নই। কোরআনের সূরা আল মায়িদা ৫১ নম্বর আয়াতে বলা হইয়াছে, ইহুদি ও নাসারাদেরকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করো না। বহুজন এখানে অভিভাবক শব্দটিকে কেবল বন্ধু অর্থে ধরিয়া নেন। অথচ আরবি আওলিয়া শব্দের মধ্যে আছে রাজনৈতিক আনুগত্য, সামরিক মিত্রতা, কর্তৃত্ব স্বীকারের ভাব। ব্যক্তিগত সৌজন্য বা সামাজিক সহাবস্থানকে নিষিদ্ধ করাই এ আয়াতের লক্ষ্য ছিল বলিয়া অধিকাংশ তাফসিরকারের মত। কিন্তু সরলীকরণ আমাদের প্রিয়; জটিল ব্যাখ্যার ধৈর্য আমাদের অল্প।

ফলত কেহ কেহ মনে করেন, বিশ্ব থেকে মুখ ফিরাইয়া থাকাই ধর্মরক্ষা। বিজ্ঞানের অগ্রগতিকে সন্দেহের চোখে দেখা যেন এক প্রকার ঈমানের প্রমাণ। পৃথিবী যখন মহাকাশে অভিযান চালায়, তখন আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেলি এবং বলি, এ সব দুনিয়ার কারবার। মুমিনের কাজ নয়। যেন ইহকাল অন্যের, পরকাল আমাদের। উইলিয়াম গবেষণাগারে প্রবেশ করিবে, আর আব্দুল কেবল তসবিহ গণিবে। এ এক আশ্চর্য বণ্টননীতি। পৃথিবীর প্রাপ্য ত্যাগ করিয়া স্বর্গের অগ্রিম কিস্তি তুলিবার আয়োজন।

কিন্তু ইতিহাসের পাতা খুলিলে দেখা যায়, ধর্মীয় কঠোরতা কোনো এক সম্প্রদায়ের একচ্ছত্র সম্পদ নহে। দ্বিতীয় বিবরণ ৭ অধ্যায় ২ হইতে ৪ পদ পর্যন্ত কেনানীয়দের সঙ্গে চুক্তি ও বিবাহ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ আছে। সেখানে যুক্তি একটিই, ধর্মীয় আনুগত্যের সুরক্ষা। প্রাচীন ইসরায়েল আশঙ্কা করিত, ভিন্ন বিশ্বাসের সহিত মিশিলে নিজের বিশ্বাস দুর্বল হইবে। সেই আশঙ্কা ইতিহাসের নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে বোধগম্য।

কিন্তু বর্তমান যুগে ইহুদি রাষ্ট্র বিশ্বরাজনীতির সক্রিয় অংশ। প্রযুক্তি, বাণিজ্য, সামরিক সহযোগিতায় তাহারা নানা জাতির সহিত সম্পর্ক স্থাপন করে। শাস্ত্রকে ইতিহাসের আলোকে পাঠ করিবার অভ্যাস তাহাদের আছে। আমরা অনেক সময় ইতিহাসকে শাস্ত্রের সংকীর্ণ পাঠের মধ্যে আবদ্ধ করিতে চাই। ফলত নিজেদের জন্যই গড়ি বিচ্ছিন্নতার দেয়াল।

বিস্ময়ের বিষয়, আরব ও ইহুদি উভয়েই সেমেটিক ভাষাপরিবারভুক্ত। ইবরানি ও আরবি ভাষা সহোদরী। উভয়ের ঈশ্বর একেশ্বরবাদী আব্রাহামিক ঐতিহ্যের ধারক। তবু রাজনৈতিক সংঘাত ও আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার টানাপোড়েনে সেই নৈকট্য বিস্মৃত। মানুষ মানুষকে নয়, স্লোগানকে চিনিতে শিখিয়াছে।

প্রশ্ন উঠিতেছে, একবিংশ শতাব্দীর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে আত্মবিচ্ছিন্নতা আদৌ সম্ভব কি। আপনি যখন বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হন, তখন আপনি ইতিমধ্যেই বিশ্বসংলাপের অন্তর্ভুক্ত। সেখানে মুখ ফিরাইয়া থাকা কেবল আত্মপ্রবঞ্চনা। ধর্ম যদি সত্য হয়, তবে সে জ্ঞানের প্রতিদ্বন্দ্বী নহে। বরং জ্ঞানচর্চাকে নৈতিকতা প্রদান করাই তাহার কাজ।

