Civil Consultancy Debraj Construction

Civil Consultancy Debraj Construction Survey , Planning , Construction , interior , Exterior ,all in one solution ,Model , Remodel ,Build .

16/04/2024

কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না?

জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:

👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।
👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:

👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।

৩. আইনি পরামর্শ নিন:

👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।

৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:
👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।

৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:

👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।
অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।
👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?

দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?

২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন

👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?
👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?
রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?

৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।

👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?
👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?
👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?

৪) জমির অবস্থা

👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?
👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?
👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?

৫) আইনি পরামর্শ
জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৬. দলিলের বয়স:
প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?
উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।

৭. দলিলের ধরন:
প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?
উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:
°দাগ নম্বর খতিয়ান
°মৌজা খতিয়ান
°সিএস খতিয়ান
°আরএস খতিয়ান

৮. দলিলের মালিকানা:

প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?
উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।

৯. দলিলের মিউটেশন:

প্রশ্ন: মিউটেশন কী?
উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।

১০. দলিলের জালিয়াতি:
প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।

১১. দলিল যাচাই:
প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:

প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?
উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।

উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করা

Civil Consultancy Debraj Construction

09/04/2024

🔴 একটি পাঁচ তলা বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:
১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং
ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা
খ) বোরিং করা
গ) খাচা বাধা
ঘ) ব্লক দেওয়া
ঙ) ওয়েল্ডিং করা
চ) খাচা ঢুকানো
ছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ অন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৯। চিলাকুটার কলাম
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
ঙ) ঢালায়
চ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
২১। জলছাদ
ক) ছাদ চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) চুন ফোটানো
ঘ) চুন চালা
ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে
শুকনা অবস্থায় কাটা
চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়
মেশানো পানি দিয়ে
ভেজানো
ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা
দেওয়া
জ) ভাল ভাবে পচানো
ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের
দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো
ঞ) ভাল ভাবে পিটানো
ট) হালোট দেওয়া
ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে
তালের ব্রাস দিয়ে
ফিনিশিং দেওয়া
ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে
পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা
রাখা
ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করা
ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া
খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক
গ) ইট ভেজানো
ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেল
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং।

২৪। ফলস স্ল্যাব
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং।

২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং
ক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং
ক) গুরুপ কাটা
খ) পাইপ জ্যাম
গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং।

২৮। প্লাষ্টার
ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো
খ) বালি চালা ও ধৌয়া
গ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং
ঙ) প্লাষ্টার
চ) কিউরিং।

২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার।
৩০। ওয়াল টাইলস
ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং
খ) পেসার চেক
গ) ভাটিক্যাল পাইপ
ঘ) টাইলস ফিটিং
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং।

৩১। ফ্লোর টাইলস
ক) চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া
ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং।

৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং।

৩৪। রং
ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা
খ) পরিষ্কার
গ) সিলার
ঘ) পুটি
ঙ) ঘোষা
চ) ফাস্ট কোট
ছ) সেকেন্ড কোট
জ) ফাইনাল কোট।

৩৫। পলিশিং
ক) ভাল ভাবে ঘোষা
খ) আস্তর দেওয়া
গ) পুটি কাটা
ঘ) পলিশ করা।

৩৬। থাই ফিটিং
ক) আউটার লাগানো
খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং
গ) সিলিকন গাম দেওয়া।

৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা।

৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া.....।

#শেয়ার দিয়ে পাশে থাকুন।
এইরকম শিক্ষনীয় পোস্ট পেতে পেইজে #ফলো দিয়ে
পাশেই থাকুন।

