Technology News Update

Technology News Update Update Technology News

07/29/2021
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা যিনি বর্তমান বাংলাদেশ সরকার প্রধান এ দু’জনের স্...
07/27/2021

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা যিনি বর্তমান বাংলাদেশ সরকার প্রধান এ দু’জনের স্বপ্ন বাস্তায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়। সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের এদিনে জন্ম গ্রহন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠান। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ইন্টারনেটকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ইউনিয়ন পর্যায়ের পাশাপাশি চর বা পার্বত্য অঞ্চলের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন। বর্তমানে মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়।দেশের আইসিটি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাগত যোগ্যতা আর পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা-এই দু’য়ের মিশেলেই দেশের আইসিটি খাতের এমন তড়িৎ উন্নতিতে সফল নেতৃত্ব দিতে পেরেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।বিশেষ করে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি। সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমানে বেশিরভাগ সময়েই দেশের বাইরে অবস্থান করতে থাকার কারন এ বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে ফেসবুকে মতামত ব্যক্ত করে থাকেন। ইতিমধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে তার নামডাক ছড়িয়ে পড়েছে।



১৯৬৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়া দেশের মার্চিসন, ভিক্টোরিয়া তে সকাল ১১ টার সময় এই উল্কাপিণ্ডটি মহাকাশ থেকে এসে পড়ে। ...
07/26/2021

১৯৬৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়া দেশের মার্চিসন, ভিক্টোরিয়া তে সকাল ১১ টার সময় এই উল্কাপিণ্ডটি মহাকাশ থেকে এসে পড়ে। এর বয়স কত জানেন ? এর নাম দেওয়া হয় মার্চিসন উল্কা। এর বয়স সাতশো কোটি বছর। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন ৭০০০০০০০০০ বছর ! অর্থাৎ এটা আমাদের সূর্য, সৌরমণ্ডলের চেয়েও আড়াইশ কোটি বছর পুরানো! শুধু তাই নয়, এতে জৈব যৌগও পাওয়া গেছে। জৈব যৌগ প্রাণের উৎপত্তির জন্য অপরিহার্য !!
নিচে: ওয়াশিংটনের প্রাকৃতিক ইতিহাস এর জাতীয় সংগ্রহালয়ে মার্চিসন উল্কাপিণ্ডের একটি নমুনা

করোনাকালের বাংলাদেশঃ লাখ লাখ মানুষের মৃত্যুরই ছিল ওদের কাম্য২০২০ সালে করোনা মহামারির শুরুতেই সরকার যখন মানুষের জানমাল ...
07/11/2021