মুমিন যদি দৃঢ়চিত্ত হন, তবে তিনি কর্মক্ষেত্রে, গবেষণাগারে, রাষ্ট্রচিন্তায় নিজের স্বাক্ষর রাখিবেন। চাঁদে পদার্পণের জন্য বিশেষ পদবি প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন অধ্যবসায় ও বিজ্ঞানমনস্কতা। ঈমান যদি ভয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে প্রতিবেশীর ছায়াতেই সে কাঁপিবে। আর যদি আত্মবিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে মহাকাশেও তাহার কম্পন হইবে না।

অতএব মূল প্রশ্ন ইহুদি বা নাসারা নহে। প্রশ্ন আত্মসম্মান ও কর্মপ্রবণতার। ধর্মকে অজুহাত করিয়া জনবিচ্ছিন্নতা লালন সহজ, কিন্তু জ্ঞানের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হওয়া কঠিন। ইতিহাস শেষ পর্যন্ত কঠিন পথের পথিককেই সম্মান করে।

বোরহান আজমীর
০৪/০৩/২০২৬
খুলনা

27/02/2026

KYUN POOCHTE HO KYA TUMSE KAHOON

09/02/2026

ধর্মব্যবসা নিয়ে লিখতে গেলেই যে অভিযোগটি সবচেয়ে দ্রুত সামনে আসে, তা হলো “আলেম বিদ্বেষ।” লক্ষ্য করার বিষয়, এই অভিযোগটি উচ্চারণে বরাবরই জামায়াত ঘরানার কণ্ঠগুলো অন্যদের তুলনায় বেশি তৎপর। যেন ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই আলেমদের বিরুদ্ধে আক্রমণ, আর ধর্মকে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাঠামোর ভেতর বন্দি করা ঈমানদারির স্বাভাবিক অনুষঙ্গ।
তবে এই নৈতিক উচ্চতা স্থায়ী নয়। এটি টিকে থাকে কেবল মতের মিল থাকা পর্যন্ত। মতভেদ শুরু হলেই অবস্থান বদলে যায়। তখন আর আলেমের সম্মান, ইলমের গভীরতা কিংবা দীর্ঘ অধ্যয়নের ইতিহাস কোনো অর্থ বহন করে না। মুহূর্তের মধ্যেই “মুহতারাম আলেম” পরিণত হন “দালাল”-এ। জাতিসত্তা বা ভৌগোলিক পরিচয়ও সেখানে বাধা নয়। একজন মিশরীয় আলেম কিংবা একজন ভারতীয় অবাঙালিও একইভাবে দালাল হয়ে ওঠেন, যেন জামায়াতবিরোধী যে কোনো অবস্থান মানেই বিরোধীদলের অর্থায়নের প্রমাণ।
এই মানসিকতার সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসেবে পিস টিভির আলোচক মতিউর রহমান মাদানিকে ঘিরে চলমান বিতর্কের কথা উল্লেখ করা যায়। কয়েকজন এমন ভঙ্গিতে তাঁর জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, যেন ইসলামী জ্ঞানের স্বীকৃতি দেওয়ার একমাত্র এখতিয়ার তাঁদের হাতেই সংরক্ষিত। অভিযোগটি কম গুরুতর নয়। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেও তিনি নাকি ইসলাম বোঝেন না।
এই দাবির পরিধি ক্রমেই বিস্তৃত করা হয়েছে। বাবুনগরী ইসলাম সম্বন্ধে আনাড়ি। তালেবান সরকারও ইসলাম বোঝে না, বলেই তারা মওদূদীর বই নিষিদ্ধ করেছে। সৌদি-মিশরের গ্র্যান্ড মুফতিরাও ইসলাম বোঝেন না, বুঝলে তাঁরা কি তিনি জামায়াতের সমমনা আকীদার সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করতেন। এই যুক্তির স্বাভাবিক পরিণতি হলো, জামায়াত কর্মী ও সমর্থকদের বাইরে ইসলামি শিক্ষা, ফিকহি ঐতিহ্য কিংবা সমসাময়িক মুসলিম বিশ্ব সম্পর্কে আর কারও গ্রহণযোগ্য জ্ঞান নেই।

১। ভোটকেন্দ্রে যারা পোলিং এজেন্ট থাকবেন, তারা যেন ভোট শুরুর অন্তত ১ ঘন্টা আগে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপারে...
06/02/2026