Civil Consultancy Debraj construction

06/04/2024

ক. পাইল কি?
খ. পাইল কত প্রকার কী কী?
গ.পাইল কেন করা হয়?
ঘ. কাস্ট-ইন-সিটু ও প্রি-কাস্ট পাইলের
মধ্যে পার্থক্য কী কী?
ঙ. পাইল ক্যাপ কাকে বলে?
চ. পাইল ক্যাপ কেন দেয়া হয়?
ছ. পাইল করার সময় যে বিষয়ে খেয়াল
করবেন।
জ. অতি সংক্ষিপ্ত ১-১৮ পর্যন্ত।
# # পাইল নিয়ে আরোও তথ্য জানা
থাকলে কমেন্টসে জানাবেন।
ক. পাইল
উত্তরঃ - পাইল হলো একটি গভীর
ভিত্তি।যার মাধ্যমে কাঠামোর
লোডকে স্থানান্তর করা হয়।যেখানে
মাটির ভারবহন ক্ষমতা খুবই কম সেখানে
পাইল করা হয়ে থাকে। পাইলের
মাধ্যমে কাঠামোর লোডকে ছড়িয়ে
দেওয়া হয়।সয়েল টেস্টের রিপোর্টের
ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
ভিত্তি গভীর হবে না অগভীর হবে।
সয়েল টেস্ট রিপোর্ট অনুযায়ী
পাইলিংয়ের ডিজাইন করা হয়ে
থাকে।
খ. ব্যবহার অনুযায়ী পাইল সাত প্রকার।
যথা :-
১ ।বিয়ারিং পাইল
২ ।ফ্রিকশন পাইল
৩।শীট পাইল
৪ ।অ্যাংকর পাইল
৫।ব্যাটার পাইল
৬।ফেন্ডার পাইল
৭।কম্প্যাকশন পাইল
নির্মাণ সামগ্রী অনুসারে পাইল পাঁচ
প্রকার ।
যথা :-
১ ।স্যান্ড পাইল
২।টিম্বার পাইল
৩।কম্পোজিট পাইল
৪।কংক্রিট পাইল
৫।স্টিল পাইল
আমাদের দেশে প্রধানত দুই ধরণের
পাইলের কাজ করা হয়ে থাকে।
১। প্রি-কাস্ট পাইল।
২। কাস্ট ইন সিটু পাইল।
১। প্রি-কাস্ট পাইল
উত্তরঃ –এই পাইল সাধারণত কার্যস্থল
থেকে দূরে কোথাও সুবিধা মতো
স্থানে তৈরি করা হয়ে থাকে।
পাইলের ডিজাইন মেনে পূর্বেই
ঢালাই করা হয়ে থাকে।পরবর্তীতে
লে-আউট অনুযায়ী পাইলের উপর বল
প্রয়াগ করে নির্দিষ্ট স্হানে স্থাপন
করা হয়।পাইলের আকার গোলাকার
অথবা বর্গাকার হয়ে থাকে। এর পার্শ্ব
কভারিং ৫০-৭৫ মিমি।
২। কাস্ট ইন সিটু পাইল
উত্তরঃ –এই পাইলের ডিজাইন অনুযায়ী
নির্দিষ্ট গভীরতা পর্যন্ত গর্ত খনন করে
স্বস্থানে তৈরি করা হয়।প্রথমে
বোরিং করে পরে লোহার খাঁচা
ঢুকিয়ে এই পাইল ঢালাই করা হয়। এর
আকার সব সময় গোলাকার হয়ে থাকে।
এর পার্শ্ব কভারিং ৭৫ মিমি।
আমাদের দেশে কাস্ট ইন সিটু পাইলের
চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কারণ এর
নির্মাণ কাজ সহজ এবং যেখানে
সেখানে নির্মাণ করা যায়।
গ.পাইল করার কারণ :-
১। সুপার স্ট্রাকচারের ওজন যখন অত্যধিক
হয় এবং ভর অসমভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার
প্রয়োজন হয়।
২। মাটির উপরের স্তরের ভারবহন ক্ষমতা
কম হলে।
৩।যখন সাব সয়েলের পানির লেভেল
নিয়ত পরিবর্তনশীল হলে।
৪।খাল/গভীর ড্রেনেজ লাইন ভিত্তির
পাশে অবস্থিত থাকলে।
৫।নদী বা সমুদ্র উপকূলীয়ে এলাকায়
ভিত্তিতে পানির স্কোউরিং
ক্রিয়ার সম্ভবনা থাকলে।
৬।পার্শ্বস্হ চাপ প্রতিরোধের প্রয়োজন
হলে।
৭।মাটির উপরের স্তর প্রসারণ প্রকৃতির
হলে।
৮।মাটির ক্ষয় প্রতিরোধ করতে।
ঘ. কাস্ট-ইন-সিটু ও প্রি-কাস্ট পাইলের
মধ্যে পার্থক্য হলো:-
কাস্ট - ইন-সিটু পাইল:-
১ ।নির্দিষ্ট গভীরতা পর্যন্ত গর্ত খনন
করে স্বস্হানে ঢালাই করে যে পাইল
তৈরি করা হয় তাকে কাস্ট-ইন-সিটু
পাইল বলে।
২। লোহার কেসিং পাইপকে আঘাত
