Silchar Tech Info

Silchar Tech Info এই পেইজে আপনারা ইতিহাস, নিউজ আপডেট, রহস্য সহ অন্যান্য তথ্যের ভিডিও পাবেন

পশ্চিম এশিয়ায় হওয়া যুদ্ধের খারাপ প্রভাব আটকাতে এবার দেশবাসীর কাছে বড় অনুরোধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendr...
12/05/2026

পশ্চিম এশিয়ায় হওয়া যুদ্ধের খারাপ প্রভাব আটকাতে এবার দেশবাসীর কাছে বড় অনুরোধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi)। দেশের চৌকিদার এবার পেট্রোল, ডিজেল থেকে রান্নার গ্যাসের ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেশবাসীকে কিছুটা সংযমী এবং সতর্ক হওয়ার আবেদন করলেন। তাঁর কথায়, এই ধরনের পণ্যগুলির জন্য ভারত কিছুটা অন্যান্য দেশের উপর নির্ভরশীল। এই ধরনের পণ্যগুলির চাহিদা মেটাতে অন্য দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তাই যতটা সম্ভব উল্লেখিত পণ্যগুলি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংযমী হওয়া প্রয়োজন।

সংযত হয়ে ব্যবহার করতে হবে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাস
ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। বহু দেশে ইতিমধ্যেই বেড়েছে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম। তবে ভারতে আপাতত এই দুই জ্বালানি তেলের দামে পরিবর্তন আসেনি। এমতাবস্থায়, রবিবার হায়দরাবাদের এক সরকারি কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিম এশিয়ার অশান্তি এবং বিভিন্ন পেট্রোপণ্যের প্রসঙ্গ তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বললেন, “এবার থেকে আমাদের পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের মতো জিনিস অত্যন্ত সংযত হয়ে ব্যবহার করতে হবে। এই ধরনের জ্বালানি পণ্য আমাদের বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।”

প্রধানমন্ত্রীর সংযোজন, আমরা যেহেতু এই ধরনের, পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ নই, তাই যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই ব্যবহার করার চেষ্টা শুরু করতে হবে। এর ফলে বিদেশী মুদ্রার সাশ্রয় যেমন হবে তেমনই যুদ্ধের সময় সংকট দেখা দিলে দেশে বিরূপ প্রভাবের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পরই অনেকেই আশঙ্কায় রয়েছেন, এবার বোধহয় বেড়ে যেতে পারে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম। এদিকে কিছুদিন আগেই শহর কলকাতায় নতুন করে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম বেশ খানিকটা বেড়েছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হরমুজ প্রণালী। মাঝে তা ইরানের তরফে কিছুটা খোলা হলেও আমেরিকার সাথে সমস্যা বাড়লে ফের হরমুজ অবরুদ্ধ করে দেয় তেহরান। যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যে। এর প্রভাব কিছুটা হলেও ভোগ করতে হচ্ছে ভারতকেও। আগামী দিনে পরিস্থিতি কঠিন হলে দেশে জ্বালানির সংকট দেখা দিতে পারে। ঠিক সেই আবহে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে।





বদলে যাচ্ছে 5 বছরের কম বয়সী শিশুদের আধার কার্ড তৈরির প্রক্রিয়া (Child Aadhaar Card)। এতদিন যেখানে শুধুমাত্র শিশুর ছবি ...
12/05/2026

বদলে যাচ্ছে 5 বছরের কম বয়সী শিশুদের আধার কার্ড তৈরির প্রক্রিয়া (Child Aadhaar Card)। এতদিন যেখানে শুধুমাত্র শিশুর ছবি এবং প্রমাণ হিসেবে বাবা মায়ের নথিপত্র দেখিয়ে বাচ্চাদের আধার কার্ড তৈরি করা যাচ্ছিল, এবার থেকে আর সেটা হবে না। একটি সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এবার থেকে 5 বছরের কম বয়সী শিশুদের আধার কার্ড তৈরি করার সময় লাগবে ওই শিশুর বাবা-মায়ের বৈধ নথি এবং বায়োমেট্রিক প্রমাণিকরণ। ওই সূত্রটি বলছে, আধার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে শিশুদের আধার কার্ড তৈরির আগে বাবা-মায়ের বায়োমেট্রিক প্রমাণিকরণ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এক কথায়, পিতা-মাতা আদৌ ভারতের নাগরিক কিনা সবটা যাচাই করেই তৈরি হবে একটি শিশুর আধার কার্ড।

5 বছরের কম বয়সী শিশুর আধার কার্ড তৈরি হবে বাবা মায়ের অনুমতির উপর ভিত্তি করে?
UIDAI বলছে, এখন থেকে 5 বছরের কম বয়সী শিশুর আধার কার্ড তৈরি করার জন্য তাঁর বাবা-মায়ের বৈধ আধার কার্ড থাকা জরুরী। কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বৈধ আধার কার্ড সহ প্রয়োজনীয় নথির পাশাপাশি সন্তানের আধার কার্ড তৈরি করতে হলে বাবা অথবা মা অর্থাৎ একজনের বায়োমেট্রিক প্রমাণিকরণ প্রয়োজন হবে। একই সাথে বয়সের প্রমাণের জন্য শিশুটির জন্ম শংসাপত্র বা বার্থ সার্টিফিকেটের প্রয়োজন পড়বে। তবেই তৈরি হবে 5 বছরের কমবয়সি শিশুর আধার কার্ড।

কেন শিশুদের আধার কার্ড তৈরি করা উচিত?