১। ভোটকেন্দ্রে যারা পোলিং এজেন্ট থাকবেন, তারা যেন ভোট শুরুর অন্তত ১ ঘন্টা আগে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপারের সমস্ত ‘বালাম বই’ (ব্যালটের বান্ডিল) এর হিসাব নেন। গণভোটের ব্যালটসহ। প্রতিটি বালামে কতোটি ব্যালট আছে তা আলাদা কাগজে লিপিবদ্ধ করতে হবে। ধরা যাক মোট বালাম বই ১০টি। প্রতিটিতে ৫০০ করে ব্যালট পেপার। তাহলে মোট ব্যালট পেপার = ১০ X ৫০০ = ৫০০০টি। গণভোটের ব্যালট ও ধানের শীষওয়ালা ব্যালটের হিসাব আলাদা করে নোট রাখবেন।
এবার ভোট গ্রহণ শেষ হলে (অর্থাৎ ভোট গণনা শুরু হওয়ার আগে) ব্যালটের বালাম বই আবার হিসাব করতে হবে। মোট কতোটি ব্যালট পেপার ভোটাররা ব্যবহার করেছেন তা বের করতে হবে।
ধরা যাক ১০টি বালাম বই থেকে ব্যালট ছেঁড়া হয়েছে ৩৫০০টি। এবার ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর দেখতে হবে বাতিল ভোট বা নষ্ট হওয়া ভোটসহ মোট সিল মারা ব্যালট ৩৫০০টি কি না। যদি ৩৫০০ হয়, তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু যদি ৩৫০০-এর বেশি হয়, যেমন ৪৫০০টি, তাহলে বুঝতে হবে গুপ্ত জালিয়াতের দল গোপন কক্ষে সাথে করে নিয়ে আসা, বা অন্য কোনোভাবে সিল মারা ব্যালট বাকসোতে ঢুকিয়েছে।
এমনটি হলে সাথে সাথে ভোটকেন্দ্র ঘেরাও করে ফেলতে হবে। প্রিজাইডিং অফিসারসহ কাউকে এক চুল নড়তে দেওয়া যাবে না। ব্যালট বাকসো নিরাপদ হেফাজতে রাখতে হবে।
২। ভোটকেন্দ্রে অবশ্যই নির্লোভ ও সন্দেহাতীতভাবে বিশ্বস্ত কর্মীকে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিতে হবে। পোলিং এজেন্ট যেন শিক্ষিত ও স্মার্টফোন চালানোয় দক্ষ হয়, এটা নিশ্চিত করতে হবে। এজেন্টের মোবাইলে আগে থেকে সমস্ত জরুরি যোগাযোগের নম্বর সেইভ করে দিতে হবে। অসুস্থ, অতি বয়স্ক, নিরক্ষর, এমন কাউকে পোলিং এজেন্ট করা যাবে না। গুপ্ত দোযখীবাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে পোলিং এজেন্টদের টাকা দিয়ে হাত করতে। বিশেষ করে ঢাকা ও জেলা শহরের আসনগুলোতে।
৩। ভোটের বাকসো, অর্থাৎ ভোট দেয়ার পর যে-বাকসোতে ব্যালট পেপার ফেলা হবে, সেই বাকসো যেন সর্বদা পোলিং এজেন্টদের চোখের সামনে থাকে, এটা নিশ্চিত করতে হবে। ভোটার যখন বাকসোতে ব্যালট ফেলবেন, তখন খেয়াল রাখতে হবে কতোটি ব্যালট ফেলছেন। কোনো ভোটার অতিরিক্ত ব্যালট বা সাথে করে নিয়া আসা সিল মারা ব্যালট ফেলছেন মনে হলেই সাথে সাথে পাকড়াও করতে হবে। কোনোপ্রকার অবহেলা করা যাবে না।
৪। ভোটের বাকসো এক মুহুর্তও চোখের আড়াল করা যাবে না। প্রিজাইডিং অফিসার বলতে পারে, এই বাকসোটা ভরে গেছে, এটা আলাদা রুমে রেখে আসি। নো, এটা কোনোভাবেই হতে দেওয়া যাবে না। বাকসো ভরে গেলেও তা পোলিং এজেন্টদের সামনে থাকবে। আবার গণনার আগে প্রিজাইডিং অফিসার বলতে পারে, আপনারা একটু চা-বিস্কুট খান, আমরা বাকসোগুলো গোছাই, এই বলে বাকসো সব একসাথে করার নামে আলাদা রুমে নিতে চাইবে। এই ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। ডাকসুতে এটা করে বাকসো পাল্টে ফেলেছিলো। কোনো কারণে একাধিক ভোট কক্ষের বাকসো এক কক্ষে আনার দরকার হলে, সেই বাকসো আনার সময় পোলিং এজেন্টকে বাকসোর পিছু পিছু আসতে হবে, এবং বাকসো যে-কক্ষে রাখা হবে সেই কক্ষে বাকসোর সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভোটের বাকসোকে ১ সেকেন্ডের জন্যও চোখের আড়াল রাখা যাবে না।
৫। ভোটের লাইনে কাউকে সন্দেহজনক মনে হলেই বিনা দ্বিধায় পাকড়াও করে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেবেন। পর্যাপ্ত নারী কর্মী রাখবেন, যেন বুরকা পরে কেউ ভিক্টিম কার্ড খেলতে চাইলে তাকে ঘিরে ধরা যায়। ভোট শুরুর অন্তত ৫ দিন আগে থেকে সম্ভাব্য পোলিং এজেন্ট ও কেন্দ্রকর্মীকে সকল প্রাসঙ্গিক জিনিস শিখিয়ে দেবেন। বিশেষ করে ঢাকার আসনগুলোতে।
৬। ভোট দেয়া শেষে স্থানীয় বিএনপি ও বাংলাদেশের পক্ষের অন্যান্য রাজনীতিক দলের কর্মীদের একটি অংশ নিকটস্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আশেপাশে অবস্থান নেবেন। ঢাকার আশেপাশের জেলার কর্মীদের একটি অংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলে আসতে হবে। সাথে হালকা খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখবেন। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট একটি অহিংস বিপ্লব। বাংলাদেশকে এই দিন রাহুর গ্রাস থেকে মুক্ত করতে হবে। সব ভেদাভেদ ও মতপার্থক্য ভুলে বাংলাদেশের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
— মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