করে মাটিতে বসিয়ে তারপর কংক্রিট
ঢালাই করা হয়।
৩। পানির নিচে ব্যবহার করা যায় না।
প্রি-কাস্ট পাইল :-
১। কার্যস্হল থেকে দূরে সুবিধামতো
স্হানে ঢালাই করে যে পাইল তৈরি
করা হয় তাকে প্রি-কাস্ট পাইল বলে।
২। পাইলকে সরাসরি আঘাত করে
মাটিতে বসানো হয়।
৩।পানির নিচে বসানো যায়।
ঙ. পাইল ক্যাপ বলতে :-
উত্তরঃ - পাইলের মাথা মূলভিত্তির
মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন ।
কারণ পাইলের উপর যদি মূল বুনিয়াদ
তৈরি করা হয়, তবে যে কোন মুভমেন্টে
বুনিয়াদ স্হানান্তরিত হয়ে যেতে
পারে। ফলে বুনিয়াদের পার্শ্বসরণ তথা
অসম বসন হতে পারে। এ জন্য পাইলের
মাথা গুলো একই লেভেল করে
বুনিয়াদের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে
কংক্রিট দ্বারা ঢেকে দিতে হয়।
পাইল ও মূল বুনিয়াদের সংযোগ স্হলে
যে কাঠামো তৈরি করা হয়, তাকে
পাইল ক্যাপ বলে।
চ. পাইল ক্যাপ দেয়ার কারণ :-
উত্তরঃ - পাইলের মাথা মূলভিত্তির
মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন
অন্যথায় ভিত্তির সরণ তথা অসম বসন হতে
পারে। তাই পাইল ক্যাপ দেয়া হয়।
ছ.পাইলিং করার সময় যে বিষয়গুলো
খেয়াল রাখতে হবে
১।স্ট্রাকচারাল ডিজাইন অনুযায়ী
কাজ হচ্ছে কিনা।
২।প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং
মালামাল সাইটে ঠিকঠাক আছে
কিনা।
৩। যতক্ষণ পানিতে কাদা আসে ততক্ষণ
ওয়াস বোরিং করছে কিনা।
৪।একটি পাইল হতে আরেকটি পাইলের
নূন্যতম দূরত্ব ৬ ফুট আছে কিনা।
১।পাইলকে সাধারণত ৪ পদ্ধতিতে
বসানো যায়,
যথা:-
ক। ড্রপ হ্যামার দ্বারা
খ। স্টিম হ্যামার দ্বারা
গ। ওয়াটার জেট দ্বারা
ঘ। ওয়াস বোরিং দ্বারা
২। পাইলের কাজে ব্যবহৃত কয়েকটি যন্ত্র
হলো
ক।রিক বা ত্রিপায়া
খ। চিজেল
গ।ট্রিমি পাইপ
ঘ।নজেল
ঙ।ক্যাসিং
চ।ড্রিলিং পাইপ
ছ।বাকেট
জ।হ্যামার
৩।পাইলের ডায়া ২০" হলে চিজেল বা
কাটার হবে ১৮"
অর্থাৎ ২" কম হবে।
৪।স্পাইরালএর সূত্র
Nπ(D+d)+8d
৫।পাইলের আয়তনের সূত্র ΠD²/4×H.
৬।পাইলের ক্লিয়ার কভার সাধারণত ৩"
হয়ে থাকে।
৮।স্যান্ড পাইলের ধারণাটি নতুন হলেও
ক্ষেত্রবিশেষে এটা বেশ কার্যকর।
সাধারণত ৪-৫ তলা বিশিষ্ট স্থাপনা
যেখানে মাটির ভারবহন ক্ষমতা কম
সেখানে স্যান্ড পাইল ব্যবহার করা হয়।
৯। পাইল ক্যাপ বিল্ডিং এর সকল লোড
পাইলে স্থানান্তর করে।
১০। দৈর্ঘ্য প্রস্থ সমান হলে তাকে
বর্গাকার পাইল ক্যাপ বলে।
১১।দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে বড় হলে
তাকে আয়তাকার পাইল ক্যাপ বলা হয়।
১২। পাইল ক্যাপের পুরুত্ব মাটির
বিয়ারিং ক্যাপাসিটি এবং
বিল্ডিংয়ের লোডের উপর নির্ভর
করে।
১৩। পাইল ক্যাপ এর রড সাধারণত
সিঙ্গেল জালী হয়, তবে অনেক
ক্ষেত্রে ডাবল জালীও হতে পারে।
১৪।বিয়ারিং পাইল মাটির অভ্যন্তরের
শক্ত স্তর পর্যন্ত পৌঁছায়।
১৫।ফ্রিকশন পাইল মাটির অভ্যন্তরের শক্ত
স্তর পর্যন্ত পৌঁছায় না।
১৬।শীট পাইল রিটেনিং ওয়াল
হিসেবে কাজ করে।
১৭।অনুভূমিক টানা বল প্রতিরোধের জন্য
অ্যাংকর পাইল ব্যবহার করা হয়।
১৮।তীর্যক ভাবে যে পাইল ড্রাইভ করা
হয় তাকে ব্যাটার পাইল বলে।