অনেক সময় 5 বছরের কম বয়সী শিশুদের আধার কার্ড তৈরি করার প্রয়োজন পড়ে। কেননা বর্তমান সময়ে স্কুলে ভর্তি করা থেকে শুরু করা থেকে শুরু করে বাচ্চার পাসপোর্ট বানানোর ক্ষেত্রে আধার কার্ড সন্তানের পরিচয় এবং ঠিকানার প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়। মূলত সে কারণেই যত দ্রুত সম্ভব আধার কার্ড তৈরি করে নেওয়া উচিত। তাছাড়াও বাচ্চার নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় প্রয়োজন হয় আধার কার্ডের। বিশেষ করে সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার মতো প্রকল্পগুলিতে আধার কার্ড দেখানো জরুরী।

কীভাবে বাচ্চার আধার কার্ড তৈরি করবেন?

5 বছরের কম বয়সী বাচ্চার আধার কার্ড তৈরি করতে হলে আগে তাঁর বাবা মাকে নিজেদের বৈধ প্রমাণপত্র সহ আধার কার্ড দেখাতে হবে। তাঁরা বাচ্চাটির আইনত পিতা মাতা কিনা সেটা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন হবে সন্তানের জন্ম শংসাপত্র। সবকিছু ঠিক থাকলে নিকটবর্তী আধার সেবা কেন্দ্রে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে নিজেদের ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসেবে আধার কার্ড এবং প্রয়োজনীয় নথি দেখিয়ে বাবা-মায়ের মধ্যে যেকোনও একজন বায়োমেট্রিক অর্থাৎ আঙুল এবং চোখের স্ক্যান করিয়ে পেয়ে যেতে পারেন আপনার শিশুর আধার কার্ড।






বাড়িতে থেকেই কাজ করুন। পেট্রোল-ডিজেল, রান্নার গ্যাস ব্যবহার কমান। সোনা, রুপো কেনা বন্ধ করুন। হ্যাঁ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্...
12/05/2026

বাড়িতে থেকেই কাজ করুন। পেট্রোল-ডিজেল, রান্নার গ্যাস ব্যবহার কমান। সোনা, রুপো কেনা বন্ধ করুন। হ্যাঁ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) আবারও দেশবাসীর প্রতি এরকম আর্জি জানালেন। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ (Middle East War) পরিস্থিতির কথা বলে তিনি করোনা কালের সেই পরিস্থিতি স্মরণ করালেন। যেহেতু বিদেশ থেকে ভারতকে তেল, গ্যাস, রাসায়নিক সার সবকিছুই আমদানি করতে হয়, তাই এবার বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারেই পড়ছে টান। এই কারণেই দেশবাসীকে সজাগ থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি স্পষ্ট বলেছেন, বাড়িতে যে কোনও অনুষ্ঠান হোক না কেন, এক বছর ধরে কোনও সোনার গয়না কিনবেন না। কৃষকদের চাষের জমিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহারও তিনি অর্ধেকে নামিয়ে আনার আর্জি জানিয়েছেন। অযথা পেট্রোল-ডিজেল নষ্ট না করার অনুরোধ করেন তিনি। রবিবার তেলেঙ্গানার সেকেন্দ্রাবাদে এক সভায় বক্তৃতা দিতে গেয়ে এরকম সুর শোনা যায় মোদীর গলায়। তাঁর কথায়, ভারতকে পেট্রোল-ডিজেল বা এলপিজি, সবকিছু অন্য দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তবে যুদ্ধের ফলে গোটা দেশে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। যার কারণে দামও ঊর্ধ্বগতি।

পেট্রোল-ডিজেল ব্যবহার কমানোর আর্জি মোদীর
এদিন সভা থেকে মোদী বলেন, পেট্রোল-ডিজেলের ব্যবহার অনেকটাই কমাতে হবে। শহরে যদি মেট্রো থাকে, তাহলে মেট্রো ব্যবহার করতে হবে। অযথা বাইক বা গাড়িতে যাতায়াত বন্ধ করতে হবে। কারও যদি কোনও পণ্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠাতে হয়, তাহলে মালগাড়িতে পাঠান। পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ির থেকে রেল পরিষেবাকে বেশি প্রাধান্য দিন। এমনকি রান্নার গ্যাস ব্যবহার নিয়েও সংযত থাকার কথা বলেছেন মোদী। পাশাপাশি তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন।