করোনাকালের বাংলাদেশঃ লাখ লাখ মানুষের মৃত্যুরই ছিল ওদের কাম্য

২০২০ সালে করোনা মহামারির শুরুতেই সরকার যখন মানুষের জানমাল রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে, ঠিক সেই সুযোগে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে ড. কামালের নেতৃত্বাধীন একটি চক্র। বিএনপি-জামায়াত ও তাদের বিদেশি কুশীলবদের ধারণা ছিল, করোনার ধাক্কায় ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে। মুখ থুবড়ে পড়বে অর্থনীতি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী পদক্ষেপের কারণে খুব অল্প ক্ষয়ক্ষতিতেই করোনার প্রথম ধাক্কা থেকে রক্ষা হয় এবং এখন পর্যন্ত সফলভাবে এটি মোকবিলা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু থেমে থাকেনি দেশবিরোধীদের ষড়যন্ত্র। এদেশেরই কিছু বিদেশি এজেন্টের সহায়তায় এই মহামারির মধ্যেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক থ্রিলার ও কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশিত হয় বাংলাদেশকে নিয়ে।
আন্ডারগ্রাউন্ড পোপাগান্ডা মেশিন হিসেবে কুখ্যাত ‘নেত্র নিউজ’-এর সাংবাদিক তাসনিম খলিল ও ড. কামালের জামাই ডেভিড বার্গম্যানদের দেওয়া মিথ্যা তথ্যের ওপর ভর করে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানো হয় বিশ্বের কয়েকটি গণমাধ্যমে। বাংলাদেশবিরোধী এই চক্রটি চেয়েছিল, করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থ হোক বাংলাদেশ, করোনার কারণে আর্থিক সংকট সৃষ্টি হোক, দুর্ভিক্ষ শুরু হোক, গণমৃত্যু হোক। মহামারিকে কেন্দ্র করে জনক্ষোভ সৃষ্টির মাধ্যমে অস্থিরতা তৈরি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা করেছিল এই উগ্রবাদী চক্র। কিন্তু বাস্তবে তাদের আশা পূরণ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষতায় এবং সরকারি-বেসরকারি কর্মচারি ও রাজনীতিবিদদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সেই দূরাবস্থা কাটিয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ফলে গণমুখী রাজনীতির মাঠে ব্যর্থ বিএনপি-জামায়াত, উগ্রবাদী ও দেশবিরোধী চক্রটি মহামারির থেকে যে ফায়দা লুটতে চেয়েছিল, সেই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়।
এরপর আরো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এই চক্রটি। বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীদের সঙ্গে নিয়ে অনলাইনজুড়ে ছড়াতে শুরু করে জঙ্গিবাদের বিষবাষ্প। বিকৃত করতে শুরু করে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। অপপ্রচার ও গুজব ছড়াতে থাকে সরকারের বিরুদ্ধে। এমনকি সেনাবাহিনীর ভেতরেও উস্কানি দিতে থাকে তারা। এক্ষেত্রে চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য শহীদ উদ্দীন ও দেলোয়াররা কয়েকমাস ধরে টানা উগ্র বক্তব্য দেওয়া অব্যাহত রাখে। সরকার যখন করোনার মতো অতিমারি মোকাবিলায় দিনরাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছিল, ঠিক এরকম একটি সময়ে দেশের মানুষের জান-মাল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় নেত্র নিউজ, তাসনিম খলিল, ডেভিড বার্গম্যান, ড. কামাল হোসেনরা এ পিনাকীরা।
এর আগে, ২০২০ সালের ৭ এপ্রিল আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়- করোনার প্রভাবে বাংলাদেশে ২০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এই মহামারি মোকাবিলা করতে পারবে না বলেও মন্তব্য করে তারা। একই বছরের ২৩ মার্চ আরও একটি বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রচার করে জাজিরা। কোনো সূত্র ও তথ্য ছাড়াই জাজিরা দাবি করে- বাংলাদেশের মানুষ ভয়ে আছে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই। মূলত আল জাজিরার বিশেষ কন্ট্রিবিউটর ও নেত্র নিউজের অন্যতম সম্পাদক ডেভিড বার্গম্যানের উদ্যোগে এসব সংবাদ প্রকাশ করিয়ে দেশজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
এছাড়াও ইকোনোমিস্ট, টেলিগ্রাফ, ডয়চেভেলের মতো গণমাধ্যমেও বাংলাদেশকে নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েচে। সুশীল সমাজের ছদ্মবেশে এসব প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে এসব তথ্য ও বক্তব্য দিয়েছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান, ইউরোপপ্রবাসী দুই বাংলাদেশি পিনাকী ভট্টাচার্য ও তাসনিম খলিল। অথচ এই ব্যক্তিরা বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণার ক্ষেত্রে অনেক আগে থেকেই চিহ্নিত।
অথচ বাস্তবতা পুরোটাই উল্টো। করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বিস্ময় হিসেবে অভিহিত করেছের ইকোনমিক ফোরাম। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও চলমান উন্নয়ন নিয়ে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মন্তব্যও ইতিবাচক। এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে এই মহামারির মধ্যেও ছিন্নমূল প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে বাড়ি তৈরি করে দিয়েচে সরকার। কর্মহীন হয়ে পড়া ও নিম্নবিত্ত এক কোটি মানুষকে নিয়মিত খাদ্য ও অর্থ দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামের অভাবে মারা যায়নি কেউ। খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেছে ঘরে ঘরে। মানুষের প্রাণ বাঁচাতে প্রাণান্ত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। অথচ একদল ক্ষমতালিপ্সু নরপিশাচ চেয়েছিল লাখ লাখ মানুষের লাশ মাড়িয়ে ক্ষমতার স্বাদ নিতে।