এরকম শিক্ষনীয় পোস্ট পেতে পেইজে #ফলো দিয়ে পাশে থাকুন ❤️❤️

CIVIL CONSULTANCY DEBRAJ CONSTRUCTION

01/04/2024

✅ইটের আধলা বা ভাংগা ইটের টুকরাকে কখোনোই ক্লিয়ার কভারের জন্য ব্লক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না,কারন ইটে পানি চুয়ানোর যতেষ্ট প্রবনতা রয়েছে।
✅তাছাড়া শক্তির দিক থেকেও ভিন্নতা রয়েছে। মাটি থেকে ইট যে পরিমাণ পানি শোষণ করতে পারে,সিমেন্টের ব্লক তা পারে না।
✅রড সরাসরি ইটের সংস্পর্শে থাকলে মাটি থেকে পানি শোষণ করে রডে স্থানান্তর করে। ফলে রডের স্থায়িত্ব কমে যায়,মরিচা ধরে।
✅সুতরাং ঢালাইয়ের পূর্বে রডের নিচে অবশ্যই সিমেন্টের ব্লক ব্যবহার করতে হবে।

29/03/2024

#সিঁড়ি নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন ও উত্তরঃ
সমাধানঃ২
8.সিড়ির দৈর্ঘ্য= ১৫'-৬",প্রস্থ = ৮'-০",সিড়ির মেন রড ১২ মিমি ৪ C/C,সিড়ির এক্সটা টপ ১২ মিমি ৪" C/C,সিড়ির এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য = ল্যান্ডি+L/4,সিড়ির বাইন্ডার ৮" C/C,সিড়ির ওয়েষ্ট স্ল্যাবে পুরুত্ব = ৬",সিড়ির ট্রেড ১০",সিড়ির রাইজার ৬",সিড়ির মাঝের ল্যান্ডিং এর নীচে টি বীম আছে সাইজ ১০"x১৮" উপরে ছাদের বীম সিড়ির ভিতরে আসবে না।বীমের রড ৬-২০ মিমি,বীমের রিং ১০ মিমি,বীমের রিং ৬" C/C,বীমের এল বা মাটাম ৬"।.....সিড়ির দৈর্ঘ্য = (৪'-০''+৯ টা ট্রেড+৪'-০")
= (৪'-০"+৯x১০"+৪'-০")
= ১৫'-৬''
প্রস্থ= (৩'-১০"+৪"+৩'-১০")
= ৮'-০"...
সিড়ি ওয়েষ্ট স্ল্যাবের দৈর্ঘ্য
পিথাগোরাসের সুত্র মতে
= রুট অভার (৪'-৬")^২+(৮'-৪")^২
= ৯'-৬''
এখনে উচ্চতা ৪'-৬"
ভূমি = ১০x০'-১০"
= ৮'-৪"
ঢালায়
বীম = ৮'-০"x০'-১০"x১'-০"= ৬.৬৪
ল্যান্ডিং = ৮'-০"x৪'-০"x০'-৬"x২ = ৩২.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব
= ৯'-৬''x৩'-১০"x০'-৬"x২ = ৩৬.৩৯
ধাপ = ১/২"x০'-৬'x০'-১০"x৩'-১০"x১৮
= ১৫.১০
মোট = ৯০.১৩ ঘনফুট...
মালামাল
শুকনা " = ৯০.১৩x১.৫
= ১৩৫.২০ ঘনফুট
অনুপাত ১:২:৪
অনুপাতের যোগফল = (১+২+৪)= ৭
মালামাল
সিমেন্ট = ( ১৩৫.২০x১÷৭)÷১.২৫
= ১৫.৪৫ ব্যাগ
[যেহেতু ১ ব্যাগ সিমেন্ট = ১.২৫ ঘনফুট]
বালি = ১৩৫.২০x২÷৭ = ৩৮.৬৩ ঘনফট
খোয়া= ১৩৫.২০ x৪÷৭ = ৭৭.২৬ ঘনফুট.