সোনার গয়না কেনা বন্ধের অনুরোধ

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সোনার গয়না কেনা কমানোর আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অনুরোধ করেছেন, বাড়িতে যে কোনও অনুষ্ঠান হোক না কেন, আগামী এক বছর কোনও সোনার গয়না কেনা চলবে না। তাঁর কথায়, সোনা কিনতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয়। এরকম সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হলে লোক সোনা দান করে দিত। তবে এখন দান করার কোনও দরকার নেই। মোদী জানিয়েছেন, এক সময় ভারত থেকে বিদেশে তামা রফতানি করা হতো। তবে এখন তামাও সেই বিদেশ থেকে কিনতে হয়। যার জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হয়। তাই সেই বিষয়ের উপর নজর রাখতে হবে।

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করার নির্দেশ

করোনা মহামারীর সময় যেমন মানুষ অফিসের বদলে ওয়ার্ক ফ্রম হোম করত, এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই একই আর্জি জানালেন দেশবাসীকে। তিনি বলেছেন, আমরা করানোর সময় প্ল্যাটফর্ম বেস কাজ করেছি। অনলাইনে মিটিং বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাজ করেছি। এই ব্যবস্থা যদি আবারও শুরু করা যায়, তাহলে দেশের উপকার হবে। আর যে সংকট তৈরি হয়েছে, তাতে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার বাঁচানোর জন্য জোর দিতে হবে। গোটা বিশ্বজুড়ে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে। তাই পেট্রোল ডিজেল কেনা কমিয়েই আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার বাঁচাতে হবে।

বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
মোদী এক বছর দেশবাসীকে বিদেশ ভ্রমণে যেতে বারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, কারও যদি বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এক বছরের জন্য তা পিছিয়ে নিতে। তাঁর কথায়, এখনকার সময় মধ্যবিত্তরা বিদেশে গিয়ে বিয়ে করছে। বিদেশে ঘুরতে যাচ্ছে। তবে এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আমাদের একটু সংযম থাকতে হবে। আগামী এক বছর দেশের মধ্যেই যা করার করুন। বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচানোর জন্য এর থেকে বড় উপায় আর নেই।

রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে হবে
এদিকে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ঠিক রাখার জন্য কৃষকদের রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মোদী বলেছেন, রাসায়নিক সারের যত চাহিদা রয়েছে তার অর্ধকে নামিয়ে আনতে। কারণ, বেশিরভাগ রাসায়নিক সার বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, যাতে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারের উপরেই প্রচুর চাপ পড়ছে।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে রান্নার তেল ব্যবহার কমিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রান্নায় অন্তত ১০% তেল কম ব্যবহার করার চেষ্টা করতে। কারণ, ভোজ্য তেলও বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তা যদি ১০ শতাংশ ব্যবহার কমে, তাহলে অনেকটাই সুরহা হবে।






সময় যত গড়াচ্ছে আধুনিকতার মোড়কে উন্নত হচ্ছে রেল ব্যবস্থা (Indian Railways)। বিগত দিনগুলিতে বারবার ভারতীয় রেলের তরফে দ...
12/05/2026

সময় যত গড়াচ্ছে আধুনিকতার মোড়কে উন্নত হচ্ছে রেল ব্যবস্থা (Indian Railways)। বিগত দিনগুলিতে বারবার ভারতীয় রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে, ভারতের প্রায় সব প্রান্তকে রেল ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করাই তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য! সোমবার, এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) জানালেন, একটা সময় আসবে যখন ট্রেন ব্যবস্থা বিমান পরিষেবাকেও ছাপিয়ে যাবে! এদিন, ভারতীয় রেলের একাধিক প্রকল্প নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি পরবর্তী লক্ষ্য সম্পর্কেও দেশবাসীকে অভিহিত করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

ঠিক কী জানালেন রেলমন্ত্রী?
আজ অর্থাৎ সোমবার, এক বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বললেন, ভারতীয় রেল ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে 2025-26 আর্থিক বছরের জন্য তার বাজেট 98 শতাংশ ব্যয় করে ফেলেছে। এর অর্থ ভারতীয় রেল তার নির্ধারিত সমস্ত প্রকল্পগুলি বাস্তবায়ন করছে। এদিন রেলমন্ত্রী এও বলে দিলেন, ভবিষ্যতে দেশের বহু নতুন রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

এদিন রেলমন্ত্রী একেবারে স্পষ্ট করে জানান, “এখনও পর্যন্ত 49,000 কিলোমিটার রেললাইনে বিদ্যুৎ পৌঁছে গিয়েছে। যা জার্মানির গোটা রেল নেটওয়ার্ক এর থেকে বেশি। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে 36,000 কিলোমিটার পর্যন্ত নতুন ট্র্যাক যুক্ত করা হয়েছে রেল ব্যবস্থায়। যা সুইজারল্যান্ডের রেল নেটওয়ার্কের তুলনায় প্রায় 6 গুণ। এই নতুন রেল রুটগুলি তৈরি হওয়ার ফলে যাত্রীদের ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। তাতে আগামীতে মানুষ ট্রেনকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেবে।”