উড়াল, পাতাল, আকাশ, চুম্বক কিংবা বৈদ্যুতিক রেলের স্বপ্ন দেখে আসছে মানুষ যুগ যুগ ধরে। বিশ্বের উন্নত দেশেগুলোতে মেট্রো রেল ...
06/29/2021

উড়াল, পাতাল, আকাশ, চুম্বক কিংবা বৈদ্যুতিক রেলের স্বপ্ন দেখে আসছে মানুষ যুগ যুগ ধরে। বিশ্বের উন্নত দেশেগুলোতে মেট্রো রেল চালু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। উপমহাদেশে প্রথম রেল চালু কত সালে তা নিয়ে শুরু করছি, ১৮৫৩ সালের ১৬ এপ্রিল বোম্বাই থেকে থানে পর্যন্ত মোট ২১ মাইল রেলপথে। ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের অংশ অর্থাৎ ভারতের রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত ৩৩ মাইল রেলপথ চালু হয়। আর ১৮৮৫ সালের জানুয়ারির দিকে ঢাকায় প্রথম রেলপথ চালু হয় যা ৯ দশমিক ৩১ মাইল। সেই রেলপথ ছিল ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত । ঢাকার ফুলবাড়িয়া ছিল জংশন স্টেশন, যা পাকিস্তান আমলে স্থান পরিবর্তন করে ঢাকার পূর্বাঞ্চল কমলাপুরে স্থানান্তর করা হয়। রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মতে, যদিও ফুলবাড়িয়া থেকে কমলাপুরে স্টেশন স্থানান্তর করার সিদ্ধান্তটি ছিল আত্মঘাতীর মত একটা ব্যাপার। শহরকে গতিশীল করার জন্য রেলের ভুমিকার কোনো বিকল্প নেই। অবাক করার মত ব্যাপার হল যেদিন রেলগাড়ি আবিষ্কার হয়, সেদিন বিশ্ব হেসে উঠেছিল। ধীরে ধীরে অন্ধকারের জগৎ থেকে পৃথিবী উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে লাগলো। রেলের চাকার সঙ্গে এগিয়ে যেতে থাকে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিপ্লব ঘটে শিল্প- বাণিজ্যের ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ও উন্নতি হয় অনেক। লোক মুখে শুনা যায় ইস্পাতের রেলপথ যেদিক দিয়ে গিয়েছে সেখানেই উন্নয়ন হয়েছে। হয়তো রেল আবিষ্কার না হলে মানুষকে আরো কয়েক শ বছর পিছিয়ে থাকতে হতো উন্নয়নের নানা ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেছেন উত্তরার দিয়াবাড়ী থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার প্রশস্ত মেট্রো রেলের মূল কাজ। প্রায় তিন বছর ধরে সম্পন্ন করা হয়েছে এর খুচরা কাজগুলো । এই যুগান্তকারী যোগাযোগব্যবস্থার ফলাফল ২০২০ সালের মধ্যে পাবার কথা ছিল নগরবাসীর কিন্তু করোনার মারাত্মক ভয়াবহতায় তা হয়ে উঠেনি। বর্তমানে উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে সময় লাগে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা। আর মেট্রো রেল সেটা কমিয়ে আনবে ৪০ মিনিটে মাত্র। আজ অনেকেই ঢাকা শহরের কথা উঠলেই বলে , মোঘল আমলের শহর ঢাকা হলেও ঢাকা যানজটের কারণে চরম বিরক্তিকর। মেট্রো রেল চালু হলে সেই যানজট এর অপবাদটা আর থাকবে না আশা করছি। যানজটমুক্ত শহরে পরিণত হবে ঢাকা শহরটি। ফলে গতিশীল হয়ে উঠবে পথঘাট, রাস্তা-ফুটপাত। নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে নগরবাসীর প্রতিটি কাজকর্ম, চলাফেরা আর ঘোরাফেরায়। বর্তমানের পরিস্থিতিতে ২৪ ঘণ্টা জীবনযাপনের