মেন রডের দৈর্ঘ্য
= [(৪'-০"+৯'-৬"+৪'-০")-{(৩/৪"x২)÷১২}]
= ১৭'-৬"
বাইন্ডার রডের দৈর্ঘ্য
= [৩'-১০"-{(৩/৪"x২)÷১২}]
= ৩'-৯"
এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য
= -৩/৪"+৪'-০"+(৯'-৬"÷৪)
= ৫'-১৭"
ল্যান্ডিং বাইন্ডার দৈর্ঘ্য
= ৮'-০"-(৩/৪"x২÷১২)
= ৭'-১১"
বীমের মেন রডের দৈর্ঘ্য
= (৮'-০")-(১.৫"x২)+(৬"x২)
= ৮'-৯"
রিং রডের দৈর্ঘ্য
= {(১০-১.৫x২)+(১৮-১.৫x২)}x২+(৩x২)
= ৪'-২"
মেন রডের পরিমান
= {(৩'-১০"x১২-৩/৪"x২)÷৪}+১
= ১২.১৩ টি
~ ১৩ টি
মোট = ১৩x২= ২৬ টি
এক্সটা টপ = ১৩x৪= ৫২ টি
ল্যান্ডিং বাইন্ডার পরিমান
= [{৪'-০"x১২-(৩/৪"x২)}÷৮]+১
= ৬.৮১
~ ৭ টি
মোট ৭x২= ১৪ টি
ল্যান্ডিং এ ডাবল জালি এখানে ৮" করে হিসাব করে
বাইন্ডার পরিমান
= (৯'-৬"x১২÷৮)-১
= ১৩.২৫
~ ১৪ টি
মোট ১৪x২=২৮ টি
মোট রিং এর পরিমান
= [{(৮'-০")-(১.৫"x২)}÷৬"]+১
= ১৬.৫০
~ ১৭ টি
রডের পরিমান
মেন রড
১২মিমি = ১৭'-৫"x২৬x০.২৭ = ১২২.২৯
এক্সটা টপ
১২ মিমি = ৬'-১"x৫২x০.২৭= ৮৫.৩৬
ল্যান্ডিং বাইন্ডার
১২ মিমি = ৭'-১১"x১৪x০.২৭= ২৯.৯৪
বাইন্ডার
১০ মিমি = ৩'-৯"x২৮x০.১৯ = ১৯.৯৫
বীম মেন রড
২০ মিমি = ৮'-৯"x৬x০.৭৫= ৩৯.৩৮
বীমের রিং
১০ মিমি = ৪'-২"x১৭x০.১৯ = ১৩.৪৭
মোট রডের পরিমান = ৩১০.৩৯ কেজি....
মোট সাটারিং
বীম সাইড
৮'-০"x১'-০"x২= ১৬.০০
ল্যান্ডিং তলা
৪'-০"x৮'-০"x২= ৬৪.০০
ল্যান্ডিং সাইড
= {(৪'-০"+৮'-০"+৪'-০")x০'-৬"}x২= ১৬.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব তলা
= ৯'-৬"x৩'-১০"x২= ৭২.৭৭
ওয়েষ্ট স্ল্যাব সাইট
= ৯'-৬"x১'-০"x৪= ৩৮.০০
ধাপ
= ৩'-১০"x০'-৬"x১০x= ৩৮.৩০
= ২৪৫.০৭ বর্গফুট...
9.ACI কোড অনুযায়ী ট্রেড ও রাইজারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান কত?
উ: আবাসিক দালানের সিঁড়ির রাইজারের পরিমান ১৫ সে.মি থেকে ১৮ সে.মি এবং ট্রেডের পরিমান ২৩ সে.মি থেকে ২৭ সে.মি রাখা হয়।
পাবলিক বিল্ডিং এ রাইজার ১৪ থেকে ১৫ সে.মি এবং ট্রেড ২৫ থেকে ৩০ সে.মি রাখা হয়।...
10.আবাসিক দালানের জন্য সিঁড়ির ফ্লাইটের প্রস্থ ও হেডরুম এর ন্যুনতম পরিমাপ কত হওয়া উচিত?
উ: প্রস্থ ৯০ সে. মি বা ৩ ফুট এবং হেডরুম ২.১০ মি বা ৭ ফুট হওয়া উচিত।
Civil Consultancy Debraj construction