ভারতীয় রেলের সাফল্য নিয়ে কথা বলতে বলতেই রেলমন্ত্রী জানালেন, “সরকার মুম্বই ও পুনের মধ্যে একটি নতুন রেল করিডোর তৈরি করছে। এর ফলে ভ্রমণের সময় 28 মিনিট কমে যাবে। পুনে থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত যেতে সময় লাগবে 1 ঘন্টা 55 মিনিট এবং হায়দরাবাদ থেকে বেঙ্গালুরু পর্যন্ত যেতে সময় লাগবে প্রায় দু’ঘণ্টা।” এদিন রেলমন্ত্রী একেবারে জোর দিয়ে বললেন, “এই ধরনের রুটগুলিতে ট্রেনের পরিষেবা বিমানকেও টেক্কা দেবে! এইসব রুটে মানুষ ফ্লাইট ছেড়ে ট্রেনের প্রতি মনোযোগী হবে। এই সব সেক্টর বিমান সংস্থাগুলির জন্য চাপের!”

কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর সংযোজন, “যাঁরা এখনও বিভিন্ন এভিয়েশন সংস্থাগুলিতে বিনিয়োগ করতে চাইছেন, তাঁদের বোঝা উচিত যে এই রুট গুলিতে ট্রাফিকের 99 শতাংশ রেলপথ থেকে আসবে। বেঙ্গালুরু এবং চেন্নাইয়ের মধ্যে ভ্রমণের সময় 78 মিনিট কমে যাবে। এছাড়াও দিল্লি থেকে বারাণসী পৌঁছনো যাবে মাত্র 3 ঘন্টা 50 মিনিটের মধ্যেই। অন্যদিকে লখনউ ও দিল্লির মধ্যে যাতায়াত করতে সময় লাগবে মাত্র দু ঘন্টা।”





ইরান এবং আমেরিকার মধ্যেকার সংঘাত প্রভাব ফেলেছে গোটা বিশ্বে! পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতায় কিছুটা হলেও প্রভাবিত ভারত (Central...
12/05/2026

ইরান এবং আমেরিকার মধ্যেকার সংঘাত প্রভাব ফেলেছে গোটা বিশ্বে! পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতায় কিছুটা হলেও প্রভাবিত ভারত (Central Government)। গতকালই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাস ব্যবহারে সংযমী হতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া অহেতুক ব্যবহার করা যাবে না এই ধরনের জ্বালানি। এবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বড় বার্তা দিলেন ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা।

পেট্রোল, ডিজেল এবং LPG নিয়ে বড় বার্তা
সদ্য এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে দেশের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুজাতা দেবী জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের সমস্ত নাগরিককে পেট্রোল এবং ডিজেলের ব্যবহার কমাতে অনুরোধ করেছেন। যেখানেই সম্ভব, মেট্রো এবং পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করুন, কর্পুলিং গ্রহণ করুন এবং মালবাহী পরিবহনের জন্য রেলকে অগ্রাধিকার দিন। একই সাথে যতটা সম্ভব ইলেকট্রনিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়ান।”

এদিন পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এর বক্তব্য ছিল, জনগণের কাছে তাদের দৈনন্দিন জীবনে শক্তি সঞ্চয়ের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করার আবেদন রাখা হচ্ছে। যাতে দেশের উপর অর্থনৈতিক বোঝা কমানো যায়। এদিন সুজাতা শর্মা একেবারে স্পষ্ট করে জানান, “বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ শৃংখল বাধাপ্রাপ্ত। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ছে জ্বালানির। ভারত সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে কোনও সমস্যা ছাড়াই জ্বালানির ব্যবহার করতে পারেন সেদিকে নজর দিয়েছে কেন্দ্র।

সুজাতা শর্মা আরও বলেন, “এই মুহূর্তে ভারতে অপরিশোধিত তেলের মজুদ যথেষ্ট আছে এবং দেশের শোধনাগারগুলিও ভালভাবে কাজ করছে।” পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের কথায় বোঝা যাচ্ছে, এখনই পেট্রোল এবং ডিজেল নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। এদিন সুজাতা দেবী এও বলেলন, “দেশে এলপিজির ঘাটতি দেখা দিয়েছে এমন কোনও খবর পাওয়া যায়নি। দেশে পেট্রোল এবং ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে এলপিজিও। গত তিন দিনে 1 কোটি 26 লাখ এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং হয়েছে। যার ফলে গত তিন দিনে বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রয় 17,000 টন অতিক্রম করে গিয়েছে। একই সাথে অটোর এলপিজি বিক্রি হয়েছে 762 টনেরও বেশি।”






ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও মেলেনি ফলাফল। সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে বিজেপি সরকারকে। আর সেই ক্ষোভ বাড়তেই ...
12/05/2026

ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও মেলেনি ফলাফল। সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে বিজেপি সরকারকে। আর সেই ক্ষোভ বাড়তেই এবার বড় পদক্ষেপ নিল বিজেপি (Bharatiya Janata Party) সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মহিলা সমৃদ্ধি যোজনায় (Mukhyamantri Mahila Sammridhi Yojana) এবার প্রতি মাসে মহিলারা ২৫০০ টাকা করে পাবেন, আজই হতে পারে পোর্টাল লঞ্চ। অনলাইনে চলবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া, জানুন বিস্তারিত।

চালু হতে চলেছে নয়া পোর্টাল
রিপোর্ট মোতাবেক, দিল্লিতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, ক্ষমতায় আসলে মহিলাদের মাসে মাসে ২৫০০ টাকা করে আর্থিক ভাতা দেওয়া হবে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর এ বছর গড়িয়ে গেলেও এখনও মহিলাদের জন্য কোনো প্রকল্প চালু করা হল না। যা নিয়ে মহিলা মহলে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। তাই এবার তড়িঘড়ি এই নিয়ে ব্যবস্থা নিল সরকার। আজ, সোমবারই দিল্লিতে উদ্বোধন করা হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী মহিলা সম্মৃদ্ধি যোজনা। এর জন্য চালু হতে চলেছে নয়া পোর্টাল। এই প্রকল্পে মাসে মাসে ২৫০০ টাকা করে আর্থিক ভাতা দেওয়া হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১ জুন থেকেই চালু হবে কাজ।

কারা এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে?

প্রশাসনিক মহলের একাংশ জানিয়েছে, দিল্লির মহিলাদের জন্য যে মুখ্যমন্ত্রী মহিলা সম্মৃদ্ধি যোজনা চালু হতে চলেছে, তার নাম এবার পরিবর্তন করা হতে পারে। অর্থাৎ পোর্টাল লঞ্চের আগেই তার নাম বদল করে রাখা হতে পারে ‘দিল্লি লক্ষ্মী যোজনা’। এখন প্রশ্ন উঠছে কারা কারা এই প্রকল্পের সুবিধার জন্য যোগ্য। জানা গিয়েছে, ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যে সকল মহিলাদের পরিবারের বার্ষিক আয় আড়াই লক্ষ টাকার কম হবে, তারাই আর্থিক সুবিধা পাবেন। এর জন্য ইনকাম সার্টিফিকেট এবং আধার কার্ড প্রমাণ হিসেবে জমা দিতে হবে। তবে কেউ যদি সরকারি চাকরি করে এবং সরকারি অন্য কোনও আর্থিক ভাতা বা পেনশন পায়, তাহলে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে না।

পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে টার্গেট করা হয়েছিল মহিলাদের। মমতা সরকার যেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করেছিল সেই প্রকল্পের এবার নাম ও ধাঁচ পরিবর্তন করতে চলেছে শাসকদল বিজেপি। তাঁদের সংকল্প পত্রে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মহিলারা মাথা পিছু ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। এখন দেখার সেই প্রকল্প নিয়ে বিজেপি সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। অর্থাৎ এইমুহুর্তে নবান্নের অলিন্দে শুধুই পরিবর্তনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।






ভারতের রাস্তায় দিনের পর দিন এক্সপ্রেসওয়ে এবং হাইওয়ের সংখ্যা বাড়ছে। তবে যাতায়াতের গতি বাড়লেও সাধারণ মানুষের মনে যানব...
12/05/2026

ভারতের রাস্তায় দিনের পর দিন এক্সপ্রেসওয়ে এবং হাইওয়ের সংখ্যা বাড়ছে। তবে যাতায়াতের গতি বাড়লেও সাধারণ মানুষের মনে যানবাহনে সুরক্ষা নিয়ে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। আর এই উদ্বেগ কাটানোর জন্য এবার বিরাট পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এতদিন পর্যন্ত কেবলমাত্র দামি গাড়ির জন্যই সেফটি রেটিং সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এবার থেকে খুব শীঘ্রই আপনার পাড়ায় চলা ই-রিক্সা বা টোটোর ক্ষেত্রেও সেই রেটিং (Safety Rating on E-Rickshaw) যুক্ত হতে চলেছে।

কেন নেওয়া হচ্ছে বিশেষ উদ্যোগ?
আসলে আজ দিল্লির মুন্ডকা-বক্করওয়ালা টোল প্লাজায় নতুন ব্যারিয়ার লেস টোল প্লাজা উদ্বোধন করতে এসেছিলেন স্বয়ং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রীর নীতিন গড়করি। আর তিনি সেখানে এই ঘোষণা করেন। তাঁর কথায়, সরকার সাধারণ মানুষের জীবন সুরক্ষিত রাখতে একেবারে বদ্ধপরিকর। সেই কারণেই প্রতিটি ছোট বড় যানবাহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য মনোন্নয়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রীর কথায়, ই-রিক্সা বা টোটোর সুরক্ষার মান নির্ধারণের জন্য ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ কমিটি নিয়োগ করা হয়েছে। আর এই কমিটি রিকশা বা টোটোর সেফটি রেটিং দেওয়ার নিয়মাবলী তৈরি করবে। সেক্ষেত্রে গাড়ির মজবুত কাঠামোর উপর ভিত্তি করে রেটিং দেওয়া হবে। আর ই-রিক্সার ক্র্যাশ টেস্ট করার ব্যবস্থাও করা হবে। পাশাপাশি এই রেটিং গ্রাহকদের বুঝতে গ্রাহক সাহায্য করবে, কোন রিকশাটি বেশি সুরক্ষিত।