একমাত্র ভিক্টিম কার্ড ইজ রিয়াল।
03/02/2026

একমাত্র ভিক্টিম কার্ড ইজ রিয়াল।

01/02/2026

"আওয়ামী লীগ সমর্থকদের প্রতি আমার দুটি নির্দেশনা আছে।

এক— ভোট বর্জন করবেন না। অবশ্যই ভোট কেন্দ্রে যাবেন, ভোট দেবেন। এবং সেটা রাজাকারদের বিরুদ্ধে দেবেন। রাজাররা যে-পথে হাঁটবে, আপনি তার উল্টা পথে হাঁটলেই সেটা সঠিক রাস্তা। বাংলাদেশের রাস্তা। রাজাকার দাঁড়িপাল্লায় দিলে আপনি ধানের শীষে দেবেন, রাজাকার 'হ্যাঁ' দিলে আপনি 'না' দেবেন। সহজ কথা, এই মুহুর্তে রাজাকারদের যারা প্রধান প্রতিপক্ষ, তাদেরকে শক্তিশালী করতে হবে। আপনি ভোটকেন্দ্রে না গেলে কার লাভ? রাজাকারদের লাভ। রাজাকাররা নিজেই জালভোটের মাধ্যমে আপনার ভোট দিয়ে দেবে। বা আপনার অনুপস্থিতিকে ব্যবধান বাড়াতে কাজে লাগাবে। আপনার চাওয়ার সাথে রাজাকারের চাওয়া মিলবে কেন?

দুই— নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীদের রাজনীতিতে ফেরার একমাত্র উপায় রাজাকারদের একটি আসনেও জিততে না দেওয়া। রাজাকাররা বাংলাদেশে ৫টা সিটও পাবে কেন? এটা একপ্রকার যুদ্ধ। ব্যালট যুদ্ধ। আমাদের পূর্বপুরুষরা একাত্তরে এদেরকে অস্ত্র দিয়ে পরাজিত করে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিলো। আপনারা এবার ভোটের মাধ্যমে কমপ্লিট ভ্যাঙ্কুইশমেন্ট নিশ্চিত করবেন। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ হলে সেটার চেয়ে সহজ কাজ আর নেই।