মধ্যে ছয় ঘণ্টাই যানজটে আটকা পড়ে থাকতে হয় তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দেশের ঢাকার জনগন এর জন্য মেট্রো রেল যানজট এর নিরসন হবে। স্বপ্নের মেট্রোরেলের চলাচল দেখা যাবে ২০২১ আগস্টেই এবং এক বছর পরীক্ষামূলক চলাচল হবে। যাত্রী নিয়ে চলবে ২০২২ সালের পর। জাপান থেকে দেশে এসেছে দুই সেট ট্রেন। আরও তিন সেট আসছে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আর বাকি ১৯ সেট ট্রেন পর্যায়ক্রমে আসবে। ।মে-২০২১ পর্যন্ত পুরো প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি হয় প্রায় ৬৫ শতাংশ। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত উড়ালপথসহ নির্মাণকাজের অগ্রগতি হয় প্রায় ৮৬ শতাংশ। আর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ঘটে প্রায় ৬৩ শতাংশ।
তার মানে হল ঢাকায় মেট্রোরেল চলাচলের উড়ালপথের চার ভাগের তিন ভাগ নির্মাণকাজই শেষ হয়েছে বলা যায়। পরীক্ষামূলক চলাচল শেষে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর উত্তরা-আগারগাঁও পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হতে পারে। তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পুরোটা একসঙ্গে মেট্রোরেল চালুরও পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এমনটা হলে মেট্রোরেল চালু হতে পারে ২০২৩ সালের জুনের পর আর এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত। মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পথটি লাইন-৬ নামে পরিচিত হবে। এই পথের দৈর্ঘ্য ২০.১০ কিলোমিটার। এর মধ্যে স্টেশন থাকবে ১৬টি। লাইন-৬-এর মধ্যে দুটি ভাগ থাকবে প্রথমটি উত্তরা থেকে আগারগাঁও এবং দ্বিতীয়টি আগারগাঁও থেকে মতিঝিল। প্রায় ২২ হাজার কোটি ব্যয়ে সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন । জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা এই প্রকল্পে অর্থায়ন করছে। একটি ট্রেনে বসে এবং দাঁড়িয়ে মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩০৮ জন যাত্রী চড়তে পারবে। সম্পূর্ণ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) এই ট্রেনের দুই পাশে সবুজ রঙের প্লাস্টিকের দুই সারি লম্বা আসন পাতা হয়েছে। ট্রেনে ওঠার একমাত্র পথ স্টেশন ভবন। স্টেশনগুলো তিনতলা। সড়ক থেকে লিফট, এস্কেলেটর ও সিঁড়ি দিয়ে যাত্রীরা দ্বিতীয় তলার কনকোর্স হলে উঠবে। মেট্রোরেলের ট্রেন প্রতিটি স্টেশন থেকে পাঁচ মিনিট পরপর ছাড়বে। এক ট্রেনের সঙ্গে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার কাজটি কেন্দ্রীয়ভাবে কম্পিউটারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হ‌লে বা লাইনে কোনো বাধা থাক‌লে ট্রেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে থেমে যাবে। সর্বোপরি বলা যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ঢাকার নগর বাসিরা শান্তির সাথে প্রতিটি কাজকর্ম, চলাফেরা আর ঘোরাফেরা করতে পারবে। ঢাকার জনগন এর জন্য মেট্রো রেল যানজট এর নিরসন