বাসের ক্ষেত্রেও বিশ্বমানের স্ট্যান্ডার্ড

উল্লেখ্য, যাত্রীবাহী বাস নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, সরকার বিশ্বমানের বাস তৈরির জন্য এবার নির্দিষ্ট কিছু মানদন্ড ঠিক করেছে। আগামী দিন ভারতের রাস্তায় এরকম বাস দেখা যাবে, যেগুলি আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা প্রদান করবে। পাশাপাশি টোটোগুলির ডিজাইন খোলা হওয়ার কারণে দুর্ঘটনার সময় যাত্রীরা ছিটকে বাইরে পড়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। তাই এবার থেকে সুরক্ষার জন্য সরকার ডিজাইন সম্পূর্ণ পরিবর্তন করতে





চরম দারিদ্রতায় ডুবে পাকিস্তান! মুখে স্বীকার না করলেও বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে আসে পশ্চিমের দেশের অসহায়ত্বের কথা (IMF Money...
10/05/2026

চরম দারিদ্রতায় ডুবে পাকিস্তান! মুখে স্বীকার না করলেও বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে আসে পশ্চিমের দেশের অসহায়ত্বের কথা (IMF Money To Pakistan)! তারই প্রমাণ মিলল ফের। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার বা IMF এর কাছ থেকে ফের বড় অঙ্কের আর্থিক সাহায্য পাচ্ছে ইসলামাবাদ। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার পাকিস্তানের জন্য চলমান দুই পৃথক কর্মসূচির অধীনে 1.32 বিলিয়ন ডলার অনুমোদন করেছে।

ফের IMF এর কাছে হাত পাততে হচ্ছে পাকিস্তানকে?
এই মুহূর্তে আর্থিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তান। মূলত পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার কারণেই ভারতের প্রতিবেশী দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকট বড় আকার ধারণ করেছে। এদিকে জ্বালানি তেল নিয়েও বড় বিপদে পশ্চিমের দেশ। ঠিক সেই আবহে দুঃসময়ে ফের পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি এর অধীনে 1 বিলিয়ন ডলার, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি’ এর অধীনে পাকিস্তানকে অতিরিক্ত 210 মিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার।

বলাই বাহুল্য, এর আগে 2024 সালে IMF পাকিস্তানকে 7 মাসের মধ্যে 37 বিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। একই সাথে RSF প্রকল্পে 1.4 বিলিয়ন ডলার অনুমোদন করেছিল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার। সেই প্রতিশ্রুতি মতোই আজ পর্যন্ত পাকিস্তান IMF এর তরফ থেকে 8.4 বিলিয়ন ডলারের দুই ঋণ প্যাকেজের মধ্যে 4.5 বিলিয়ন ডলারের ঋণ ইতিমধ্যেই পেয়ে গিয়েছে। তবে নতুন করে যে ঋণের কথা ঘোষণা করা হল তা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ছেড়ে দিতে পারে অর্থভান্ডার। আর সেটা হলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার 17 বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়ে যাবে বলেই আশা করা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে বিপুল পরিমাণ ঋণ পাওয়ার বিনিময়ে পাকিস্তানকে কঠোর আর্থিক এবং মুদ্রা নীতির লক্ষ্য পূরণ করার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হয়েছে। বিশ্ব অর্থভাণ্ডারকে পাকিস্তানের সরকার আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, আর্থিক ঘাটতি কমিয়ে রাজস্ব আদায় বাড়াতে সরকার সব রকম সংস্কারমূলক কাজ চালিয়ে যাবে। যদিও IMF এর নীতি মানতে গিয়ে ইসলামের দেশটিতে বেড়েছে বেকারত্ব এবং দারিদ্রতা। সেই সাথে পাকিস্তানিদের আয়েও ব্যাপক বৈষম্য দেখা দিচ্ছে। তাতে বারবার সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে ভারতের প্রতিবেশীকে।






ভারত হোক কিংবা অন্য কোনও দেশ, সব ক্ষেত্রেই ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম (World’s Longest Train)। অল্প খরচে এই ট...
09/05/2026