আওয়ামী লীগের যারা অপরাধ করেছে, লুটপাট করেছে, যারা নাগরিকদের কন্ঠরোধ করেছিলো, তাদের বিচার হবে। কিন্তু বাংলাদেশকে রক্ষায়, টেকসই রাজনীতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে, আওয়ামী লীগকে নতুন কাঠামোতে নির্মাণ করতে হবে। এবং সেটা আপনারা যারা নিরপরাধ সমর্থক আছেন, তারাই করবেন। প্রয়োজনে আমি নির্বাচিত সরকারের সাথে দেনদরবার করবো, মধ্যস্থতা করবো।
কিছুদিন আগে সজিদ ওয়াজেদ জয় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকবার্তা জানিয়েছিলেন। সেখানে শোকপ্রকাশ ছাড়াও অনেক বিষয় ছিলো। ওই বার্তা যদি আন্তরিক হয়ে থাকে, তাহলে আমি আহ্বান জানাই, জনাব সজিব ওয়াজেদ, আপনি প্রকাশ্যে আরেকটি বার্তা দিন যে, ভোট বর্জন নয়, বরং রাজাকারদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে হাজির হতে হবে।
জুলাই আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রীকে যে-খোলা চিঠি লিখেছিলাম, সেখানে শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দিয়েছিলাম, এই মুহুর্তে সব ইগো ভুলে খালেদা জিয়ার কাছে যান, গিয়ে পদত্যাগ ও নির্বাচনের ঘোষণা দিন। কিন্তু তিনি শুনেন নি। শোনার কথাও নয়। শুনলে এই পরিণতি হতো না।
যদি বোধবুদ্ধি থাকে, তো আজকের পরামর্শটা আমলে নিন। ভোট দিন। সংসদে রাজাকার পার্টিকে বিরোধী দল হিশেবে দেখতে না চাইলে চোখ বুজে ধানের শীষের পক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। মনে রাখবেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে রাজাকার পার্টির একবার মেইনস্ট্রিমিং ঘটলে, আওয়ামী লীগের রাজনীতির পুংমাংসাং চিরদিনের জন্য সারা। জাতীয় নির্বাচন কিন্তু ডাকসু নির্বাচন না যে মানুষকে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগের ভোট শিবিরকে দেওয়াবেন, আর বলবেন, দেখো কেমন মজা? রাজাকাররা আওয়ামী লীগের মজাগিরি জীবনের মতো ছুটিয়ে দেবে, যদি 'হ্যাঁ' জিতে আর রাজাকাররা সংসদে ঢোকে। এখন তো তারেক রহমানকে 'খাম্বা তারেক' ডাকার জন্য জিহ্বাটা আছে, তখন সেটাও থাকবে না।"
— মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

01/02/2026

আমিরে জামায়াতের টুইটার (X) কি আসলেই হ্যাক হয়েছিল?

প্রথম কথা,
যে বক্তব্যটি ছড়ানো হয়েছে 'কর্মজীবী নারীরা প্রস্টিটিউট'-এটা একটা আদর্শিক বক্তব্য, হঠাৎ কোনো হ্যাকার ঢুকে দুই মিনিটে লিখে চলে যাবে এমন কিছু নয়। এই ভাষা, এই শব্দচয়ন, এই দৃষ্টিভঙ্গি জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। কয়েকশো বট আইডির অ্যাক্টিভিটি টেস্ট করেন আমি ডেড শিওর আমিরে জামায়াতের বয়ানের সাথে সাংঘর্ষিক হবে না; তাই এটাকে “হ্যাক” বলে চালানো মানে জনগণকে বোকা ভাবা।

দ্বিতীয়ত,
পাসওয়ার্ড চেঞ্জের ইমেইল, লোকেশন লগ, আননৌন ডিভাইস এগুলো নিজেদের দেখানো স্ক্রিনশট। এগুলো যাচাই করার সুযোগ কোথায়?
টুইটার (X) নিজে কোনো অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট দিয়েছে? ডিজিটাল ফরেনসিক রিপোর্ট দিয়েছে কোনো নিরপেক্ষ সংস্থা?
না।
নিজেরা নিজেরা প্রিন্ট করা কাগজ দেখিয়ে “বিশ্বাসযোগ্য” দাবি করা হাস্যকর।

তৃতীয়ত,
যদি সত্যিই এত শক্ত প্রমাণ থাকে, তাহলে প্রশ্ন খুব সহজ: ফেসবুকে পোস্ট করা গেল না কেন?
অফিশিয়াল টুইটার সাপোর্ট টিকিট, লগ আইডি, কেস নাম্বার দেখানো গেল না কেন?
কারণ অনলাইনে দিলে মানুষ প্রশ্ন করবে, ক্রস চেক করবে, স্ক্রিনশট এনালাইসিস করবে।
অফলাইনে প্রজেক্টর ঝাপসা রেখে “টেকনোলজিকাল লিটারেসি নাই” অজুহাত তুললে জবাবদিহি এড়ানো যায়।