26/12/2023

গ্রেড বিম এর কাজ :
==========
ফুটিং এবং শর্ট কলাম এর কাজ শেষ হওয়ার পর গ্রেড বীমের কাজ শুরু হয়। গ্রেড বিম এর কাজের ক্ষেত্রে কিছু ধাপ ও সতর্কতা মেনে কাজ করতে হয়।

১। প্রথমে ফুটিং এবং শর্ট কলামের মধ্যবর্তী ফাকা জায়গা বালি দিয়ে ফিলাপ করতে হবে এবং ভালো ভাবে কম্প্যাক্ট করুতে হবে ।

২। এবার শর্ট কলামের ঢালাইকৃত টপ থেকে ৩ ফিট পর্যন্ত কলামের রিং লাগাতে হবে।
(কেননা আগে আপনি কলামের রিং না বাধলে গ্রেড বীমের রড বাধার পর আর আপনি গ্রেড বীমের গভীরতার গ্যাপে রিং বাধতে পারবেন না)

৩। এবার গ্রেড বীমের লাইন বরাবর স্যান্ড ফিলিং করে উত্তম ভাবে ব্রিক ফ্ল্যাট সোলিং করুন এবং সিমেন্ট বালির মশলা দিয়ে ইটের জয়েন্ট বন্ধ করে দিন। (সোলিং অবশ্যই ওয়াটার লেভেল মেইনটেইন করে করুন)।

৪। এবার ড্রয়িং অনুযায়ী রড বাধতে হবে এবং পরবর্তীতে ঢালাই এর আগে চেক করতে হবে।

৫। মেইন রডের প্রান্তে অবশ্যই মাটাম ব্যাবহার করুন। এক্সট্রা টপে মাটাম দিতে পারলে ভাল না দিলেও খুব একটা সমস্যা নেই।

৬। গ্রেড বীমের টপ লেয়ারের রডে 30D অনুসরন করে ল্যাপিং দিন। টপ লেয়ারের ল্যাপিং L/4 এর মধ্যে যেন না আসে। টপ লেয়ারের ল্যাপিং মাঝে ফেলার চেষ্টা করবেন।