ভারত হোক কিংবা অন্য কোনও দেশ, সব ক্ষেত্রেই ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম (World’s Longest Train)। অল্প খরচে এই ট্রেনে চেপেই এক স্থান থেকে দূরের গন্তব্যে পৌঁছতে পারেন যাত্রীরা। এই মুহূর্তে ভারত সহ দেড়শোর বেশি দেশে রয়েছে রেল ব্যবস্থা। কিন্তু অনেকেই জানেন না, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম ট্রেন কোনটি! হ্যাঁ, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ট্রেন সম্পর্কে ধারণা রয়েছে খুব কম মানুষেরই। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অনেকেই তুলে আনেন ভারতের সুপার বাসুকীর প্রসঙ্গ। কিন্তু না, বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম ট্রেন রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়।

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম ট্রেন কোনটি?
প্রায় 99.99 শতাংশ মানুষ আজও জানেন না, এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম ট্রেনের রেকর্ড ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়ার বিএইচপি আয়রন ওর। বলে রাখি এই ট্রেনটির দৈর্ঘ্য প্রায় 7.3 কিলোমিটার। এই ট্রেনে রয়েছে মোট 682টি বগি। বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম ট্রেন হওয়ায় এতে রয়েছে 8টি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইঞ্জিন। যা 682টি বগিকে চালনা করে। বলাই বাহুল্য, অস্ট্রেলিয়ার এই দীর্ঘতম ট্রেনটি কিন্তু যাত্রীবাহী ট্রেন নয় বরং একটি মালগাড়ি। যাতে করে প্রত্যেক ট্রিপে 82,000 টন বা তারও বেশি লোহা, আকরিক সহ অন্যান্য পণ্য নিয়ে যাওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এই ট্রেনটির মাথা থেকে শেষ প্রান্তে হেঁটে যেতে অনেকটাই সময় লেগে যায়। তাহলেই বোঝা যাচ্ছে এই ট্রেনের দৈর্ঘ্য কতটা! তবে এটিকে যদি ভারতের সবচেয়ে লম্বা বা দীর্ঘতম ট্রেন বাসুকীর সাথে তুলনা করা হয় সেক্ষেত্রে ভারতের এই ট্রেনটি সবদিক থেকে পিছিয়ে পড়বে। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিএইচপি আয়রন ওরে যেমন 8টি ইঞ্জিন ও 682টি বগি রয়েছে সেখানে ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘতম ট্রেনে রয়েছে মাত্র 6টি ইঞ্জিন এবং 96টি বগি। 2022 সালের 15 আগস্ট চালু হওয়া সুপার বাসুকী ট্রেনটি দক্ষিণ-পূর্ব মধ্য রেলের আওতায় চলাচল করে।

না বললেই নয়, 3.6 কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাসুকী ট্রেনটিও যাত্রীবাহী ট্রেন নয় বরং এটি একটি মালগাড়ি। ফলে আর পাঁচটা মাল গাড়ির মতোই এতে করে নানান পণ্য যেমন লোহা, অন্যান্য আকরিক, কয়লা সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যাওয়া হয়। এই ট্রেনটি প্রত্যেকটি ট্রিপে 9,000 টন কয়লা বহন করতে সক্ষম। সবচেয়ে বড় কথা, 25,962 টন ওজনের এই ট্রেনটি 267 কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে সময় নেয় 11 ঘন্টা





ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমারে যখন সেনা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর লড়াইয়ে আকাশ-পাতাল কাঁপছে, ঠিক তখনই মাটির বুক চিরে উঠে...
09/05/2026

ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমারে যখন সেনা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর লড়াইয়ে আকাশ-পাতাল কাঁপছে, ঠিক তখনই মাটির বুক চিরে উঠে আসলো এক আশ্চর্য রত্ন (Myanmar Ruby Discovery)। হ্যাঁ, দেশের বিখ্যাত মোগোক অঞ্চল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিশাল আকারের রুবি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবলমাত্র আকারের কারণে নয়, বরং এর গুণগত মানের জন্য এর দাম কয়েকশো কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

১১ হাজার ক্যারেটের বিশাল ভাণ্ডার
খননকারী দল জানাচ্ছে যে, উদ্ধার হওয়া ওই রুবিটির ওজন আনুমানিক ২.১ কেজি। আর পরিমাপের হিসেবে দেখতে গেলে এটি ১১ হাজার ক্যারেটের থেকেও বেশি। মিয়ানমারের ইতিহাসে এটি এতদিন পর্যন্ত পাওয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম চুনি। এর আগে ১৯৯৬ সালে ২১,৪৫০ ক্যারেটের একটি বিশাল পাথর পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু নতুন এই রুবির স্বচ্ছতা আর উজ্জ্বল্য আগের সমস্ত রেকর্ডকে একেবারে ছাপিয়ে যাচ্ছে।

সিবিএস নিউসের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, এই রুবির রং অনেকটা বেগুনি লাল, যাতে হালকা হলদেটে আভা রয়েছে। আর পাথরটি এখনও কাটা বা পালিশ করা হয়নি। কিন্তু এর স্বাভাবিক উজ্জ্বল্য এবং স্বচ্ছতা দেখে রত্ন বিশেষজ্ঞরা সত্যি মুগ্ধ। তাঁদের মতে, এটি অত্যন্ত বিরল প্রকৃতির। আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা আকাশছোঁয়া হতে পারে।