‘সুন্দরবন’ একটা অপরূপ সুন্দরএ ঘেরা বন ,আসলেই সুন্দরবনের নাম করণের সার্থকতা আছে। সৌন্দর্যের লীলাভূমি হল সুন্দরবন এই বনকে ...
06/28/2021

‘সুন্দরবন’ একটা অপরূপ সুন্দরএ ঘেরা বন ,আসলেই সুন্দরবনের নাম করণের সার্থকতা আছে। সৌন্দর্যের লীলাভূমি হল সুন্দরবন এই বনকে কেন সুন্দরবন বলা হয় তার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ যায়নি। তবে প্রচলিত ধারণা মতে, এই বনে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে সুন্দরীগাছ থাকার কারনে এই বনের নামকরণ করা । তবে অনেকের ধারনা, স্থানীয় আদিবাসীরা এই বনকে ডাকতো ‘চন্দ্র-বান্ধে’ আর এই নামটিই পরবর্তী সময়ে বর্তমান ‘সুন্দরবন’ নামে রূপ পেয়েছে। বাংলাদেশের সমগ্র বনভূমির ৪৪ শতাংশই সুন্দরবন । ১৯৯৬ সালে সুন্দরবনে তিনটি অভয়ারণ্য ছিল এবং ২০১২ সালে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হইয়েছিল । ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনের ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ হেক্টর এলাকা বন্য প্রাণীদের জন্য অভয়ারণ্য হিসাবে গড়ে উঠে এবং এই এলাকাকে ইউনেসকো ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য বলে ঘোষণা করে । আর তাই সুন্দরবন নিয়ে ইউনেসকো বিশ্ব ঐতিহ্যের সম্মান ধরে রাখতে মানতে হবে কিছু শর্ত, যা হল এই বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের পাশে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ বন্ধ রাখতে হবে। সুন্দরবনের পাশে আর কোনো ভারী শিল্পকারখানার অনুমোদন দেওয়া যাবে না। এরই মধ্যে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানাগুলোর প্রভাব মূল্যায়ন করতে একটি সমীক্ষা (এসইএ) করতে হবে। এরপর সেখানে কোন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে ও কোন ধরনের স্থাপনা করা যাবে না, সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার বেবস্থা করতে হবে। ১৬ জুন জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর ‘রিয়েকটিভ মনিটরিং মিশনের’ এক প্রতিবেদনে এমন সব শর্ত দেওয়া হয়েছে। এমনকি এতে আরো বলা হয়েছে, এসব শর্ত বাংলাদেশ কতটুকু পালন করল, তার ওপর নির্ভর করবে সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্যের সম্মান থাকবে কি না।

পৃথিবীতে অধিকারবঞ্চিত, নির্যাতিত, শোষিত ও নিষ্পেষিত মানুষের জন্য ত্রাণকর্তা হিসেবে যুগ যুগ ধরে  আবির্ভূত হয়েছেন বহু মহাম...
06/23/2021

পৃথিবীতে অধিকারবঞ্চিত, নির্যাতিত, শোষিত ও নিষ্পেষিত মানুষের জন্য ত্রাণকর্তা হিসেবে যুগ যুগ ধরে আবির্ভূত হয়েছেন বহু মহামানবের। এর মাঝে অনেককেই শাসকের নির্যাতন এবং রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, জেল খানায় নিপীড়ন সহ্য করে লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হয়েছে। এমন ই একজন মহামানব এর জন্ম হয় বাংলার মাটিতে। ১৯৭১ সালে অধিকারবঞ্চিত বাঙালীর জন্য স্বাধীনতা এনেছিলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানের নানান রকম জুলুম নির্যাতন সহ্য করে, বারবার মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে ২৩ বছর পর বাঙালীর জন্য স্বাধীনতা এনেছিলেন আমাদের জাতির পিতা। ৩০ লাখ শহীদ এর প্রান আর দুই লাখ মা-বোনের সম্মানের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মানবতাবাদী নেতা । শোষিত নিপীড়িত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে সারা বিশ্বে ছিল তাঁর পরিচিতি। পিতার যোগ্য উত্তরসূরি কন্যা শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের যোগ্য অবস্থান আগেই তৈরি করেছেন। মানবিকতার দৃষ্টান্তমুলক পরিচয় দিয়েছেন খুন-ধর্ষণ-বর্বর নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী শরণার্থীদের আশ্রয়-সেবা দিয়ে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের প্রতি মানবিক মনোভাবের পরিচয় দেওয়ায় বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে একটি আলোচিত নাম।
সারা বিশ্বের নানা রকম পত্রপত্রিকার খবের রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতা এবং শান্তির অনন্য নজির স্থাপনের জন্য শেখ হাসিনাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করার প্রস্তাব করছেন বিশ্বের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীরা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু রোহিঙ্গা ইস্যুতেই যে মানবিক তা নয়, তিনি তার নানান রকম কাজের জন্যও মানবিক। যেমন তিনি বাংলাদেশের মতো একটি দেশের সমস্যা গুলো খুব সহজ এই সমাধান করেছেন। তিনি অন্য সবার মতো জোরপূর্বক সমাধানের পথে হাঁটেননি তিনি হেঁটেছেন শান্তির পথে। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিবাহিনীর সমস্যা মানবিকভাবেই সমাধান করেছিলেন, তিনি বাংলাদেশের মতো একটি দেশে বয়স্কদের জন্য বয়স্কভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করেন, বিধবাদের জন্য বিধবাভাতা দেয়ার ব্যবস্থা করেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জন্য ও তিনি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। দেশ দেড়-দুই কোটি স্কুলগামী শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে বই প্রদান করেন, এবং উপবৃত্তিও দেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হৃদয়টা অনেক বড় আর তাইতো তিনি মানবিকতার জননী।