৭। গ্রেড বীমের বটম লেয়ারের লেপিং 40D অনুসারে দিন। বটম লেয়ারে ল্যাপিং L/4 এর মধ্যে রাখেন এবং বটম লেয়ারের ল্যাপিং মাঝে রাখবেন না।

৮। এবার গ্রেড বীমে স্টিরাপ সঠিক দূর পর পর সোজাভাবে বাঁধুন। স্টিরাপের হুক দেওয়া মাথা গ্রেড বীমের উপরের লেয়ারে রাখুন এবং হুক অল্টারনেট করে বাঁধুন।

৯। এবার সাটারিং শুরু করুন।

১০। কাঠের সাটার ব্যাবহার করলে সাটারে পাতলা পলিথিন লাগান এতে ঢালাই ভাল হবে।তবে স্টিল সাটারিং করতে পারলে সবচেয়ে ভালো। সাটারিং এর পর লিকেজ ভালো ভাবে চেক করতে হবে।

১১। সুন্দর করে সাটারিং করার পর ২ থেকে ২.৫ ফিট পর পর বাটাম দিয়ে মুখ টানা দিতে হবে। এবং ২" * ২" ডাসা দিয়ে সাটার ভালভাবে ঠেলা দিতে হবে ভাইব্রেটিং করলে সাটার ফেটে গিয়ে ঢালাই না বের হয়ে যায়।

১২। সাটার গ্রেড বীমের গভীরতা থেকে অবস্যই ২" বেশি করবেন যাতে ঢালাইয়ের সুবিধা হয়।

১৩। গ্রেড বীমে ২.৫" সিসি ব্লক ব্যাবহার করুন।

১৪। এবার গ্রেড বীম পরিষ্কার করে ঢালাই শুরু করুন।

১৫। গ্রেড বীমের ঢালাইয়ে জয়েন্ট দিতে চাইলে অবশ্যই কলাম থেকে L/4 এর মধ্যে যেন না পড়ে, অথবা কলাম থেকে সামান্য দূরে জয়েন্ট রাখবেন। জয়েন্ট কখনো বীমের মাঝে রাখবেন না।

১৬। ঢালাই সঠিক রেশিও তে করুন।

১৭। ঢালাইয়ের আগে সোলিং ভালভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন যাতে ইট ঢালাই থেকে কোন পানি শোষণ করতে না পারে।

১৮। ঢালাই শেষ হবার ২৪ ঘন্টা পর গ্রেড বীমের উপর পানি দিয়ে কিউরিং করুন এবং ৪৮ ঘন্টা পর গ্রেড বীমের সাইড সাটার খুলে চট পেঁচিয়ে ১৪ দিন কিউরিং করুন।

23/12/2023

গ্রেড বিম এর কাজ নিয়ে বিস্তারিত
=========================
টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন

ফুটিং এবং শর্ট কলাম এর কাজ শেষ হওয়ার পর গ্রেড বীমের কাজ শুর হয়। গ্রেড বিম এর কাজের ক্ষেত্রে কিছু ধাপ ও সতর্কতা মেনে কাজ করতে হয়।

১। প্রথমে ফুটিং এবং শর্ট কলামের মধ্যবর্তী ফাকা জায়গা বালি দিয়ে ফিলাপ করতে হবে এবং ভালো ভাবে কম্প্যাক্ট করুতে হবে ।

২। এবার শর্ট কলামের ঢালাইকৃত টপ থেকে ৩ ফিট পর্যন্ত কলামের রিং লাগাতে হবে।
(কেননা আগে আপনি কলামের রিং না বাধলে গ্রেড বীমের রড বাধার পর আর আপনি গ্রেড বীমের গভীরতার গ্যাপে রিং বাধতে পারবেন না)

৩। এবার গ্রেড বীমের লাইন বরাবর স্যান্ড ফিলিং করে উত্তম ভাবে ব্রিক ফ্ল্যাট সোলিং করুন এবং সিমেন্ট বালির মশলা দিয়ে ইটের জয়েন্ট বন্ধ করে দিন। (সোলিং অবশ্যই ওয়াটার লেভেল মেইনটেইন করে করুন)।