বলে রাখি, মিয়ানমার বিশ্বের বৃহত্তম চুনি উৎপাদক দেশ। পৃথিবীর মোট চুনি চাহিদার আনুমানিক ৯০ শতাংশই এই দেশ মেটায়। আর এই বাণিজ্যের মূল কেন্দ্র হল মোগোক অঞ্চল। এপ্রিল মাসে মাঝামাঝি সময় যখন মিয়ানমারে নববর্ষের উৎসব কাটছিল, ঠিক তখনই এই খবরটি সামনে আসে। কিন্তু এই আবিষ্কারের পিছনে একটি অন্ধকার দিক রয়েছে। কারণ, মোগোক অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরেই যুদ্ধের কবলে। ২০২৪ সালের শুরুতে এই এলাকাটি তাআং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি দখল করে নিয়েছিল। আর পরবর্তী সময়ে চিনের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও এলাকাটি পুনরায় সেনাদের নিয়ন্ত্রণে আসে। পাশাপাশি মানবাধিকার সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই সমস্ত রত্ন বিক্রির টাকা দেশের উন্নয়ন নয়, বরং যুদ্ধের অস্ত্র কিনতে আর সেনাদের শক্তি বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।






ইরান যুদ্ধের মাঝেই ভারতীয় নৌবাহিনীতে বদলের হাওয়া (Indian Navy)! আগামী 31 মে মেয়াদ শেষ হচ্ছে নৌবাহিনীর বর্তমান প্রধানে...
09/05/2026

ইরান যুদ্ধের মাঝেই ভারতীয় নৌবাহিনীতে বদলের হাওয়া (Indian Navy)! আগামী 31 মে মেয়াদ শেষ হচ্ছে নৌবাহিনীর বর্তমান প্রধানের। ফলে, তিনি দায়িত্ব শেষ করতেই ভারতীয় নৌসেনার নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হবে ভাইস অ্যাডমিরাল কৃষ্ণ স্বামীনাথনকে। খোদ ভারত সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতীয় নৌ বাহিনীর প্রধান হওয়ার পর আগামী 2028 সালের 31 ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বিশেষ পদে থাকবেন স্বামীনাথন।

ভারতীয় নৌসেনার হবু প্রধান সম্পর্কে কিছু কথা
জানিয়ে রাখি, নরেন্দ্র মোদি সরকারের সিদ্ধান্তে ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রধানের আসন পেতে যাওয়া কৃষ্ণ স্বামীনাথন বর্তমানে মুম্বইয়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় নৌ কমান্ডের ফ্ল্যাগ অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ হিসেবে কাজ করছেন। বলাই বাহুল্য, 1987 সালের পহেলা জুলাই ভারতীয় নৌ-বাহিনীতে যুক্ত হয়েছিলেন কৃষ্ণ স্বামীনাথন। এর আগে ব্রিটেনের জয়েন্ট সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং আমেরিকান নেভাল ওয়ার কলেজে পড়াশোনার পর ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতেও নিজের শিক্ষার্থী জীবন কাটিয়েছিলেন স্বামীনাথন। এছাড়াও ভারতীয় নৌবাহিনীর ভাবি প্রধান কলেজ অফ নেভাল ওয়ারফেয়ারের সাথেও ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত ছিলেন।

তবে এবার তিনি দায়িত্ব পেতে চলেছেন সরাসরি ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রধানের। আর এই আসন পাওয়া মাত্রই তাঁর কাঁধে চাপবে ভারতীয় সমুদ্র সীমান্ত রক্ষা এবং নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্ব। তাছাড়াও ভবিষ্যতে ভারতীয় নৌবাহিনী পরবর্তী মিশনগুলি কীভাবে সফলভাবে সম্পন্ন করবে তাও ঠিক করবেন তিনিই। সবচেয়ে বড় কথা, সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালীতে ভারতের জাহাজগুলিকে নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত ভারতীয় নৌ-বাহিনী। কিছু জাহাজ নিরাপদে ভারতে পৌঁছালেও বাকি থেকে যাওয়া জাহাজগুলির নিরাপত্তার স্বার্থে ওমান উপসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়ন করেছে ভারত। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব নেওয়াটা মোটেই চারটি খানি কথা নয়।

উল্লেখ্য, সালটা 2024 এর 30 এপ্রিল। সে বছরই ভারতীয় নৌসেনার প্রধানের পদ পেয়েছিলেন অ্যাডমিরাল দীনেশ কুমার ত্রিপাঠী। এরপর থেকে একাধিক মিশনে ভারতের স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। গত বছরের অপারেশন সিঁদুরের সময়ও শক্ত হাতে জলপথে শত্রু রুখতে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। চলতি মাস শেষ হওয়ার সাথে সাথেই ভারতীয় নৌসেনায় মেয়াদ ফুরচ্ছে ত্রিপাঠির।





Address

Silchar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Silchar Tech Info posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share