চতুর্থত,
রাষ্ট্রপতির দপ্তরের ইমেইল দিয়ে ভাইরাস পাঠানোর গল্পটা সবচেয়ে সস্তা অংশ। এই দাবির পক্ষে যদি সত্যিই প্রমাণ থাকত, তাহলে এটা রাষ্ট্রীয় সাইবার অপরাধ, সংবাদ সম্মেলন নয় কোর্টে যেত। শিশির মনির, রাসেলের মতো আইনজীবীদের গগনবিদারী আওয়াজ লক্ষ্য করা যেত।

কিন্তু না, এখানেও কেবল দায় এড়ানোর রাজনীতি।
সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা কিন্তু কেউ করছে না। যদি সত্যিই হ্যাক হয়ে থাকে, তাহলে সেইম ইমেইল ব্যবহার করে আইডি ব্যাকআপ দিয়ে সেই আপত্তিকর টুইট ডিলিট করতে এত সময় লাগল কেন?
হ্যাকার কি চা খেতে বসেছিল? নাকি দার্জিলিংয়ে হাওয়া খেতে গিয়েছিল?
আসলে বিষয়টা খুব সোজা। একটা ঘৃণ্য বক্তব্য প্রকাশ পেয়েছে, জনরোষ তৈরি হয়েছে, আর এখন সেটাকে ঢাকতে “হ্যাক” নামের পুরোনো, পরীক্ষিত অজুহাত ব্যবহার করা হচ্ছে। এই গল্প বিশ্বাস করতে হলে জনগণকে আগে নিজের বিবেকটা হ্যাক করতে হবে।

22/09/2025

কাউকে সাপে কাটলে দেরি না করে অতিদ্রুত হাসপাতালে নিন, সাপে কাটা রোগীদের জন্য সরকারি সুবিধার বাইরে-
খুলনা বিভাগে অবস্থিত চারটি ইনসেপ্টা ফার্মার ডিপো থেকে জরুরি প্রয়োজনে এন্টিভেনম ২৪/৭ (চব্বিশ ঘন্টা সপ্তাহের সাত দিন) কিনতে পারবেন।

১. কুষ্টিয়া ডিপো- দাদাপুর সড়ক, আলফার মোড়, সদর, কুষ্টিয়া
(কাভারেজ এরিয়া- কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইহদহ জেলা ও পাংশা, কালুখালী উপজেলা)
যোগাযোগ: মো. শাহজাহান, ডিপো ম্যানেজার
017 13 364 684

2. মাগুরা ডিপো: কেশব মোড়, সদর, মাগুরা
(কাভারেজ এরিয়া: মাগুরা জেলা, (পাংশা ও কালুখালি উপজেলা ব্যতীত) রাজবাড়ি জেলা, ফরিদপুর জেলার সদর, আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারি, মধুখালি, চরভদ্রাসন এবং গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলা)

যোগাযোগ: মো. রফিকুল ইসলাম, স্টোর ইনচার্জ- 017 16 649 594
জালাল উদ্দিন ফিরোজ- ডিপো ইনচার্জ - 017 14 165 709
মাহফুজুল হক পলাশ- হিসাবরক্ষণ অফিসার: 017 25 079 770

৩. যশোর ডিপো: শহীদ মশিউর রহমান সড়ক, নতুন খয়েরতলা, পালবাড়ি, যশোর (কাভারেজ এরিয়া: যশোর, নড়াইল ও সাতক্ষীরা (তালা উপজেলা বাদে) জেলা)
যোগাযোগ: মো. আকতার আলী (এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার)
017 13 380 074

৪. খুলনা ডিপো: প্লট- ৭৬ , ৭৭, রোড- ১৮, সেন্ট্রাল ব্লক, হাউজিং এস্টেট, খালিশপুর, খুলনা
(কাভারেজ এরিয়া: খুলনা ও বাগেরহাট জেলা এবং তালা উপজেলা)
যোগাযোগ: স্টোর ইনচার্জ- 019 16 109 083
ডিপো ইনচার্জ: 017 14 165 708

জনস্বার্থে
©সুকর্ণ আহমেদ
উপপরিচালক. ডিজিডিএ
বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনা

Address

Satkhira

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Bengal Mind posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share