৪। এবার ড্রয়িং অনুযায়ী রড বাধতে হবে এবং পরবর্তীতে ঢালাই এর আগে চেক করতে হবে।

৫। মেইন রডের প্রান্তে অবশ্যই মাটাম ব্যাবহার করুন। এক্সট্রা টপে মাটাম দিতে পারলে ভাল না দিলেও খুব একটা সমস্যা নেই।

৬। গ্রেড বীমের টপ লেয়ারের রডে 30D অনুসরন করে ল্যাপিং দিন। টপ লেয়ারের ল্যাপিং L/4 এর মধ্যে যেন না আসে। টপ লেয়ারের ল্যাপিং মাঝে ফেলার চেষ্টা করবেন।

৭। গ্রেড বীমের বটম লেয়ারের লেপিং 40D অনুসারে দিন। বটম লেয়ারে ল্যাপিং L/4 এর মধ্যে রাখেন এবং বটম লেয়ারের ল্যাপিং মাঝে রাখবেন না।

৮। এবার গ্রেড বীমে স্টিরাপ সঠিক দূর পর পর সোজাভাবে বাঁধুন। স্টিরাপের হুক দেওয়া মাথা গ্রেড বীমের উপরের লেয়ারে রাখুন এবং হুক অল্টারনেট করে বাঁধুন।

৯। এবার সাটারিং শুরু করুন।

১০। কাঠের সাটার ব্যাবহার করলে সাটারে পাতলা পলিথিন লাগান এতে ঢালাই ভাল হবে।তবে স্টিল সাটারিং করতে পারলে সবচেয়ে ভালো। সাটারিং এর পর লিকেজ ভালো ভাবে চেক করতে হবে।

১১। সুন্দর করে সাটারিং করার পর ২ থেকে ২.৫ ফিট পর পর বাটাম দিয়ে মুখ টানা দিতে হবে। এবং ২" * ২" ডাসা দিয়ে সাটার ভালভাবে ঠেলা দিতে হবে ভাইব্রেটিং করলে সাটার ফেটে গিয়ে ঢালাই না বের হয়ে যায়।

১২। সাটার গ্রেড বীমের গভীরতা থেকে অবস্যই ২" বেশি করবেন যাতে ঢালাইয়ের সুবিধা হয়।

১৩। গ্রেড বীমে ২.৫" সিসি ব্লক ব্যাবহার করুন।

১৪। এবার গ্রেড বীম পরিষ্কার করে ঢালাই শুরু করুন।

১৫। গ্রেড বীমের ঢালাইয়ে জয়েন্ট দিতে চাইলে অবশ্যই কলাম থেকে L/4 এর মধ্যে যেন না পড়ে, অথবা কলাম থেকে সামান্য দূরে জয়েন্ট রাখবেন। জয়েন্ট কখনো বীমের মাঝে রাখবেন না।

১৬। ঢালাই সঠিক রেশিও তে করুন।

১৭। ঢালাইয়ের আগে সোলিং ভালভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন যাতে ইট ঢালাই থেকে কোন পানি শোষণ করতে না পারে।

১৮। ঢালাই শেষ হবার ২৪ ঘন্টা পর গ্রেড বীমের উপর পানি দিয়ে কিউরিং করুন এবং ৪৮ ঘন্টা পর গ্রেড বীমের সাইড সাটার খুলে চট পেঁচিয়ে ১৪ দিন কিউরিং করুন।
বিভিন্ন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং তথ্য পেতে পেজ এ লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
Civil Consultancy Debraj Construction

02/08/2023
16/06/2023

My Dreams My Pasion

04/01/2023

Address

Bardabarh , (near Indian Bank ) Kolaghat , Purba Medinipur
Mecheda
721151

Opening Hours

Monday 8am - 9pm
Tuesday 8am - 9:15pm
Wednesday 8:45am - 9:15pm
Thursday 8am - 9pm
Friday 7:45am - 8:45pm
Saturday 7:45am - 9pm
Sunday 7:45am - 9pm

Telephone

+917384497080

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Civil Consultancy Debraj Construction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Civil Consultancy Debraj Construction:

Share