আপনার কি জানেন সূর্য মামার কথা…নাসার তথ্যসূত্র মতে,          আমাদের সূর্য এত বড় যে এর ভেতরে তের (১৩) লক্ষ পৃথিবী ঢুকিয়ে ...
06/20/2021

আপনার কি জানেন সূর্য মামার কথা…

নাসার তথ্যসূত্র মতে,
আমাদের সূর্য এত বড় যে এর ভেতরে তের (১৩) লক্ষ পৃথিবী ঢুকিয়ে দেয়া যাবে।
সূর্য থেকে মাঝে মাঝে আগুনের ফুলকি ছিটকে বের হয়,যেগুলোর এক একটার আকৃতি কয়েকশ পৃথিবীর সমান।

ভয়াবহ কথা কি জানেন!!!
নানা রকম সব দানবকৃতির নক্ষত্র মহাবিশ্বে ছড়িয়ে আছে, যাদের ভেতর একশো (১০০) কোটি সূর্য এটে যাবে। এখন পর্যন্ত জানা সবচেয়ে বড়ো স্টিপেনসন নক্ষত্রটি ১০০ কোটি সূর্যের সমান বড়।

আসুন এবার জানি সূর্য মামার পরিচয়।
সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রা প্রায় দেড় কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পৃথিবী থেকে দূরত্ব ১৪.৯,৫৯৭,৯ কোটি কিলোমিটার।
গড় ব্যাসার্ধ ৬৯৫,৫০৮ km
ভর ১,৯৮৯,১০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ kg
ঘনত্ব ১.৪০৯ g/cm3
অভিকর্ষ ত্বরণ ২৭৪.০ m/s2
সূর্য একটি গ্যাসীয় পিন্ড। কোন কঠিন পৃষ্ট নেই
সূর্যে ৯২% হাইড্রোজেন এবং ৭% হিলিয়াম রয়েছে।
সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্র অবস্থিত এবং সৌরজগতের মোট ভরের ৯ ৯.৯৬ ভাগ সূর্যের।
সূর্যের ৮ টি গ্রহ,৫ টি বামন গ্রহ, কয়েক হাজার উল্কা এবং ধূমকেতু রয়েছে।
সূর্যের বলয় নেই।
বয়স ৪৬০ কোটি বছর।
পারিপার্শিক নক্ষত্রের সাপেক্ষে গতিবেগ ১৯.৭km/S
সূর্যের মুক্তি বেগ সেকেন্ড এ ৬১৭.৭ কিলোমিটার।

বাবা মাকে ভালবাসার ব্যাপার টা না আলাদা করার কিছু আছে না আলাদা করে কোন দিন হয়। তবে একটা বিশেষ দিন পালন করতে খারাপ লাগে না...
06/20/2021

