08/05/2022
একাকী অবস্থায় নিজের হার্ট
এটাক হোলে কিভাবে বাঁচবেন ?!?
মনে কোরুন, সন্ধ্যা ছ’টার সময় একা একা বাড়িতে বোসে আছেন । বাসার মানুষেরা বাইরে কাজে অথবা অন্য কামরাতে বসে টিভি দেখছে । হঠাৎ করে আপনার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হলো এবং সেই ব্যথা যেন আস্তে আস্তে করে আপনার নিচের চোয়ালের দিকে হেঁচড়ে আসা শুরু কোরলো ! আপনার কাছাকাছি কেউ নেই ! আপনি বুঝতে পারছেন, আপনার হৃদপিণ্ডের ক্রিয়া বন্ধ হবার উপক্রম হোয়েছে !
এখন আপনি কি কোরবেন ??
হার্ট এটাক হবার ফলে অধিকাংশ সময় মানুষ মারা যান, কারণ তারা একা থাকেন । অন্য কারো সাহায্য ছাড়া তাদের বুকের ওপর পাম্প করে হৃদযন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন সম্ভব হয় না, এবং ব্যথা শুরু হবার পরে অজ্ঞান হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত সাধারণত তাদের হাতে মাত্র ১০ সেকেণ্ড সময় থাকে !!
এমতাবস্থায় বুকে ব্যথার শিকার ব্যক্তি নিজেকে সাহায্য কোরতে পারেন বারংবার জোরে জোরে উচ্চস্বরে কাশি দিয়ে ।
- লম্বা কোরে শ্বাস নিন । এবার কাশুন। লম্বা সময় নিয়ে দীর্ঘ কাশি দিন। এর ফলে আপনার ফুসফুসে স্পুটাম / মিউকাস উৎপন্ন হবে ।
- ‘শ্বাস – কাশি, শ্বাস – কাশি...’ এই প্রক্রিয়া প্রতি দুই সেকেণ্ডে একবার কোরে কোরতে থাকুন, যতক্ষণ না কেউ আপনার সাহায্যে এগিয়ে না আসে অথবা যতক্ষণ আপনার হৃদযন্ত্র একা একাই স্বাভাবিকভাবে স্পন্দিত হোতে থাকে ।
- লম্বা কোরে শ্বাস নেবার ফলে আপনি পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাবেন । আর কাশির ফলে আপনার হৃদযন্ত্র সংকোচন-প্রসারণ হবে যার ফলে আপনার হৃদপিণ্ডের ভিতর দিয়ে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে ।
- এবং কয়েকবার কাশির ফলে উৎপন্ন সংকোচন-প্রসারণে হৃদযন্ত্র স্বাভাবিক, স্বয়ংক্রিয় স্পন্দনে ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে । এরপরে অপর কোনো ব্যক্তির সাহায্যে আপনি হাসপাতালে পৌঁছতে পারবেন ।
আপনি শিখে নিলেন। আপনি কি চান না আপনার প্রিয়জনও এটা শিখে নিক ? বাবা-মা, ভাই-বোন, দাদা-দাদি, নানা-নানি, বন্ধু-বান্ধব, সবাইকেই শেখান । সাহায্যহীন ভাবে হার্ট এটাক কোরে যেন কেউ মৃত্যুবরণ না করে ।
প্রিয়জনকে জানাতে শেয়ার করুন,
কে জানে কার কাজে লাগবে !!!
সুস্থ থাকুন ।ভালো থাকুন ॥