বাবা মাকে ভালবাসার ব্যাপার টা না আলাদা করার কিছু আছে না আলাদা করে কোন দিন হয়। তবে একটা বিশেষ দিন পালন করতে খারাপ লাগে না। একটু স্পেশাল ই লাগে। আর বাবা মা দুজনকে নিয়ে দুটি দিন পালন করা মানে তারা ও একটু খুশি হয়। সারা বিশ্বই বাবা মা দিবস পালন করছে। সারা বিশ্বে ফাদার্স ডে মানে বাবা দিবস পালন করা হয় পিতৃত্বের উদযাপন করার জন্য। বেশিরভাগ দেশেই এটি জুন মাসের তৃতীয় রবিবার পালন করা হয়। আমেরিকা ও ইউরোপের মতো দেশে ফাদার্স ডে’র দিন (বাবা দিবস) ছুটি থাকে।
আসলে এই বাবা দিবস তো আগে ছিল না তাহলে আসল কবে থাকে? এবং কেন প্রচলিত হল এই দিনটি? তাহলে একটু ঘুরে আসি ১৯১০ সাল থাকে।
এই দিনটির উদযাপন প্রথম আমেরিকাতে শুরু হয়। লোক মুখে বলা হয় একজন আমেরিকান মহিলা যার নাম সোনোরা স্মার্ট ডড তিনি ফিল করেন মাদার্স ডে’র ( মা দিবস ) মতো আমাদের ফাদার্স ডেও (বাবা দিবস) পালন করা উচিত। কারণ, আমাদের জীবনে বাবা এবং মা, দু’জনেরই গুরুত্ব সমান।সৃষ্টিকর্তার হুকুম এ দুজন এর জন্যই আজ আমরা এই সুন্দর পৃথিবীকে দেখছি। মূলত এই ভাবনা থেকেই ফাদার্স ডে’র জন্ম হয়। ১৯১০ সালের জুন মাস থেকে এই দিনটি পালন করা হচ্ছে।
বাবা আমাদের জীবনের সবচেয়ে ভালো জিনিস গুলো দিয়েছে বাবা তার সবচেয়ে মূল্যবান সময় দিয়েছে, আর যত্ন, ভালোবাসার কথা না ই বলি অফুরন্ত দিয়ে যায় । আমাদের সত্যিই ধন্য হওয়া উচিৎ এমন বাবাদের প্রতি । ধন্যবাদ জানাই আরও সেই সব বাবাদের , যখন আমরা বাচ্চা ছিলাম তখন বাচ্চাদের মতো অভিনয় করার জন্য, যখন একজন ভাল বন্ধুর প্রয়োজন পড়েছিল তখন বন্ধু হিসেবে অভিনয় করার জন্যে এবং যখন আমাদের প্রয়োজন তখন বাবা-মায়ের মতো কাজ করার জন্যে । অসুস্থতায় পাগলের মত চিন্তা করা, রাত এর পর রাত জেগে সুস্থ করা। সেই সব বাবাদের প্রতি সম্মান জানাই সেই সব বাবারাই সেরা মানুষ। সব বাবাদের জানাই অন্তর থেকে সম্মান ও স্রধা । শুভ বাবা দিবস এ একটা ই কথা বলতে চাই স্রধার পাত্র বাবাকে সম্মান করুন কষ্ট বুঝার চেষ্টা করুন, দুঃখ দিয়েন না কাউ।

জানেন কি কেউ? সব থেকে বড় ব্ল্যাক হোল কোনটি ??আসুন একটু জেনে নি...... পৃথিবী থেকে ১.০.৭ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত Ton...
06/16/2021

জানেন কি কেউ? সব থেকে বড় ব্ল্যাক হোল কোনটি ??
আসুন একটু জেনে নি......
পৃথিবী থেকে ১.০.৭ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত Ton 618 নামের এই ব্ল্যাক হোল। যাকে বিজ্ঞানীরা Quasar বলে থাকে।
Quasar তার আশে পাশের সকল তারার আলোকে টানতে থাকে।
যার ফলে এটি ইউনিভার্সের সবচেয়ে আলোকিত Object বলে পরিচিত।
এর Diameter হচ্ছে- ১৯৮ বিলিয়ন কিলোমিটার। এর আলো কম করে হলেও ১৪০ ট্রিলিয়ন তারার সমপরিমাণ।
যদি এক হাজারেরও বেশী গ্যালাক্সিকে একসাথে মিলিয়ে দেয়া হয় তবুও এড়ালো সামনে কম হয়ে যাবে।
এখানে যদি আপনার কারো মনের মাঝে একটু ভ্রমণ করার ইচ্ছা হয় , তাহলে আপনাকে জানিয়ে রাখি, আজও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে গতি সম্পন্ন স্পেস গ্রেট New Horizons দিয়ে এর এক চক্কর দিতে কম করে হলেও.৪০০ কোটি বছর লেগে যাবে।
Ton 618 ব্ল্যাক হোলে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য মতে ৪৬টি সৌরজগতের চেয়েও বড়।
এই Object এতটাই বড় যে এখানে ৪,৫০.০০০ UY scuti এর মত তারা অনায়াসেই এঁটে যাব। 😱😱

Address

New York, NY

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Technology News Update posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share